Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

এ বার সাত সমুদ্র পাড়ি দেবে বাংলার হিমসাগর

এ বার সাত সমুদ্র পাড়ি দেবে বাংলার পরিচিত আম হিমসাগর। অর্থাৎ বিশ্ব বাণিজ্য সংগঠনের (ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন) অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির কাছে প্রজাতি হিসাবে হিমসাগর গ্রহণযোগ্য‌ রফতানিকারক পণ্য‌ হিসাবে গণ্য‌ হয়েছে। তবে সেখানে কতগুলি প্রশ্ন থেকে গিয়েছে। ডাবলুটিও বা ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশনের চুক্তি মেনে ফসল উৎপাদন থেকে শুরু করে প্য‌াকেজিং এবং রফতানির ব্য‌বস্থা — এই সবটাই করতে হবে। তা না হলে সেই আম রফতানিযোগ্য‌ বলে বিবেচিত হবে না। তাই ভারত সরকারের অ্য‌াপেডা অর্থাৎ বাণিজ্য‌ ও শিল্প দফতরের অধীনস্থ এগ্রিকালচারাল অ্য‌ান্ড প্রসেসড ফুড প্রোডাক্টস এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট অথারিটি এবং ইউএসডিএ অর্থাৎ ইউনাইটেড স্টেটস এগ্রিকালচারাল ডিপার্টমেন্ট হিমসাগর আমকে রফতানিযোগ্য‌ হিসাবে বিবেচনা করলেও উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বাগান মালিকদের এবং পরবর্তীকালে রফতানির সময় ব্য‌বসায়ীদের কতকগুলি কড়া নিয়ম মেনে চলতে হবে। তা না হলে সেই আম আদৌ গ্রহণযোগ্য‌ বলে বিবেচিত হবে না। অতি সম্প্রতি আমেরিকা ও ইউরোপে বাংলার হিমসাগর ও অন্ধ্রপ্রদেশের বাংগানাপল্লি আম গ্রহণযোগ্য‌ হয়েছে। একই সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় রফতানিযোগ্য‌ বলে গ্রহণযোগ্য‌ হয়েছে গুজরাতের বিখ্য‌াত কেশর প্রজাতির আম।

দেশের কোন কোন আম এখন রফতানি করা হয় তা পরিমাণ অনুযায়ী ক্রমপরম্পরায় দেখে নেওয়া যাক। ১) মহারাষ্ট্রের রত্নগিরি এলাকার বিখ্য‌াত আলফান্সো, ২) কর্নাটকের বাদামি, ৩) উত্তর ভারতের চৌসা, ৪) উত্তরপ্রদেশের মালিহাবাদের দশেরি, ৫) উত্তর ভারতের ল্য‌াংড়া, ৬) তামিলনাড়ুর মূলগোড়া, ৭)দক্ষিণ ভারতের নীলম, ৮) গুজরাতের কেশর, ৯) কর্নাটকের রসপুরি, ১০) দক্ষিণ ভারতের তোতাপুরী, ১১)পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশার হিমসাগর ও ১২) অন্ধ্রের বাংগানাপল্লি।

এ বার দেখা যাক কোন কোন নিয়মের মধ্য‌ে দিয়ে গেলে তবে রফতানি করা যাবে।

প্রথমে বাগানগুলিকে ডাবলুটিও এসপিএস চুক্তি অর্থাৎ এগ্রিমেন্ট অন অ্য‌াপ্লিকেশন অফ স্য‌ানিটারি অ্য‌ান্ড ফাইটোস্য‌ানিটারি মেজার্সের নিয়ম অনুযায়ী অ্য‌াপেডা ও কৃষি মন্ত্রকের ডাইরেক্টরেট অফ প্লান্ট প্রোটেকশন কোয়ারান্টাইন অ্য‌ান্ড স্টোরেজ-ফরিদাবাদে নথিভুক্ত করতে হবে। উৎপাদন শুরু হওয়ার অন্তত ৩০ দিন আগে নথিভুক্ত হওয়া দরকার। রোমের আন্তজার্তিক উদ্ভিদ সংরক্ষণ কনভেনশন অনুযায়ী জাতীয় উদ্ভিদ সংরক্ষণ সংস্থা বা এনপিপিও এর পর বাগান পরিদর্শনে আসবে। অমেরিকায় আম রফতানি করতে গেলে ফলের মধ্য‌ে অন্তত ৪০০ গ্রে অ্য‌াবসর্বড ডোসেজ থাকা দরকার (খাদ্য‌গুণের পরিমাপ)। এ ছাড়া যথাযথ ভাবে ফাঙ্গাসমুক্ত করার ব্য‌বস্থা করতে হবে। আন্তর্জাতিক স্বীকৃত নিয়ম অনুযায়ী টিপোল, স্য‌ান্ডোভিট প্রভৃতি ওষুধ প্রতি লিটার জলে ১ মিলি ঢেলে আমগুলি ধুয়ে ফাঙ্গাসমুক্ত করতে হবে। অন্য‌ান্য‌ ধরনের জীবাণুর হাত থেকে বাঁচার জন্য‌ ৫২ ডিগ্রি গরম জলে সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইট দিয়ে ৩-৪ মিনিট ধুতে হবে। এর পর যথাযথ ভাবে গুদামজাত করার ব্য‌বস্থা করতে হবে। রফতানির করার সময় নির্দিষ্ট মাপের বাক্সে তা ভরতে হবে। প্রতিটি বাক্স থেকে আম তুলে তা পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করার ব্য‌বস্থাও করতে হবে। এত রকমের বাধা পেরিয়ে তবেই আম রফতানিযোগ্য‌ বলে বিবেচিত হবে।

রাজ্য‌ সরকারের হর্টিকালচার বিভাগ বলছে, হিমসাগর আম সহজেই গুণমান পেরোবে। তবে বাগান মালিকদের এ ব্য‌াপারে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। তাঁরা যদি বিন্দুমাত্র ভুলচুক করেন তা হলে গোটা প্রজাতির আমই হয়তো রফতানির অযোগ্য‌ বলে ঘোষিত হবে।

Comment (0) Hits: 701
 

তৃতীয় বারের মতো ইউরোপের পথে সাতক্ষীরার হিমসাগর আম

মধু মাসের প্রথম দিনেই সাতক্ষীরার হিমসাগর আম গেল ইউরোপে। আর এর মধ্য দিয়েই আম রফতানিতে কৃষি বিভাগের প্রচেষ্টা তৃতীয়বারের মতো সাফল্যের মুখ দেখলো। গত সোমবার রাতে রফতানির প্রথম চালানেই জেলার দেবহাটা উপজেলার ছয়জন ও সদর উপজেলার তিন জন চাষির বাগানের হিমসাগর আম পাঠানো হলো ইউরোপের দেশ ফ্রান্স ও ইতালিতে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাতক্ষীরার হিমসাগর ও ল্যাংড়া আমের কদর রয়েছে দেশের গন্ডি পেরিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে। আমের গুণগতমান ঠিক রাখার পাশাপাশি পরিপক্কতা আনার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাতক্ষীরায় ১৫ মে পর্যন্ত হিমসাগর ও ২৫ মে পর্যন্ত ল্যাংড়া আম পাড়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এই নিষেধাজ্ঞা শেষ হতেই গত সোমবার বিকেলে দেবহাটা ও সদর উপজেলার তালিকাভুক্ত কয়েকজন চাষির বাগান থেকে হিমসাগর আম পাড়া হয় ইউরোপের দেশে পাঠানোর জন্য। আম পেড়ে বাগানেই প্যাকেটজাতকরণের পর রাতে রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানসমূহ তা নিয়ে রওনা হয় বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে।
এর আগে গুণগতমানসহ যাবতীয় প্রক্রিয়া তদারকি করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিন, সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কাজী আব্দুল মান্নান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুর আহমেদ সজল, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমজাদ হোসেনসহ অন্যান্যরা।
সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন জানান, প্রথম চালানে দেবহাটা উপজেলা থেকে ৩ হাজার ৫’শ ৯৪ কেজি ও সদর উপজেলা থেকে ৩ হাজার ৬শ’ ৮৯.৬ কেজি হিমসাগর আম রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান তাসিন এন্টারপ্রাইজ ও হক এন্টার প্রাইজের মাধ্যমে ইতালি ও ফ্রান্সে পাঠানো হয়েছে।
সাতক্ষীরা শহরের কামালনগরের আম চাষি জাহাঙ্গীর আলম জানান, গত মৌসুমের পর থেকেই কৃষি বিভাগের পরামর্শে বিষমুক্ত রফতানিযোগ্য আম উৎপাদনের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছেন তিনি। আজ তার সেই স্বপ্ন পূরণ হলো। প্রথম দিনেই তার বাগান থেকে প্রায় দুই মেট্রিক টন আম রফতানি করা সম্ভব হয়েছে। অন্যান্য চাষিদের তুলনায় বেশি দাম পেয়ে উচ্ছ্বসিত জাহাঙ্গীর আলম আরও জানান, বর্তমানে বাজারে হিমসাগর আম দুই হাজার থেকে ২২শ’ টাকা মণ বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু আমার আম বাগান থেকেই আড়াই হাজার টাকা মণ বিক্রি হয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কাজী আব্দুল মান্নান জানান, চলতি মৌসুমে সাতক্ষীরা থেকে তৃতীয়বারের মতো আম রফতানি শুরু হয়েছে। চলতি সপ্তাহে সাতক্ষীরা সদর, দেবহাটা, তালা ও কলারোয়া উপজেলা থেকে আরও আম রফতানি হবে। সাতক্ষীরা থেকে এ বছর আম রফতানির লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ১শ’ ৫০ মেট্রিক টন। তিনি আরো জানান, বিদেশে আম রফতানির মাধ্যমে আমাদের দেশের প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হবে।

Comment (0) Hits: 498
 

কার্বাইডে পাকানো হিমসাগর, ল্যাংড়ায় বিরক্ত! স্বাদ ফেরাবে সস্তায় ‘সরকারি আম’

মালদহ শহরের কৃষি ফার্মে ৭০ বিঘা জমির উপরে এবার প্রায় ৮০ প্রজাতির আমের ফলন হয়েছে। এতদিন গোপালভোগ, ফজলি, লক্ষ্মনভোগ, হিমসাগর, ল্যাংড়া, আম্রপালীর মতো আমের বাণিজ্যিক উৎপাদন হত মালদহে। গাছ পাকা এমন আমই বিক্রি হচ্ছে সরকারি স্টল থেকে। নিজস্ব চিত্র  মালদহের আমের জগৎ জোড়া খ্যাতি। যদিও, এক দশক ধরে সেই সুনামে কিছুটা হলেও ভাটা পড়েছে। কারণ হিসেবে বলা যায়, অল্প সময়ের মধ্যে বেশি মুনাফার জন্য কার্বাইড ব্যবহার করে আম পাকিয়ে বিক্রি করছেন একশ্রেণির ব্যবসায়ী। ফলে আমের স্বাদ, গন্ধ— কিছুই পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। মালদহের আমের সেই সুনাম ফের ফিরিয়ে আনতে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট অফ সাব ট্রপিকাল হর্টিকালচার। কার্বাইড এবং কীটনাশক মুক্ত আম বাজারে নিয়ে এসেছে এই গবেষণা সংস্থা। মালদহ শহরে নিজস্ব ব্র্যান্ডের আমের পসরা সাজিয়ে বিক্রি করছে এই কেন্দ্রীয় সরকারি প্রতিষ্ঠান। সুলভ অথচ সুস্বাদু হওয়ায় আম বিক্রির শুরুতেই সাড়া ফেলে দিয়েছে তারা। ২০১৫ সালের অক্টোবরে মালদহে পথ চলা শুরু গবেষণা সংস্থা সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট অফ সাব ট্রপিকাল হর্টিকালচারের।মালদহ শহরের কৃষি ফার্মে ৭০ বিঘা জমির উপরে এবার প্রায় ৮০ প্রজাতির আমের ফলন হয়েছে। এতদিন গোপালভোগ, ফজলি, লক্ষ্মনভোগ, হিমসাগর, ল্যাংড়া, আম্রপালীর মতো আমের বাণিজ্যিক উৎপাদন হত মালদহে। এবার সেই মালদহে কোহিনুর, রুমানি, শের-ই-খাস, রানিপসন্দ, ফসেদাপসন্দ, মধুচুসকি, মিসরিকানের মতো রকমারি আমে ভরে উঠেছে একের পর এক আম গাছ। গবেষণা সংস্থার আম বাগানে বিভিন্ন বিচিত্র প্রজাতির আম শুধু সুস্বাদু নয়, একই সঙ্গে দৃষ্টিনন্দনও বটে। এইসব প্রজাতির দুর্লভ আমকেই জেলা জুড়ে ছড়িয়ে দিতে চাইছেন এখানকার গবেষকরা। এর পাশাপাশি। সরাসরি গাছপাকা আম বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পেরে পৌঁচ্ছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে ক্রেতাদের হাতে। সংস্থার সায়েন্টিস্ট ইনচার্জ দীপক নায়েকের দাবি, মাত্র ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে এই সমস্ত আম ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।  মালদহের বাজারে চড়া দামে আম কিনে প্রতারিত হওয়ার অভিজ্ঞতাও কম নয়। এই অবস্থায় সরকারি স্টল থেকে সুলভ মূল্যে ভাল আম কেনার সুযোগ পেয়ে অভিভূত ক্রেতারাও। প্রতিদিনই মালদহের ইন্ডোর স্টেডিয়াম চত্বরে এই আম কিনতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। রাজ্য সরকারের উদ্যান পালন দফতর ও কেন্দ্রীয় গবেষণা সংস্থার এই যৌথ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন ক্রেতারা। গবেষকরা জানাচ্ছেন, এই মুহূর্তে মালদহের আমের সবচেয়ে বড় বিপদ কার্বাইড নামক বিষ। পরীক্ষামূলক এই উদ্যোগ সফল হলে অচিরেই আম উৎপাদনে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে মালদহে। একইসঙ্গে মালদহের আমের সুনামও ফিরবে।

Comment (0) Hits: 509

বাংলার হিমসাগর ফের সাগরপারে

  কিছু কাঁচা। বাকি সব আধপাকা।  এই অবস্থাতেই রবিবার কলকাতা থেকে লন্ডন আর রোমে উড়ে গেল বাংলার হিমসাগর। জীবাণুমুক্তির ব্যবস্থা ছিল না রাজ্যে। তাই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল আম রফতানির দরজা। চার বছর পরে সেই দরজা ফের খুলল। Ads By Datawrkz  রফতানিকারীরা জানান, লন্ডনে আর রোমে গিয়ে বিভিন্ন বাজারে আধপাকা হিমসাগর যখন বিক্রির জন্য সাজানো হবে, তখন সবুজ আমই হলুদ হয়ে ভরে উঠবে টইটম্বুর মিষ্টি রসে। হয়ে উঠবে প্রকৃত রসাল। এই দফায় রোমে গিয়েছে ১৫০ কিলোগ্রাম হিমসাগর। লন্ডন-প্রবাসী বাঙালিদের মন ভরাতে একই আম পাঠানো হল ৫৯০ কিলোগ্রাম।  এই খবরে খুশি রাজ্য সরকারও। রবিবার বেসরকারি উদ্যোগে রোম ও লন্ডনে আম রফতানি হয়েছে ঠিকই। তবে সেটা সম্ভব হয়েছে সরকারি সহযোগিতাতেই। রফতানিকারী সংস্থাগুলির তরফে জানানো হয়েছে, এখন থেকে রোজই ইউরোপের বিভিন্ন দেশে হিমসাগর পাঠানো হবে। মূলত উত্তর ২৪ পরগনার হিমসাগরই এখন বিদেশে যাচ্ছে এবং যাবে।  বাংলার আম বিদেশে রফতানির ব্যাপারে সরকারের কয়েকটি দফতরকে বিশেষ ভাবে উদ্যোগী হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে তিনি মালদহের আম ইউরোপের বাজারে রফতানির ক্ষেত্রে রাজ্য সব রকম সহযোগিতা করবে বলে ঘোষণা করে এসেছেন। মালদহে আম রফতানির পরিকাঠামো তৈরির পরিকল্পনাও শুরু হয়ে গিয়েছে। উপযুক্ত পরিকাঠামো তৈরি হয়ে গেলে এই মরসুমে মালদহের আমও বিদেশে পাড়ি দেবে।  রাজ্যের কৃষিজাত আনাজ ও ফল রফতানিকারক সংস্থাগুলির সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক অঙ্কুশ সাহা জানান, প্রায় চার বছর পরে বিদেশের বাজারে ফের পাকা আম রফতানি শুরু হল। মূলত ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকেই বরাত আসছে। এখন থেকে প্রতিদিনই বাংলার হিমসাগর-সহ বিভিন্ন গোত্রের আম রফতানি হবে।  আম রফতানির জন্য ইউরোপের বন্ধ দরজা ফের খুলল কী ভাবে?  ২০১৩ সাল থেকে ইউরোপে আম রফতানি বন্ধ ছিল। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এক নির্দেশিকায় জানিয়ে দেয়, ইউরোপের দেশে আম রফতানি করতে গেলে গরম জলে আমের স্বাস্থ্য (হট ওয়াটার ট্রিটমেন্ট) পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক। যাতে আমের গায়ে লেগে থাকা ছোট মাছি ও অন্যান্য জীবাণু মেরে ফেলা যায়। কিন্তু রাজ্যে সেই পরিকাঠামো ছিলই না।  কলকাতার দু’তিনটি রফতানিকারী সংস্থা যৌথ উদ্যোগে দত্তপুকুরে একটি প্যাকিং হাউস-সহ হট ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট গড়ে তুলেছে। সেখানে আমের স্বাস্থ্যপরীক্ষার পরে তা রোম ও লন্ডনে পাঠানো হয়েছে। আর দত্তপুকুরের পরীক্ষাগার-সহ আমের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত শংসাপত্র দিয়েছে কেন্দ্রের কৃষিজাত এবং প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য রফতানি উন্নয়ন পর্ষদ ও ন্যাশনাল প্ল্যান্ট প্রোটেকশন অর্গানাইজেশন। ‘‘আম রফতানি ফের শুরু করার জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরেই চেষ্টা চালাচ্ছিলাম। বাংলার আম ফের বিদেশ গেল, এটা রাজ্য ও কেন্দ্র দু’পক্ষের কাছেই সুখবর,’’ বললেন ওই অর্গানাইজেশনের পূর্বাঞ্চলের প্রতিনিধি আর কে শশিহর।  বন্ধ দরজা খোলা এবং আমের সাগর পাড়ি দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিল রাজ্যের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ দফতরও। ওই দফতরের সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী জানান, পশ্চিমবঙ্গ থেকে ফল ও আনাজ রফতানিতে যে-সব বাধা রয়েছে, সেগুলে দূর করার চেষ্টা চলছে। ‘‘এই উদ্যোগে অবশ্যই বাংলার আমকে বিশেষ ভাবে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। এ রাজ্যের আম আমরা বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দেব,’’ বলেন নন্দিনীদেবী।

Comment (0) Hits: 604
জৈষ্ঠ্য মাসের প্রথম সপ্তাহে জেলার হিমসাগর আম গেল ইউরোপে। আর এর মধ্য দিয়েই আম রপ্তানিতে কৃষি বিভাগের প্রচেষ্টা তৃতীয়বারের মতো সাফল্যের মুখ দেখলো। সোমবার রাতে রপ্তানির প্রথম চালানেই জেলার দেবহাটা উপজেলার ছয়জন চাষী ও সদর উপজেলার তিনজন চাষীর বাগানের হিমসাগর আম পাঠানো হলো ...
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থেকে চলতি মৌসুমে আম বিদেশে রপ্তানির লক্ষ্যে উপজেলার মাহমুদপুর ফলচাষী সমবায় সমিতি লিমিটেডের বাগানিরা আম বাগানের নিবিড় পরিচর্যা শুরু করেছে । উপজেলা কৃষি অধিপ্তরের সহায়তায় বিষ মুক্ত ও রপ্তানীযোগ্য আম উৎপাদনের জন্য তারা সেক্স ফেরোমন ফাঁদ ও ফ্রুট ব্যাগিং ...
আমের মৌসুম বাড়ছে আরও এক মাস  কোনো রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার না করে আম পাকা প্রায় এক মাস বিলম্বিত করার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন এক উদ্ভিদবিজ্ঞানী আম পাকা শুরু হলে আর ধরে রাখা যায় না। তখন বাজারে আমের সরবরাহ বেড়ে যায়। যেকোনো দামেই বেচে দিতে হয়। তাতে কোনো কোনো বছর চাষির উৎপাদন ...
বাড়ছে আমের চাষ। মানসম্পন্ন আম ফলাতে তাই দরকার আধুনিক উত্পাদন কৌশল। আম চাষিদের জানা দরকার কীভাবে জমি নির্বাচন, রোপণ দূরত্ব, গর্ত তৈরি ও সার প্রয়োগ, রোপণ প্রণালী, রোপণের সময়, জাত নির্বাচন, চারা নির্বাচন, চারা রোপণ ও চারার পরিচর্যা করতে হয়। মাটি ও আবহাওয়ার কারণে দেশের ...
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার আম সাম্রাজ্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা রফতানি পণ্যের তালিকায় উঠে আসার এক মাসের মধ্যেই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের আম ব্যবসায়ীরা খুবই আগ্রহী হয়ে উঠেছে এখানকার আম তাদের দেশে নিয়ে যাবার ব্যাপারে। যদিও ইতোপূর্বে এ বছর চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে দুই হাজার টন আম ...
রীষ্মের এই দিনে অনেকেরই পছন্দ আম।এই আমের আছে আবার বিভিন্ন ধরণের নাম।কত রকমের যে আম আছে এই যেমনঃ ল্যাংড়া,ফজলি,গুটি আম,হিমসাগর,গোপালভোগ,মোহনভোগ,ক্ষীরশাপাত, কাঁচামিঠা কালীভোগ আরও কত কি! কিন্তু এবারে বাজারে এসেছে এক নতুন নামের আর তার নাম 'বঙ্গবন্ধু'। নতুন নামের এই ফলটি দেখা ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২