Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

আম চাষীরা ইউরোপের বাজার ধরতে উন্মুখ

যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়াসহ পাশের গ্রামগুলোর বাগানে এখন থোকায় থোকায় ঝুলছে আম। আম পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। ইউরোপের বাজার ধরতে উত্তরণ সফল ও সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক এশিয়া থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে আম গাছে বিশেষ যত্ন নিচ্ছেন তারা। আর কিছু দিনপরেই বাজারে আসবে আম।

পাইকারি ব্যবসায়ীরা আম বাগান কিনে পরিচর্যা করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আমের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করেন চাষিরা।

জানা যায়, চলতি বছর বাগআঁচড়া ও শার্শা সহ উপজেলায় ৩ শত ৯০ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। এর মধ্যে আমের বাগান রয়েছে এক হাজার ৫শ’টি। আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ হাজার মেট্রিক টন। এ এলাকায় গোবিন্দভোগ, হিমসাগর, ন্যাংড়া, গোপালভোগ, বোম্বাই, আম্রপালিসহ নানা জাতের আম বাগান রয়েছে। চাষিরা নিয়মিত এসব বাগানের আম পরিচর্যা করছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি মৌসুমে এলাকার চাহিদা মিটিয়েও আম বিদেশে রফতানি হবে বলে মনে করছেন তারা।

এদিকে আমের ন্যায্য মূল্য ও এলাকায় একটি হিমাগার স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় আম চাষিরা।

দীর্ঘদিনের আমচাষী শার্শার বাগুড়ী গ্রামের লুকমান বলেন, উত্তরণ সফল ও সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক এশিয়ার সহযোগিতায় আম চাষ করে দেশে-বিদেশের মানুষের কাছে নিরাপদ ও বিষমুক্ত আম পাঠাতে পারি সে উদ্দেশ্য নিয়ে এবার বিভিন্ন রকম প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গাছের ফ্লালামন প্যাক ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ব্যবহার করেছি। তিনি এবার ১৪ বিঘা জমিতে আম চাষ করেছেন। তাতে খরচ হয়েছে এক লাখ ২০ হাজার টাকা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ও বাজারজাত ভাল হলে সাত লাখ টাকা লাভ করবেন বলে জানান তিনি।

শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হীরক কুমার সরকার সাংবাদিকদের জানান- ‘বাগআঁচড়া ও শার্শা সহ উপজেলায় ৩৯০ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। উপজেলায় প্রায় দেড় হাজার চাষি আম চাষের সঙ্গে জড়িত আছে। আশা করছি এ সকল বাগানে প্রায় দেড় হাজার মেট্রিক টনের অধিক আম উৎপাদিত হবে। যা এলাকার চাহিদা মিটিয়ে ইউরোপসহ অন্যান্য দেশে রফতানি হবে। আম চাষিদেরকে এনএটিপি ফেস-২ এর আওতায় প্রশিক্ষণসহ তাদেরকে বিভিন্ন ধরণের উপকরণ দিয়ে সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

Comment (0) Hits: 539
 
mango-seeds

আমের, আঁটির উপকারিতা জানলে অবাক হবেন আপনিও!

সাধারণত আমরা আম খেয়ে আঁটি ফেলেই দেই। কারণ আমরা আমকেই উপকারি মনে করি। আর আঁটিকে অকেজো মনে করে ফেলে দেই। কিন্তু এই আঁটির উপকারিতা জানলে অবাক হতেই হবে আপনাকে। কখনও আর আঁটি ফেলতেও চাইবেন না। আসুন জেনে নেই আমের আঁটির যত গুণ।

১.খুশকির সমস্যায় আমের আঁটি খুব উপকারী। আমের আঁটি শুকিয়ে গুঁড়ো করে তা স্ক্যাল্পে লাগাতে পারেন। অথবা জলের সঙ্গে মাথায় ঘষুন। এতে খুশকি কমে।

২.আম খেলে ব্লাড সুগার বেড়ে যায়। কিন্তু আমের বীজ খেলে তার প্রতিক্রিয়া পুরো ভিন্ন হয়। আমের বীজ খেলে ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৩.ওবেসিটি বা অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা থাকলে আমের বীজের নির্যাস খেতে পারেন। ফ্যাট বার্ন ররতে আমের বীজ অত্যন্ত কার্যকরী।

৪.ডায়েরিয়া হলে আমের বীজ শুকিয়ে গুঁড়ো করে, তা জলের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন।

৫.কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও আমের বীজ খুবই কার্যকরী।

Comment (0) Hits: 1781
 

এই গরমে কেনো আম খাবেন?

এই গরমে কেনো আম খাবেন?

এই গরমে কেনো আম খাবেন?

সিজনটা আমের। তাই তো বাসার বাইরে বের হলেই নজরে আমের বিভিন্ন রকমারী খাবার চোখে পড়ে। আর কয়েকদিন পরই বাজারের ফলমূলের দোকানে ফলের রাজা আমে ভরপুর হয়ে যাবে। আমরা সকলেই কম বেশি আম খেয়ে থাকি। তবে ক’জনে জানি সেই আমের স্বাস্থ্যগুণ ও উপকারিতা। চলুন এবার আমের কিছু স্বাস্থ্যগুণ ওউপকারিতা সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

১. হৃদযন্ত্রের সুরক্ষায় :
আমের মাঝে উচ্চ আঁশ ও এন্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। আর এসব উপাদান হৃদরোগের সম্ভাবনাকে কমায়। প্রতি এক কাপ আমে ৩ গ্রাম পরিমাণ আঁশ থাকে, আর ৭ গ্রাম আঁশ গ্রহণের ফলে ৯% হৃদরোগের আশঙ্কা কমে।

২. হিট স্ট্রোক প্রতিরোধ :
মূলত গ্রীষ্মের সময়েই আম পাকে। এটাই আমের সিজন। প্রচন্ড খরতাপে উত্তপ্ত শরীর ও কড়া মেজাজে আমের রসের সাথে এক টেবিল চামচ মধু ও সামান্য পরিমাণ পানি মিশিয়ে পান করলে মুহূর্তেই শরীর ঠান্ডা হয় ও সেই সাথে হিট স্ট্রোক প্রতিরোধ করে।

৩. ক্যান্সার রোগ প্রতিরোধ :
এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, আমে এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় কোলন, স্তন, লিউকেমিয়া ও প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে ব্যাপক ভূমিকা রাখে।

৪. হজম প্রক্রিয়া :
ফলের রাজা আমে প্রচুর পরিমাণে খাদ্য আঁশ, ভিটামিন ও খনিজে ভরপুর থাকে। আর আমে থাকা আঁশ হজমে ও বর্জ্য ত্যাগে স্যাহায্য করে থাকে।

৫. চোখের যত্ন :
ভিটামিন এ থাকায় আম চোখের যত্নেও গুরুত্ব রাখে। প্রতিদিন একজন মানুষের যে পরিমাণ ভিটামিন এ-র চাহিদা প্রয়োজন হয়, যদি এক কাপ পাকা আম খাওয়া যায় তাহলে প্রতিদিনের চাহিদার ২৫% পূরণ করে এই আম। এছাড়াও দৃষ্টিশক্তি উন্নত, চোখের শুষ্কতা ও রাতকানা রোগ প্রতিরোধেও এর তুলনা হয়না।

৬. কামোত্তেজক :
আমকে লাভ ফ্রুটও বলা হয়। এতে কামোত্তেজক গুণাগুণ রয়েছে। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই থাকাতে আম মানবদেহের সেক্স হরমোনকে নিয়ন্ত্রণ করে।

৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি :
আমে ভিটামিন সি, এ এবং প্রায় ২৫টি ক্যারোটিনয়েডের মাত্রাতিরিক্ত ভালো সমন্বয়কারী উপাদান রয়েছে। যা কিনা রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

Comment (0) Hits: 905

কালবৈশাখী ঝড়ে আম-লিচু ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

 

ঢাকা: কালবৈশাখী ঝড়-বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। ঝরে পড়ছে ফলফলাদি। নুয়ে পড়ছে ফসল। উপড়ে পড়ছে গাছপালা। আর লণ্ডভণ্ড হচ্ছে ঘর-বাড়ি। এ নিয়ে থাকছে নিউজজির ডেস্ক রিপোর্ট-

ঘণ্টাব্যাপী কালবৈশাখী ঝড়-বৃষ্টিতে নাটোরে আম, লিচু ও বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পুরো আকাশ কালো মেঘে আচ্ছন্ন হয়ে শুরু হয় কালবৈশাখী ঝড়। হতে থাকে বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টি।

স্থানীয়রা জানান, ঝড়ের সময় মহাসড়ক ও সড়কে যানবাহনগুলো হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করে। বজ্রপাতসহ ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে আম-লিচু পড়ে যায়। এছাড়া চলনবিল ও হালতিবিলে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া কলা, ভুট্টাসহ অন্যান্য কৃষি ফসলের ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রফিকুল ইসলাম জানান, ঝড়ে পাকা ও আধ পাকা বোরো ধান গাছ পড়ে গেছে। তবে ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ণয় করা যায়নি। সংশ্লিষ্ট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের ক্ষতির পরিমাণ নিরুপণ করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে ধান কাটা-মাড়াই শুরু হয়েছে। তবে পুরোদমে ধান কাটা মাড়াই শুরু হতে আর মাত্র কয়েক দিন সময় লাগবে। কাটার শুরুতেই আবহাওয়া ধানের অনুকূলে থাকলেও বর্তমানে তা ধান কাটার প্রতিকূলে চলে যাওয়ায় কৃষক তাদের ধান নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন।

এর মধ্যে কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে গেছে ইরি-বোরো ধান। পানিতে ভেসে গেছে কৃষকের সোনালি পাকা ধানের স্বপ্ন। দফায় দফায় ঝড়, বৃষ্টি আর শিলা বৃষ্টির কারণে পড়ে গেছে মাঠের আধা-পাকা ধান। এই পড়ে যাওয়া ধান কাটার জন্য পাওয়া যাচ্ছে না শ্রমিক। শ্রমিক পাওয়া গেলেও কৃষকে গুনতে হচ্ছে দ্বিগুণ মূল্য। ঝড়ে ধান পড়ে যাওয়ার কারণে বিঘা প্রতি ৪-৫ মণ হারে ধানের ফলন কম হবে বলে আশংকা করছেন এলাকার কৃষকরা।

জানা গেছে, আগের বছরগুলোতে এই সময় দেশের দক্ষিণ ও উত্তরাঞ্চল বিশেষ করে ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, পোড়াদহ, চিলাহাটি, ডোমারসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ধান কাটা শ্রমিকরা এই এলাকাগুলোতে আসে। কিন্তু দেশের সেই সব এলাকাগুলোতেও ধান চাষ শুরু হওয়ায় শ্রমিকরা এখন আর তেমন আমাদের এই একালাগুলোতে আসে না। তাই প্রতি বছর ধান চাষিতে চরম শ্রমিক সংকটে পড়তে হয়।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরে ৮টি ইউনিয়নে ১৮ হাজার ৪ শ ২৫ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধান চাষ করা হয়েছে।আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষি অফিসের পরামর্শে সঠিক সময়ে চারা লাগানো, নিবিড় পরিচর্যা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, যথা সময়ে সেচ দেওয়া, সার সংকট না থাকায় উপজেলার কৃষকরা জিরাশাইল, খাটো-১০, স্বর্ণা-৫ জাতের ধান চাষ করেছেন। নতুন ধান কাটার শুরুতেই বিঘা প্রতি ২০-২২ মন হারে ধান উৎপাদন হচ্ছে।

উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের কৃষক মো. আব্দুল জলিল জানান, আমি এবছর ৬ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছি। কৃষি বিভাগের পরামর্শ যথা সময়ে ভাল পরিচর্যা করায় আমার জমিতে ধান ভাল হয়েছে। ইতিমধ্যেই ধান কাটা শুরু করেছি ফলন ভালই হচ্ছে। কিন্তু সমস্যা একটাই ধান কাটার শ্রমিক সংকট। দিন যাচ্ছে আর এই সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করছে। ধান কাটার সময় এলেই আমাদের মন খারাপ হয়ে যায়।

উপজেলার আবাদপুকুর হাটের ধান ব্যবসায়ী মো. বছির আলী মিঠু জানান, রোববার হাটে তেমন ধান আমদানি শুরু হয়নি। বৈরী আবহাওয়ার কারণে কৃষকরা ধান কাটতে পারছেন না। যার কারণে হাটে ধানের আমদানি নেই বললেই চলে। তবে টুকটাক বেচা-কেনা হয়েছে, জিরা জাতের ধান প্রতিমণ মনে ৮ শ ৫০ থেকে ৭০ টাকা পর্যন্ত বিক্রয় হয়েছে। আশা করছি দুই চার দিনের মধ্যে পুরোদমে ধান আমদানি শুরু হবে।

রাণীনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এসএম গোলাম সারওয়ার জানান, ইরি-বোরো ধান লাগানোর শুরু থেকে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। কিন্তু গত কয়েকদিনের কালবৈশাখী ঝড়, বৃষ্টি আর শিলা বৃষ্টিতে ধানের কিছুটা ক্ষতি হবে। জমিতে পড়ে যাওয়া ধানের ফলনে কিছুটা বিপর্যয় হতে পারে। পরবর্তী সময়ে আবহাওয়া ভালো থাকলে ও বাজারে ধানের ভাল দাম বর্তমান থাকলে কৃষকরা লাভবান হবেন।

এদিকে, জেলার আত্রাইয়েও কালবৈশাখী ঝড়-বৃষ্টিতে নওগাঁর আত্রাইয়ে আম, লিচু ও বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পুরো আকাশ কালো মেঘে আচ্ছন্ন হয়ে পুরো এলাকায় অন্ধকার হয়ে শুরু হয় কালবৈশাখী ঝড়। এর সঙ্গে বজ্রপাত ও হয়।

বৃষ্টিতে ধান, পোটল, করলা, আম, লিচু, কলা, কাঁচা মরিচসহ বাড়িঘরের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। এই শিলা বৃষ্টির ফলে ইরি ফসলের ক্ষতি হওয়ায় কৃষকগণ দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

আত্রাই উপজেলারশাহাগোলা ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সিরাজুল ইসলাম জনান, এই বৃষ্টির ফলে এলাকার ভবানীপুর, রসুলপুর, জাতোপাড়া, কয়সা, শাহাগোলা, ডাঙ্গা, তারাটিয়াসহ শ্রীরামপুর এলাকার শত শত একর জমির ধান মাটিতে লুটে পড়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা জানায়, ঝড়ের সময় সড়ক ও সড়কে যানবাহনগুলো হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করে। বজ্রপাতসহ ঝড় ও বৃষ্টিতে আম-লিচু পড়ে যায়। এছাড়া মাঠে বোরো ধান ঝড়ে পড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া কলা, ভুট্টাসহ অন্যান্য কৃষি ফসলের ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।

আত্রাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষি বিদ কে এম কাউছার হোসেন জানান, ঝড়ে পাকা ও আধ পাকা বোরো ধান গাছ পড়ে গেছে। তবে ক্ষতির পরিমান এখনও নির্ণয় করা যায়নি। সংশিষ্ট ইউনিয়নের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের ক্ষতির পরিমাণ নিরুপণ করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সোমবার সকালে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে আম ও পাকা ইরি-বেরো ধানের ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। তবে কৃষি বিভাগ সোমবার বিকেল পর্যন্ত ক্ষতির সুনির্দিষ্ট কোনো হিসাব জানাতে পারেনি।

সদর উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মতিন ও আবু আহসান জানান, ঝড়ে আম ঝরে আমের কিছু ক্ষতি হয়েছে। পাকা ও প্রায় পাকা ধান গাছ পড়ে গেছে। গাছের গোড়ায় পানি জমেছে। তবে এতে তেমন কোনো ক্ষতি হবে না। দীর্ঘদিন অনাবৃষ্টির পর শনিবার সন্ধ্যায় প্রায় ঘন্টাব্যাপী ঝড়, ঝোড়ো হাওয়া, শিলাবৃষ্টি ও বৃষ্টি হয় জেলায়। এতে জেলার বিদ্যূৎ বিতরণ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়। উপড়ে যায় গাছপালা, ভেঙ্গে যায় কাঁচা ও আধাপাকা বাড়ি। জমির ধান পড়ে যায়। ঝরে যায় প্রচুর আম।

৩৬ ঘণ্টা ব্যবধানে সোমবার সকালেও ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে প্রায় একই রকম ঝড়বৃষ্টি আঘাত হানে জেলায়। তবে সোমবার ঝড়ের তীব্রতা ছিল কম আর বৃষ্টির পরিমাণ ছিল বেশি। এতে জেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের গোহালবাড়ির বাসিন্দা মামলুত হোসেন (৭০) শিলাবৃষ্টির কথা জানান।

সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউপি চেয়ারম্যান আসজাদুর রহমান জানান, প্রচণ্ড ঝড়ে প্রচুর আম ঝরে গেছে, আম গাছের ডাল ভেঙ্গেছে। পাকা ধান নুইয়ে পড়েছে।

সোমবার জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার দাইপুকুরিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আতিকুল ইসলাম জুয়েল শিলাবৃষ্টিতে আম ও ধানের ক্ষতির কথা জানান। জানা গেছে দুদিনে মূলত জেল সদর, সদর উপজেলার মহারাজপুর, গোবরাতলা, বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন, শিবগঞ্জ উপজেলার সত্রাজিতপুর, কানসাট, উজিরপুর, চককির্তি, দাইপুকুরিয়া ও গোমস্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝড়ে ক্ষতি হয়েছে বেশি।

Comment (0) Hits: 918
বাজারে গত মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই আম আম রব। ক্রেতা যে আমেই হাত দিক না কেন দোকানি বলবে হিমসাগর নয়তো রাজশাহীর আম। ক্রেতা সতর্ক না বলে রঙে রূপে একই হওয়ায় দিব্যি গুটি আম চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে হিমসাগরের নামে। অনেকসময় খুচরা বিক্রেতা নিজেই জানে না তিনি কোন আম বিক্রি করছেন। ...
চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে সারাদেশের ন্যায় মত চাঁপাইনবাবগঞ্জেও টানা ৭দিন ধরে প্রবল বর্ষনের কারণে আম ব্যবসায়ী ও আম চাষীদের মাথায় হাত পড়েছে। টানা বর্ষনের কারনে আম ব্যবসায়ীরা গাছ থেকে আম পাড়তে পারছেন না। অন্যদিকে গাছে পাকা আম নিয়েও বিপাকে পড়েছে আম চাষী ও ব্যবসায়ীরা। ফলে দুর্যোগপূর্ণ ...
ঝিনাইদহে দিন দিন বাড়ছে আম চাষের আবাদ। স্বাস্থ্য ঝুঁকিবিহীন জৈব আর ব্যাগিং পদ্ধতিতে আম চাষ করছে এই এলাকার আমচাষিরা। এ বছর ফলন ভালো হওয়ার আশায় খুশি তারা। জেলা থেকে বিদেশে রপ্তানী আর আম সংরক্ষণের দাবি চাষিদের। জানা যায়, ২০১১ সালে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় আমের আবাদি জমির ...
বাড়ছে আমের চাষ। মানসম্পন্ন আম ফলাতে তাই দরকার আধুনিক উত্পাদন কৌশল। আম চাষিদের জানা দরকার কীভাবে জমি নির্বাচন, রোপণ দূরত্ব, গর্ত তৈরি ও সার প্রয়োগ, রোপণ প্রণালী, রোপণের সময়, জাত নির্বাচন, চারা নির্বাচন, চারা রোপণ ও চারার পরিচর্যা করতে হয়। মাটি ও আবহাওয়ার কারণে দেশের ...
বলার অপেক্ষা রাখেনা দর্শক নন্দিত ও জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি। প্রতি পর্বে চমক নিয়ে দর্শকের সামনে আসে অনুষ্ঠানটি। স্টুডিওর বাইরে এসে দেশের ঐতিহ্যমণ্ডিত স্থানে ‘ইত্যাদি’র উপস্থাপনা সর্বদাই প্রশংসিত। তারই ধারাবাহিকতায় আগামী ২৯ এপ্রিল প্রচারিতব্য পর্বটি ধারণ করা ...
রীষ্মের এই দিনে অনেকেরই পছন্দ আম।এই আমের আছে আবার বিভিন্ন ধরণের নাম।কত রকমের যে আম আছে এই যেমনঃ ল্যাংড়া,ফজলি,গুটি আম,হিমসাগর,গোপালভোগ,মোহনভোগ,ক্ষীরশাপাত, কাঁচামিঠা কালীভোগ আরও কত কি! কিন্তু এবারে বাজারে এসেছে এক নতুন নামের আর তার নাম 'বঙ্গবন্ধু'। নতুন নামের এই ফলটি দেখা ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২