Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

প্রথম বিদেশে গেল সাতক্ষীরা জেলার আম

সাতক্ষীরা জেলার মানুষ বহুকাল ধরেই আম চাষে জড়িত। দেশের জন্য আম একটি মৌসুমি ফল হলেও জেলায় এটি প্রধান অর্থকরী ফসল হিসেবে পরিণত হয়েছে। গাছের পরিচর্যা থেকে আম কেনাবেচা পর্যন্ত লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থান হয়ে থাকে এ অঞ্চলে। এদিকে গাছে গাছে আমের সমারোহে আমবাগান হাতবদল হতে শুরু করেছে। ঢাকা ও চট্টগ্রামের আমের ব্যবসায়ীরা এরই মধ্যে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বাগান কিনেছে।
জেলায় এবার আমের ফলন সন্তোষজনক। ইতোমধ্যেই জেলার আমগাছগুলোতে নানা জাতের বাহারি আমে এখন সয়লাব। অনুকূল আবহাওয়া পরিবেশ ও কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী পোকাদমনে সেক্স ফেরোমন পদ্ধতি ব্যবহার করে জেলার চাষীরা ফলিয়েছে বিষমুক্ত আম। আমের বাম্পার ফলনের আশায় বুক বাঁধছিলেন আমবাগান মালিকরা। এরই মধ্যে গাছে গাছে আমের সমারোহে মৌ মৌ গন্ধে সোনালি-হলুদের মিশ্রণে আম পাকতে শুরু করেছে জেলার আমের বাগানে।
জেলা জুড়ে গাছে গাছে এখন ভরপুর হয়ে গেছে সু-স্বাধু বাহারী জাতের সব আম। বিষ ও কীটনাশক মুক্ত এমনকি ফরমালিনমুক্ত আম জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের অভ্যন্তরে খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ার পর এবছর সাতক্ষীরার মিষ্টি বিষমুক্ত আম যাচ্ছে যুক্তরাজ্যের বাজারে।
যে সাতটি নাম নিয়ে সাতক্ষীরার নামকরণ আম তার অন্যতম। চিংড়ির পাশাপাশি হিমসাগর ও ন্যাংড়া আমের রাজধানি বলা হয় সাতক্ষীরা জেলাকে। পারিবারিকভাবে ছাড়াও বানিজ্যিকভাবে জেলা ব্যাপী আমের চাষ হয়েছে এবারও প্রচুর। সাতক্ষীরা সদর, তালা, কালিগঞ্জ, দেবহাটা ও কলারোয়ায় আমের চাষ বেশি। সার্বিক বিষয়ে তদারকি করে জেলা কৃষি অফিস জেলায় এবার ৩৬২০ হেক্টর জমিতে প্রতি হেক্টরে সাড়ে ১৩ মেট্রিক টন হিসেবে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫০ হাজার মেট্রিক টন।
সাতক্ষীরার মিষ্টি ও সুগন্ধযুক্ত বাহারি আম হিমসাগর, গোপালভোগ, নেংড়া, গোবিন্দভোগ, কিষানভোগ, গোলাপখাস, শরিফখাস, রানী পছন্দ, লতা, বোম্বাই, রুপালি, মল্লিকা, কালাপাহাড়, আ¤্রপালি ও কাঁচামিঠা আমের কোনটিরই কদর কম নয় রাজধানিসহ দেশের বিভিন্ন জেলাতে। সাতক্ষীরার বাজারে এখন আমের প্রাচুর্য। দেশের বিভিন্ন অনঞ্চলে সাতক্ষীরার আমের চাহিদা থাকায় শুধু সাতক্ষীরার সুলতানপুর বড়বাজার থেকেই প্রতিদিন ১৫টি ট্রাক ভর্তি আম যাচ্ছে দেশের সে সব অঞ্চলে। সব বাগানেই এখন আমপাড়ার ধুম পড়েছে।
সাতক্ষীরার যে সব আমচাষি কোন প্রকার স্প্রে ছাড়াই বিষমুক্ত আমের বাগান করেছে এবং সে আমের গুনগতমান ভাল এবং সুÑস্বাধু হওয়ায় ইতোমধ্যে জেলার সে ২০জন আমচাষীর বাগান থেকে যুক্তরাজ্যে রপ্তানীর জন্য দেশের আম রপ্তানীকারক প্রতিষ্ঠান ওয়ালমার্ট সাতক্ষীরা থেকে আম নিয়ে গেছে ৩ হাজার ৩৪ কেজি। ল্যাবে পরীক্ষার পর বিষমুক্ত নিশ্চিত হওয়ার পর প্রথম দফায় রপ্তানীকারক প্রতিষ্ঠান ২১৬০ কেজি আম যুক্তরাজ্যে পাঠিয়েছে।
এরআগে বাংলাদেশ থেকে আম রপ্তানীর ব্যাপারে বিশ্বের শীর্ষ পণ্য ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল প্রকিউরমেন্ট লজিষ্টিকসের সঙ্গে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, হার্টেজ ফাউন্ডেশন ও এফএওর একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশ হার্টেজ ফাউন্ডেশন এর কারিগরি সহয়তায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় খুচরা পণ্য বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালমার্ট সাতক্ষীরার চাষীদের কাছ থেকে বাজারমূল্য ছাড়া অধিকমূল্য দিয়ে আম ক্রয় করছে। অধিক দামের নিশ্চয়তা পাওয়ায় জেলার চাষীরা এখন রাসনিক পদার্থ ব্যবহার বন্ধ করে দিয়ে পোকা দমনে সেক্সফেরোমন পদ্ধতি ব্যবহার করে আম চাষে আগ্রহী হচ্ছে।
এ বছর জাতিসংঘ খাদ্য ও কৃষি সংস্থার উদ্যোগে জেলার ২০জন চাষীকে আমচাষে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। যুক্তরাজ্য তাদের উৎপাদিত আমই কিনে নিচ্ছে। এই তালিকায় রয়েছে হিমসাগর, নেংড়া ও আ¤্রপালি। বিদেশের বাজারে প্রথম পর্যায়ে হিমসাগর আম গেলেও কিছুদিন পর থেকে যেতে শুরু করবে নেংড়া ও আ¤্রপালি। সাতক্ষীরা জেলা কৃষি অফিস থেকে জানা গেছে, বিভিন্ন উপজেলার ধানের জমিতে গড়ে উঠেছে হাজার হাজার আমবাগান। ফলে এ অঞ্চলে আম চাষে নীরব বিপ্লব ঘটেছে।
সাতক্ষীরায় বিভিন্ন জাতের আম চাষ হয়ে তাকে তার মধ্যে হিমসাগর, ন্যাংরা, গেবিন্দভোগ, আ¤্রপলি, বোম্বায়, লতা আম বেশি চাষ করা হয়। সাতক্ষীরার এ আম রাজধানী ঢাকাসহ দেশেÑবিদেশে পরিচিতি লাভ করেছে। তাছাড়া বাংলাদেশ সরকার সাতক্ষীরার আম দিয়ে বিদেশের বাজারে সর্ব প্রথম রপ্তানি শুরু করেছে

Comment (0) Hits: 1334
 

বাজারে এসেছে সাতক্ষীরার আম

আবহাওয়া আর মাটির গুণাগুণের কারণে দেশের অন্য জেলার তুলনায় আগেভাগেই পাকতে শুরু করে সাতক্ষীরার আম। তাই জ্যৈষ্ঠ মাস আসার আগেই সাতক্ষীরার বাজারে মেলে নানা প্রজাতির ফরমালিনমুক্ত রসালো আম। যা স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে সারাদেশে সরবরাহ হয়। রপ্তানি হয় বিদেশেও। তবে অন্যান্য বারের তুলনায় এবার আমের বাজার একটু চড়া বলে জানান, স্থানীয় চাষীরা।

২১ বৈশাখ থেকেই গাছ থেকে পাকা আম পাড়া শুরু করেছেন সাতক্ষীরার আম চাষীরা। অন্যান্য জেলায় যেখানে জ্যৈষ্ঠ মাসে আম পাকা শুরু হয়, সেখানে বৈশাখ মাসেই গোবিন্দভোগ, হিমসাগর, গোপালভোগ, বোম্বাই, গোলাপখাস, ক্ষিরসরাইসহ নানা জাতের পাকা আমে ভরে যায় সাতক্ষীরার বাজার। এরইমধ্যে পাকা আমের জন্য ঝুড়ি তৈরি, বাইন্ডিং, আড়তে মজুদ ও  ট্রাকবোঝাই থেকে শুরু করে নানা কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন, এখানকার আম চাষী ও ব্যবসায়ীরা। স্থানীয় চাষীরা জানান, অন্যান্য বারের তুলনায় এবার দাম চড়া হলেও, মৌসুমের শুরুতেই বাজারে নানা প্রজাতির পাকা আম উঠায় চাহিদাও বেশি।  তবে কিছু দিনের মধ্যে সরবাহ বাড়লে দাম আরো কমে আসবে। সাতক্ষীরার আমের চাহিদা সবচেয়ে বেশি যুক্তরাজ্যের বাজারে। তাই জেলার ১৪ হাজার ৪৫১টি হিমসাগর, ন্যাংড়া ও আম্রপালি গাছ বিষেশভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল মান্নান জানান, চলতি মৌসুমে সাতক্ষীরা জেলায় ৩ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছে। গেলো বছরের তুলনায় যা ৫০ হেক্টর বেশি।

 

Comment (0) Hits: 603
 

বাজারে আসছে ভেজালমুক্ত আম

কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও চাষি আম বা অন্যান্য ফলমূলে ক্ষতিকারক রাসায়নিক প্রয়োগ করার কারণে ভোক্তাদের মধ্যে ফল খাওয়া নিয়ে এক ধরনের ভীতির সৃষ্টি হয়েছিলো।

কিন্তু এ বছর রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর, রংপুর, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও সাতক্ষীরার আমচাষিরা আম পাকানো এবং আম সংরক্ষণে কোন ধরনের রাসায়নিক সার ও বিষ ব্যবহার  করবে না বলে চ্যানেল আইকে জানান।

তারা এবছর একাত্ম হয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যখন যে আম গাছ থেকে নামানোর উপযোগী হবে, ঠিক তখনই সেই আম পাড়া হবে গাছ থেকে। তাই এবার বাজারে অসময়ে আম কম দেখা গেছে। এসব আম প্রধান এলাকাগুলোতে এখন হাজার হাজার টন বিষমুক্ত আম প্রস্তুত হচ্ছে। যা অচিরেই বাজারে আসবে।

অথচ গত বছর এ নিয়ে হয়রানির শিকার হয়েছেন চাষি ও ব্যবসায়িরা। নষ্ট হয়েছে কোটি কোটি টাকার আম। সেই তাগিদ থেকেই এবার মৌসুম শুরুর আগে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিলো, জুন মাসের ৫ তারিখ পর্যন্ত আম না পাড়ার। দেশের বেশিরভাগ এলাকার খবরে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট সবাই এই নিয়ম মেনেছেন।

তাই অন্য যে কোনো বছরের চেয়ে এবার বাজারে ভেজালমুক্ত ও মানসম্মত আম বেশি পাওয়া যাওয়ার নিশ্চয়তা মিলেছে। এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলার আম চাষি সমবায় সমিতির সভাপতি ফারুক সিদ্দিকী বলেন, এ বছর আম গুটি হওয়ার সাথে সাথে জেলা প্রশাসনের সাথে আম চাষিদের একাধিক সভা হয়। তাতে সব আম চাষিকে সতর্ক করা হয় যে, আম পোক্ত না হওয়া পর্যন্ত সেই আম কোনোভাবে গাছ থেকে পাড়লে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জরিমানা করা হবে।

অসময়ে কোনো আম যেন বাজারে না উঠতে পারে সে ব্যাপারেও সতর্ক করা হয়েছে। অবহিত করা হয়েছে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের আমের মোকামগুলোকে।

রাজশাহীর আম বাগানি শহিদুল্লাহ শেলু জানান, সবমিলে তার ৫০ বিঘা আমের বাগান রয়েছে এবার। যার কোনোটি থেকেই এখন পর্যন্ত আম নামানো হয়নি।

সরকারি ঘোষণা ও আম চাষিদের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি আগামী ৫ জুনের পরে আম পাড়া শুরু করবেন। এতে করে তার আমে কোনো ধরণের বিষাক্ত কোনো কিছু মিশিয়ে পাকানোর আর সুযোগ থাকছেনা। কারণ আম গাছ থেকে নামানোর এক দু’দিনের মধ্যেই এমনিতেই আম পেকে যাবে।

এ বিষয়ে রাজশাহী অঞ্চলের আম গবেষক মাহবুব সিদ্দিকী বলেন, শতভাগ বিষমুক্ত আম পেতে শুধু উৎপাদক নয়, ভোক্তার সচেতনতাও খুব বেশি দরকার। দরকার কোন আম কখন খাবেন সেটি বেশি জানা। যাতে আম ক্রয়ে ঠকার সম্ভাবনা আর না থাকে।

তার মতে,  গোবিন্দভোগ ২৫ মের পর, গুলাবখাস ৩০ মের পর, গোপালভোগ ১ জুনের পর, রানিপছন্দ ৫ জুনের পর, হিমসাগর বা ক্ষীরসাপাত ১২ জুনের পর, ল্যাংড়া ১৫ জুনের পর, লক্ষণভোগ ২০ জুনের পর, হাড়িভাঙ্গা ২০ জুনের পর, আম্রপালি ১ জুলাই থেকে, মল্লিকা ১ জুলাই থেকে, ফজলি ৭ জুলাই থেকে, আশ্বিনা ২৫ জুলাই থেকে এবং বারি-৪ মধ্য জুলাই-এ পুষ্ট হয়।

Comment (0) Hits: 540
মাটি ও আবহাওয়ার কারণে মেহেরপুরের সুস্বাদু হিমসাগর আম এবারও দেশের বাইরে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ) ভুক্ত দেশগুলোতে রফতানি হতে যাচ্ছে।   গত বছর কীটনাশক মুক্ত আম প্রথম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করার ফলে এ অঞ্চলের আমচাষীদের মধ্যে উৎসাহ দেখা দেয়। গত বছর ১২ মেট্রিক টন আম ইউরোপিয়ান ...
আম ছাড়া মধুমাস যেন চিনি ছাড়া মিষ্টি। বছর ঘুরে এই আমের জন্য অপেক্ষায় থাকে সবাই। রসালো এ ফলের জন্য অবশ্য অপেক্ষার পালা এবার শেষ হয়েছে। রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে বুধবার থেকে শুরু হয়েছে আম পাড়া। এর আগে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার কারণে আমের রাজধানীতে এতদিন আম পাড়া বন্ধ ছিল। তাইতো ...
আমের মৌসুম বাড়ছে আরও এক মাস  কোনো রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার না করে আম পাকা প্রায় এক মাস বিলম্বিত করার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন এক উদ্ভিদবিজ্ঞানী আম পাকা শুরু হলে আর ধরে রাখা যায় না। তখন বাজারে আমের সরবরাহ বেড়ে যায়। যেকোনো দামেই বেচে দিতে হয়। তাতে কোনো কোনো বছর চাষির উৎপাদন ...
বাড়ছে আমের চাষ। মানসম্পন্ন আম ফলাতে তাই দরকার আধুনিক উত্পাদন কৌশল। আম চাষিদের জানা দরকার কীভাবে জমি নির্বাচন, রোপণ দূরত্ব, গর্ত তৈরি ও সার প্রয়োগ, রোপণ প্রণালী, রোপণের সময়, জাত নির্বাচন, চারা নির্বাচন, চারা রোপণ ও চারার পরিচর্যা করতে হয়। মাটি ও আবহাওয়ার কারণে দেশের ...
গাছ ফল দেবে, ছায়া দেবে; আরও দেবে নির্মল বাতাস। আশ্রয় নেবে পাখপাখালি, কাঠ বেড়ালি, হরেক রকম গিরগিটি। গাছ থেকে উপকার পাবে মানুষ, পশুপাখি, কীটপতঙ্গ– সবাই। আর এতেই আমি খুশি। ঐতিহাসিক মুজিবনগর আম্রকাননে ছোট ছোট আমগাছের গোড়া পরিচর্যা করার সময় এ কথাগুলো বলেন বৃক্ষ প্রেমিক জহির ...
দেশের বাজারে নতুন হ্যান্ডসেট নিয়ে আসলো ম্যাংগো। এটি দেশীয় প্রতিষ্ঠান। ম্যাংগো ১১ টি মডেলের হ্যান্ডসেট নিয়ে এসেছে। এগুলোর মধ্যে ৫টি স্মার্টফোন এবং ৬ টি ফিচার ফোন। এর একটি মডেলের নাম ফজলি। এটি ফিচার ফোন। আজ রাজধানীর একটি হোটেলে ম্যাংগো অনুষ্ঠানিকভাবে ফোনগুলো অবমুক্ত করে। ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২