Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

আম সংরক্ষন করা যাবে এমন বিদ্যুৎ বিহীন প্রাকৃতিক হিমাগার

রাজশাহী ও রংপুরের পর এবার মেহেরপুরেও তৈরি হচ্ছে বিদ্যুৎ বিহীন প্রাকৃতিক হিমাগার। এখানে অল্প খরচে সংরক্ষণ করা যাবে পিঁয়াজ ও আলু। এই হিমাগার সফলভাবে বাস্তবায়ন হলে ভবিষ্যতে আম ও লিচুর সংরক্ষণাগার তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তা। কৃষি বিভাগ বলছে, এই সংরক্ষণাগার বিদ্যুৎচালিত সংরক্ষণাগারের চেয়েও অনেক বেশি সাশ্রয়ী।

মেহেরপুর সদরের শ্যামপুরে স্থাপন করা হয়েছে বিদ্যুৎ বিহীন প্রাকৃতিক হিমাগার। আড়াই বিঘা জমিতে প্রায় ৮০ লাখ টাকা খরচে নির্মিত এই হিমাগারে একসাথে প্রায় দেড়শ’ টন পণ্য সংরক্ষণ করা যাবে। ইট, বালি, সিমেন্ট, ছাই, বাঁশ আর খড় দিয়ে তৈরি এই প্রাকৃতিক সংরক্ষণাগারের ৪টি স্তরে পিঁয়াজ ও আলুর পাশাপাশি কম খরচে রাখা যাবে আদা ও রসুন। প্রত্যন্ত অঞ্চলে সাশ্রয়ী এ সংরক্ষণাগার স্থাপন হওয়ায় খুশি স্থানীয়রা।

এই হিমাগার সফল হলে পরবর্তীতে আম ও লিচুর সংরক্ষণাগার স্থাপনের আগ্রহের কথা জানালেন উদ্যোক্তা। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে পণ্যের পচন রোধে এতে ব্যবহার হচ্ছে এ্যাডজাস্টমেন্ট ফ্যান। এতে একদিকে যেমন পণ্যের মান ভালো থাকে, অন্যদিকে চাষিদের সংরক্ষণ খরচও হয় কম। তাই এ ধরনের সংরক্ষণাগার স্থাপনে বিত্তবানদের উৎসাহিত করতে চায় কৃষি বিভাগ।

বেসরকারী উদ্যোক্তারা এগিয়ে এলে ফসল, সব্জি ও ফলমূল সংরক্ষণের মাধ্যমে প্রাকৃতিক সংরক্ষণাগার কৃষি অর্থনীতিতে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

Comment (0) Hits: 1906
 

ফরমালিনের বিকল্প চিংড়ির খোসা

বাজারে আম সহ মাছ, ফল, সবজিসহ বিভিন্ন খাদ্য সংরক্ষণে যখন হরহামেশাই ব্যবহার হচ্ছে মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান ফরমালিন, ঠিক তখনই এর বিকল্প আবিষ্কার করেছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ড. মোবারক আহম্মদ খান।

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রধান এই বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা তার দীর্ঘ গবেষণায় আবিষ্কার করেছেন, খাদ্য সংরক্ষণে ফরমালিনের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যাবে কাইটোসেন। চিংড়ির ফেলে দেওয়া খোসা থেকে প্রাকৃতিকভাবেই তৈরি হয় এ কাইটোসেন। এটি ব্যয়সাশ্রয়ী এবং মানবদেহের জন্য ক্ষতিকরও নয়। ড. মোবারক এরই মধ্যে বিভিন্ন রকম ফল ও সবজি সংরক্ষণে চিংড়ির খোসা থেকে তৈরি কাইটোসেন ব্যবহার করে সফল হয়েছেন। এখন তার এ গবেষণা প্রয়োগ করা হবে মাছের ওপর। তার পর শুরু হবে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার। তিন বছর ধরে গবেষণার পর তিনি কাইটোসেন ব্যবহার করে আম দুই থেকে তিন সপ্তাহ, লিচু ১২ থেকে ১৩ দিন, আনারস ১০ থেকে ১২ দিন, করলা হিমায়িতভাবে প্রায় ১৮ দিন এবং টমেটো ২১ দিন সংরক্ষণ করতে সক্ষম হয়েছেন।

এতে খাদ্যের গুণগত মান, আকৃতি, রঙ ও স্বাদে পরিবর্তন হবে না।

গত চার বছরে এক হাজার কেজির বেশি ফরমালিন আমদানিতে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় হয়েছে উল্লেখ করে ড. মোবারক বলেন, দেশীয় কাঁচামাল ব্যবহার করেই চাহিদা অনুযায়ী কাইটোসেন উৎপাদন সম্ভব। বাণিজ্যিকভাবে প্রতি কেজি আমে এক টাকার কাইটোসেন যথেষ্ট। সবজি সংরক্ষণে খরচ পড়বে ৪০ পয়সা। প্রতি কেজি চিংড়ি থেকে ৬০ গ্রাম খোসা পাওয়া যায়। সে হিসাবে ছয় কেজি চিংড়ির খোসা থেকে এক কেজি কাইটোসেন তৈরি হবে, যা তৈরিতে খরচ হবে ২০ হাজার টাকা। অথচ পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে রাসায়নিকভাবে কাইটোসেন তৈরিতে এক লাখ টাকা খরচ হয়। এটি তৈরিতে চিংড়ির খোসা ধোয়ার জন্য ৩ শতাংশ হারে সোডিয়াম হাইড্রো-অক্সাইড (কস্টিক সোডা) ব্যবহার করা হয়। খোসা ধুয়ে পরিষ্কারের পর তৈরি করা হয় কাইটিন। গবেষণায় তিনি গামা রশ্মির রেডিয়েশনের মাধ্যমে কাইটিন থেকে কাইটোসেন তৈরি করেন। খাদ্য সংরক্ষণে রেডিয়েশন প্রযুক্তি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডবি্লউএইচও) ও যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ইউএসএফডিএ) অনুমোদিত একটি নিরাপদ প্রক্রিয়া। অন্য রাসায়নিক ব্যবহার হয় না বলে এতে পরিবেশ দূষণ হয় না।ড. মোবারক আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সম্প্রতি এক বৈঠকে তার আবিষ্কারের বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়েছে। পরে এটি বাস্তবায়নে তিনিসহ এ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব, দপ্তরের মহাপরিচালক, বুয়েটের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের নিয়ে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির বৈঠকে বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে খতিয়ে দেখতে অন্যান্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে বলা হয়েছে। পাশাপাশি মাছের ওপর কাজ শুরু করার জন্যও অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, বাংলাদেশে বছরে গড়ে আড়াই টন চিংড়ি উৎপাদিত হয়। এ থেকে খোসা হয় ১৫ হাজার টন। এ থেকে কাইটোসেন উৎপাদন হবে ২৫০ টন। খাদ্য সংরক্ষণের জন্য ওই পরিমাণকে যথেষ্ট মনে করেন বিজ্ঞানীরা।বাংলাদেশে কাইটোসেন তৈরি প্রক্রিয়া পেটেন্ট করার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছেন বলেও জানান ড. মোবারক আহম্মদ খান।

Comment (0) Hits: 1797
 

ব্যাগিং পদ্ধতিতে আম চাষ

ঝিনাইদহে দিন দিন বাড়ছে আম চাষের আবাদ। স্বাস্থ্য ঝুঁকিবিহীন জৈব আর ব্যাগিং পদ্ধতিতে আম চাষ করছে এই এলাকার আমচাষিরা। এ বছর ফলন ভালো হওয়ার আশায় খুশি তারা। জেলা থেকে বিদেশে রপ্তানী আর আম সংরক্ষণের দাবি চাষিদের।
জানা যায়, ২০১১ সালে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় আমের আবাদি জমির পরিমাণ ছিল মাত্র ২১০ হেক্টর। ওই বছর থেকে মুজিবনগর সমন্বিত কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কোটচাঁদপুর উপজেলার সলেমানপুর গ্রামে আমের প্রদর্শনী শুরু হয়। ২ বছর যেতে না যেতেই এর সুফল পেতে শুরু করে কৃষক। এরপর একে অপরের দেখাদেখি আম চাষ শুরু করেন। বর্তমানে ওই উপজেলায় ৭ হেক্টর জমিতে চাষ করা হচ্ছে আম্রপলি, ল্যাংড়া, ফজলি, তিলে বোম্বাই, হাড়ি ভাঙ্গা, হিমসাগরসহ সুস্বাদু আম। সলেমানপুর এলাকার প্রায় ৪ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে আবাদ হচ্ছে আমের। আবহাওয়া অনকূলে থাকা আর কৃষি বিভাগের প্রযুক্তিগত পরামর্শে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার আম বাগানগুলোতে আমের বাম্পার ফলন বলে আশা চাষিদের। চাষিরা সেক্স ফেরোমন ও ব্যাগিং পদ্ধতিতে এ বছর শুরু করে আমের পরিচর্যা। রোদ, বৃষ্টি বা পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য কার্বন ব্যাগ পরিয়ে রাখা হচ্ছে। এছাড়াও আমের পোকা-মাকড় দূর করার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে সেক্স ফেরোমন পদ্ধতি। জৈব পদ্ধতিতে আম চাষের কারণে গুণগত মান ও গুণ ২টি বাড়বে বলে মনে করেন কৃষক। এতে লাভবান হবেন আম চাষি, বাগান মালিক ও আম ব্যবসায়িরা। বর্তমানে কোটচাঁদপুর উপজেলার ৭ হাজার পরিবার আম চাষের সঙ্গে সম্পৃক্ত। সেই সঙ্গে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে ২ হাজার মানুষের।
আমচাষি শহিদুল ইসলাম বলেন, প্রথমে তিনি ৪ বিঘা জমিতে প্রদর্শনী প্লট করেন তিনি। ৩ বছর পর তিনি সেই বাগান থেকে আম সংগ্রহ শুরু করেন। অন্যান্য ফসলের চেয়ে লাভ বেশি হওয়ায় তিনি বর্তমানে ২০ বিঘা জমিতে আমের চাষ করেছেন। আমচাষি আবদুল আজিজ বলেন, প্রথমে ৩ একর জমিতে আম চাষ শুরু করেন। প্রথমে খরচ একটু বেশি হলেও বর্তমানে বিঘাপ্রতি মাত্র ১০ হাজার টাকা ব্যয় হচ্ছে। আর সেখান থেকে আয় হচ্ছে ৩০ হাজার টাকা। যে কারণে তিনি অন্যান্য ফসল আবাদ বাদ দিয়ে আম চাষ করছেন। আবুল হোসেন নামের অন্য কৃষক বলেন, আম চাষ লাভবান করার জন্য বর্তমানে জৈব পদ্ধতিতে আম চাষ করা হচ্ছে। প্রতিটি গাছের ডালে সেক্স ফেরোমেন দেওয়া হচ্ছে। কোনো প্রকার রাসায়নিক বা ওষুধ আম গাছে দেওয়া হয় না। এছাড়াও এ বছর ব্যাগিং পদ্ধতি শুরু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আম পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা পাবে। সেই সঙ্গে আমের স্বাদ ও গুণ বজায় থাকবে। তবে এখান থেকে আবাদকৃত আম বিদেশে রপ্তানি করার দাবি তাদের। আমচাষি বাবুল সর্দার বলেন, আম মৌসুমী ফল। অন্যান্য ফসলের ন্যায় যদি আম সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা সরকার গ্রহণ করতো তাহলে আমচাষিরা আরও লাভবান হতো। আম ব্যবসায়ী ওমর ফারুক বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এ এলাকা থেকে আম নিয়ে ঢাকায় পাঠান। এখানকার আম স্বাদে ও গুণে ভালো হওয়ার কারণে বেশি লাভ করতে পারেন। কোটচাঁদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ সাজ্জাদ হোসেন বলেন, কোটচাঁদপুর উপজেলায় ৭০০ হেক্টর জমিতে প্রায় ২০ হাজার টন আম উৎপাদন হবে। যা জেলার চাহিদা মিটিয়ে পাঠানো হবে দেশের বিভিন্ন স্থানে। উপজেলা থেকে আবাদকৃত আম যদি দেশের বাইরে রপ্তানি করা যেত তাহলে আমচাষিরা আরও আগ্রহী হয়ে উঠত। এছাড়া কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে চাষিদের সকল প্রকার সহায়তা করা হচ্ছে। যেকোনো সমস্যায় মাঠ পর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক প্রযুক্তিগত পরামর্শ দিয়ে আসছেন।

Comment (0) Hits: 1814

আম বাগানে ‘জাদুর ফাঁদ’

চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমবাগানগুলোতে আমের ‘মাছিপোকা’ দমনে কীটনাশক ব্যবহার না করে সেক্স ফেরোমেন ফাঁদ ব্যবহার শুরু হয়েছে। পরিবেশবান্ধব এই ফাঁদকে কোথাও কোথাও ‘জাদুর ফাঁদ’ও বলা হয়ে থাকে।
দু-তিন দিকে কাটা-ফাঁকা স্থান দিয়ে মাছিপোকা ঢুকতে পারে, এমন একটি প্লাস্টিকের কনটেইনার বা বোতলের নিচে রাখা হয় গুঁড়াসাবানমিশ্রিত পানি। আর ওপরে ঝোলানো থাকে হরমোন-জাতীয় সেক্স ফেরোমেনের একটি ছোট পুঁটলি। সেই পুঁটলি থেকে বের হয় স্ত্রী মাছিপোকার শরীরের সুগন্ধ। এই গন্ধ সাধারণত তৈরি হয় মাছিপোকার মিলনের আগে। গন্ধে মাতাল হয়ে পুরুষ মাছিপোকা ছুটে আসে ফেরোমেন পুঁটলির দিকে। সেখানে প্লাস্টিকের পাত্রের গায়ে ধাক্কা খেয়ে নিচের গুঁড়াসাবানমিশ্রিত পানিতে পড়ে মারা যায় ওই পোকাগুলো।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের কল্যাণপুর উদ্যানতত্ত্ব কেন্দ্রের (হর্টিকালচার সেন্টার) আমবাগানে গিয়ে দেখা যায়, মাছিপোকা দমনে ফাঁদের ব্যবহার। স্থানীয় আম ব্যবসায়ী আমির হোসেন জানান, কেন্দ্রের বাগান ছাড়াও তাঁদের কেনা আরও আমবাগানে এই ফাঁদ ব্যবহার করা হচ্ছে। ফাঁদ ব্যবহার সম্পর্কে তিনি জানান, অর্ধেকেরও কম টাকা খরচে মাছিপোকা দমন করা সম্ভব হচ্ছে। এ ছাড়া বেশিসংখ্যক শ্রমিক নিয়োগ করে যন্ত্রপাতি দিয়ে কীটনাশক ছিটানো ঝামেলার ব্যাপার। এ থেকে মুক্ত থাকা যাচ্ছে।
উদ্যানতত্ত্ব কেন্দ্রের সহকারী উদ্যানতত্ত্ববিদ শাহীন সালে উদ্দীন জানান, আমে মাছিপোকা দমনে এই ফাঁদের ব্যবহার ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছে। এই ফাঁদ একে তো পরিবেশবান্ধব, তার ওপর কীটনাশক ব্যবহারের তুলনায় ৭০ ভাগ কম খরচে এই পোকা দমনের ব্যবস্থা করা সম্ভব। মাছিপোকা দমনে এই পদ্ধতি ৮০ থেকে ৯০ ভাগ কার্যকর। এ ফাঁদের ব্যবহার বাড়লে কীটনাশকের ব্যবহার কমবে।

Comment (0) Hits: 1928
বাজারে গত মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই আম আম রব। ক্রেতা যে আমেই হাত দিক না কেন দোকানি বলবে হিমসাগর নয়তো রাজশাহীর আম। ক্রেতা সতর্ক না বলে রঙে রূপে একই হওয়ায় দিব্যি গুটি আম চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে হিমসাগরের নামে। অনেকসময় খুচরা বিক্রেতা নিজেই জানে না তিনি কোন আম বিক্রি করছেন। ...
ফলের রাজা আম।বাংলাদেশ এবং ভারত এ যে প্রজাতির আম চাষ হয় তার বৈজ্ঞানিক নাম Mangifera indica. এটি Anacardiaceae পরিবার এর সদস্য। তবে পৃথিবীতে প্রায় ৩৫ প্রজাতির আম আছে। আমের বিভিন্ন জাতের মাঝে আমরা মূলত ফজলি, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, ক্ষিরসাপাত/হীমসাগর,  আম্রপালি, মল্লিকা,আড়া ...
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার ভোলাহাট আম ফাউন্ডেশনে উন্নত ও আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করে আম বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে আমচাষীদের নিয়ে পরীক্ষামূলক প্রদর্শনী ও সভা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) সকাল থেকে শুরু হয়ে দিনব্যাপী চলা বিভিন্ন প্রদর্শনীতে এলাকার আমচাষী ও ব্যবসায়ীরা অংশ ...
রাজধানীর মালিবাগের আবদুস সালাম। বয়স ৭২ বছর। তার চার তলার বাড়িতে রয়েছে একটি দুর্লভ ‘ছাদবাগান’। শখের বসে এ বাগান করেছেন। বছরের সব ঋতুতেই পাওয়া যায় নানা ধরনের ফল। এখনো পাকা আম ঝুলে আছে ওই ছাদবাগানে। শুধু আম নয়, ৫ কাঠা ওই বাগানজুড়ে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ফুল, ফলসহ অন্তত ১০০ ...
মৌসুমি ফল দিয়ে কর্তা ব্যক্তিদের খুশি করে স্বার্থ উদ্ধারের পদ্ধতি অনেক দিনের। বর্তমানে এই খুশি বিষয়টি আদায় করতে নগদ অর্থ খরচ করতে হলেও ফল থেরাপি ধরে রেখেছে অনেকেই। এর একটি হল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের জন্য নিয়মিত ...
রীষ্মের এই দিনে অনেকেরই পছন্দ আম।এই আমের আছে আবার বিভিন্ন ধরণের নাম।কত রকমের যে আম আছে এই যেমনঃ ল্যাংড়া,ফজলি,গুটি আম,হিমসাগর,গোপালভোগ,মোহনভোগ,ক্ষীরশাপাত, কাঁচামিঠা কালীভোগ আরও কত কি! কিন্তু এবারে বাজারে এসেছে এক নতুন নামের আর তার নাম 'বঙ্গবন্ধু'। নতুন নামের এই ফলটি দেখা ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২