Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

ভারতীয় আমে ইইউ নিষেধাজ্ঞার সুযোগ নিচ্ছে পাকিস্তান

উৎপাদিত আমের ৪০ শতাংশ এ বছর রপ্তানি হবে বলে মনে করছেন পাকিস্তানের ব্যবসায়ীরা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাজারে আম রপ্তানিতে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ভারত ও পাকিস্তান। সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে ভারতীয় আমের প্রবেশ নিষিদ্ধ হওয়ায় ওই অঞ্চলে রপ্তানি দ্বিগুণ করার স্বপ্ন দেখছেন পাকিস্তানি ব্যবসায়ীরা।

দুই দেশের বাণিজ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ইউরোপের বাজারে এক লাখ টন আম রপ্তানি করে পাকিস্তান আয় করে ৪৮ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে ভারত ৫৬ হাজার টন আম রপ্তানি করে আয় করে ৪৪ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলার। কিন্তু চলতি বছর মাছি সংক্রমণের অভিযোগে ভারতের ফল ও কিছু শাকসবজি আমদানি নিষিদ্ধ করে ইইউ, যা গত ১ মে থেকে কার্যকর হয়।

আর এ সুযোগে আম রপ্তানি দ্বিগুণ করার কথা বলছেন পাকিস্তানের ব্যবসায়ীরা। আম সংরক্ষণে চাষিদের সচেতন করতে তাঁরা দেশব্যাপী প্রচারণাও চালাচ্ছেন। পাকিস্তানের আম উৎপাদক সমিতির প্রেসিডেন্ট সাইদ জাহিদ হোসাইন বলেন, 'পাকিস্তানের আমের স্বাদ অসাধারণ।' তিনি বলেন, 'আমরা যদি সফলভাবে আমাদের সুস্বাদু আম বাজারজাত করতে পারি, তবে ইইউ, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ বড় বাজারগুলোতে প্রবৃদ্ধির বড় অংশ আমরা ধরতে পারব। এসব বাজার ধরতে সতর্কতার সঙ্গেই আমরা কাজ করছি।' পাকিস্তানের খাদ্য অঞ্চল হিসেবে খ্যাত পাঞ্জাব প্রদেশের পার্লামেন্টারি সেক্রেটারি রাজা ইজাজ আহমেদ নুন বলেন, 'আমাদের ফলফলাদির মান ভালো করার পাশাপাশি ভারত কোথায় ভুল করেছে, সেখান থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত। আমরা ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি ইতিবাচকভাবেই নিয়েছি। এখান থেকে শিক্ষা নিচ্ছি।' নুন সম্প্রতি পাকিস্তানের পাঞ্জাবে বিভিন্ন সেমিনারের মাধ্যমে ফলচাষিদের শেখাচ্ছেন কিভাবে আম পোকামাকড়ের আক্রমণ ও মাছির উপদ্রব থেকে রক্ষা করতে হয়। তিনি বলেন, 'এ বছর আমাদের মোট উৎপাদিত আমের ৪০ শতাংশ পর্যন্ত রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও গত বছর থেকে ১৬ শতাংশ রপ্তানি বাড়ানোর চেষ্টা করছি।'

দেশটির কীটপতঙ্গ প্রতিরোধক বিভাগের কর্মকর্তা সাইদ ইসমাত হোসাইন বলেন, 'আমাদের বিভাগ থেকে আমরা বিভিন্ন ফলবাগান ঘুরছি আর কৃষকদের একটি সংবাদই দিয়ে বেড়াচ্ছি, তা হচ্ছে আমরা যদি উৎপাদন ও রপ্তানিতে ইইউর মান রক্ষা করতে পারি, তবে লোভনীয় মুনাফার সুযোগ রয়েছে।' তিনি বলেন, 'মাছি সংক্রমণ ভারতের পাশাপাশি আমাদের ফলবাগানগুলোতে বড় সমস্যার কারণ। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এ সমস্যা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রণ করব।' এএফপি।

Comment (0) Hits: 546
 

আম নিয়ে পাকিস্তান-ভারত লড়াই

শুধু কাশ্মীর, স্যার ক্রিক বা সিয়াচেন নিয়ে নয়, জানেন কি, বাগানের আম নিয়েও ভারত-পাকিস্তানে পুরনো অশান্তি রয়েছে? রাতাউল আমের উৎস নিয়ে দেশ দুটির মধ্যে বহু বছর ধরে চলছে বিতর্ক। অশান্তির সূত্রপাত ১৯৮১-তে। পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জেনারেল জিয়াউল হক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ও রাষ্ট্রপতি নীলম সঞ্জীব রেড্ডিকে এক ঝুড়ি আম পাঠান, বলেন, তা নাকি তার দেশের ‘স্পেশাল ম্যাঙ্গো’। সেই আম খেয়ে ইন্দিরা এতটাই আপ্লুত হয়ে পড়েন, যে তিনি রাতাউল আমের প্রশংসা করে জেনারেল জিয়াকে খোলা চিঠি লেখেন, তাতে সার্টিফিকেট দেন, ওই আম শুধু পাকিস্তানেই ফলে। প্রধানমন্ত্রীর চিঠির কথা জানাজানি হতে শুরু হয় হইচই। উত্তরপ্রদেশের বাগপত জেলার রাতাউল গ্রামের আম চাষীরা সোজা গিয়ে ইন্দিরাকে জানান, ওই রাতাউল আম ভারতেই ফলে, মোটেও পাকিস্তানে নয়। তাদের দাবি, তাদের গ্রামেরই একজন দেশভাগের পর পাকিস্তানে চলে যান, সঙ্গে নিয়ে যান রাতাউল আমের বেশ কয়েকটি চারা। মুলতানে গিয়ে তিনি ওই আম ফলান, নিজের বাবার স্মৃতিতে তার নাম দেন আনোয়ার রাতাউল। তারপর থেকেই মুলতানি আমের রমরমা আর আমের রাজা ওই আনোয়ার রাতাউল আম। পাকিস্তানে ওই আমের ওপর স্ট্যাম্পও বার করেছে।  তাদের গ্রামের বাগানে ফলে থাকা আমের ওপর পাকিস্তানের এই মৌরসীপাট্টা স্বাভাবিকভাবেই চটিয়ে দেয় রাতাউলের বাসিন্দাদের। তারাও এক বাক্স আম ইন্দিরা গান্ধীকে পাঠিয়ে অনুরোধ করেন, ওই আম যেন পাক প্রেসিডেন্টকে উপহার দেন তিনি।  তখন থেকেই রাতাউল নিয়ে দুদেশের দ্বন্দ্ব চলছে। বিশ্বজোড়া আম উৎসবে মুখোমুখি হলেই ভারত-পাক অশান্তি শুরু হয়, রাতাউল কার, তা নিয়ে। ভারতীয়দের বক্তব্য, বাগপত ও আশপাশের এলাকার ২,০০০ বিঘারও বেশি জায়গায় শুধু রাতাউল আম ফলছে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই আম খেয়ে বড় হয়েছেন তারা। তাহলে কী করে তাদের গ্রামের নামে রাতাউল আম পাকিস্তানের হয়ে যায়?  অতএব, কাশ্মীর, স্যার ক্রিক, সিয়াচেনের মতই ও ভারত- পাক দ্বন্দ্বের অন্যতম কেন্দ্র হয়ে রয়েছে এই রাতাউল আম। তফাত শুধু এই, অশান্তিতে বারুদের গন্ধ নেই, আছে মিষ্টি রসে ভরা বিস্ময়কর অনুভূতি।

Comment (0) Hits: 610
 

পাকিস্তান থেকে ফল আমদানি বাড়াচ্ছে ইন্দোনেশিয়া

পাকিস্তান থেকে ফল আমদানির কোটা ও সময়সীমা বৃদ্ধিতে সম্মত হয়েছে ইন্দোনেশিয়া। অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির (পিটিএ) আওতায় এ বিষয়ে একমত হয়েছে দেশ দুটি। খবর দ্য ডন।

পিটিএ বাস্তবায়নের পর ইন্দোনেশিয়ায় পাকিস্তানের রফতানি প্রায় ১০ কোটি ডলার কমে গেছে। বিপরীতে একই সময়ে পাকিস্তানে পণ্য রফতানি দ্বিগুণে উন্নীত করেছে ইন্দোনেশিয়া। এ অবস্থায় উভয় পক্ষই পিটিএ বাস্তবায়নের বিষয়গুলো তিন দফা পর্যালোচনা করে। তৃতীয়বারের পর্যালোচনাটি সম্প্রতি শেষ হয়েছে। এর আওতায় ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত পাকিস্তানের কিন্নো (মান্দারিন কমলা) আমদানিতে সম্মতি দিয়েছে ইন্দোনেশিয়া। পূর্বে এই আমদানি সময়সীমা ছিল জানুয়ারি থেকে এপ্রিল। এছাড়া পাকিস্তান থেকে তাজা ফল আমদানির কোটাও বাড়ানোর ক্ষেত্রে মত দিয়েছে ইন্দোনেশিয়া। এর ফলে মে-অক্টোবর পর্যন্ত পাকিস্তান থেকে আম কিনবে দেশটি। একমাত্র পাকিস্তানকেই এ ধরনের অনুমোদন দিল ইন্দোনেশিয়া।

Comment (0) Hits: 574

ওমানে পাক-ভারতের ''আম যুদ্ধ''

ভারত ও পাকিস্তনের মধ্যে বৈরিতা চিরকালের। সেটা দু'দেশের রাজনীতিক ও সমরনায়কদের মধ্যেই কেবল সীমাবদ্ধ তা নয়, বরং দু'দেশের সাধারণ মানুষের মাঝেও যে ছড়িয়ে পড়েছে, তার প্রমাণ মিলছে সুদূর ওমান দেশেও।

টাইমস অব ওমান পত্রিকা জানায়, কোন দেশের আম শ্রেষ্ঠ - এ নিয়ে ওমানপ্রবাসী ভারতীয় ও পাকিস্তানীরা অনলাইনে ''যুদ্ধে'' জড়িয়ে পড়েছে। উভয় পক্ষই প্রমাণ করার চেষ্টা করছে যে তাদের আমই সেরা।

এখানে বলে রাখা ভালো যে, উভয় দেশ থেকেই ওমান আম আমদানী করে থাকে, তবে ভারত থেকে আমদানীর পরিমাণ একটু বেশি।

দেশপ্রেমে উজ্জীবিত প্রবাসী পাকিস্তানী শহীদ আফজাল লিখেছেন, পাকিস্তানী আমের কোনো তুলনাই হয় না, বিশেষ করে চাউসা (চোষা), সিন্ধ্রি, আনওয়ার লেতর ও ল্যাংড়া।

রায়ান খান আফ্রিদী নামের আরেক পাকিস্তানী লিখেছেন, পাকিস্তানী আম হলো নাম্বার ওয়ান। এখানে অনেক দোকানে আমি দেখেছি ভারতীয় আমের সামনের সারিতে পাকিস্তানী আম সাজানো আছে। এর মানে হলো লোকজনকে দেখানো যে এগুলো ভালো।

নিজেদের আমের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণে প্রবাসী ভারতীয়রাও কম যায় না। মিনা পান্ডে নামে একজন লিখেছেন, ভারতের রত্নগিরি জেলার আলফনসো আম হলো আমের রাজা। কী স্বাদ, কী রঙ - কোনো দিক থেকেই এই আমকে কেউ হারাতে পারবে না। এছাড়া ভারতের কেসার, রাজাপুরি, ল্যাংড়া আমেরও তুলনা হয় না

ভিরাল শাহ নামের আরেক প্রবাসী ভারতীয় লিখেছেন, ভারতের আমের স্বাদ কম - এ কথা যারা বলে, তাদের উচিৎ তাড়াতাড় ডাক্তার দেখিয়ে জিহ্বা পরীক্ষা করানো।

Comment (0) Hits: 703
জৈষ্ঠ্য মাসের প্রথম সপ্তাহে জেলার হিমসাগর আম গেল ইউরোপে। আর এর মধ্য দিয়েই আম রপ্তানিতে কৃষি বিভাগের প্রচেষ্টা তৃতীয়বারের মতো সাফল্যের মুখ দেখলো। সোমবার রাতে রপ্তানির প্রথম চালানেই জেলার দেবহাটা উপজেলার ছয়জন চাষী ও সদর উপজেলার তিনজন চাষীর বাগানের হিমসাগর আম পাঠানো হলো ...
আম ও আমজাত পণ্য রপ্তানী বিয়য়ে সেমিনার হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় রপ্তানীর প্রশিক্ষন কর্মসুচীর আওতায় শনিবার সকালে দিনব্যাপী সেমিনারের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোঃ জাহিদুল ইসলাম। আলোচনার মাধ্যমে আম রপ্তানী ও বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের ...
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার ভোলাহাট আম ফাউন্ডেশনে উন্নত ও আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করে আম বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে আমচাষীদের নিয়ে পরীক্ষামূলক প্রদর্শনী ও সভা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) সকাল থেকে শুরু হয়ে দিনব্যাপী চলা বিভিন্ন প্রদর্শনীতে এলাকার আমচাষী ও ব্যবসায়ীরা অংশ ...
আমে ফরমালিন আর কার্বাইডের ব্যবহার নিয়ে দেশে যখন ব্যাপক হইচই হচ্ছে, এর নেতিবাচক প্রচারের অনেক ভোক্তা সুস্বাদু এই মৌসুমি ফল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। ব্যবসায়ীরাও মাঠে নেমেছেন কম। আমের বাজারে চলছে ব্যাপক মন্দা। এই সময়ে শাহ কৃষি জাদুঘর এবার ফরমালিন-কার্বাইড তো দূরের কথা, কোনো ...
গাছ ফল দেবে, ছায়া দেবে; আরও দেবে নির্মল বাতাস। আশ্রয় নেবে পাখপাখালি, কাঠ বেড়ালি, হরেক রকম গিরগিটি। গাছ থেকে উপকার পাবে মানুষ, পশুপাখি, কীটপতঙ্গ– সবাই। আর এতেই আমি খুশি। ঐতিহাসিক মুজিবনগর আম্রকাননে ছোট ছোট আমগাছের গোড়া পরিচর্যা করার সময় এ কথাগুলো বলেন বৃক্ষ প্রেমিক জহির ...
ইসলামপুরের গাইবান্ধা ইউনিয়নের আগুনেরচরে একটি আম গাছের গোড়া থেকে গজিয়ে উঠেছে হাতসদৃশ মসজাতীয় উদ্ভিদ বা ছত্রাক। ওই ছত্রাককে অলৌকিক হাতের উত্থান এবং ওই হাত ভেজানো পানি খেলে যেকোন রোগ ভাল হয় বলে অপপ্রচার করছে স্থানীয় ভ- চক্র। আর ওই ভ-ামির ফাঁদে পা দিয়ে প্রতিদিন প্রতারিত হচ্ছেন ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২