Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

চাঁপাইতে অসময়ে আশ্বিনা আম। দাম- ৭৫০/= কেজি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার শিবনগরে নাবী আশ্বিনা প্রকৃতির একটি গাছ থেকে ১২০ কেজি আম সংগ্রহ করা হয়েছে। যা ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয়। বছর ব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উণœয়ন প্রকল্পের আওতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ হর্টিকালচার সেন্টার আম পরিচিতিকরণ ও সম্প্রসারণের লক্ষে কৃষক উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণের আয়োজন করে। মঙ্গলবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, হর্টিকালচার উইংয়ের পরিচালক, মো. মিজানুর রহমান, ন্যাশনাল কনসালটেন্ট মো. এনামুল হক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মঞ্জুরুল হুদা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ হর্টিকালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক ড. সাইফুর রহমান, উদ্যান প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম, গোমস্তাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন প্রমূখ। চাঁপাইনবাবগঞ্জ হর্টিকালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক ড. সাইফুর রহমান জানান, শিবনগর গ্রামের আম চাষী মো. আজাদের ৮ বছর বয়সী একটি আশ্বিনা আমের গাছে গত ৩ বছর থেকে এপ্রিল ও মে মাসে মুকুল আসে। মঙ্গলবার ১২০ কেজি আম সংগ্রহ করা হয়, ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রিও করা হয়েছে। তিনি বলেন, আগামীতে যদি এ বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে তাহলে এটা হবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের জন্য দারুণ খবর। অসময়ে ফলের চাহিদা পুরণের পাশাপাশি পুষ্টিরও চাহিদা পুরণ হবে।উদ্যান প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম জানান, অসময়ে আম উৎপাদনে পোকামাকড় রোগবালাই বেশি হয়, তাই চাইনা থেকে আমদানি করা ব্যাগ ব্যবহার করে মো. আজাদের ওই গাছে আম উৎপাদন করা হয়।

Comment (0) Hits: 1575
 

মওসুমের শেষ আম আশ্বিনা

কানসাটে এখনও আম পাওয়া যাচ্ছে। গাছে গাছে দুলছে হাজারও আশ্বিনা আম। এ মওসুমের শেষ পর্যায়ের আম এগুলো। তবে আমের দাম বেশি না পাওয়ার ফলে চাষিদের মাথায় হাত পড়েছে। বর্তমানে বাজারে রয়েছে আশ্বিনা আম। এই আম আশ্বিন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত পাওয়া যেতে পারে বলে বিক্রেতারা জানান। বর্তমানে প্রতি মণ আম ৩৫০০-৪৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে আম চাষিরা জানান, গত বছরের তুলনায় বর্তমানে আমের দাম অনেক কম। চাহিদা মতো খরচ করার পরও খরচ উঠাতে হিমশিম খাচ্ছে। বর্তমান বাজারে যেখানে আমের দাম ৫ হাজারের উপরে হওয়ার কথা ছিল, সেখানে ৩৫০০-৪০০০ হাজার টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। এছাড়া ফরমালিনের কারণে শিবগঞ্জের আমের চাহিদা অনেকটা কমে যায়। যার ফলে কষ্ট ও লোকসান পোহাতে হচ্ছে আমাদের মতো সাধারণ আম চাষিদের। যেখানে আমরা ফরমালিন নামে কোন কেমিক্যাল চোখে দেখিনি ও কানে শুনেনি, সেখানে আমাদেরকে ঘাতক ফরমালিন ষড়যন্ত্র করে ছড়িয়ে দিয়ে আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তাই গতবারের তুলনায় এবছর অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়েছে। এ ব্যাপারে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কানিজ তাসনোভা জানান, শিবগঞ্জ উপজেলার ৪ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে আশ্বিনা আমের সম্ভাব্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৮ হাজার ৪৭৫ টন। কিন্তু প্রতি হেক্টর জমিতে সম্ভাব্য উৎপাদন হয়েছে ৯.৫ টন। কিন্তু আমের পরিমাণ সঠিকভাবে বলা যাবে আরও একমাস পরে।

Comment (0) Hits: 494
 

শিবগঞ্জে পোকার আক্রমণে বিবর্ণ নাবিজাত আশ্বিনা

আমের মৌসুম প্রায় শেষ হতে চলছে, তবে ব্যবসায়ীদের মন ভালো নেই। এ বছর মৌসুমের শুরু থেকেই আমের বাজার ছিল মন্দা। এখন শেষ সময়ে এসেও যেন নাবিজাত আশ্বিনা আম নিয়ে মহা বিপদেই পড়েছেন তারা। বিবর্ণ আমের রংয়ের কারণে ক্রেতা আকৃষ্ট করতেই পারছেন না। সেই সাথে আম পোকায় আক্রান্ত হওয়ায় আম কিনছেন না ক্রেতারা। ফলে অনেক বাগানে আশ্বিনা আম গাছেই নষ্ট হচ্ছে। আবার অনেকেই কম দামে বিভিন্ন জুস কোম্পানীর কাছে বিক্রি করছেন এসব আম।

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ পৌর এলাকার আম ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন শামীম খাঁন সিল্কসিটি নিউজকে  জানান, তারা কয়েকজন এ বছরে ১১ লাখ টাকা দিয়ে আশ্বিনা আম বাগানেই কিনে রেখেছিলেন। ওই বাগান থেকে অন্তত ১২ শ মণ আম তারা পাবেন বলে আশা করেছিলেন। কিন্তু এ বছর অধিক পরিমাণে আমে মাছি পোকার আক্রমণের ফলে অধিকাংশ আম পচে গেছে। ফলে উৎপাদন প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এতে করে সবমিলিয়ে সর্বোচ্চ ৬০০ মণ আম বিক্রি হতে পারে বলেও ধারণা করছেন তারা।

 

এছাড়াও পোকার কারণে আমের রং নষ্ট হয়ে যাওয়ার জন্য স্থানীয় বাজারে আমের চাহিদা একে বারেই কম। কিছু আম দেশের অভ্যন্তরে পাঠানো গেলেও দাম একেবারেই কম।

 

তিনি বলেন, ‘আমের মাণের উপর ভিত্তি করে সর্বোচ্চ ১১০০ টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে এখন নাবিজাত আশ্বিনা। এর বাইরে ৬০০ থেকে ৮০০ বা হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে আশ্বিনা আম।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘মূলত আশ্বিনা আমের ক্রেতা বিভিন্ন জুস কোম্পানী। কিন্তু তারা এ অঞ্চলের বিভিন্ন বাজার থেকে তারা ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০ টাকা মণ দরে আম কিনছে।’

 

শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের আরেক আম ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জেম আলী সিল্কসিটি নিউজকে বলেন, ‘এ বছর প্রায় ৩০ লাখ টাকার ফজলী ও আশ্বিনাসহ বিভিন্ন আমের বাগান কিনেছিলেন তিনি। কিন্তু বছরের শুরুতেই শীলাবৃষ্টি ও পোকার আক্রমণের কারণে অনেক আম নষ্ট হয়েছে। সবচেয়ে বেশি পোকায় আক্রান্ত হয়েছে ফজলী ও আশ্বিনা আম।’

 

তিনি বলেন, বারে বারে আমে সেপ্রে করেও ঠেকানো যাচ্ছে না পোকার আক্রমণ। আর এ পোকার কারণে আমরা আমের ভালো দাম পাচ্ছি না। এতে করে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থও হচ্ছি।

 

শিবগঞ্জের বিভিন্ন আম বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে আধিক্য এখন শুধু আশ্বিনার বাইরে কিছু কিছু ফজলী আম পাওয়া যাচ্ছে। বাজারে আশ্বিনা বিক্রি হচ্ছে ৮০০’ থেকে ১২০০ টাকা আর ফজলী ৪ হাজার ৮০০ থেকে ৫ হাজার ২০০ টাকা মণ দরে।

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কানসাট আম বাজারেও বিক্রেতারা আম নিয়ে বসে থাকলেও ক্রেতাদের তেমন অগ্রহ নেই আমের প্রতি।

 

আম ব্যবসায়ী বাইরুল ইসলাম জানান, কয়েক ডালি আম নামলেও ক্রেতাদের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না। তাছাড়াও শেষ সময়ে এ বছর  দেশের বিভিন্ন বাজারে আম পাঠিয়ে অনেক আম পচে যাওয়াসহ ও পোকা থাকা নিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছেন তারা।

 

আমের পোকা আক্রমণ নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম গবেষণা কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আশ্বিনা আমে পোকার আক্রমণ অনেক বেশি হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, ১০০টি আশ্বিনা আমের মধ্যে ৬০টি আমের ফ্রুট ফাই পোকা থাকে।

 

আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শরফ উদ্দিন বলেন, ‘আমের বয়স ৫৫-৬০ দিন থেকে আম সংগ্রহ করা পর্যন্ত মাছি পোকা দ্বারা আক্রান্ত হয় আম। ফলে মাছি পোকার আক্রামণে আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়ে থাকে। আম রপ্তানির ক্ষেত্রে এটি একটি বড় সমস্যা। কারণ আক্রমণের প্রাথমিক অবস্থায় বাইরে থেকে বোঝা যায় না ‘

 

তিনি আরো বলেন, ‘আম পাকার মৌসুমে স্ত্রী মাছি পরিপক্ক আমের গায়ে ডিম পাড়ে। ১-৩ দিনের মধ্যে ডিম ফুটে সাদা লার্ভা বের হয়। সপ্তাহ খানেকের মধ্যে পর্যায়ক্রমে তা মাছি পোকায় পরিণত হয়। তিনি বলেন, প্রাথমিক অবস্থায় মাছি পোকার আক্রমন বুঝা যায় না তবে ভালোভাবে লক্ষ্য করলে আক্রান্ত আমের গায়ে ডিম পাড়ার স্থানে ক্ষুদ্র চিহ্ন দেখা যায়। ওই স্থানটি কিছুটা বিবর্ণ হয়ে যায়। আক্রান্ত আম পাকা শুরু হলে এ আক্রান্ত স্থান থেকে রস ঝরতে দেখা যায়। পোকায় আক্রান্ত হওয়ায় পাকা আম কাটলে আমের শাঁসের ভিতর ১০০-১৫০টি সাদা সাদা পোকার কীড়া দেখা যায়। এ পোকায় আক্রান্ত আম অনেক সময় পচে যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘মে মাসের আগে যেসব আম পাড়া হয়। সেগুলো পোকা আক্রমণ শতকরা ৫ ভাগের নিচে। জুন মাসে আমে পোকার আক্রমণের হার শতকরা ৫-১০ ভাগ। জুন মাসের শেষদিক থেকে সবচেয়ে বেশি আম মাছি পোকায় আক্রান্ত হয়। জুলাই মাসে গিয়ে তা ঠেকে শতকরা ৫০-৬০ ভাগে।

 

ড. শরফ উদ্দিন জানান, এ বছর তিনি ১০ ইস্কার মিটারের একটি সেঙ ফোরোমন ফাঁদের মাধ্যমে জুলাই মাসেই প্রায় ৯ হাজার পোকা মেরেছেন। পোকার এত বেশি বংশ বিস্তারের কারণ হিসাবে তিনি উল্লেখ করেন, উচ্চ তাপমাত্রা ও মাঝে মাঝে বৃষ্টি হলে এই পোকা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। চাষিরা যদি সেঙ ফোরোমান পদ্ধতি ব্যবহার করে তবে কিছুটা হলেও আমের মাছি পোকা থেকে রক্ষা পাবে। তবে পোকার আক্রমণ শতভাগ ঠেকাতে হলে ফ্রুট ব্যাগিং প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে।

Comment (0) Hits: 427

নাচোলে আশ্বিনা আম গাছে অসময়ে আম ও গুটি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের কাতলা কান্দর গ্রামে কৃষক আলাউদ্দিনের একটি আম গাছে অসময়ে আম ধরেছে। আমগুলো পরিপক্ক হতে না হতেই আবারো গাছে মুকুল এবং ছোট-বড় আমের গুটিও ধরেছে। এজন্য চরম খুশিতে কৃষক আলউদ্দিন। অসময়ে এ আম দেখতে কৃষক আলাউদ্দিনের বাড়িতে প্রতিদিন ভীড় জমাচ্ছে এলাকার অসংখ্য নারী-পুরুষ ও শিশুরা। জানাগেছে, নাচোল উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের কাতলা কান্দর গ্রামে মৃত নিয়াজ উদ্দিনের ছেলে আলাউদ্দিনের বাড়ির আঙ্গীনায় প্রায় ৪ বছর আগে একটি আশ্বিনা জাতের আম গাছ লাগিয়েছিল। গত ভাদ্রমাসে ওই গাছে প্রথম মুকুল আসে এবং আশ্বিন মাসে আমগুলো বড় বড় দেখা যায়। কৃষক আলাউদ্দিন জানান, আমের ওজন প্রায় ৬’শ থেকে ৮’শ গ্রাম হবে। গত বছর বাড়ির পার্শ্বে একই জাতের একটি আমগাছে আম ধরেছিলো সেটা আকারে বড় এবং ক্ষেতেও বেশ সুসাদু। তিনি বলেন আম গাছে একবার আম আসে এটাই সাভাবিক, কিন্ত আমার এ গাছে একই সময়ে ২ বার আমের মুকুল আসা এটি একটি অসাভাবিক ব্যাপার বলে মনে করছেন স্থানীয় অনেক কৃষকই।

Comment (0) Hits: 473
মাটি ও আবহাওয়ার কারণে মেহেরপুরের সুস্বাদু হিমসাগর আম এবারও দেশের বাইরে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ) ভুক্ত দেশগুলোতে রফতানি হতে যাচ্ছে।   গত বছর কীটনাশক মুক্ত আম প্রথম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করার ফলে এ অঞ্চলের আমচাষীদের মধ্যে উৎসাহ দেখা দেয়। গত বছর ১২ মেট্রিক টন আম ইউরোপিয়ান ...
চাঁপাইনবাবগঞ্জের রানীহাটিতে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বোমা হামলায় দু ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন-রানীহাটি ইউনিয়নের বহরম গ্রামের সোহরাব আলীর ছেলে মো. কামাল হোসেন (৩৫) ও একই এলাকার শীষ মোহাম্মদের ছেলে মো. আবু। সোমবার বেলা ১১টার দিকে ...
দেশেই তৈরি হচ্ছে ফ্রুটব্যাগ বাড়ছে চাহিদাদেশেই তৈরি হচ্ছে ফ্রুটব্যাগ বাড়ছে চাহিদা বিষমুক্ত ও ভালো মানের আম উৎপাদনে ফ্রুটব্যাগ পদ্ধতি বেশ কার্যকর। এত দিন আমদানিনির্ভর হলেও দুই বছর ধরে এটি দেশেই তৈরি হচ্ছে। আর এ ব্যাগ তৈরি হচ্ছে আম উৎপাদনের জন্য প্রসিদ্ধ জেলা ...
সারা দেশে যখন ‘ফরমালিন’ বিষযুক্ত আমসহ সব ধরনের ফল নিয়ে মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে, তখন বরগুনা জেলার অনেক সচেতন মানুষ বিষমুক্ত ফল খাওয়ার আশায় ভিড় জমাচ্ছেন মজিদ বিশ্বাসের আমের বাগানে। জেলার আমতলী উপজেলার আঠারগাছিয়া ইউনিয়নে শাখারিয়া-গোলবুনিয়া গ্রামে মজিদ বিশ্বাসের ২ একরের ...
এখন বৈশাখ মাস গাছে গাছে ভরা আছে মধু ফল আমে। কিন্তু মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একটি আম গাছে সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটিয়ে ডালছাড়া গাছের মধ্যখানে ধরেছে কয়েকশত আম। আর ব্যতিক্রমী ভাবে ধরা এ আম দেখেতে শিশুসহ অসংখ্য লোকের ভির হচ্ছে সেখানে। এ ঘটনাটি ঘটেছে শ্রীমঙ্গল সদর ইউনিয়নের ...
ইসলামপুরের গাইবান্ধা ইউনিয়নের আগুনেরচরে একটি আম গাছের গোড়া থেকে গজিয়ে উঠেছে হাতসদৃশ মসজাতীয় উদ্ভিদ বা ছত্রাক। ওই ছত্রাককে অলৌকিক হাতের উত্থান এবং ওই হাত ভেজানো পানি খেলে যেকোন রোগ ভাল হয় বলে অপপ্রচার করছে স্থানীয় ভ- চক্র। আর ওই ভ-ামির ফাঁদে পা দিয়ে প্রতিদিন প্রতারিত হচ্ছেন ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২