Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

পোরশার আম রপ্তানি হলো ইংল্যান্ডে

দ্বিতীয়বারের মতো নওগাঁর পোরশা উপজেলার রপ্তানি করা হলো ইংল্যান্ডে। রপ্তানিকৃত সুস্বাদু ফজলি আম উপজেলার পোরশা সদরের হাড়িপাড়া গ্রামের মনিরুজ্জামান মনিরের বাগানের। জানা গেছে, রাজধানী ঢাকার রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান এমকে এন্টারপ্রাইজ ও মরিসন এন্টারপ্রাইজের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন বাগান মালিক। বিদেশে রপ্তানির জন্য চুক্তিতে তার কাছ থেকে এমকে এন্টারপ্রাইজ ১ হাজার কেজি (২৫ মণ) ও মরিসন এন্টারপ্রাইজ ৬০০ কেজি (১৫ মণ) আম নেন। যা সর্বমোট ৪০ মণ বা ১ হাজার ৬০০ কেজি আম রপ্তানি করা হলো ইংল্যান্ডে।
মনির জানান, তিনি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে তার দুটি আমবাগানে কোনো প্রকার কীটনাশক ব্যবহার ছাড়াই আম উৎপাদন করেন। তবে কীটনাশকের বিপরীতে তিনি ফেরোমেন ফাঁদ ব্যবহার করেছেন। এতে তিনি কীটনাশকের চেয়েও অনেক ভালো ফলাফল পেয়েছেন। আমচাষ ও উৎপাদনে সফল হতে তিনি আমগাছে কীটনাশকের বদলে ফেরোমেন ফাঁদ ব্যবহার ও আমগাছের নিচে মাটি বা গোড়া পরিষ্কার করতে এবং সর্বোপরি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ নিতে সাধারণ আম চাষি এবং কৃষকদের পরামর্শ দেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুবার রহমান জানান, পোরশা উপজেলায় এখন ৬ হাজার হেক্টর আবাদি জমিতে আমচাষ হচ্ছে। এ বছর আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি হেক্টরে ১০ টন করে। সে হিসাবে এবারে এ উপজেলায় প্রায় ৬০ হাজার টন আম উৎপাদন হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছর পোরশার ঘাটনগর গ্রামের একটি বাগানের বারী-৩, বারী-৪ ও মলি্লকা জাতের আম লন্ডন ও যুক্তরাজ্যে রপ্তানি করা হয়েছিল।

Comment (0) Hits: 511
 

ইউরোপ যাচ্ছে বাংলাদেশের আম, ওয়ালমার্ট বাছাই করছে

হিমসাগর, আম্রপলি, ল্যাংড়া। বিখ্যাত সব আমের জাত। আর বাংলাদেশের এসব আম এখন যাচ্ছে ইউরোপের বাজারে। প্রাথমিকভাবে ২ হাজার ৮শ কেজি আম যুক্তরাজ্যে পাঠানো হয়েছে।

এর ফলে আম উৎপাদনকারীদের জন্য একটি বিশাল বাজার সৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি উৎপাদনকারীরা তাদের উন্নতমানের আমের জন্য ভালো দামও পাবেন।

সরকারের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষিবিষয়ক সংস্থার (এফএও) সহায়তায় বাংলাদেশের এসব আম কিনছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় খুচরা পণ্য বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালমার্ট। এসব ফল উৎপাদনে কারিগরি সহায়তা দিয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ হর্টেক্স ফাউন্ডেশন। এই সম্মিলিত চেষ্টায় বিশ্ববাজারের ক্রেতাদের জন্য আম এখন থেকে নিয়মিতভাবে রপ্তানির সুযোগ তৈরি হলো।

হর্টেক্স ফাউন্ডেশন যৌথভাবে সাতক্ষীরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীর আম উৎপাদনকারী এলাকায় যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শনের ব্যবস্থা করে। পরিদর্শন শেষে নয়টি জাতের আমের নমুনা পাঠানো হয়। সেখান থেকে ওয়ালমার্ট তিন জাতের আম আমদানির জন্য বাছাই করে।

প্রাথমিকভাবে সাতক্ষীরার হিমসাগর আম রপ্তানি শুরু হয়েছে। এরপর অন্যান্য জেলার থেকে প্রতি সপ্তাহে ৪ মণ করে আম যুক্তরাজ্যের বাজারে রপ্তানি হবে। এসব আম স্থান পাবে ইউরোপের সুপার শপগুলোতে।

এ বিষয়ে হর্টেক্স ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড. আব্দুল জলিল ভূঁইয়া বেনারকে বলেন, ‘প্রাথমিক ভাবে রোববার থেকে আমরা আনুষ্ঠানিক ভাবে আম রফতানি শুরু করেছি। প্রথম দিনে ২ হাজার ৮শ কেজি সাতক্ষীরার হিমসাগর রফতানি করা হয়েছে। এখন হিমসাগরের উৎপাদনের সময়। অন্যান্য আমের উৎপাদন অনুসারে সেগুলোও রফতানি করা হবে।’

তিনি বলেন, কয়েক বছর ধরে ইউরোপে বাংলাদেশ থেকে আম রফতানি হলেও সুপার শপে এই প্রথম রফতানি শুরু করেছে বাংলাদেশ। এখন এ সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় বাংলাদেশ রফতানি বাড়বে।

জানা যায়, আমে মুকুল আসা থেকে শুরু করে আম উৎপাদন পর‌্যন্ত প্রত্যেকটি ধাপে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও এফএওর সমন্বয়ে গঠিত বিশেষজ্ঞ দল পরিদর্শন করেছে।

রপ্তানি হতে যাওয়া আম যে বাগানে চাষ হয়েছে, সেখানে উৎপাদনের প্রতিটি পর্যায়ে পরিদর্শনে ওই আমে কোনো ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহৃত হয়নি বলে ছাড়পত্র পেয়েছে। পরে ওই আম জনস্বাস্থ্য বিভাগের পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করা হয়। প্রতিটি স্তরেই আমগুলো নিরাপদ হিসেবে প্রমাণিত হওয়ার পর ওয়ালমার্টে রপ্তানির অনুমতি পেয়েছে।

এ বিষয়ে জলিল ভূঁইয়া বলেন, বিদেশে পাঠানোর উপযোগী করতে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়াসহ পুরো উৎপাদন প্রক্রিয়া নিবিড়ভাবে পর‌্যবেক্ষণ করা হয়েছে। সাতক্ষীরার সদর, চাপাইনবাবগঞ্জ সদর ও ভোলাহাট, রাজশাহীর বাঘা ও চারঘাট, পাবনার ইশ্বরদি এবং খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির সদর উপজেলার ১৮০ জন আমচাষী ইতিমধ্যে ওয়ালমার্টের কাছে নাম লিখিয়েছেন।

বাংলাদেশ থেকে আম রপ্তানির ব্যাপারে বিশ্বের শীর্ষ পণ্য ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল প্রকিউরমেন্ট লজিস্টিকসের সঙ্গে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, হর্টেক্স ফাউন্ডেশন ও এফএওর একটি চুক্তিও স্বাক্ষর হয়েছে বলেও তিনি জানান।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশ থেকে আম ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারেও পাঠানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এজেডএম মমতাজুল করিম বেনারকে বলেন, ‘বাংলাদেশের কয়েকটি অঞ্চলে আম চাষ হয়। সে ধারণা থেকে সরে আসার সময় হয়েছে। পাহাড়ি এলাকা ও বসতবাড়িতে আমগাছ লাগানোর জন্য উদ্যোগ নিয়েছি আমরা। এতে দেশে আমের ফলন আরও চার লাখ টন বাড়ানো সম্ভব হবে। বর্তমানে দেশে মাথাপিছু দৈনিক আমের ভোগ ১০ গ্রাম থেকে বাড়িয়ে ১৫ গ্রামে পরিণত করার লক্ষ্যপূরণের পাশাপাশি বিশ্বের আমবাজারেও দখল নিতে চাই আমরা।’

এফএওর ২০১৪ সালের পরিসংখ্যান বলছে, বাংলাদেশ বিশ্বের সপ্তম আম উৎপাদনকারী দেশ। তা সত্ত্বেও বাংলাদেশ এত দিন বৈশ্বিক আম রপ্তানির বাজারে প্রবেশ করতে পারেনি। শুধুমাত্র বাংলাদেশি বসবাস করেন এমন কিছু দেশে প্রতিবছর সামান্য রপ্তানি হত, যা বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরাই বিক্রি করতেন।

কিন্তু আমে ফরমালিন ও অন্যান্য ক্ষতিকারক রাসায়নিক ব্যবহার করা কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের জন্য সেসব বাজারেও আম রফতানি বন্ধ হয়ে যায়। আর তাই  সুনাম ধরতে এবার কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রপ্তানির জন্য আম উৎপাদন করেছে হর্টেক্স ফাউন্ডেশন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে, ২০১২ সালে দেশে ৩৭ হাজার হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়, এ বছর হয়েছে ৪২ হাজার হেক্টর জমিতে। গত আমের উৎপাদন ছিল ৯ লাখ ৪৫ হাজার টন। এ বছর তা ১০ লাখ টন ছাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে। আমের ফলন বাড়ার দিক থেকে বিশ্বের আম উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে এগিয়ে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কৃষকদের অবশ্যই আম উৎপাদন নীতিমালা মেনে মানসম্মত আম উৎপাদন করতে হবে। তাহলে বিশ্বের আম বাজারে শক্ত অবস্থান গড়বে বাংলাদেশ। আম রপ্তানির ফলে উৎপাদনকারীরা পাবে উচ্চমূল্য পাবে এবং জীবনযাত্রার মানও হবে উন্নত। এরজন্য সরকারের পাশাপাশি সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

যুক্তরাজ্যে আম রফতানির খবর কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। রাজশাহীর আমচাষী হাবিল সরকার বেনারকে বলেন, ‘খবরটি শুনে খুব খুশি হয়েছি। দেশের বাজার ডিঙিয়ে বিদেশেও যাবে আমাদের বাগানের আম। এবার স্থানীয় বাজারের জন্য আম উৎপাদন করলেও পরের বছর অবশ্যই কৃষি অধিদপ্তরের সহায়তায় কোন রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার ছাড়া আম উৎপাদন করতে চাই।’

তবে রফতানির বিষয়টি আম চাষিদেরকে জানানোর ব্যবস্থা করে এ বিষয়ে তাদের আরো সচেতন করে তুলতে সরকারের প্রতি আহবান জানান কৃষক হাবিল।

এফএওর হিসাব অনুযায়ী, ২০১২ সালে বাংলাদেশ ৮ লাখ ৯০ হাজার টন আম উৎপাদন করে বিশ্বের অষ্টম আম উৎপাদনকারী দেশ হয়েছিল। গত দু বছরের মধ্যে দেশে আমের উৎপাদন বেড়ে তা ১০ লাখ টন হয়েছে। আর উৎপাদনকারী দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম স্থানে চলে এসেছে। দেশে এখন প্রায় দেড় কোটি আমগাছ রয়েছে।

এফএওর হিসাবে বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ আম উৎপাদনকারী দেশ ভারত। এর পরেই রয়েছে চীন, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তান। আর আম রপ্তানিকারক দেশের শীর্ষে আছে মেক্সিকো। এরপর রয়েছে ফিলিপাইন, পাকিস্তান, ব্রাজিল ও ভারত।

Comment (0) Hits: 979
 

পশ্চিম আফ্রিকার থেকে ইউরোপে ব্যাপক আম রপ্তানি হচ্ছে

বেশ কয়েকটি ব্যবসা সাপোর্ট সংগঠনের সাথে সহযোগিতায় আমরা পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলির সম্ভাব্যতা সম্পর্কে গবেষণা করেছি, যেমন, তাজা ফলের সরবরাহকারী, প্রক্রিয়াজাত ফল এবং ভোজ্য বাদাম ইউরোপে। এই পৃষ্ঠাতে আপনি আমাদের আধুনিক মজুদের উপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করবেন। একটি পশ্চিম আফ্রিকার রপ্তানিকারক নতুন আমেরিকা রপ্তানিকারক হিসাবে আপনি এই গবেষণা ব্যবহার করতে পারেন ইউরোপীয় বাজারে প্রবেশ করার জন্য আপনার কৌশল বিকাশ। ভালভাবে সংগঠিত মান শৃঙ্খলে ব্রাজিল ও পেরুর বড় মাপের কোম্পানি দ্বারা আম রপ্তানি হয়। ইএম সুপারমার্কেট মোট আম এর প্রায় 70% বিক্রয় আপ। তারা আমদের অবিরাম প্রাপ্যতা ও গুণগত মান এবং তাদের প্রস্তুত খাবারের জন্য প্রস্তুত করে দিতে চায়। প্রায় 9 0% আম আমদানির মাধ্যমে সমুদ্র দ্বারা পরিবহিত এবং প্রধানত বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডের মধ্য দিয়ে ইউরোপে প্রবেশ করে। একটি পশ্চিম আফ্রিকার রপ্তানিকারক হিসাবে, বালিচালিত আমদের জন্য (বিদেশী ফল) আমদানিকারক বা পাইকারি ব্যবসায়ীরা, বিশেষ করে ল্যান্ডিখরযুক্ত দেশ যেমন মালি এবং বুরকিনা ফাসো। এর জন্য ভাল সুযোগ রয়েছে। সঠিক ক্রেতাদের খোঁজা হচ্ছে রপ্তানি প্রক্রিয়াগুলির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আপনার চ্যালেঞ্জ হল সঠিক বাণিজ্য অংশীদার যা আপনার পণ্য পরিচালনা করার জন্য উপযুক্ত এবং আপনি যাদেরকে সরবরাহ করতে সক্ষম হন। কোন ট্রেডিং সম্পর্কের অপরিহার্য উপাদান বিশ্বাস। যদি আপনি এক্সপোর্টের জন্য নির্বাচন করেন তবে আপনাকে অবশ্যই একটি সাধারণ বোঝাপড়া খুঁজে নিতে হবে - এমনকি যদি আপনার সংস্কৃতি ভিন্ন হয় - এবং একটি 'সাধারণ ভাষা' বলুন। আপনার নির্বাচনে, একটি দীর্ঘ সময়ের জন্য বাণিজ্য অংশীদার (ক্রেতারা) অনুসন্ধান করা সেরা হবে। এই বিষয়ে আপনার নিজের বিচার এবং প্রবৃত্তিগুলি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমদের জন্য ইইউ বাজার এখনও ক্রমবর্ধমান হয়, বিশেষত প্রস্তুত খাদ্য ভোজন জন্য। ব্রাজিল এবং পেরু দ্বারা মৌসুমি সরবরাহের আধিপত্য রয়েছে। গ্রীষ্মের গ্রীষ্মের শেষের দিকে বসন্তকালে, পশ্চিম আফ্রিকার সরবরাহগুলি গুরুত্বপূর্ণ - কিন্তু এশিয়ার দেশ ও ইস্রায়েলের সরবরাহগুলি ক্রমবর্ধমান হয়। পারস্পরিক সময়ের মধ্যে সুযোগ এবং পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলি সহযোগিতা করা উচিত, একে অপরের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পরিবর্তে, তাদের সুবিধার উপর নির্ভর করে এবং চ্যালেঞ্জগুলির মুখোমুখি হতে হবে।

সুত্র: https://www.cbi.eu/market-information/fresh-fruit-vegetables/mango-west-africa/

Comment (0) Hits: 407

আম প্রেমিকাররা সংযুক্ত আরব আমিরাতে আরও কিছুদিন আম পাবে

লাহোর, মুবারান ও করাচি থেকে 5 কিলোগ্রাম বায়ুপ্রবাহে পণ্য বিক্রি হয় এবং অবিলম্বে দুবাই, শারজাহ, আল আননা, রাশ আল খাইমাহ এবং আজমানের সুপার মার্কেটের শাখার নয়টি শাখায় বিতরণ করা হয়। পাকিস্তানে, আনোয়ার রতোল বৈচিত্রটি বাজারে সবচেয়ে কম সময়ের জন্য রয়েছে। যদিও ঋতু এক মাস ধরে সামান্য জন্য স্থায়ী হয়, এটি শুধুমাত্র দুই সপ্তাহ বা তাই একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত আসে। কিন্তু, অধিকাংশ মানুষ জানে না যে, এই অত্যন্ত জনপ্রিয় পাকিস্তানী আম, যে দেশের দাবির অনেক নাগরিকই সবচেয়ে মধুর, ভারতীয় রাজ্য উত্তর প্রদেশের শিকড়। দিল্লি থেকে প্রায় ২ ঘণ্টায় আমের একটি গ্রামে আমের জন্ম হয়েছিল। 1947 সালের বিভাজনের সময়, রতোল গ্রাম থেকে আম উৎপাদক পাকিস্তানে পাঞ্জাব চলে আসেন। তিনি তার পিতা আনোয়ারের পরে ফলটি নামেন। সুতরাং, যদিও আমারা ইউপি রাটুল গ্রামে এখনও প্রচলিত আছে কিন্তু ভারতে খুব কমই পরিচিত, তারা পাকিস্তান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে সুপারস্টার আপিল অর্জন করেছে। যাইহোক, এয়ারলাইন্সের আঙ্গুলিটি এই এক বিশেষ বৈষম্যের জন্য সীমিত নয় কারণ সংস্কৃতি, সম্প্রদায় ও বাণিজ্য পথসমূহের মিলন, দেশ একটি বর্ধিত আম সিঙ্গেল ভোগ করছে। এটি মার্চ মাসের মাঝামাঝি শুরু হয়, পাকিস্তানি ও ভারতীয় জাতগুলি সীসা গ্রহণ করে। বিশ্বব্যাপী পাওয়া 400 টি জাতের আম, যদিও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হ'ল আলফোনসো বা এপোওস এবং ভারত থেকে ডেসিরি এবং পাকিস্তান থেকে চুন্না ও আনোয়ার রতোল। আপনার লাঙ্গা, কেজর, সিন্ধরি ও সারোলিও আছে। মার্চ মাসের মাঝামাঝি থেকে 'ফোর রাজার' জন্য আলফসো মৌসুম শুরু করে। পাকিস্তানি সুপারমার্ক গ্রুপের অন্য একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝাঁজিব ইয়াসীন, যিনি প্রতিটি গ্রীষ্মে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আমদের আমদানী করে এমন একটি গ্রুপ পরিচালনা করেন, তিনি বলেন, "[আমদানিতে] আসন্ন আমেরিকায় [আমেদ্রে] আসল আমের প্রেমিকদের জন্য এটি খুবই সহজ। সব জাতীয়তার মানুষ তাদের কিনে নেয়। যদি আমরা এই দেশে আমের প্রবণতা দেখি, তবে মার্চ মাসে মধ্যবিত্তের আগমনের আগেই ভারতীয় আম আমদানিতে অগ্রসর হতে পারে এবং পরবর্তীতে মে মাসে মে মাসে আসেন। তারা ইতিমধ্যে গত দুই মাসে 180 টন আম আমদান করেছে। গ্রীষ্মে, আসন্ন মৌসুমে এটি ফল বিক্রয়কে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। দোকানগুলি বলছে যে বিক্রয় এমন পরিমাণে বৃদ্ধি পায় যেখানে এক মাসের গ্রীষ্মের বিক্রির অফ-সিজনে তৈরি করা দুই বা তিন মাসের বিক্রয় সমান!

Comment (0) Hits: 487
মাটি ও আবহাওয়ার কারণে মেহেরপুরের সুস্বাদু হিমসাগর আম এবারও দেশের বাইরে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ) ভুক্ত দেশগুলোতে রফতানি হতে যাচ্ছে।   গত বছর কীটনাশক মুক্ত আম প্রথম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করার ফলে এ অঞ্চলের আমচাষীদের মধ্যে উৎসাহ দেখা দেয়। গত বছর ১২ মেট্রিক টন আম ইউরোপিয়ান ...
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থেকে চলতি মৌসুমে আম বিদেশে রপ্তানির লক্ষ্যে উপজেলার মাহমুদপুর ফলচাষী সমবায় সমিতি লিমিটেডের বাগানিরা আম বাগানের নিবিড় পরিচর্যা শুরু করেছে । উপজেলা কৃষি অধিপ্তরের সহায়তায় বিষ মুক্ত ও রপ্তানীযোগ্য আম উৎপাদনের জন্য তারা সেক্স ফেরোমন ফাঁদ ও ফ্রুট ব্যাগিং ...
আমের মৌসুম বাড়ছে আরও এক মাস  কোনো রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার না করে আম পাকা প্রায় এক মাস বিলম্বিত করার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন এক উদ্ভিদবিজ্ঞানী আম পাকা শুরু হলে আর ধরে রাখা যায় না। তখন বাজারে আমের সরবরাহ বেড়ে যায়। যেকোনো দামেই বেচে দিতে হয়। তাতে কোনো কোনো বছর চাষির উৎপাদন ...
বাংলাদেশে উৎপাদিত ফল ও সবজির রপ্তানির সম্ভাবনা অনেক। তবে সম্ভাবনার তুলতায় সফলতা যে খুব যে বেশি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। রপ্তানি সংশ্লিষ্ঠ ব্যাক্তিবর্গ অনিয়মতান্ত্রিকভাবে বিভিন্নভাবে তাদের প্রচেষ্ঠা অব্যহত রেখেছেন। কিন্তু এদের সুনির্দিষ্ট কোন কর্ম পরিকল্পনা নেই বললেই চলে। ...
বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে আছে বিভিন্ন বয়সী অনেক পুরনো গাছ। এর কোন কোনটি ২০০-৩০০ বছরেরও বেশি বয়সী। আবার কোনটির বয়স তার চেয়েও বেশি। তেমনই ঠাকুরগাঁওয়ের একটি আমগাছের কথা সেদিন জানতে পারলাম ফেসবুকে একজনের পোষ্ট থেকে। একটি আমগাছ যার বয়স নাকি ২০০ বছরেরও ...
ইসলামপুরের গাইবান্ধা ইউনিয়নের আগুনেরচরে একটি আম গাছের গোড়া থেকে গজিয়ে উঠেছে হাতসদৃশ মসজাতীয় উদ্ভিদ বা ছত্রাক। ওই ছত্রাককে অলৌকিক হাতের উত্থান এবং ওই হাত ভেজানো পানি খেলে যেকোন রোগ ভাল হয় বলে অপপ্রচার করছে স্থানীয় ভ- চক্র। আর ওই ভ-ামির ফাঁদে পা দিয়ে প্রতিদিন প্রতারিত হচ্ছেন ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২