Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

লক্ষণভোগ আম ১ জুন থেকে পাড়ার নির্দেশ

আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী ও নওগাঁতে চলছে সাজ সাজ রব। আর ঢাকায় ক্রেতাদের উন্মুখ অপেক্ষা। মধুমাসের মধুফল আম এবার পরিপক্ব হয়েই গাছ থেকে নামছে। আজ বুধবার থেকে বাজারে আসছে আগাম জাতের গোপালভোগ ও গুটি জাতের আম।

 

ক্ষীরসাপাত বা হিমসাগর ও লক্ষণভোগ আম ১ জুন, ল্যাংড়া ও বোম্বাই ১০ জুন, ফজলি ২৫ জুন, আম্রপালি ১ জুলাই এবং আশ্বিনা ১৫ জুলাই থেকে বাজারজাত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে নাবি জাতের ফজলিসহ অন্যান্য আম পর্যায়ক্রমে বাজারে আসবে।

 

এবছর অকালে গাছ থেকে অপরিপক্ব আম পেড়ে কেমিক্যাল মিশিয়ে বাজারজাতকরণ বন্ধ রেখেছে সরকার। কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে প্রশাসন। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, বিষমুক্ত আম বাজারজাতে উদ্বুদ্ধকরণ সভা ও ২৫ মের আগে ট্রাকে করে আম পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং লিফলেট বিতরণসহ মাইকিং এর মাধ্যমে প্রচারণা চালিয়ে আসছে। তবে আমের রাজধানী থেকে আম না আসলেও আগাম আম এসেছে সাতক্ষীরা, খাগড়াছড়িসহ কয়েকটি জেলা থেকে। এসেছে ভারতীয় আমও। রাজধানীর বাজারে আমের যে সমারোহ তা ভালো মানের নয়। ভালো মানের আম বলতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং রাজশাহীর আম। সাতক্ষীরা, খাগড়াছড়িসহ দেশের ২২টি জেলায় এখন বাণিজ্যিকভিত্তিতে আমের চাষ হচ্ছে। যার মান খুব ভালো না।

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহীর আম চাষি, ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পরিচর্যার অভাব আর বেশি তাপমাত্রার নেতিবাচক প্রভাবে আমের আকার অনেক ছোট হয়ে গেছে। এবার রাজশাহী অঞ্চলের আবহাওয়া চরম থাকায় নির্ধারিত সময়ের আগেভাগেই পাকতে শুরু করেছে আম।

 

শিবগঞ্জ উপজেলার নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের কালিনগরের আম ব্যবসায়ী এনামুল হক বলেন, অসাধু আম ব্যবসায়ীদের কবলে পড়ে আম চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সদর উপজেলার বেলেপুকুরের একজন চাষি বলেন, এলাকার আম চাষিরা কেমিক্যাল তেমন ব্যবহার করে না। করলে অনেক আগে ধরা পড়ত। ঢাকার কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতি মুনাফার লোভে বিভিন্ন কেমিক্যাল মিশিয়ে দেয় আমে। তার প্রভাবে গত বছরে অনেক আম ধ্বংস করে প্রশাসন। এবার সেই কেমিক্যাল মেশানোর কোনো সুযোগই নেই। কারণ সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে আম পাড়ার।

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবস্থিত আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের হিসাবে, সবচেয়ে ভালো মানের ও বেশি আম হচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। এ জেলার প্রায় ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়। এরপরেই রয়েছে রাজশাহী। এখানে এ বছর ১৬ হাজার ৫১৯ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। এই দুই জেলাকে দেশের বাণিজ্যিক আম চাষের আদিভূমি বলা হয়।

 

গত ১০ বছরে দেশে আমের উত্পাদন চার গুণ বেড়েছে। ধান ও অন্যান্য শস্যের চেয়ে চার থেকে পাঁচ গুণ বেশি লাভ হওয়ায় চাষিরা আমের দিকে ঝুঁকছেন। কারণ একটি আম গাছ ৫০ বছর পর্যন্ত স্বাভাবিকভাবে ফল দেয়ার পরও দুইশ’ থেকে আড়াইশ’ বছর পর্যন্ত ফল দিয়ে থাকে। কানসাটের জমিদারবাড়ির আম বাগান তার প্রমাণ। সুপ্রাচীন এই আমবাগানের গাছগুলো এখনো সুস্বাদু আম দিয়ে যাচ্ছে।

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found
চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ্যাত ‘খিরসাপাত’ জাতের আম জিআই’ (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে নিবন্ধিত হতে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে গেজেট জারি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নিবন্ধন পেলে সুস্বাদু জাতের এই আম ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম’ নামে বাংলাদেশসহ বিশ্ব বাজারে পরিচিতি লাভ করবে।  এই আমের ...
ফলের রাজা আম। আর আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ। দেশের সর্ববৃহত্তর অর্থনৈতিক ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যলয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। এ জেলার প্রধান অর্থকরী ফসল আম। বর্তমানে জেলা সবখানে চলছে বাগান পরিচর্যা ও বেচা-কেনা। বর্তমানে জেলার ২৪ হাজার ৪৭০ হেক্টর আম বাগানে ৯০ ভাগ মুকুল এসেছে। ...
গাছ থেকে আম অনায়াসে চলে আসবে নিচে। পড়বে না, আঘাত পাবে না, কষ ছড়াবে না, ডালও ভাঙবে না। গাছ থেকে এভাবে আম নামানোর আধুনিক ঠুসি (ম্যাঙ্গো হারভেস্টর) উদ্ভাবন করেছেন একজন চাষি। এই চাষির নাম হযরত আলী। বাড়ি নওগাঁর মান্দা উপজেলার কালিগ্রামে। তিনি গ্রামের শাহ কৃষি তথ্য পাঠাগার ও ...
সারা দেশে যখন ‘ফরমালিন’ বিষযুক্ত আমসহ সব ধরনের ফল নিয়ে মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে, তখন বরগুনা জেলার অনেক সচেতন মানুষ বিষমুক্ত ফল খাওয়ার আশায় ভিড় জমাচ্ছেন মজিদ বিশ্বাসের আমের বাগানে। জেলার আমতলী উপজেলার আঠারগাছিয়া ইউনিয়নে শাখারিয়া-গোলবুনিয়া গ্রামে মজিদ বিশ্বাসের ২ একরের ...
বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে আছে বিভিন্ন বয়সী অনেক পুরনো গাছ। এর কোন কোনটি ২০০-৩০০ বছরেরও বেশি বয়সী। আবার কোনটির বয়স তার চেয়েও বেশি। তেমনই ঠাকুরগাঁওয়ের একটি আমগাছের কথা সেদিন জানতে পারলাম ফেসবুকে একজনের পোষ্ট থেকে। একটি আমগাছ যার বয়স নাকি ২০০ বছরেরও ...
ইসলামপুরের গাইবান্ধা ইউনিয়নের আগুনেরচরে একটি আম গাছের গোড়া থেকে গজিয়ে উঠেছে হাতসদৃশ মসজাতীয় উদ্ভিদ বা ছত্রাক। ওই ছত্রাককে অলৌকিক হাতের উত্থান এবং ওই হাত ভেজানো পানি খেলে যেকোন রোগ ভাল হয় বলে অপপ্রচার করছে স্থানীয় ভ- চক্র। আর ওই ভ-ামির ফাঁদে পা দিয়ে প্রতিদিন প্রতারিত হচ্ছেন ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২