Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

ইউরোপে আম রপ্তানি হুমকির মুখে

বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে আম রপ্তানির প্রচলন গত কয়েক বছর থেকে শুরু হয়েছে।বাংলাদেশের আম ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ইতালি,যুক্তরাজ্য,ফ্রান্স, গ্রীস, সুইডেন, জার্মানিতে বেশি রপ্তানি হয়। এছাড়া কিছু আম যায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশে। আম চাষীরা দেশি বাজারের তুলনায় বেশি দামে বিদেশে আম বিক্রি করতে পারায় অনেকের লক্ষ্য ছিল রপ্তানির দিকেই।কিন্তু রপ্তানিকৃত আমের মান সন্তোষজনক না হওয়ায়  আম রপ্তানিতে ধস নামে।ফলে বর্তমানে আম রপ্তানির সম্ভাবনা হুমকির মুখে পড়েছে।

কৃষি অধিদপ্তর জানায়, ২০১৪-১৫ সালে যেখানে ৭৮৮টন আম রপ্তানি হয়, সেখানে ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে তা কমে ২৮৮ টনে নেমে আসে এবং এবং এ বছর এখন পর্যন্ত মাত্র ২৫ টন আম রপ্তানি হয়েছে।

কৃষি অধিদপ্তর বলছে, ভাল মানের আম রপ্তানি না করায় এর আগের দুই বছর ইউরোপের দেশ থেকে আমের চালান ফেরত এসেছে। তাই এবারে সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে আম বাছাই করা হচ্ছে।

এদিকে, বাড়তি সতর্কতার কারণে এ বছর বাংলাদেশ থেকে রপ্তানির জন্য প্রস্তুত করা আম ইউরোপিয় ইউনিয়ন-ভুক্ত দেশগুলোতে রপ্তানি করতে পারছেন না অনেক আম চাষী। 

আম চাষীরা বলছেন, সরকারের বেঁধে দেয়া নিয়মের কারণে প্রায় ৭০ শতাংশ আম তারা রপ্তানি করতে পারবেন না।

তবে, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক আনোয়ার হোসেন খান জানান, আমের মান বিগত বছর গুলোতে ভালো না থাকায় বাংলাদেশ থেকে আম আর না নেওয়ার ইঙ্গিত দেয় ইউরোপিয় ইউনিয়ন। যার কারণেই তাদের বেধে দেয়া নিয়ম অনুসরণ করতে হচ্ছে তাদের।

 

তিনি বলছেন, "আমরা এবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তাদেরকে আশ্বস্ত করেছি যে উন্নত মানের আম রপ্তানি করা হবে।" ওই অধিদপ্তর আরও বলছে গত দুই বছরে ৩৫ টি চালান বাতিল হয়।

বাংলাদেশে যে সব জেলায় প্রচুর পরিমাণে আম উৎপাদন হয় তার মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ একটা। সেখানকার আম চাষীরা রপ্তানির জন্য আলাদাভাবে এবং স্থানীয় বাজারের জন্য আরেকভাবে আম প্রস্তুত করেন।

একজন আম ব্যবসায়ী হাসান আল সাদি জানান, আমের মৌসুম এক মাস আগে থেকে শুরু হলেও রপ্তানিকারকদের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত কোন সাড়া তারা পাননি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট বলছে, রপ্তানির উদ্দেশ্যে আগে থেকেই আম চাষীদের বিষ ও পোকামুক্ত আম উৎপাদনে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। সে অনুযায়ী তারা আম উৎপাদন করেছে।

এখন কোয়ারান্টাইন বা আম পরীক্ষা-নিরীক্ষার পদ্ধতির কারণে প্রায় ৭০ শতাংশ আম রপ্তানি করতে পারবে না বলে চাষীরা অভিযোগ করছেন।

ইন্সটিটিউটের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড.শরফ উদ্দিন বলছিলেন "যেভাবে আম বাছাই করা হচ্ছে সেটা সঠিক পদ্ধতি নয়। যদি আমের গায়ে আঠার দাগ বা পাতার দাগ থাকে সেটাও বাতিল করা হচ্ছে। এভাবে যদি চলে তাহলে ভবিষ্যতে চাষীরা নিরুৎসাহিত হয়ে পড়বে।"

এদিকে সরকারের সংশ্লিষ্ট ঐ সংস্থা বলছে আম রপ্তানির উপর যদি এখন সর্তকতা না মানা হয় তবে পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক বাজারে অন্যান্য ফল বা শস্যের রপ্তানির ওপরেও আপত্তি আসতে পারে।

Comment (0) Hits: 747
 

ইউরোপে আম রপ্তানি নিয়ে হতাশায় চাষীরা

দেশের চাহিদা মিটিয়ে ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যাবে উত্তরাঞ্চলের আম। এমন আশায় বুক বেধেছিলেন আম চাষীরা। তাদের স্বপ্ন পূরণে অল্প পরিসরে কয়েক বছর ধরে ইউরোপে আম রপ্তানিও শুরু হয়েছিলো। বাংলাদেশের আম অন্যসব দেশের আমের চেয়ে সুস্বাদু হওয়ায় বেশ জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেছিল। দেশি-বিদেশি অনেক রপ্তানিকারক যোগ দিচ্ছিলেন। কিন্তু আম বিদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে জটিল প্রক্রিয়ার কারণে আম চাষিদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। গত বছর ২০০ মেট্রিকটন আম রপ্তানি হলেও চলতি বছর রপ্তানি হয়েছে মাত্র ২৫ থেকে ৩০ মেট্রিকটন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৬ হাজার হেক্টর জমির মধ্যে শিবগঞ্জেই ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে আম বাগান রয়েছে। এর মধ্যে নিরাপদ, রপ্তানিযোগ্য ও ও স্বাস্থ্যসম্মত আম উৎপাদন হবে প্রায় ১৮ হাজার মেট্রিক টন। গত বছর চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে প্রায় ২০০ মেট্রিক টন আম রপ্তানি হলেও এবার বেশি হওয়ার আশা করেছিলেন চাষিরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা পূরণ হবে কি-না তা বলতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। গত বছর রপ্তানিকারকরা নির্ধারিত ও তালিকাভুক্ত আমবাগান মালিকদের কাছ থেকে সরাসরি কীট ও বালাইনাশকমুক্ত আম বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করেছিলো। এবার নানান জটিলতার মুখে পড়েছেন আম ব্যবসায়ীরা।
একাধিক আম রপ্তানিকারক বলেন, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের তালিকাভুক্ত আম চাষিদের বাগান থেকে প্যাকেট করা ও রপ্তানিযোগ্য ও নিরাপদ আমের মধ্যে রপ্তানিকারক বাছাই করে চাষিদের প্রায় ৬০ ভাগ বাদ দিয়ে ৪০ ভাগ ঢাকায় শ্যামপুরে সেন্ট্রাল প্যাকিং সেন্টারে রপ্তানির জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আবার বাছায়ের নামে আমের উপর সামান্য দাগ থাকায় বাদ দিয়ে ফেরত পাঠাচ্ছে। এতে চরম ক্ষতির মধ্যে পড়ছেন রপ্তানিকারকসহ বাগান মালিকরা। সবমিলিয়ে জটিলতা ও শর্তের কারণে গ্যাঁড়াকলে পড়েছেন রপ্তানিকারকরা।
সুইডেন থেকে এক মাস আগে বাংলাদেশের নাচোলে এসেছিলেন দোজা নামের এক ব্যবসায়ী। কথা হয় তার সঙ্গে। তিনি বলেন, গত বছর থেকে বাংলাদেশের আম সুইডেন, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ২৮ মেট্রিক টন রপ্তানি করা হয়েছিল। চলতি বছর এর দ্বিগুণ রপ্তানি করার পরিকল্পনা নিয়ে দেশে এসেছিলেন তিনি। চলতি বছর ইউরোপে আম পাঠাতে বাংলাদেশের নতুন করে শর্ত আরোপ করে। এবার ক্যারেটে করে কৃষি বিভাগের ঢাকার শ্যামপুর প্ল্যান করেন্টাইন উইংয়ে নিয়ে যাওয়ার পর শুরু হয়
বাছাই। আর বাছায়ের নামে চলে অযাচিত হয়রানি। সে কারণে তিনি এবার আম রপ্তানি না করে গত সপ্তাহে সুইডেন ফিরে যান।
চাঁপাইনাবাবঞ্জের শিবগঞ্জ এলাকার এক আম রপ্তানিকারক জানান, কয়েকদিন আগে চাষির বাগান থেকে রপ্তানির জন্য ঢাকার শ্যামপুরে সেন্ট্রাল প্যাকিং সেন্টারে ৭৯০ কেজি আম নিয়ে যাওয়ার পর ৪০০ কেজিই বাদ দিয়ে দেয় সেখানকার দায়িত্বপ্রাপ্তরা । অথচ এসব আম গতবারের চেয়ে আরো বেশি ভাল ছিল। বাদ দেয়া সে আমগুলো নিয়ে মহাবিপাকে পড়তে হয়েছিল।
শিবগঞ্জ এলাকার কয়েকজন তালিকাভুক্ত আম চাষী বলেন, গতবারের চেয়ে এবার রপ্তানির লক্ষে অনেক বেশি আকারে আম উৎপাদন করেছে চাষীরা। এবার আম নেয়ার ক্ষেত্রে যেসব শর্ত ও বিবরণ দিচ্ছে তাতে আম দিলে অনেক লোকসান ও ক্ষতির মধ্যে পড়তে হবে। যেসব আম চাইছে তা দেয়ার পর নব্বই ভাগই বাদ পড়ে যাবে। এসব আম স্থানীয় ক্রেতাদেরও কেনার সামর্থের বাইরে। তাহলে এই নব্বইভাগ নিয়ে চাষীদের পড়দে হচ্ছে লোকশানের মুখে।
আম চাষীরা অভিযোগ করেন, রপ্তানিকৃত আমের মধ্যে হিমসাগর, ল্যাংড়া ও লক্ষèা পেকে গেছে। ৪/৫ দিনের মধ্যে রপ্তানির জন্য শিথিলতা করে না দিলে পচে সব শেষ হয়ে যাবে। এবার রপ্তানিযোগ্য করার জন্য লাখ লাখ টাকা খরচ করে ম্যাংগো প্রটেকশন ব্যবহার করায় অনেক বেশি খরচও হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে ঢাকা খামারবাড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের করেন্টাইন সংগনিরোধ কীটতত্ব বিভাগের উপ-পরিচালক আনোয়ার হোসেন খান জানান, নিয়ম মেনেই আম যাচাই-বাছাই করেই আম বিদেশে পাঠানো হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে রপ্তানি কমার সম্ভাবনা রয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, গত বছর ২৮৮ মেট্রিক টন আম রপ্তানি হয়েছিল। চলতি বছর কত মেট্রিকটন হবে সময় শেষ না হওয়া পর্যন্ত বলা যাবে না।

Comment (0) Hits: 750
 

ইউরোপে আম রফতানিতে কঠোর বিধিনিষেধ

বাংলাদেশ থেকে রফতানির জন্য প্রস্তুত করা আম এবার ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে রফতানি করতে পারছেন না অনেক আমচাষী। কৃষি অধিদফতর বলছে, ভাল মানের আম রফতানি না করায় এর আগের দুই বছর ইউরোপের দেশ থেকে আমের চালান ফেরত এসেছে। তাই এবারে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে আম বাছাই করা হচ্ছে। এদিকে আমচাষীরা বলছেন, সরকারের বেঁধে দেয়া নিয়মের কারণে প্রায় ৭০ শতাংশ আম তারা রফতানি করতে পারবেন না।

বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে আম রফতানির প্রচলন গত কয়েক বছর থেকে শুরু হয়েছে। আমচাষীরা দেশী বাজারের তুলনায় বেশি দামে বিদেশে আম বিক্রি করতে পারায় অনেকের লক্ষ্য ছিল রফতানির দিকেই। কিন্তু এবারে আম বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সরকারের রয়েছে বেশ কিছু কড়া বিধিনিষেধ।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক আনোয়ার হোসেন খান বলেন, আমের মান বিগত বছরগুলোতে ভাল না থাকায় বাংলাদেশ থেকে আম আর না নেয়ার ইঙ্গিত দেয় ইউরোপীয় ইউনিয়ন। যার কারণেই তাদের বেঁধে দেয়া নিয়ম অনুসরণ করতে হচ্ছে তাদের। তিনি বলছেন, ‘আমরা এবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তাদের আশ্বস্ত করেছি যে উন্নতমানের আম রফতানি করা হবে।’ ওই অধিদফতর আরও বলছে, গত দুই বছরে ৩৫টি চালান বাতিল হয়। বাংলাদেশে যে সব জেলায় প্রচুর পরিমাণে আম উৎপাদন হয় তার মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ একটা। সেখানকার আমচাষীরা রফতানির জন্য আলাদাভাবে এবং স্থানীয় বাজারের জন্য আরেকভাবে আম প্রস্তুত করেন। আম ব্যবসায়ী হাসান আল সাদি বলেন, আমের মৌসুম এক মাস আগে থেকে শুরু হলেও রফতানিকারকদের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত কোন সাড়া তারা পাননি। চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট বলছে, রফতানির উদ্দেশে আগে থেকেই আমচাষীদের বিষ ও পোকামুক্ত আম উৎপাদনে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

Comment (0) Hits: 761

ইউরোপে আম রপ্তানী শুরু

রাজশাহী থেকে আম রপ্তানী শুরু হয়েছে। রোববার উদ্বোধনী দিনে সাড়ে তিন হাজার কেজি আম ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তবে কোম্পানী দেরিতে আম নেওয়ায় এবং অতিরিক্ত পরিপক্ক হওয়ায় ব্যাগেই পেকেছে অনেক আম। আর এসব আম রপ্তানী না হওয়ায় স্থানীয়রা চাষিরা লোকসানের মুখে পড়েছে।

জানা গেছে, স্থানীয় বাগান থেকে প্রথমে এসব আম ঢাকায় যাবে। সেখান থেকে ইউরোপের বিভিন্ন রাস্ট্রে আল-আমিন হোলসেল্স লিমিটেড সরবরাহ নিবে। আম রপ্তানীর লক্ষমাত্রা ছিল প্রায় দুই হাজার টন। কিন্তু আমের অর্ডার দেরীতে হওয়ায় এমনিতেই একশো’ টন সরবরাহের সময় পার হয়েছে।

নগরীর জিন্নানগরে সরোজমিন গিয়ে দেখা যায়, হিমসাগর (খিড়সাপাত) আম প্যাকেটজাত করা হচ্ছে। প্রতিটি প্যাকেটে দুই কেজি আম সংরক্ষণ করা হচ্ছে। সেখানে দেখা হয় রাজশাহী এগ্রো ফুড প্রোডিউসার সোসাইটির সভাপতি আনোয়ার হোসেনের সাথে। তিনি বলেন, বিভিন্ন এলাকার ১০টি বাগান থেকে আম সংগ্রহ করা হচ্ছে। মে মাসের ২৮ তারিখ থেকে এই আগগুলো নেয়ার কথা। দেরিতে রেপ্তানী হওয়ায় অনেক আম প্যাকেটেই পাক ধরেছে। আবার অতিরিক্ত পরিপক্ক হওয়ায় বোটা থেকে ঝরে প্যাকেটেই রয়ে গেছে। এমন শতকরা প্রায় ৩০টি আম রপ্তানীর বাইরে থাকছে। এতে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি আরো জানান, গত বছর প্রতি কেজি আমের দাম ৮৫ টাকা দিলেও এবারে দিচ্ছেন ৮০ টাকা। এখানেও চাষিকেও লোকসান গুণতে হচ্ছে।

সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান খান বলেন, রাজশাহীতে প্রায় একশো জন চাষি বিদেশে রপ্তানীর যোগ্য আমচাষ করেছেন। প্রায় ১০ লাখ আমে ব্যাগিং করা হয়েছে। তবে প্রতিকুল পরিবেশ, এক্সপোর্ট-ইম্পোর্টের জটিলতার কারণে কিছুটা হলেও লোকসান হবে। তিনি আরো বলেন, ব্যাগিং পদ্ধতির আম বিদেশে না রপ্তানী হলেও দেশীয় বাজারে ভাল দামেই বিক্রি হবে।

রাজশাহীতে এবারে ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতিতে আমচাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। উৎপাদিত আমের গুণগত মান ভালো হওয়ায় এসব আম বিদেশে রপ্তানী হচ্ছে। আমের মান ও দাম ভাল পাওয়ায় ক্রমেই উৎসাহী হয়ে উঠছেন কৃষকরা। ফলে এই ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতির মাধ্যমে আম চাষের প্রসার ঘটেছে।

কৃষকরা লাভবান হওয়ায় আশায়, বালাইমুক্ত নিরাপদ আম উৎপাদন করতে বাগানে ব্যবহৃত হচ্ছে ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতি। সুস্বাদু ও গুণগত মান ভালো হওয়ায় দেশের গণ্ডি পেরিয়ে এখানকার আম রপ্তানি হচ্ছে চীন ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে।

Comment (0) Hits: 904
জৈষ্ঠ্য মাসের প্রথম সপ্তাহে জেলার হিমসাগর আম গেল ইউরোপে। আর এর মধ্য দিয়েই আম রপ্তানিতে কৃষি বিভাগের প্রচেষ্টা তৃতীয়বারের মতো সাফল্যের মুখ দেখলো। সোমবার রাতে রপ্তানির প্রথম চালানেই জেলার দেবহাটা উপজেলার ছয়জন চাষী ও সদর উপজেলার তিনজন চাষীর বাগানের হিমসাগর আম পাঠানো হলো ...
রপ্তানি যোগ্য আম উৎপাদন করেও রপ্তানি করতে না পেরে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা। কৃষি অধিদপ্তরের কোয়ারেন্টাইন উইংয়ের সাথে স্থানীয় কৃষি বিভাগের সমন্বয়হীনতার কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে মে করেন বাগান মালিক ও চাষিরা। অন্যদিকে জেলার ...
গাছ থেকে আম অনায়াসে চলে আসবে নিচে। পড়বে না, আঘাত পাবে না, কষ ছড়াবে না, ডালও ভাঙবে না। গাছ থেকে এভাবে আম নামানোর আধুনিক ঠুসি (ম্যাঙ্গো হারভেস্টর) উদ্ভাবন করেছেন একজন চাষি। এই চাষির নাম হযরত আলী। বাড়ি নওগাঁর মান্দা উপজেলার কালিগ্রামে। তিনি গ্রামের শাহ কৃষি তথ্য পাঠাগার ও ...
আমে ফরমালিন আর কার্বাইডের ব্যবহার নিয়ে দেশে যখন ব্যাপক হইচই হচ্ছে, এর নেতিবাচক প্রচারের অনেক ভোক্তা সুস্বাদু এই মৌসুমি ফল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। ব্যবসায়ীরাও মাঠে নেমেছেন কম। আমের বাজারে চলছে ব্যাপক মন্দা। এই সময়ে শাহ কৃষি জাদুঘর এবার ফরমালিন-কার্বাইড তো দূরের কথা, কোনো ...
প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন দেশের পর্যটকেরা ভারতে আসা যাওয়া করেছেন। তাদের বিবেচনায় আম দক্ষিন এশিয়ার রাজকীয় ফল। জগৎ বিখ্যাত পর্যটক ফাহিয়েন, হিউয়েন সাং, ইবনে হাষ্কল, ইবনে বতুতা, ফ্লাঁয়োসা বর্নিয়ের এরা সকলেই তাদের নিজ নিজ কর্মকান্ড ও লেখনির মাধ্যমে আমের এরুপ উচ্চ গুনাগুনের ...
দেশের বাজারে নতুন হ্যান্ডসেট নিয়ে আসলো ম্যাংগো। এটি দেশীয় প্রতিষ্ঠান। ম্যাংগো ১১ টি মডেলের হ্যান্ডসেট নিয়ে এসেছে। এগুলোর মধ্যে ৫টি স্মার্টফোন এবং ৬ টি ফিচার ফোন। এর একটি মডেলের নাম ফজলি। এটি ফিচার ফোন। আজ রাজধানীর একটি হোটেলে ম্যাংগো অনুষ্ঠানিকভাবে ফোনগুলো অবমুক্ত করে। ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২