Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

জ্যৈষ্ঠের প্রথম দিন বাজারে এলো গোপালভোগ

কয়েকদিন আগেই রাজশাহীর বাজারে এসেছে ভারতীয় আম। এবার জ্যৈষ্ঠের প্রথম দিনই বাজারে এলো দেশি গোপালভোগ। গোপালভোগের আগমনের মধ্যে দিয়ে মৌসুমে এবারই প্রথম উঠলো দেশি আম।বিক্রেতারা জানিয়েছেন, স্বল্প পরিমাণে বাজারে আসতে শুরু করেছে গোপালভোগ। মৌসুমের নতুন ফল, তাই দাম বেশি। কিন্তু পরিমাণে কম হলেও চড়া দামেই পছন্দের ফলটি কিনছেন ক্রেতারা। রাজশাহী মহানগরীর সাহেববাজারে নিজের ফলের দোকানে সোমবারই প্রথম আম সাজিয়েছেন ব্যবসায়ী বকুল হোসেন। তিনি জানান, প্রতিকেজি গোপালভোগ ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। আর কিছু দিন পর বিভিন্ন জাতের আম বেশি পরিমাণে উঠলে দাম কমবে বলে জানান তিনি।ওই দোকানে আমের ক্রেতা মহররম আলী বলেন, বাজারে এসে পাকা আম দেখেই তিনি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু তার কাছে দাম একটু বেশিই মনে হচ্ছে। এরপরেও পরিবারের সদস্যদের মৌসুমের প্রথম আমের স্বাদ দিতে কম করে হলেও আম কিনেছেন। আলাপ শেষে তিনি দুই কেজি আম কিনে নিয়ে যান।জানা গেছে, সপ্তাহের প্রথম থেকেই রাজশাহীর বাগানগুলোতে গোপালভোগ পাকতে শুরু করেছে। এখন সেগুলো পেড়ে বাজারে তুলছেন বাগান মালিকরা। সাহেববাজার ছাড়াও নগরীর শালবাগান ও লক্ষ্মীপুর বাজারে আম উঠেছে। পাইকারি আম বিক্রি হচ্ছে পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজারেও।রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত পাল জানান, কৃত্রিম উপায়ে আম পাকানো বন্ধে বিভিন্ন জাতের আম পাড়ার ক্ষেত্রে এবার বিভিন্ন তারিখ নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় প্রতিটি উপজেলা প্রশাসন ঠিক করে দিয়েছে কোনো আমটি কত তারিখের আগে পাড়া যাবে না। বিষয়টি দেখভালের জন্য প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কমিটিও করে দেয়া হয়েছে।তিনি জানান, এবার সবার আগে গোপালভোগ জাতের আম পাড়ার সময় ছিল ১৫ মে। তবে গাছে আম পাকা শুরু করলে দুই-চার দিন আগেও চাষিরা আম পাড়তে পারবেন। গোপালভোগের ক্ষেত্রে তাই হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই গাছে গোপালভোগ পাকতে শুরু করায় চাষিরা তা পেড়ে বাজারে তুলতে শুরু করেছেন।কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, গত ৮ বছরের ব্যবধানে রাজশাহীতে আমের আবাদ বেড়েছে ৮ হাজার ৭২৯ হেক্টের জমিতে। আর উৎপাদন বেড়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ৬২৯ মেট্রিক টন। এ বছর রাজশাহীর ১৬ হাজার ৫৮৩ হেক্টর জমিতে আম বাগান রয়েছে। প্রতি হেক্টরে ১০ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরেছে কৃষি বিভাগ। তবে এবার কালবৈশাখীতে আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক দেব দুলাল ঢালি বলেন, এবার রাজশাহীর শতকরা ৯০ ভাগেরও বেশি গাছে মুকুল এসেছিল। গাছে গাছে পর্যাপ্ত গুটিও এসেছিল। তাই কালবৈশাখীতে অনেক আম ঝরে গেলেও উৎপাদনে কোনো ঘাটতি থাকবে না। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে বলেই আশা প্রকাশ করেন তিনি।

Comment (0) Hits: 599
 

বাজার মাতাচ্ছে গোপালভোগ

জেলার আম। অথচ জেলার বাজারেই খোঁজ মিলছিল না তার। বরং অন্য জেলার আমই দখল করে রেখেছিল বাজার। তাই জামাইষষ্ঠীতেও জেলার আম জামাইয়ের পাতে দেওয়া যাবে কী না তা নিয়েও সন্দেহে ছিলেন বাসিন্দারা। অবশেষে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মালদহের বাজারে এসেছে মালদহের সবথেকে সুস্বাদু আম গোপালভোগ।

এই মুহূর্তে প্রতি কিলো আম বিকোচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কিলো দরে। তাতে কী? মালদহের আম বলে কথা, তাও আবার গোপালভোগ। তাই চড়া দরেই কিনছেন আমজনতা।

মালদহ জেলায় আম চাষের এলাকা ৩১ হাজার হেক্টর। এরমধ্যে মাত্র ১২০০ থেকে ১৪০০ হেক্টর জমিতে গোপালভোগ আমের চাষ হয়ে থাকে। জেলা উদ্যানপালন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি বছর এই জেলায় গোপালভোগ আমই প্রথম বাজারে আসে। জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে একেবারে সুমিষ্ট গোপালভোগ বাজারে আসতে শুরু করে। এ বার সময়ের আগেই তা বাজারে আসতে শুরু করেছে।

আরও জানা গিয়েছে, গোপালভোগ আম মূলত আমসত্ব তৈরিতে বেশি ব্যবহার হয়। এই আমের আমসত্বের স্বাদই আলাদা এবং এজন্য দামও অনেকটা বেশি। গোপালভোগের আমসত্বের দাম শুরু কেজি প্রতি দেড় হাজার টাকায়। মালদহ আমের জেলা বলে পরিচিত হলেও প্রায় এক মাস ধরে জেলার আমের বদলে ভিন জেলার আমই বাজারে ছেয়ে ছিল। শেষ পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন বাজারে মালদহের বিভিন্ন বাজারে দেখা মিলল বিখ্যাত গোপালভোগ আমের। 

নেতাজি বাজার, চিত্তরঞ্জন মার্কেট, মকদমপুর বাজার, গৌড় রোড বাজার, সদরঘাট বাজার, ঝলঝলিয়া বাজারে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে গোপালভোগ আম।  চিত্তরঞ্জন বাজারে আম কিনতে আসা আন্ধারু পাড়ার বাসিন্দা অসিত সরকার বলেন, ‘‘এত দিন ধরে জেলার আম না মেলায় বাধ্য হয়ে কৃষ্ণনগরের হিমসাগর কিনছিলাম। জেলার গোপালভোগ পেলাম। দাম চ়ড়া হলেও এই আমের স্বাদ দারুন। কিছুতেই লোভ সামলাতে পারলাম না।’’ 

Comment (0) Hits: 498
 

চাঁপাইয়ে ২৪ মে পর্যন্ত আম পাড়া নিষেধ

আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জে চলতি মৌসুমে আগামী ২৫ মে থেকে আম পাড়ার নির্ধারিত সময় বেঁধে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। গোপালভোগসহ গুটি জাতের আম এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গাছ থেকে পাড়তে পারবেন চাষিরা। ফলে আম পাড়া নিয়ে সংশয় দূর হলো আমচাষিদের মধ্যে।
জানা যায়, আম পেকে যাওয়া এবং বাজারজাত না করতে পারায় অনেক আমচাষি-আম ব্যবসায়ী ক্ষতির সম্মুখীন হন। এ নিয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আম ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্টদের টানাপড়েন সৃষ্টি হতো। সেই আলোকে এ মৌসুমে আমচাষি-আম ব্যবসায়ীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে জন্য জেলা প্রশাসন গতকাল দুুপুরে আমে কেমিক্যাল দ্রব্য মিশিয়ে বাজারজাতকরণ রোধ এবং অসময়ে আম বাজারজাতকরণ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে সভার আয়োজন করে।  
জেলা প্রশাসক মো. মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হুদা, কল্যাণপুর উদ্যানতত্ত্ব কেন্দ্রের উপপরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম, ভোলাহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম, কানসাট ইউপি চেয়ারম্যান বেনাউল ইসলাম, ভোলাহাট আম ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক চুটু, কানসাট আম আড়তদার সমিতির সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান প্রমুখ। সভায় অসময়ে গাছ থেকে আম পেড়ে কেমিক্যাল মিশিয়ে বাজারজাতকরণে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান, পুরো আম মৌসুমে জেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ, বাজার বিপণন কার্যালয়, ক্যাব ও আম ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে মনিটরিং কমিটির সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, বিষমুক্ত আম বাজারজাতে উদ্বুদ্ধকরণ সভা, ২৫ মের আগে ট্রাকযোগে আম পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ ছাড়া সভায় আগামী ২০ মে থেকে গুটি জাতের আম, ২৫ মে থেকে আগাম জাতের গোপালভোগ আম, ২৮ মে থেকে খিরসাপাত/হিমসাগর এবং ৫ জুন থেকে ল্যাংড়া ও বোম্বাই, ১৫ জুন থেকে ফজলী, সুরমা ফজলী ও আম্রপালি আম বাজারজাতকরণ করা যাবে বলে সবাই একমত হন। পরে ১ জুলাই আশ্বিনা আম বাজারে আসবে।
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমচাষি, আম ব্যবসায়ীসহ অন্যান্য ব্যবসায়ী সংগঠনের সহযোগিতা প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

Comment (0) Hits: 453

হারিয়ে যাচ্ছে গোপালভোগ!‌

"

জামাইষষ্ঠীতে ঝোড়ো ইনিংস খেলল মালদার গোপালভোগ। জামাইরা বুধবার চেটেপুটে স্বাদ নিলেন ঐতিহ্যবাহী আমটির। আজও সমান অটুট তার গরিমা। এবার বিদায়ের হাতছানি। দু’–‌চারদিনের মধ্যেই টা–‌‌টা জানাবে সে। এখন হাতে সময় একেবারেই নেই বললেই চলে। আম–‌‌রসিকরা এখনও যাঁরা গোপালভোগের স্বাদ নেননি, অবিলম্বে বাজার থেকে নিয়ে যান প্রিয় আমটি। জেলা উদ্যানপালন দপ্তরের উপ–‌অধিকর্তা রাহুল চক্রবর্তী জানান, জেলায় মোট উৎপাদনের শতকরা ৫ ভাগ গোপালভোগ। আমের মরশুমটা শুরু হয় গোপালভোগ দিয়ে। যেহেতু উৎপাদন কম, খুব তাড়াতাড়ি শেষও হয়ে যায় আমটি। সাধারণত জামাইষষ্ঠীর সপ্তাহখানেক আগে থেকে আম পাড়া শুরু হয়। ষষ্ঠীর পর ৫–‌‌৬ দিনের মধ্যে বিদায় নিয়ে থাকে গোপালভোগ। এখন হাতে মাত্র আর কয়েক‌টা দিন। গোপালভোগ জেলাবাসীর সবচেয়ে প্রিয়। তাহলে উৎপাদন এত কম কেন?‌ স্বাদে, গন্ধে এত জনপ্রিয়তার পরেও চাষীরা উৎসাহ দেখাচ্ছেন না কেন?‌ কেনই–‌বা আমের উৎপাদন বাড়ানোর ব্যাপারে নতুন করে ভাবা হচ্ছে না?‌ তাহলে কি কিছুদিন পর ইতিহাসের পাতায় দেখা যাবে জনপ্রিয় আমটি?‌ চাষীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, এই আমের ফলনটা অন্যান্য আমের থেকে তুলনামূলক কম। গাছ মাঝেমধ্যেই বিশ্বাসঘাতকতা করে থাকে। অন্যান্য গাছে যেখানে দেদার মুকুল, তখন হয়ত গোপালভোগের গাছে মুকুলের দেখা নেই। এ ছাড়া আম হলেও গাছেই নষ্ট হয়ে যায় বেশ কিছু। চাষীরা এই গাছকে বাগে আনতে একরকম ব্যর্থ। অনেকে সে‌জন্যই গোপালভোগকে প্রতারক বলে থাকে। জেলায় যে অল্পসংখ্যক গাছ আছে, চাষীরা সেই গাছের আম নিজেদের খাওয়ার জন্যই রাখে বেশিরভাগ। কিছু আম বাজারে আসে। দামও আকাশছোঁয়া। বুধবারও বিক্রি হয়েছে কেজি প্রতি ৫০ টাকার ওপর। এখন যা সমস্যা তাতে কি গোপালভোগ আস্তে আস্তে হারিয়ে যাচ্ছে‌‌‌!‌ চাষীরা জানাচ্ছেন, যে–‌সব গাছ আছে সেগুলি অনেক পুরনো। বেশি বয়সের। নতুন করে আর কেউ গাছ লাগাতে চাইছেন না। আবার পুরনো বলে স্বাভাবিকভাবে ফলনও কম। পাশাপাশি চাষীদের এখন চাহিদা হিমসাগর, আম্রপালি, লক্ষ্মণভোগের দিকে। বেশি বেশি ফলন, তাই। চাষীরা বেশি লাভ করে থাকেন এই সব আমে। স্বাভাবিকভাবেই চাষীদের কাছে চাহিদাও বেশি। যদিও এখনও দিন পনেরো লাগবে আম্রপালি বাজারে আসতে। তার পর লক্ষ্মণভোগ, হিমসাগর। কিন্তু কিছু ভিনজেলার আম মালদার আম্রপালি, লক্ষ্মণভোগ বলে চালানো হচ্ছে বাজারে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর চক্করে পড়ে ঠকছেন জেলার সাধারণ মানুষ। ভুল আমের স্বাদ নিয়ে ফেলছেন তাঁরা। সচেতন হওয়া উচিত  তাঁদের।

Comment (0) Hits: 478
বাজারে গত মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই আম আম রব। ক্রেতা যে আমেই হাত দিক না কেন দোকানি বলবে হিমসাগর নয়তো রাজশাহীর আম। ক্রেতা সতর্ক না বলে রঙে রূপে একই হওয়ায় দিব্যি গুটি আম চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে হিমসাগরের নামে। অনেকসময় খুচরা বিক্রেতা নিজেই জানে না তিনি কোন আম বিক্রি করছেন। ...
ফলের রাজা আম। আর আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ। দেশের সর্ববৃহত্তর অর্থনৈতিক ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যলয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। এ জেলার প্রধান অর্থকরী ফসল আম। বর্তমানে জেলা সবখানে চলছে বাগান পরিচর্যা ও বেচা-কেনা। বর্তমানে জেলার ২৪ হাজার ৪৭০ হেক্টর আম বাগানে ৯০ ভাগ মুকুল এসেছে। ...
আমের মৌসুম বাড়ছে আরও এক মাস  কোনো রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার না করে আম পাকা প্রায় এক মাস বিলম্বিত করার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন এক উদ্ভিদবিজ্ঞানী আম পাকা শুরু হলে আর ধরে রাখা যায় না। তখন বাজারে আমের সরবরাহ বেড়ে যায়। যেকোনো দামেই বেচে দিতে হয়। তাতে কোনো কোনো বছর চাষির উৎপাদন ...
আম রফতানির মাধ্যমে চাষিদের মুনাফা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। এজন্য দেশে বাণিজ্যিকভাবে আমের উৎপাদন, কেমিক্যালমুক্ত পরিচর্যা এবং রফতানি বাড়াতে সরকার বিশেষ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। সে লক্ষ্যে গাছে মুকুল আসা থেকে শুরু করে ফল পরিপক্বতা অর্জন, আহরণ, গুদামজাত, পরিবহন এবং ...
মৌসুমি ফল দিয়ে কর্তা ব্যক্তিদের খুশি করে স্বার্থ উদ্ধারের পদ্ধতি অনেক দিনের। বর্তমানে এই খুশি বিষয়টি আদায় করতে নগদ অর্থ খরচ করতে হলেও ফল থেরাপি ধরে রেখেছে অনেকেই। এর একটি হল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের জন্য নিয়মিত ...
রীষ্মের এই দিনে অনেকেরই পছন্দ আম।এই আমের আছে আবার বিভিন্ন ধরণের নাম।কত রকমের যে আম আছে এই যেমনঃ ল্যাংড়া,ফজলি,গুটি আম,হিমসাগর,গোপালভোগ,মোহনভোগ,ক্ষীরশাপাত, কাঁচামিঠা কালীভোগ আরও কত কি! কিন্তু এবারে বাজারে এসেছে এক নতুন নামের আর তার নাম 'বঙ্গবন্ধু'। নতুন নামের এই ফলটি দেখা ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২