Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

ল্যাংড়া আমের গল্প

ফুলের রানী গোলাপ আর ফলের রাজা আম। আমের জন্মস্থান এই ভারত। কোন কোন পণ্ডিতের মতে সিংহল। সিংহলকে এখন বলে ‘শ্রীলংকা’। আগে বলত শুধু ‘লংকা’। সেখানে তখন প্রচুর লংকা হত কিনা জানি না, কিন্তু আম যে হত, সে-কথার উল্লেখ আছে রামায়ণে।
রামায়ণের গল্প জান তো? পিতৃসত্য পালনের জন্য রাম গেলেন বনে, সঙ্গে গেলেন সীতা আর লক্ষ্মণ। লংকার রাজা রাবণ একদিন সীতাকে চুরি করে নিয়ে পালান। সীতা উদ্ধারের জন্য রাম মিতালি পাতালেন কিষ্কিন্ধ্যার রাজা সুগ্রীবের সঙ্গে। দেশে দেশে সুগ্রীবের বাহিনী ছুটল সীতার খোঁজে। হনুমান গেলেন লংকায়। তাঁর কাছে রামের খবর পেয়ে খুব খুশি হলেন সীতা। খেতে দিলেন একটি আম। হনুমান আম খাননি আগে। খেতে দারুণ ভাল লেগে গেল তাঁর। আরও খেতে সোজা হানা দিলেন রাবণের সাধের আম্রকুঞ্জে। ফলে হনুমানকে বেঁধে তাঁর লেজে আগুন দিয়ে দেওয়া হল। তারপর সেই আগুনে লংকাদাহ।
আম নিয়ে আরও এক মজার গল্প আছে। প্রাচীন ভারতের ঐশ্বর্যের কথা তখন লোকের মুখে মুখে। গজনির সুলতানের কানে গেল সেটা। সত্যি-মিথ্যে খোঁজ নিতে পাঠালেন উজিরকে। উজির বহু জায়গা ছদ্মবেশে ঘুরে দেখে ফিরে গেলেন গজনি। সুলতানকে ভারতের ঐশ্বর্যের বর্ণনা দিতে দিতে একসময় এলেন সে-দেশের ফলের কথায়। ‘‘হুজুর হিন্দুস্তানে দেখলাম এক আজব গাছ, এদেশের খেজুরের মত একপায়ে খাড়া। মাথার উপর ইয়া বড় বড় ফল। ঈশ্বরের কী দয়া। ঐ ফলের ভিতর রেখেছেন ভূখাদের জন্য দুখানা মিষ্টি রুটি আর এক লোটা মিঠা পানি।’’ বুঝতে পেরেছ আশা করি-উজির বলছিলেন আমাদের নারকেলের কথা। তারপর তিনি এলেন আমের প্রসঙ্গে। বললেন, ‘‘আমার অপরাধ মাফ করবেন। আমার এই পাকা দাড়িতে যদি গুড় আর পাকা তেঁতুল একসঙ্গে চটকে ঘন করে মাখি আর আপনি সেটা চুষতে থাকেন, তা হলে তখন যে স্বাদ পাবেন-ঠিক সেইরকম স্বাদের একটা ফল আছে হিন্দুস্তানে। হিন্দুস্তানীরা তাকে বলে আম।’’
আমের এমন বিচ্ছিরা বর্ণনা শুনে উজিরের উপর রাগ হয় আমাদের। হয় তাঁর বরাতে ভাল আম জোটেনি, নয়ত তখন ভাল আম ছিলই না এদেশে। নইলে উজিরের ঐ আমের সঙ্গে আমের সেরা ‘ল্যাংড়ার’ কি কোন তুলনা হয়?
সেই ল্যাংড়া আমের কথায় আসছি। কাশীর পেয়ারার মত কাশীর আমেরও বেশ নাম। অনেক দিন আগের কথা। তখন কাশীর বাজারে অনেক রকমের আম আসত। তার মধ্যে স্বাদে-গন্ধে সেরা একটা আম পাওয়া যায় মাঝে মাঝে। এই আম আসে এক খোঁড়া ভদ্রলোকের বাগান থেকে। অন্য আম ছেড়ে খরিদ্দারেরা ভিড় করেন এই আম কিনতে। তাই বাজারে এ-আমের চাহিদা খুব, দামও বেশী। খোঁড়াকে বলে ‘ল্যাংড়া’। ফিরিওয়ালা হেঁকে হেঁকে বিক্রি করে, ‘‘ল্যাংড়ার বাগানের আম কিনুন, ল্যাংড়ার বাগানের আম।’’
‘‘ল্যাংড়ার বাগানের আম’— মুখে মুখে ছোট হতে হতে এক সময় দাঁড়াল ‘‘ল্যাংড়া আম।’’ পরে আরও ছোট হয়ে ‘‘ল্যাংড়া’’। এটা অবশ্য গল্পই। সত্যি-মিথ্যা জানি না।

Comment (0) Hits: 1784
 

ল্যাংড়া, চৌসা, সফেদা – উপমহাদেশে আমের কথকতা

উপমহাদেশে ফলের রাজা আম৷ এ বিষয়ে দ্বিমত থাকতে পারে না৷ তার মধ্যে ভারতের কয়েকটি রাজ্যের আমের খ্যাতি ভুবনজোড়া৷ স্বাদে, গন্ধে আর রঙের বাহারে মন কেড়ে নেয়৷ উত্তর প্রদেশের দশেরি, ল্যাংড়া আর চৌষা জাতের আম তো ‘একম অদ্বিতীয়ম’! default  উত্তর প্রদেশের আমের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাদশাহি খানদানের ইতিহাস  উত্তর প্রদেশের আমের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাদশাহি খানদানের ইতিহাস৷ যেমন আমের রাজা দশেরির কথাই ধরা যাক৷ উত্তর প্রদেশের রাজধানী লক্ষৌ থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার রাস্তা পার হলে পড়ে মালিহাবাদ নামে একটা জায়গা৷ উন্নত প্রজাতির আম দশেরির জন্য এই এলাকা চিহ্নিত৷ এখানে ৩৫ হাজার হেক্টর জমি জুড়ে আছে আমের বাগান৷ রাজ্যের মোট আমের ফলনের ১২.৫ শতাংশ আম এই মালিহাবাদেই হয়৷ তাই মালিহাবাদকে বলা হয় ‘‘আমের রাজধানী''৷  ভারতের আম উৎপাদক সংস্থার সভাপতি ইনসরাম আলি বলেন, এই মালিহাবাদেই আছে সবথেকে প্রাচীন আম গাছ৷ একই পরিবারের বংশধরেরা দেড়শো থেকে দু'শো বছর ধরে এই আম বাগানের দেখাশোনা এবং আমের ব্যবসা করে আসছেন৷ Indien - Mangoverkäufer in Lucknow  ভারতে ১২ লাখ হেক্টরে আমের ফলন হয় গড়ে বছরে ১১ লাখ টন  মালিহাবাদি আম বাগানের দশেরি, ল্যাংড়া, চৌসা, সফেদা এবং অন্যান্য বিখ্যাত জাতের আমের কাছে অন্য জাতের আম টিকতে পারে না৷ তাই আম রসিকদের কাছে মালিহাবাদ হলো, ‘‘গার্ডেন অফ ইডেন''৷ মালিহাবাদি দশেরি আমকে ২০১০ সালে দেয়া হয় ভৌগলিক বিশেষত্বের মর্যাদা বা জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডকেশন স্টেটাস, জিআই৷ অষ্টাদশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে এখানে হতো ১,৩০০ জাতের আম৷ এখন তা নেমে এসেছে ৭০০-তে৷  মালিহাবাদ আম বাগানের বর্তমান মালিক আমের জাদুকর পদ্মশ্রী কলিমুল্লা খান জানান, লক্ষৌ থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে কাকোরি বলে একটা গ্রাম আছে – যেখানে ৩০০ বছরের পুরানো একটা দশেরি আম গাছ আছে, যার মালিক ছিলেন লক্ষৌ-এর নবাব৷ প্রবাদ আছে, ঐ বিরল জাতের আম গাছ অন্য কোথাও অন্য কেউ যাতে লাগাতে না পারে, তার জন্য ঐ গাছের আমের আঁটিতে ফুটো করে দিতেন৷ পাখিরা যাতে মুখে করে অন্যত্র নিয়ে যেতে না পারে, তার জন্য পুরো আম বাগান ঘেরা থাকতো জাল দিয়ে৷ সেই থেকে ঐ গ্রামের নাম হয় দশেরি গাঁও৷ Indien - Mangoverkäufer in Lucknow  ভারতে সবথেকে বেশি আম চাষ হয় অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশ ও উত্তর প্রদেশে  স্থানীয় লোকজনদের মতে অবশ্য মালিহাবাদ এবং দশেরি আম নিয়ে নানা গল্পকথা আছে৷ কেউ কেউ বলেন, প্রায় ২০০ বছর আগে ফকির মহম্মদ খান ওরফে গয়া মালিহাবাদির নেতৃত্বে একদল আফ্রিদি পাঠান ভাগ্যান্বেশনে আফগানিস্তানের সীমান্তে খাইবার গিরিপথের এক গ্রাম থেকে পেশাওয়ার হয়ে হিন্দুস্থানে আসে৷ প্রথমে তাঁরা আসে উত্তর প্রদেশের ফারুকাবাদে৷ সেখান থেকে অবধ-লক্ষৌ-এ৷ মহম্মদ খানের বীরত্ব এবং যুদ্ধ বিদ্যার নৈপূণ্য দেখে অবধের নবাব খুশি হন৷ বকশিস হিসেবে মহম্মদ খান ফলের বাগান করার অনুমতি প্রার্থনা করেন নবাব বাহাদুরের কাছে৷ সঙ্গে সঙ্গে তা মঞ্জুর হয়৷ কথিত আছে, মহম্মদ খান প্রথম মালিহাবাদে আমের চারা রোপণ করেন৷  তবে দশেরি আম বাগান সবই এককালে ছিল নবাবদের৷ পরে অন্যদের ইজারা দেয়া হয়৷ বাংলায় আমের খ্যাতি এককালে ছিল মুর্শিদাবাদের নবাব আমলে৷ এখনো বাংলার হিমসাগর, ল্যাংড়া, ফজলি আমের কদর আছে যথেষ্ট৷ কিন্তু সংরক্ষণের সুবিধা না থাকায় আম চাষিরা মার খায়৷ Indien - Mangoverkäufer in Lucknow  ভারতের উত্তর প্রদেশের মালিহাবাদকে বলা হয় সেদেশের ‘‘আমের রাজধানী’’  ভারতে ১২ লাখ হেক্টরে আমের ফলন হয় গড়ে বছরে ১১ লাখ টন৷ সবথেকে বেশি হয় অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশ ও উত্তর প্রদেশে প্রায় ২৬ শতাংশ৷ তারপর বিহার পশ্চিমবঙ্গ, কেরালা, মহারাষ্ট্র ও তামিলনাড়ুতে৷ জাতীয় হর্টিকালচারাল বিভাগ বিভিন্ন সংকর জাতের আম নিয়ে গবেষণা করছে৷ যেমন নীলম ও দশেরির সংকর জাতের আম হলো মল্লিকা৷ আম্রপালিও তাই৷ রত্না হলো আলফনসো আর নীলমের সংকর৷  আমের ফলন ভালো এবং উন্নত মানের হয় যেখানে গ্রীষ্ম মণ্ডলীয় আবহাওয়া আছে৷ অর্থাৎ বৃষ্টি, আদ্রতা ও কুয়াশা থাকে৷ এই সব ভৌগলিক কারণে ভারত বিশ্বের বৃহত্তম আম উৎপাদক দেশ৷ বিশ্বের ৬০ শতাংশ আম ভারতেই হয়৷ এর মধ্যে ৪০ শতাংশ আম রপ্তানি হয় প্রধানত ইউএই, কুয়েত ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশে৷ কিছুটা হয় ইওরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলিতেও৷ রপ্তানি বাজারের বিশেষ চাহিদা আলফনসো আর দশেরি আমের৷

Comment (0) Hits: 1592
 

সাতক্ষীরার বিখ্যাত ল্যাংড়া, আমরুপালি ও হিমসাগর আম এবারো যাচ্ছে বিদেশে

সাতক্ষীরার বিখ্যাত আম এবারো যাচ্ছে বিদেশে। গত বছরের তুলনায় এবার আম রপ্তানি হবে ১৮ মেট্রিক টন বেশি। ৪০ হাজার কেজি (৪০ মেঃ টন) আম ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যে রপ্তানি করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। ইতোমধ্যে কয়েক ধাপে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে আম চাষীদের।
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কাজী আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, সাতক্ষীরায় গোবিন্দ ভোগ, বোম্বাই, লতাসহ বিভিন্ন প্রজাতির আম চাষ হয়ে থাকে। এর মধ্যে হিমসাগর, ল্যাংড়া ও আমরুপালি আম বিদেশে রপ্তানি হয়। গত বছর সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলা থেকে ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যে ২২ মেট্রিক টন আম রপ্তানি হয়েছিলো। এবারো এসব দেশে আম রপ্তানি করা হবে। যার লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে ৪০ মেট্রিক টন।
সাতক্ষীরা একটি সম্ভাবনাময় জেলা উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, গত বার দুটি উপজেলায় আম চাষীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিলো। কিন্তু রপ্তানি বৃদ্ধি করতে এবার সকল উপজেলায় আম চাষীদের উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। তাদেরকে আম বাগান পরিচর্যার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, জেলায় ৩৯৫০ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে সদরে ১৫৩০ টি, কলারোয়ায় ১৩১০ টি, তালায় ১৪৫০ টি, দেবহাটায় ৪৭৫ টি, কালিগঞ্জে ৪২ টি, আশাশুনিতে ১৯০ টি এবং শ্যামনগর উপজেলা থেকে ০৫ টি আমবাগান রয়েছে।
এসব বাগানের আম এবার বিদেশে রপ্তানি করা হবে।  তিনি বলেন, জ্যৈষ্ঠ মাসের প্রথম দিক থেকে এসব বাগানের আম পেড়ে তা বিদেশে রপ্তানির ব্যবস্থা নেয়া হবে। আর বি ফুড, শিউলি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, মরিসন এন্টারপ্রাইজ, এম কে ইন্টারন্যাশনাল, ন্যানো গ্রæপ ও ইসলাম এন্টারপ্রাইজ সাতক্ষীরা থেকে গত বছর আম নিয়ে বিদেশে রপ্তানি করেছিলো। তিনি বলেন, আমের যে ফলন হয়েছে তাতে বড় ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় না ঘটলে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব।
উপ-পরিচালক কাজী আব্দুল মান্নান আরো বলেন, কৃষি অধিদপ্তরের আওতায় এসব আম বাগান পরিচর্যা করা হলেও এখনো আনেক আম বাগান অধিদপ্তরের আওতায় আসেনি। অনেক বাড়ির উঠানে ও বাসা বাড়ির ছাদে আম চাষ হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে আগামীতে জেলার আরো বেশি আম বাগান কৃষি অধিদপ্তরের আওতায় এনে আমের ফলন বৃদ্ধি ও জেলার চাহিদা মিটিয়ে আরো বেশি আম বিদেশে পাঠিয়ে সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করা যায় সে বিষয়ে দৃষ্টি রাখা হয়েছে।

Comment (0) Hits: 1764

কাল হতে যাচ্ছে ল্যাংড়া আম ব্যবসায়ীদের

আমের রাজা ল্যাংড়াকে বাজারে তুলতে প্রশাসন সময় বেঁধে দিয়েছে ৮ জুন। এর আগে ল্যাংড়া গাছ থেকেনামানো যাবে না। কিন্তু গত কয়েকদিন আগেই বাজারে এসেছে এই আম। চাষিরা বলছেন, অতিরিক্ত গরমের কারণে ল্যাংড়া আগেভাগেই গাছে পাকতে শুরু করেছে। তাই তারা বাজারেও তুলেছেন।

সোমবার বিকেলে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বরের আমের হাটে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর কাছে ল্যাংড়া আম দেখা যায়। প্রতিমণ ল্যাংড়া বিক্রি হচ্ছিল এক হাজার ৪০০ টাকা থেকে এক হাজার ৬০০ টাকায়।

আবদুল জাব্বার (৪৫) নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, এবার অতিরিক্ত গরম পড়েছে। তাই বেঁধে দেয়া সময়ের আগেই গাছে ল্যাংড়া আম পাকতে শুরু করেছে। লোকসান এড়াতে চাষিরা আম পেড়েছেনও। সেই আম তিনি কিনে বাজারে তুলেছেন।

ঝুড়িতে থাকা ল্যাংড়া জাতের একটি পাকা আম দেখিয়ে মহাররম আলী (২৮) নামে আরেক ব্যবসায়ী বলেন, তার ইজারা নেয়া বাগানে গত সপ্তাহের প্রথম থেকেই ল্যাংড়া পাকতে শুরু করেছে। এরপর আম পড়তে শুরু করেছিল। তাই তিনিও আম পেড়ে বাজারে তুলেছেন।

মমতাজ আলী (৪০) নামে অপর এক ব্যবসায়ী বলেন, আম পাকার ব্যাপারটি প্রত্যেক বছরের আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করে। ফলে কোন আম কখন পাকবে, তা আগে থেকে বলা মুশকিল। এবার গাছপাকা ল্যাংড়াই তারা বাজারে তুলেছেন। কিন্তু তা বেধে দেয়া সময়ের আগে হওয়ায় তারা ভ্রাম্যমাণ আদালতের আতঙ্কে আছেন। তাই আগামি বছর থেকে আম নামানোর ক্ষেত্রে কোনো সময় বেঁধে না দেয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সালাহউদ্দিন বলেন, এবার কৃষি বিভাগ, উপজেলা প্রশাসন ও আমচাষিদের সমন্বয়ে আম নামানোর সময় বেঁধে দেয়া হয়েছিল। তবে বেঁধে দেয়া সময়ের চার-পাঁচ দিন আগে গাছে আম পাকলে চাষিরা তা নামাতে পারবেন।

এবার ১৫ মে থেকে গোপালভোগ ও গুটি, ২৫ মে থেকে হিমসাগর ও লখনা জাতের আম নামানো শুরু হয়েছে। আগামি ৮ জুন থেকে ল্যাংড়া, ১০ জুন থেকে ফজলি, ২০ জুন থেকে আমরূপালি এবং ১৫ জুলাই থেকে আশ্বিনা আম নামানোর জন্য সময় বেঁধে দেয়া আছে।

Comment (0) Hits: 1342
জৈষ্ঠ্য মাসের প্রথম সপ্তাহে জেলার হিমসাগর আম গেল ইউরোপে। আর এর মধ্য দিয়েই আম রপ্তানিতে কৃষি বিভাগের প্রচেষ্টা তৃতীয়বারের মতো সাফল্যের মুখ দেখলো। সোমবার রাতে রপ্তানির প্রথম চালানেই জেলার দেবহাটা উপজেলার ছয়জন চাষী ও সদর উপজেলার তিনজন চাষীর বাগানের হিমসাগর আম পাঠানো হলো ...
ফলের রাজা আম। আর আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ। দেশের সর্ববৃহত্তর অর্থনৈতিক ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যলয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। এ জেলার প্রধান অর্থকরী ফসল আম। বর্তমানে জেলা সবখানে চলছে বাগান পরিচর্যা ও বেচা-কেনা। বর্তমানে জেলার ২৪ হাজার ৪৭০ হেক্টর আম বাগানে ৯০ ভাগ মুকুল এসেছে। ...
ঝিনাইদহে দিন দিন বাড়ছে আম চাষের আবাদ। স্বাস্থ্য ঝুঁকিবিহীন জৈব আর ব্যাগিং পদ্ধতিতে আম চাষ করছে এই এলাকার আমচাষিরা। এ বছর ফলন ভালো হওয়ার আশায় খুশি তারা। জেলা থেকে বিদেশে রপ্তানী আর আম সংরক্ষণের দাবি চাষিদের। জানা যায়, ২০১১ সালে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় আমের আবাদি জমির ...
সারা দেশে যখন ‘ফরমালিন’ বিষযুক্ত আমসহ সব ধরনের ফল নিয়ে মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে, তখন বরগুনা জেলার অনেক সচেতন মানুষ বিষমুক্ত ফল খাওয়ার আশায় ভিড় জমাচ্ছেন মজিদ বিশ্বাসের আমের বাগানে। জেলার আমতলী উপজেলার আঠারগাছিয়া ইউনিয়নে শাখারিয়া-গোলবুনিয়া গ্রামে মজিদ বিশ্বাসের ২ একরের ...
বলার অপেক্ষা রাখেনা দর্শক নন্দিত ও জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি। প্রতি পর্বে চমক নিয়ে দর্শকের সামনে আসে অনুষ্ঠানটি। স্টুডিওর বাইরে এসে দেশের ঐতিহ্যমণ্ডিত স্থানে ‘ইত্যাদি’র উপস্থাপনা সর্বদাই প্রশংসিত। তারই ধারাবাহিকতায় আগামী ২৯ এপ্রিল প্রচারিতব্য পর্বটি ধারণ করা ...
ইসলামপুরের গাইবান্ধা ইউনিয়নের আগুনেরচরে একটি আম গাছের গোড়া থেকে গজিয়ে উঠেছে হাতসদৃশ মসজাতীয় উদ্ভিদ বা ছত্রাক। ওই ছত্রাককে অলৌকিক হাতের উত্থান এবং ওই হাত ভেজানো পানি খেলে যেকোন রোগ ভাল হয় বলে অপপ্রচার করছে স্থানীয় ভ- চক্র। আর ওই ভ-ামির ফাঁদে পা দিয়ে প্রতিদিন প্রতারিত হচ্ছেন ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২