Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

ফজলি আম সহ ১৩ পণ্যের স্বত্ব পাচ্ছে বাংলাদেশ

আরও ১৩টি পণ্যের স্বত্ব (জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন বা জিআই) পাচ্ছে বাংলাদেশ। এরই মধ্যে পণ্যগুলোর প্রাথমিক তালিকা করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে তালিকাভুক্ত পণ্যগুলো বাংলাদেশের নির্দিষ্ট অঞ্চলের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সঙ্গে সমন্বিত বিশেষ পণ্য হিসেবে প্রমাণিত হলে জিআই স্বীকৃতি পাবে। শিল্প মন্ত্রণালয় সূত্রে এ খবর পাওয়া গেছে। জিআই নিবন্ধনের জন্য তালিকাভুক্ত পণ্যগুলো হচ্ছে : কাটারিভোগ চাল, কালিজিরা চাল, সাদা মাটি, সোনালি মুরগি, লতিরাজ কচু, হাঁড়িভাঙা মিষ্টি, মহিষের দুধের দই, মালটা, ফজলি আম, খিরসা আম, হাঁড়িভাঙা আম, আশ্বিনা জাতের আম ও ল্যাংড়া আম। এর আগে ঐতিহ্যবাহী জামদানি শাড়ি বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। রুপালি ইলিশের স্বীকৃতি পাওয়ার প্রক্রিয়াও শেষের পথে। কেবল গেজেট প্রকাশের আনুষ্ঠানিকতা বাকি। ময়মনসিংহের কালিজিরা চাল, নেত্রকোনার সাদা মাটি (হোয়াইট ক্লে), জয়পুরহাটের সোনালি মুরগি, হাঁড়িভাঙা মিষ্টি ও লতিরাজ কচু; রংপুরের হাঁড়িভাঙা আম, নোয়াখালীর মহিষের দুধের দই এবং পিরোজপুরের মালটার জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, আর খিরসা জাতের আম, ফজলি আম, ল্যাংড়া আম, আশ্বিনা জাতের আম ও কাটারিভোগ চালের জন্য বাংলাদেশ রাইস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বারি) বাংলাদেশের নিজস্ব পণ্য হিসেবে জিআই স্বীকৃতি পেতে আবেদন করেছে। জানা গেছে, আন্তর্জাতিক মেধাস্বত্ববিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল প্রোপার্টি রাইটস অর্গানাইজেশন (আইপিও) থেকে বাংলাদেশের পণ্যের জিআই নিবন্ধন দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত সংস্থা প্যাটেন্ট ডিজাইন ও ট্রেড মার্কস অধিদফতরকে (ডিপিডিটি)। এই অধিদফতর জিআই নিবন্ধন দেওয়ার দায়িত্ব পাওয়ার পরই দেশের প্রত্যেক জেলা প্রশাসককে চিঠি দিয়ে নিজ নিজ জেলার উৎপাদিত বিশেষ পণ্যের ভৌগোলিক নির্দেশক নিবন্ধনের জন্য আবেদন করার আহ্বান জানায়। এই চিঠির পর এ পর্যন্ত ১৩টি পণ্যের জন্য আবেদন পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিপিডিটির রেজিস্ট্রার মো. সানোয়ার হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘আমাদের কাছে যে তালিকা রয়েছে তার সবই হয়তো নিবন্ধন পাওয়ার যোগ্যতা পূরণ করতে পারবে না। তবে আমরা এর মধ্য দিয়ে বৃহৎ পরিসরে বাংলাদেশের নিজস্ব পণ্যের ভৌগোলিক নির্দেশক স্বত্ব পাওয়ার যে প্রক্রিয়া তা শুরু করেছি।’ জানা গেছে, পাশের ভারত এ পর্যন্ত ৬৬টি পণ্যের প্যাটেন্ট করে নিয়েছে। এর মধ্যে জামদানি, ইলিশ, নকশিকাঁথা ও ফজলি আম রয়েছে। ঐতিহ্যবাহী জামদানিকে অন্ধ্রপ্রদেশের ‘উপাধ্যায় জামদানি’ হিসেবে, ইলিশকে গঙ্গার ইলিশ হিসেবে, নকশিকাঁথাকে পশ্চিম বাংলার পণ্য হিসেবে এবং ফজলি আমকে পশ্চিম বাংলার মালদহ জেলার অধীনে প্যাটেন্ট করিয়েছে দেশটি। এ ছাড়া ভারত আরও ১৫৮টি পণ্যের তালিকা তৈরি করেছে প্যাটেন্ট করানোর জন্য। সে তুলনায় বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত জামদানির জিআই নিবন্ধন করেছে। আর ইলিশেরটি প্রক্রিয়াধীন। ডিপিডিটির কর্মকর্তারা জানান, জিআই নিবন্ধনের আগে ঐতিহ্যগতভাবেই জামদানি যে শুধু বাংলাদেশেরই নিজস্ব পণ্য এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন গবেষণালব্ধ ফল তুলে ধরা হয়েছে। একইভাবে ইলিশেরও। ইলিশ ভারত ও মিয়ানমারেও রয়েছে। তবে বাংলাদেশের পদ্মার ইলিশের জিআই-স্বত্ব শুধুই বাংলাদেশের। ভারত যে ইলিশের জিআই-স্বত্ব নিয়েছে তা ভারতের সীমানার ভিতরে গঙ্গার ইলিশের। জামদানি বা ইলিশের মতো বিশেষ বিশেষ পণ্যের জিআই-স্বত্ব বা নিবন্ধন নেওয়ায় দেশের কী লাভ— জানতে চাইলে ডিপিডিটির কর্মকর্তারা জানান, জামদানির জিআই নিবন্ধন দেওয়ার ফলে এ পণ্যটি যে বাংলাদেশের সেই স্বত্ব নিশ্চিত হয়েছে। এখন ধরা যাক, চীনে জামদানি রপ্তানি করতে গেলে সেই দেশেও এটিকে বাংলাদেশি পণ্য হিসেবে নিবন্ধন করাতে হবে। তখন অন্য কেউ দেশটিতে জামদানি নামে কোনো শাড়ি রপ্তানির সুযোগ পাবে না। কেউ জামদানির কারিগরি চুরি করে নিজের দেশে বানালে সেই পণ্য ‘জামদানি’ নামে বিক্রি করতে পারবে না। এর ফলে বাংলাদেশ জামদানি রপ্তানির ক্ষেত্রে বিশেষ সুরক্ষা পেল। এ ছাড়া জিআই নিবন্ধনপ্রাপ্ত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রেও তুলনামূলক ১০ থেকে ১৫ শতাংশ দাম বেশি পাওয়া যায়। ক্রেতাদের সঙ্গে দরকষাকষির সুযোগ থাকে। ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের দিক থেকে পণ্যের মেধাস্বত্ব ও জিআই নিবন্ধনের গুরুত্ব অপরিসীম।

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found
বাজারে গত মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই আম আম রব। ক্রেতা যে আমেই হাত দিক না কেন দোকানি বলবে হিমসাগর নয়তো রাজশাহীর আম। ক্রেতা সতর্ক না বলে রঙে রূপে একই হওয়ায় দিব্যি গুটি আম চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে হিমসাগরের নামে। অনেকসময় খুচরা বিক্রেতা নিজেই জানে না তিনি কোন আম বিক্রি করছেন। ...
চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে সারাদেশের ন্যায় মত চাঁপাইনবাবগঞ্জেও টানা ৭দিন ধরে প্রবল বর্ষনের কারণে আম ব্যবসায়ী ও আম চাষীদের মাথায় হাত পড়েছে। টানা বর্ষনের কারনে আম ব্যবসায়ীরা গাছ থেকে আম পাড়তে পারছেন না। অন্যদিকে গাছে পাকা আম নিয়েও বিপাকে পড়েছে আম চাষী ও ব্যবসায়ীরা। ফলে দুর্যোগপূর্ণ ...
আমাদের দেশে উৎপাদিত মোট আমের ২০ থেকে ৩০ শতাংশ সংগ্রহোত্তর পর্যায়ে নষ্ট হয়। প্রধানত বোঁটা পচা ও অ্যানথ্রাকনোজ রোগের কারণে আম নষ্ট হয়। আম সংগ্রহকালীন ভাঙা বা কাটা বোঁটা থেকে কষ বেরিয়ে ফলত্বকে দৃষ্টিকটু দাগ পড়ে । ফলত্বকে নানা রকম রোগজীবাণুও লেগে থাকতে পারে এবং লেগে থাকা কষ ...
আম রফতানির মাধ্যমে চাষিদের মুনাফা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। এজন্য দেশে বাণিজ্যিকভাবে আমের উৎপাদন, কেমিক্যালমুক্ত পরিচর্যা এবং রফতানি বাড়াতে সরকার বিশেষ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। সে লক্ষ্যে গাছে মুকুল আসা থেকে শুরু করে ফল পরিপক্বতা অর্জন, আহরণ, গুদামজাত, পরিবহন এবং ...
প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন দেশের পর্যটকেরা ভারতে আসা যাওয়া করেছেন। তাদের বিবেচনায় আম দক্ষিন এশিয়ার রাজকীয় ফল। জগৎ বিখ্যাত পর্যটক ফাহিয়েন, হিউয়েন সাং, ইবনে হাষ্কল, ইবনে বতুতা, ফ্লাঁয়োসা বর্নিয়ের এরা সকলেই তাদের নিজ নিজ কর্মকান্ড ও লেখনির মাধ্যমে আমের এরুপ উচ্চ গুনাগুনের ...
রীষ্মের এই দিনে অনেকেরই পছন্দ আম।এই আমের আছে আবার বিভিন্ন ধরণের নাম।কত রকমের যে আম আছে এই যেমনঃ ল্যাংড়া,ফজলি,গুটি আম,হিমসাগর,গোপালভোগ,মোহনভোগ,ক্ষীরশাপাত, কাঁচামিঠা কালীভোগ আরও কত কি! কিন্তু এবারে বাজারে এসেছে এক নতুন নামের আর তার নাম 'বঙ্গবন্ধু'। নতুন নামের এই ফলটি দেখা ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২