Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

আম প্রক্রিয়াকরণ ও বিপণনে জোর দিতে হবে

কৃষিকাজের জন্য জমির পরিমাণ কমে যাওয়ায় একই জমিতে নানা ধরনের ফল ও ফসল আবাদ করছেন কৃষকরা। অধিক মুনাফা করতেই তারা

সেটি করছেন। দেশে বর্তমানে ৮০টির বেশি ফল উৎপাদন হচ্ছে। গত অর্থবছরে প্রায় সাড়ে তিন লাখ হেক্টর জমিতে অর্ধকোটি টন ফল উৎপাদন হয়েছে। এর মধ্যে কলা, আম, কাঁঠাল ও আনারস— এ চারটি ফল আবাদ হচ্ছে প্রায় সিংহভাগ জমিতে। এসব ফলের মধ্যে আবাদে শীর্ষে কলা ও উৎপাদনে শীর্ষে আম। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ফল আবাদকৃত জমির মধ্যে প্রায় ৩৬ শতাংশ জমিতে কলা, প্রায় ২০ শতাংশ জমিতে আম এবং প্রায় ১১ শতাংশ করে জমিতে আনরাস ও কাঁঠাল আবাদ হয়েছে। কিছু ফল রফতানির সুযোগ ও বাজার সংযোগের কারণে কৃষকরা ভালো মুনাফাও পাচ্ছেন। এছাড়া ফল প্রক্রিয়াজাত শিল্প বিকাশের কারণে উৎপাদনে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষক। এজন্য এখনো মূলত হাতেগোনা কয়েকটি ফল আবাদে কৃষক বেশি আগ্রহী। একজন মানুষের গড়ে দৈনিক ২০০ গ্রাম ফল খাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু আমরা এখনো ফলমূল গ্রহণের দিক থেকে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছি। যদিও গত কয়েক বছরে সে পরিস্থিতির অনেকটাই উন্নতি হয়েছে। এসব দিক বিবেচনায় বলা যায়, আমের গুরুত্ব বাড়ছে। দেশে বর্তমানে আমের বাজার ব্যাপ্তি প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার। এর বাইরেও আমের সঙ্গে নিয়োজিত রয়েছে প্রায় অর্ধলাখ লোকের কর্মসংস্থান। তাই দেশে ও দেশের বাইরে জুসের চাহিদার ওপর নির্ভর করে কোম্পানিগুলো আম প্রক্রিয়াজাতে উৎপাদন ও সংগ্রহে এখন সরাসরি নিয়োজিত হচ্ছে। সব দিক থেকেই বাংলাদেশে আমের অর্থনৈতিক ও সামাজিক গুরুত্ব অপরিসীম।

দেশে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আম পাদন এখনো কেন বিশেষ কিছু জেলার গণ্ডিতে আটকে রয়েছে?

দেশে এখন গড়ে ৩৫ হাজার হেক্টর জমিতে আম আবাদ হয়। এর মধ্যে সবেচেয়ে বেশি আবাদ হচ্ছে বৃহত্তর রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়। এছাড়া সাতক্ষীরাসহ এ অঞ্চলের বেশকিছু জেলায়ও আমের আবাদ বেড়েছে। এসব এলাকার মাটি ও আবহাওয়া আম চাষের জন্য বেশি উপযোগী। তবে অন্যান্য জেলায়ও আমের আবাদ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে বিভিন্ন জাত উদ্ভাবনে গবেষণা হচ্ছে। এমনকি উপকূলীয় লবণাক্ত ভূমিতেও এখন মিষ্টি আমের চাষ শুরু হয়েছে। অন্যদিকে জনপ্রিয় বারোমাসি আম উৎপাদন নিশ্চিত করতে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট গবেষণা করছে। দেশে শতাধিক প্রজাতির আম রয়েছে। এর মধ্যে ৪৫টির বেশি প্রজাতির আম দেখা যায়। এসব প্রজাতির মধ্যে ল্যাংড়া, ফজলি, ক্ষীরশাপাতি (গোপালভোগ), হিমসাগর, লক্ষ্মণভোগ, মোহনভোগ ও বোম্বাই জাতের আম জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে। পুষ্টিনিরাপত্তায় সরকার ফলের আবাদ ও উৎপাদন বাড়াতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রক্রিয়াজাত শিল্পের উন্নয়ন ও বিপণন ব্যবস্থায় সহায়তার পাশাপাশি বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বাগান প্রদর্শনী, মিশ্র ফল বাগান প্রদর্শনী, বসতবাড়ি প্রদর্শনী, ফল প্রক্রিয়াকরণ কারখানা ও আরবান সেলস সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বন্যামুক্ত ও উচ্চফলনশীল ভালো জাতের চারা আবাদ সম্প্রসারণের মাধ্যমে ফল উৎপাদন বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। এছাড়া উপকূলীয় ও পাবর্ত্য এলাকায় ফল আবাদের সম্ভাবনাগুলোও কাজে লাগাতে হবে। সব মিলিয়ে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত এগিয়ে এলে আমের উৎপাদন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কর্মসংস্থান বৃদ্ধিসহ নানা ধরনের অর্থনৈতিক সুফল পাওয়া সম্ভব। এতে অন্যান্য জেলায়ও আম উৎপাদন বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।

আমে ফরমালিন দেয়া হচ্ছে বলে কৃষককে অভিযুক্ত করা হচ্ছে, সেটি কতটুকু যৌক্তিক?

কৃষক পর্যায়ে কোনো ধরনের ফরমালিন ব্যবহার করা হয় না। এগুলো ব্যবহারে কৃষকরা মোটেও দায়ী নন। কৃষকদের ভুলভাবে বোঝানোর কারণে সেটি হচ্ছে। কিছুটা অজ্ঞতা ও অসচেতনতার কারণে অনেক সময় তারা অপ্রয়োজনীয় অনেক কিছু ব্যবহার করেন। কিন্তু সেটি আদৌ কতটুকু কার্যকর, সে বিষয়টি নিয়ে তারা অনেক সময়ই কিছু জানেন না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের দ্বারাও কিছুটা প্রলোভিত হন কৃষকরা। যেমন আম সংরক্ষণে বাইরে থেকে দেয়া ফরমালিন খুব বেশি কার্যকর নয়। এটি ব্যবহারে কৃষক, ব্যবসায়ী বা সংশ্লিষ্টরা কোনো ধরনের উপকার পান না। ফলটির ভেতরেই স্বাভাবিক মাত্রায় ফরমালিন থাকায় বাইরে থেকে এটির ব্যবহার খুব একটা প্রয়োজন হয় না। কিন্তু ভ্রান্ত ধারণা ও অপপ্রচারের মাধ্যমে ফরমালিন ব্যবহারের তথ্য দিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরির পাশাপাশি কৃষকদেরও ক্ষতি করা হচ্ছে।

আবার সম্প্রতি কালটার নামের একটি হরমোন ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি কৃষকের আমগাছকে ধ্বংস করে দিতে পারে। কৃষক এটি ব্যবহার করলে প্রথম বছর প্রচুর ফুল আসবে। ফলে কৃষকরা চাইবেন আরো ফুল আসুক। কিন্তু এটি মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার করা হলে পরের বছর ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে শুরু করে। এতে মানুষের স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি কম থাকলেও, গাছে আম ধরা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই সরকার এটিকে নিষিদ্ধ করেছে। কৃষকরা যাতে এটি ব্যবহার করতে না পারেন, সেজন্য অবৈধভাবে আমদানি করা কালটার আসাও বন্ধ করতে হবে। নিরাপদ আম উৎপাদনে কৃষক কোনো ধরনের বাধা নয়। তাদের ভালোমতো প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় পদ্ধতি শেখানো গেলে কখনই ফরমালিন বা কালটারযুক্ত আম বাজারে আসবে না। কালটার বাংলাদেশে রেজিস্টার্ড নয়। এ হরমোন ভুলভাবে ব্যবহারের কারণে আম গাছ নষ্ট হতে পারে। এমনকি ১০ বছরের নিচে কোনো আম বাগানে এটি প্রয়োগ করলে বাগানটি ধ্বংস হতে পারে।

আম বিপণনে কী ধরনের ঝুঁকি রয়েছে?

বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় সব উষ্ণপ্রধান জলবায়ুর অঞ্চলে আম চাষ হচ্ছে। তবে বিশ্বের সিংহভাগ আম উৎপাদন হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোয়। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত আম উৎপাদনে শীর্ষস্থানে রয়েছে। দেশেও গত কয়েক দশকে আমের বিভিন্ন নতুন জাত অবমুক্ত করা, সম্ভাবনাময় অঞ্চলগুলোয় আবাদ বাড়ানো এবং প্রক্রিয়াজাত শিল্পের সম্প্রসারণের কারণে আম উৎপাদন বেড়েছে। সারা পৃথিবীতে আম উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান এখন সপ্তম এবং বাংলাদেশে বর্তমানে আমের বাজার রয়েছে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার। আমাদের দেশে সঠিক সংরক্ষণ ও পরিবহন ব্যবস্থার অপ্রতুলতার কারণে আম আহরণের পর প্রায় ৩৩ শতাংশ নষ্ট হয়ে যায়। অন্যান্য ফলের মধ্যে কলা ও আনারসে ২০ এবং পেঁপেতে ৩৫ শতাংশ ফসলোত্তর ক্ষতি হচ্ছে। তাই ফসলোত্তর ক্ষতি কমিয়ে আনার কোনো বিকল্প নেই। এ কারণে গাছে ফুল ধরা থেকে শুরু করে ফল পাড়ার আগ পর্যন্ত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ব্যবহার বাড়াতে হবে। চারা উৎপাদন, বালাই ব্যবস্থাপনা, বিপণন ও সংরক্ষণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা গেলে বর্তমানে যে পরিমাণ জমি ব্যবহার হচ্ছে; সেখানেই ফল উৎপাদন আরো বাড়ানো সম্ভব। এছাড়া দেশে সব জেলায় আবাদ উপযোগী নতুন জাত উদ্ভাবনের দিকেও জোর দিতে হবে।

মূল্য সংযোজনের ক্ষেত্রে পাল্প মেকিং শিল্পকে আরো বিকশিত হওয়ার সুযোগ দিতে হবে। বিশেষ করে ফ্রুট ড্রিংকস ও জুস শিল্প বিকাশে আরো বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। বেসরকারি খাত কীভাবে এগিয়ে আসতে পারে, সেটির ব্যবস্থা করতে হবে। মূল্য সংযোজন বাড়ানো গেলে কৃষক মুনাফা পাবেন, যার মাধ্যমে আমের হেক্টরপ্রতি ফলনও বাড়ানো সম্ভব হবে। আমের চারা উৎপাদন, বালাই ব্যবস্থাপনা এবং বিপণন ও সংরক্ষণ ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করে তোলা গেলে বর্তমান জমিতেই আরো বেশি উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। পাশাপাশি বিভিন্ন আবহাওয়া উপযোগী আমের নতুন জাত উদ্ভাবন ও পাহাড়ি অঞ্চলে ফলটির আবাদ বাড়াতে হবে। দেশে এখন পাহাড়ি অঞ্চলে সফলভাবে আম্রপালি উৎপাদন হচ্ছে। আরো নতুন নতুন জাত এনে ফলন বাড়াতে হবে। এছাড়া আম উৎপাদন ও সংরক্ষণ প্রক্রিয়া নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি দেশে এখনো ফল সংরক্ষণের উপযোগী কোনো ধরনের স্টোরেজ ব্যবস্থাপনা গড়ে ওঠেনি। এজন্য আম উৎপাদনকারী জেলাগুলোয় এখন স্টোরেজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

আম পাদন বাড়ানো বিপণনে হরটেক্স ফাউন্ডেশন কী করছে?

অনুকূল আবহাওয়া ও মাটিকে কাজে লাগিয়ে আম উৎপাদনে কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে। পাশাপাশি কৃষি বিভাগের সার্বিক সহায়তা ও দিকনির্দেশনার কারণে ফলটি উৎপাদনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। তবে দেশে আম বিপণন ব্যবস্থায়ও এখনো অনেক দুর্বলতা রয়েছে। কৃষকরা এখনো প্রথাগতভাবে বিপণন করছেন। ফলে তারা বাজার থেকে ফলটির ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না। এজন্য নিরাপদ আম উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এরই মধ্যে কৃষকদের বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ দেয়ার পাশাপাশি তাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি ও স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিতকরণের জন্য কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। কৃষকদের মধ্যে ব্যাগিং পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে। হরটেক্স ফাউন্ডেশন এরই মধ্যে মার্কেট লিংকেজ উন্নয়নে কাজ শুরু করেছে। পুরনো কৃষি বাজারগুলোয় ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে এক ধরনের সম্পর্ক উন্নয়নে ফসল সংগ্রহ কেন্দ্র চালু করা হচ্ছে। এসব ফসল সংগ্রহ কেন্দ্রে কৃষকরা আম নিয়ে এলেই ক্রেতারা ভালো মানের আম কিনতে পারবেন। এসব কেন্দ্র থেকে ক্রেতারা গ্রেডিং, ওয়াশিং ও প্যাকেজিং করা আম কিনতে পারবেন। এর মাধ্যমে কৃষকরা যেমন আমের ভালো দাম পাবেন, তেমনি ফলটির ফসলোত্তর ক্ষতিও কমিয়ে আনা সম্ভব। আমাদের দেশের আম ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে রফতানি হচ্ছে। এর মধ্যে ইউরোপের বাজার অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হওয়ার কারণে কৃষি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার ভিত্তিতে রফতানিযোগ্য  আম বাগানে উত্তম কৃষি পদ্ধতি (জিএপি) অনুসরণ করে আম উৎপাদন করা হচ্ছে। এরই মধ্যে আমচাষী ও রফতানিকারকদের সঙ্গে সভা আয়োজনের পাশাপাশি এ নিয়ে তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দেয়া হচ্ছে।

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found
এক আমের দাম ৩৩ হাজার টাকা! কে কিনেছে এই আম এবং ঘটনাটা কী?- ভাবা যায়! একটি আমের দাম ৩৩ হাজার টাকা। তাও আবার আমের রাজধানী-খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে। ঘটনাটা কী! শিবগঞ্জ উপজেলার দুলর্ভপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাজিবুল ইসলাম রাজু জানান, শনিবার সকালে দুলর্ভপুর ইউনিয়নের ...
আম ছাড়া মধুমাস যেন চিনি ছাড়া মিষ্টি। বছর ঘুরে এই আমের জন্য অপেক্ষায় থাকে সবাই। রসালো এ ফলের জন্য অবশ্য অপেক্ষার পালা এবার শেষ হয়েছে। রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে বুধবার থেকে শুরু হয়েছে আম পাড়া। এর আগে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার কারণে আমের রাজধানীতে এতদিন আম পাড়া বন্ধ ছিল। তাইতো ...
বাজারে আম সহ মাছ, ফল, সবজিসহ বিভিন্ন খাদ্য সংরক্ষণে যখন হরহামেশাই ব্যবহার হচ্ছে মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান ফরমালিন, ঠিক তখনই এর বিকল্প আবিষ্কার করেছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ড. মোবারক আহম্মদ খান। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রধান এই বৈজ্ঞানিক ...
রাজধানীর মালিবাগের আবদুস সালাম। বয়স ৭২ বছর। তার চার তলার বাড়িতে রয়েছে একটি দুর্লভ ‘ছাদবাগান’। শখের বসে এ বাগান করেছেন। বছরের সব ঋতুতেই পাওয়া যায় নানা ধরনের ফল। এখনো পাকা আম ঝুলে আছে ওই ছাদবাগানে। শুধু আম নয়, ৫ কাঠা ওই বাগানজুড়ে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ফুল, ফলসহ অন্তত ১০০ ...
মৌসুমি ফল দিয়ে কর্তা ব্যক্তিদের খুশি করে স্বার্থ উদ্ধারের পদ্ধতি অনেক দিনের। বর্তমানে এই খুশি বিষয়টি আদায় করতে নগদ অর্থ খরচ করতে হলেও ফল থেরাপি ধরে রেখেছে অনেকেই। এর একটি হল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের জন্য নিয়মিত ...
আম গাছ কে দেশের জাতীয় গাছ হিসেবে ঘোষনা দাওয়া হয়েছে। আর এরই প্রতিবাদে কিছুদিন আগে এক সম্মেলন হয়ে গেলো যেখানে বলা হয়েছে :-"৮৫% মমিন মুসলমানের দেশ বাংলাদেশ। ঈমান আকিদায় দুইন্নার কুন দেশেরথে পিছায় আছি?? আপনেরাই বলেন। অথচ জালিম সরকার ভারতের লগে ষড়যন্ত কইরা আমাগো ঈমানের লুঙ্গি ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২