Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

ফজলি আম সহ ১৩ পণ্যের স্বত্ব পাচ্ছে বাংলাদেশ

আরও ১৩টি পণ্যের স্বত্ব (জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন বা জিআই) পাচ্ছে বাংলাদেশ। এরই মধ্যে পণ্যগুলোর প্রাথমিক তালিকা করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে তালিকাভুক্ত পণ্যগুলো বাংলাদেশের নির্দিষ্ট অঞ্চলের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সঙ্গে সমন্বিত বিশেষ পণ্য হিসেবে প্রমাণিত হলে জিআই স্বীকৃতি পাবে। শিল্প মন্ত্রণালয় সূত্রে এ খবর পাওয়া গেছে। জিআই নিবন্ধনের জন্য তালিকাভুক্ত পণ্যগুলো হচ্ছে : কাটারিভোগ চাল, কালিজিরা চাল, সাদা মাটি, সোনালি মুরগি, লতিরাজ কচু, হাঁড়িভাঙা মিষ্টি, মহিষের দুধের দই, মালটা, ফজলি আম, খিরসা আম, হাঁড়িভাঙা আম, আশ্বিনা জাতের আম ও ল্যাংড়া আম। এর আগে ঐতিহ্যবাহী জামদানি শাড়ি বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। রুপালি ইলিশের স্বীকৃতি পাওয়ার প্রক্রিয়াও শেষের পথে। কেবল গেজেট প্রকাশের আনুষ্ঠানিকতা বাকি। ময়মনসিংহের কালিজিরা চাল, নেত্রকোনার সাদা মাটি (হোয়াইট ক্লে), জয়পুরহাটের সোনালি মুরগি, হাঁড়িভাঙা মিষ্টি ও লতিরাজ কচু; রংপুরের হাঁড়িভাঙা আম, নোয়াখালীর মহিষের দুধের দই এবং পিরোজপুরের মালটার জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, আর খিরসা জাতের আম, ফজলি আম, ল্যাংড়া আম, আশ্বিনা জাতের আম ও কাটারিভোগ চালের জন্য বাংলাদেশ রাইস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বারি) বাংলাদেশের নিজস্ব পণ্য হিসেবে জিআই স্বীকৃতি পেতে আবেদন করেছে। জানা গেছে, আন্তর্জাতিক মেধাস্বত্ববিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল প্রোপার্টি রাইটস অর্গানাইজেশন (আইপিও) থেকে বাংলাদেশের পণ্যের জিআই নিবন্ধন দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত সংস্থা প্যাটেন্ট ডিজাইন ও ট্রেড মার্কস অধিদফতরকে (ডিপিডিটি)। এই অধিদফতর জিআই নিবন্ধন দেওয়ার দায়িত্ব পাওয়ার পরই দেশের প্রত্যেক জেলা প্রশাসককে চিঠি দিয়ে নিজ নিজ জেলার উৎপাদিত বিশেষ পণ্যের ভৌগোলিক নির্দেশক নিবন্ধনের জন্য আবেদন করার আহ্বান জানায়। এই চিঠির পর এ পর্যন্ত ১৩টি পণ্যের জন্য আবেদন পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিপিডিটির রেজিস্ট্রার মো. সানোয়ার হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘আমাদের কাছে যে তালিকা রয়েছে তার সবই হয়তো নিবন্ধন পাওয়ার যোগ্যতা পূরণ করতে পারবে না। তবে আমরা এর মধ্য দিয়ে বৃহৎ পরিসরে বাংলাদেশের নিজস্ব পণ্যের ভৌগোলিক নির্দেশক স্বত্ব পাওয়ার যে প্রক্রিয়া তা শুরু করেছি।’ জানা গেছে, পাশের ভারত এ পর্যন্ত ৬৬টি পণ্যের প্যাটেন্ট করে নিয়েছে। এর মধ্যে জামদানি, ইলিশ, নকশিকাঁথা ও ফজলি আম রয়েছে। ঐতিহ্যবাহী জামদানিকে অন্ধ্রপ্রদেশের ‘উপাধ্যায় জামদানি’ হিসেবে, ইলিশকে গঙ্গার ইলিশ হিসেবে, নকশিকাঁথাকে পশ্চিম বাংলার পণ্য হিসেবে এবং ফজলি আমকে পশ্চিম বাংলার মালদহ জেলার অধীনে প্যাটেন্ট করিয়েছে দেশটি। এ ছাড়া ভারত আরও ১৫৮টি পণ্যের তালিকা তৈরি করেছে প্যাটেন্ট করানোর জন্য। সে তুলনায় বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত জামদানির জিআই নিবন্ধন করেছে। আর ইলিশেরটি প্রক্রিয়াধীন। ডিপিডিটির কর্মকর্তারা জানান, জিআই নিবন্ধনের আগে ঐতিহ্যগতভাবেই জামদানি যে শুধু বাংলাদেশেরই নিজস্ব পণ্য এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন গবেষণালব্ধ ফল তুলে ধরা হয়েছে। একইভাবে ইলিশেরও। ইলিশ ভারত ও মিয়ানমারেও রয়েছে। তবে বাংলাদেশের পদ্মার ইলিশের জিআই-স্বত্ব শুধুই বাংলাদেশের। ভারত যে ইলিশের জিআই-স্বত্ব নিয়েছে তা ভারতের সীমানার ভিতরে গঙ্গার ইলিশের। জামদানি বা ইলিশের মতো বিশেষ বিশেষ পণ্যের জিআই-স্বত্ব বা নিবন্ধন নেওয়ায় দেশের কী লাভ— জানতে চাইলে ডিপিডিটির কর্মকর্তারা জানান, জামদানির জিআই নিবন্ধন দেওয়ার ফলে এ পণ্যটি যে বাংলাদেশের সেই স্বত্ব নিশ্চিত হয়েছে। এখন ধরা যাক, চীনে জামদানি রপ্তানি করতে গেলে সেই দেশেও এটিকে বাংলাদেশি পণ্য হিসেবে নিবন্ধন করাতে হবে। তখন অন্য কেউ দেশটিতে জামদানি নামে কোনো শাড়ি রপ্তানির সুযোগ পাবে না। কেউ জামদানির কারিগরি চুরি করে নিজের দেশে বানালে সেই পণ্য ‘জামদানি’ নামে বিক্রি করতে পারবে না। এর ফলে বাংলাদেশ জামদানি রপ্তানির ক্ষেত্রে বিশেষ সুরক্ষা পেল। এ ছাড়া জিআই নিবন্ধনপ্রাপ্ত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রেও তুলনামূলক ১০ থেকে ১৫ শতাংশ দাম বেশি পাওয়া যায়। ক্রেতাদের সঙ্গে দরকষাকষির সুযোগ থাকে। ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের দিক থেকে পণ্যের মেধাস্বত্ব ও জিআই নিবন্ধনের গুরুত্ব অপরিসীম।

Comment (0) Hits: 1104
 

মালদার বিখ্যাত ফজলি আম বিদেশে পাড়ি দেবে

সোমবার মালদায় এলেন রাজ্যের খাদ্য প্রক্রিয়া করণ ও উদ্যান পালন দপ্তরের মন্ত্রী রেজ্জাক মোল্লা। এদিন তিনি উদ্যান পালন দপ্তরের আধিকারিক সহ জেলার ব্যবসায়ী সমিতির কর্তাদের নিয়ে দপ্তরের কনফারেন্স হলে বৈঠক করেন। সাথে জেলার আম চাষী সহ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি দপ্তরের নানান দিক খতিয়ে দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন।  বৈঠক শেষে মন্ত্রী রেজ্জাক মোল্লা জানান, “মালদার ফজলি আম নিয়ে চিন্তায় ছিলাম। আমরা আগামীতে এই আম বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা করছি। ইতিমধ্যেই অনেক আম বিদেশে গেছে। আমি আজ অনেক বাগান গুলো পরিদর্শন করেছি। আমের ফলন বাড়ানো, সংরক্ষণ ও উন্নত মানের আম উৎপাদনের বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লিচুর ফলন কম হওয়া সত্ত্বেও এবছর লিচু বিদেশে গেছে।

 

Comment (0) Hits: 1127
 

মমতার নির্দেশে মোদির ঘরে ল্যাংড়া-হিমসাগর-ফজলি আম

এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সামিল হলেন আম-কূটনীতিতে। বাংলাদেশে সাম্প্রতিক যৌথ সফরই প্রমাণ, মমতার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তিক্ততা এখন অনেকটাই ঘুচেছে। এবার তাতে মন মাতানো সুগন্ধের ছোঁয়া।  মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে গত সপ্তাহেই প্রধানমন্ত্রীর ঠিকানায় পৌঁছে গিয়েছে বাংলার বাছাই করা ল্যাংড়া-হিমসাগর-ফজলি-গোলাপখাসের সম্ভার। সম্প্রতি 'দিল্লি হাটে' তৃতীয় আম উৎসবের সূচনা করেছেন পশ্চিমবঙ্গের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী। সেখান থেকেই সেরা আম যাচ্ছে মোদি ও তার সতীর্থদের ঠিকানায়।  গোটা কর্মকাণ্ড সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছেন দিল্লিতে নিযুক্ত পশ্চিমবঙ্গের কমিশনার আর ডি মিনা। আমগুলো যাতে দীর্ঘ সময় সতেজ থাকে, সে জন্য ব্যবহার হচ্ছে বিশেষ পদ্ধতির। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের কাছেও পৌঁছেছে মমতার উপহার। পৌঁছেছে রাষ্ট্রপতির ভবনেও।  দিল্লি-দরবারে বরাবরই শুভেচ্ছা, সৌভ্রাতৃত্ব ও উষ্ণতার দূত হিসেবে ব্যবহার হয়ে এসেছে আম। আশির দশকে তিন-তিনটে যুদ্ধের ক্ষত পেরিয়ে দু'দেশের মধ্যে নতুন সম্পর্কের ভিত গড়তে আম কূটনীতিতেই ভরসা রেখেছিলেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান— মহম্মদ জিয়া-উল-হক এবং ইন্দিরা গান্ধী।  ইউপিএ সরকারের আমলে ২৬/১১-র মতো ভয়াবহ হামলা হয়েছে, চরমে উঠেছে ভারত-পাক তিক্ততা। তা সত্ত্বেও মুম্বই হামলার পর দু’দেশের মধ্যে হঠাৎই বেড়ে যাওয়া তিক্ততা কমাতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানিকে কুড়ি কিলোগ্রাম আলফানসো আম পাঠান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ। পাল্টা সৌজন্য দেখান গিলানিও।  ২০১০ সালে পাকিস্তানে হওয়া বন্যায় ভারতের সাহায্যের প্রতিদানে পাঁচ বাক্স পাকিস্তানের আম এসে পৌঁছায় মনমোহনের বাসভবনে। গিলানি থেকে মনমোহন। নওয়াজ শরিফ থেকে নরেন্দ্র মোদি। গত সেপ্টেম্বর ৭ রেসকোর্সে শরিফের পাঠানো আমই প্রমাণ করে দিয়েছে, পাল্টালেও আম বিনিময়ের সেই ট্র্যাডিশন কিন্তু সমানে চলছে।  আরও পিছনে তাকাতে চান? বেশ, পিছিয়ে যাওয়া যাক পাঁচশো বছর। বাবরের আমল। ইতিহাসবিদরাই মনে করিয়ে দিলেন, বাবর থেকে শুরু করে শাহজাহান— মোগল সম্রাটরা আগাগোড়াই বেশ আম-রসিক। এবং আম-কূটনীতিকও। রাজসভায় আগত বিদেশি অতিথি ও অন্য বাদশাদের নিয়মিত আম ভেট পাঠাতেন।  তার নাতি আকবর এক ধাপ এগিয়ে বিহারের দ্বারভাঙ্গার কাছে লাখিবাগে লক্ষাধিক আম গাছের চারা পুঁতেছিলেন। তবে রাজভোগের জন্য নির্দিষ্ট সে আম চেখে দেখার অনুমতি ছিল না আমজনতার। শুধু তা-ই নয়, এ দেশের বিভিন্ন প্রজাতির আমের স্বাদ, কোনো মাটিতে কোন আম ভাল হয়— সে সবের সবিস্তার বর্ণনা রয়েছে 'আইন-ই-আকবরি'তে।  আকবরের নাতিও তেমন। শাহজাহান এতই আম-ভক্ত ছিলেন যে, তার চোখের সামনে আমগাছ পুঁততে হত মালিদের। ইতিহাস বলে, দক্ষিণ ভারতের একটি বিশেষ প্রজাতির আম তিনি এতটাই পছন্দ করতেন যে, দাক্ষিণাত্যের দায়িত্বে থাকা তার এক পুত্র (তিনিই সম্ভবত ঔরঙ্গজেব) সেই আম দিল্লিতে না পাঠিয়ে নিজে খেয়ে নেওয়ায় তার উপরে যারপরনাই খেপে যান ভারতসম্রাট শাহজাহান।  শুধু সম্রাট নন, ইতিহাস বলছে, মোগল আমলে উজির-ওমরাও মহলেও পারস্পরিক উপহার হিসেবে দেদার চলত আম আদান-প্রদান।  আর ছিল বাণিজ্য। ছিল কেন, এখনও আছে। বাদশাহী যুগের উদাহরণ ছেড়ে একুশ শতকের একটা চমকপ্রদ তথ্য দেওয়া যাক। ২০০৬ সালে মার্কিন মোটরবাইক নির্মাতা সংস্থা হার্লে-ডেভিডসন ভারতে ব্যবসা করতে ঢোকে।  আর তার বদলে মার্কিন মুলুকে আম বিক্রির অনুমতি পায় ভারত। এ বার মমতার পাঠানো আম কিন্তু মার্কিন, ব্রিটিশ, চিনা ও বাংলাদেশি দূতাবাস-সহ বিভিন্ন দূতাবাসেও গিয়েছে। পাক দূতাবাসেরও সেই তালিকায় নাম থাকার কথা। তৃণমূল নেত্রীর আম কূটনীতি তাই শুধু অন্তর্দেশীয় নয়, আক্ষরিক অর্থেই আন্তর্জাতিক।  প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরেই বিহার থেকে প্রত্যেক বছর সেরা লিচু ‘উপহার’ পেয়ে আসছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি। সেই রেওয়াজে ছেদ পড়েছে এই বছর। লিচুর ফলন এতই খারাপ যে, তা কাউকে উপহার দেওয়ার যোগ্য নয়। টিম মমতার অবশ্য সেই চিন্তা নেই। তবে এই আম-দৌত্যে নানা রসায়ন দেখছেন অনেকে।  সুষমা স্বরাজ-বসুন্ধরা রাজে-স্মৃতি ইরানিদের নিয়ে বিতর্কে ইদানীং কোণঠাসা বিজেপি সরকার। সংসদের আসন্ন বাদল অধিবেশন হইহল্লায় পণ্ড হলে একগুচ্ছ সংস্কারমুখী বিল আটকে যাওয়ার আশঙ্কায় তারা। এই পরিস্থিতিতে অরুণ জেটলি বা নিতিন গডকড়ীর মতো কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের মুখে শোনা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রশংসা।সুষমা-কাণ্ডে মমতাও নিরপেক্ষ অবস্থানে।  অধিকাংশ সংস্কারমুখী বিলের প্রশ্নে কংগ্রেস-বাম এর আগে সংসদে পাশে পেয়েছে তৃণমূলকে। কিন্তু গত অধিবেশন থেকেই তৃণমূলের অবস্থানে পরিবর্তন হতে শুরু করেছে। বিরোধীদের একাংশের অভিযোগ, রাজ্যে যুযুধান হলেও সংসদ চালাতে মোদীকে ইদানীং পরোক্ষ সাহায্য করছেন মমতা। সৌজন্যের সেই ছবিই ধরা পড়েছিল বাংলাদেশ সফরে। এ বার মমতার আম-কূটনীতি তাতে বাড়তি মাত্রা যোগ করবে বলেই মনে করছেন অনেকে।  কিন্তু ১০ জনপথ? সোনিয়া বা রাহুল গান্ধীর কাছে কি যাবে মমতার উপহার? রাজ্য প্রশাসনের কর্তারা বলছেন, তালিকায় এমন কোনও নাম আছে বলে তাদের চোখে পড়েনি।

Comment (0) Hits: 1037

মালদার বিখ্যাত ফজলি আম বিদেশে রপ্তানী হচ্ছে

জগৎ বিখ্যাত মালদার আম উঠে আসছে বিশ্ব মানচিত্রে। মালদার সুুবিখ্যাত ফজলি আম পারি দিচ্ছে সদূর লন্ডন,ইতালি,মালেশিয়ার মতো দেশে। মালদায়, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ দপ্তরের আধিকারিকদের সাথে বৈঠক করে এমনটায় জানালেন, ওই দপ্তরের মন্ত্রী রেজ্জাক মোল্লা।  ফলের রাজা আম। আর আমের রাজধানি মালদা। সুুবিখ্যাত আমের জন্য পৃথিবী মানচিত্রে পরিচিত আমাদের মালদা জেলা। নানা প্রজাতির আম উৎপাদন হয় মালদায়। জেলার ১৫ টি ব্লকেই চাষ হয় আম। এবছর রেকর্ড পরিমানে আমের ফলন। উদ্যান পালন দপ্তর সূত্রে খবর--জেলার প্রায় ৫০ হাজার হেক্টর জমিতে আম চাষ করা হয়েছে। যার মধ্যে সুুবিখ্যাত ফজলি,ন্যাংড়া,লক্ষণ ভোগ, দুধকুমার, গোপাল ভোগ,সহ নানা প্রজাতির আম রয়েছে। যা বিগত বছরের রেকর্ড ভেঙেছে। তাই এবারে মালদার সুুবিখ্যাত ফজলি আম রপ্তানি করা হচ্ছে বিদেশের মাটিতে। এই মর্মে সোমবার মালদায় এসে এক বৈঠক সারলেন রাজ্যের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যান পালন দপ্তরের মন্ত্রী রেজ্জাক মোল্লা। জেলার আম বাজার সংলগ্ন খাদ্য প্রক্রিয়া করণ দপ্তরে আয়োজিত এই বৈঠক মন্ত্রী রেজ্জাক মোল্লা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, ওই দপ্তরের আধিকারিক ডঃ নায়েক, রাহুল চক্রবর্তী, অতিরিক্ত জেলা শাসক পদম সুুনম, মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্সের সম্পাদক উজ্জ্বল সাহা, বিধায়ক সময় মুখার্জী সহ অন্যান্যরা। বৈঠক শেষে মন্ত্রী রেজ্জাক মোল্লা জানান, মালদার জগৎ বিখ্যাত ফজলি রপ্তানি করা হবে বিদেশে। বিদেশের মানুষ এবার ফজলি আমের স্বাদ অনুভব করবে।    

Comment (0) Hits: 1877
এক আমের দাম ৩৩ হাজার টাকা! কে কিনেছে এই আম এবং ঘটনাটা কী?- ভাবা যায়! একটি আমের দাম ৩৩ হাজার টাকা। তাও আবার আমের রাজধানী-খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে। ঘটনাটা কী! শিবগঞ্জ উপজেলার দুলর্ভপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাজিবুল ইসলাম রাজু জানান, শনিবার সকালে দুলর্ভপুর ইউনিয়নের ...
চাঁপাই নবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার এক সময়ের সন্ত্রাসের জনপদ নয়ালাভাঙাতে মাইক্রোবাস হতে ছোড়া বোমার আঘাতে দুই জন আহত হয়েছে। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলার নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের হরিনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- রানিহাটি ইউনিয়নের বহরম গ্রামের সোহরাব আলীর ছেলে মো. ...
চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমবাগানগুলোতে আমের ‘মাছিপোকা’ দমনে কীটনাশক ব্যবহার না করে সেক্স ফেরোমেন ফাঁদ ব্যবহার শুরু হয়েছে। পরিবেশবান্ধব এই ফাঁদকে কোথাও কোথাও ‘জাদুর ফাঁদ’ও বলা হয়ে থাকে। দু-তিন দিকে কাটা-ফাঁকা স্থান দিয়ে মাছিপোকা ঢুকতে পারে, এমন একটি প্লাস্টিকের কনটেইনার বা বোতলের ...
বাড়ছে আমের চাষ। মানসম্পন্ন আম ফলাতে তাই দরকার আধুনিক উত্পাদন কৌশল। আম চাষিদের জানা দরকার কীভাবে জমি নির্বাচন, রোপণ দূরত্ব, গর্ত তৈরি ও সার প্রয়োগ, রোপণ প্রণালী, রোপণের সময়, জাত নির্বাচন, চারা নির্বাচন, চারা রোপণ ও চারার পরিচর্যা করতে হয়। মাটি ও আবহাওয়ার কারণে দেশের ...
গাছ ফল দেবে, ছায়া দেবে; আরও দেবে নির্মল বাতাস। আশ্রয় নেবে পাখপাখালি, কাঠ বেড়ালি, হরেক রকম গিরগিটি। গাছ থেকে উপকার পাবে মানুষ, পশুপাখি, কীটপতঙ্গ– সবাই। আর এতেই আমি খুশি। ঐতিহাসিক মুজিবনগর আম্রকাননে ছোট ছোট আমগাছের গোড়া পরিচর্যা করার সময় এ কথাগুলো বলেন বৃক্ষ প্রেমিক জহির ...
ইসলামপুরের গাইবান্ধা ইউনিয়নের আগুনেরচরে একটি আম গাছের গোড়া থেকে গজিয়ে উঠেছে হাতসদৃশ মসজাতীয় উদ্ভিদ বা ছত্রাক। ওই ছত্রাককে অলৌকিক হাতের উত্থান এবং ওই হাত ভেজানো পানি খেলে যেকোন রোগ ভাল হয় বলে অপপ্রচার করছে স্থানীয় ভ- চক্র। আর ওই ভ-ামির ফাঁদে পা দিয়ে প্রতিদিন প্রতারিত হচ্ছেন ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২