Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

ইফতারিতে হালিম-দই-জিলাপির সঙ্গে এবার হাড়িভাঙা আম

প্রতিবছর রোজায় বুট, বুন্দিয়া, বেগুনি দিয়ে ইফতারি করি। এবার আমের মৌসুমে রোজা, দামও কম। তাই প্রতিদিন ফজলি আম দিয়েই ইফতার করে তৃপ্তি পাচ্ছি। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. তুহিন ওয়াদুদ বললেন, এবার ইফতারির তালিকা থেকে ভাজা-পোড়া খাবার বাদ দিয়ে রংপুরের ঐতিহ্য হাঁড়িভাঙা আম রেখেছি। আম দিয়ে ইফতারির পর বেশ তরতাজা মনে হয়।

রংপুরে হোটেল-রেস্তোরাঁ ও কনফেকশনারিগুলোতে জিলাপি, বাখরখানি, মাংসের রেজালা, মাসকেট হালুয়া, জালি কাবাব, রাসমতি, টিকা কাবাব, কলিজির চপ, রাজভোগ, ফালুদা, ডিমের চপ, চিকেন ফ্রাই, পাটিসাপটা পিঠা তৈরি করলেও এবার ইফতারিতে এসবের খুব একটা কদর নেই। ইফতারিতে বুট, বুন্দিয়া, বেগুনি আর পিয়াজুর আমেজ পুরনো হয়ে গেছে। এ বছর ইফতারিতে হাড়িভাঙা আমের কদর সবচেয়ে বেশি। এরপরই রয়েছে বৈশাখীর হালিম ও দইবড়ার কদর। নগরীর বিভিন্ন ইফতারি দোকান ঘুরে এবং রোজাদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভাজা-পোড়ার চেয়ে আম বা ফলমূল দিয়ে ইফতারি করা ভালো। নগরীর মেডিকেল মোড়ে বৈশাখী হোটেল ও রেস্তোরাঁয় তৈরি হয় ঐতিহ্যবাহী দইবড়া এবং হালিম। রোজার মাসে কেবল এসব খাবার তৈরি করা হয়। টক দইয়ের মধ্যে মাসকলাইয়ের ডালের বড়া দেওয়া হয়। এভাবে তৈরি হয় দইবড়া। ছোট ছোট প্লাস্টিকের বাটিতে প্রতিটি দইবড়া বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা করে। আর হালিম বিক্রি হচ্ছে ৬০, ১২০, ১৫০ ও ২৫০ টাকা বাটি। গতকাল বিকালে মুন্সিপাড়া থেকে ক্রীড়াবিদ নুর শাহিন ইসলাম লাল বৈশাখীর হালিম ও দইবড়া কিনতে আসেন। তিনি জানালেন, প্রতিদিন ইফতারিতে বৈশাখীর হালিম ও দইবড়া চাই। স্বাদ মুখে লেগে থাকে বলে প্রতিদিন ছুটে আসি হালিম ও দইবড়া কিনতে। হালিম ও দইবড়া ছাড়া ইফতারে পূর্ণতা আসে না।

 

বৈশাখী হোটেলের স্বত্বাধিকারী ফজলুল হক বলেন, চাহিদা অনুযায়ী দইবড়া ক্রেতাদের সরবরাহ করা সম্ভব হয় না। কারণ তৈরি করতে বেশ সময় লাগে। দুপুরের পর থেকে হালিম বিক্রিতে উপচে পড়া ভিড় জমে। জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ায় হালিমের দাম বাড়ানো হয়েছে। কাচারি বাজারে মহুয়া কনফেকশনারি ও মৌবন কনফেকশনারি বুট, বুন্দিয়া, বেগুনি ও পিয়াজুর পাশাপাশি নতুন করে বিক্রি করছে মাংসের রেজালা, মাসকেট হালুয়া, জালি কাবাব, রাসমতি, টিকা কাবাব, কলিজির চপ। মহুয়া কনফেকশনারির স্বত্বাধিকারী মুন্না মিয়া বলেন, ইফতারিতে আলাদা স্বাদ আনতে নতুন নতুন খাবার তৈরি করা হচ্ছে। এ ছাড়া নগরীর জাহাজ কোম্পানি মোড়ের স্বাদ কনফেকশনারি, নিউ স্বাদ কনফেকশনারি, মিঠু হোটেল, সেন্ট্রাল রোডের খালেক হোটেল, দেশ রেস্টুরেন্ট, সাতমাথার বিসমিল্লাহ হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ভাই ভাই হোটেল, লালবাগের নূরানী হোটেল ও রেস্তোরাঁ ইফতারিতে নতুন ইফতারি সামগ্রী সংযোজন করেছে। জেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক মাহবুবুর রহমান জানান, ইফতারির দোকানগুলোতে ভেজালবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত বাসি ও ভেজাল মেশানো খাদ্য পাওয়া যায়নি। বিক্রি হচ্ছে ফরমালিনমুক্ত আম।

Comment (0) Hits: 545
 

ছাতাপড়া-হাড়িভাঙা আম, অগ্নিসর কলা!

শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ফল মেলা। রাজধানীর ফার্মগেটে বৃহস্পতিবার এ মেলার উদ্বোধন করা হয়।

 

এখানে ৭৫টি স্টলে ১৩০ প্রকার ফল রয়েছে। কোনো কোনো স্টল থেকে প্রদর্শনী আবার কোনো কোনো স্টল থেকে বিক্রি করা হচ্ছে।

খামারবাড়ি আ.কা.মু গিয়াস উদ্দিন মিলকী অডিটরিয়াম চত্বরে আয়োজিত ফল মেলায় ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন প্রজাতির ফলে সাজিয়ে রাখা হয়েছে পুরো চত্বর। দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের ভিড়ও চোখে পড়ার মত। ফলের নামগুলো দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করছে।

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের স্টলে দেখা মেলে ছাতাপড়া, হাড়িভাঙা আম ও অগ্নিসর কলার। এ ছাড়া অন্য প্রজাতির আমগুলোর মধ্যে রয়েছে, দুধসর, লক্ষণভোগ, আম্রপালি, আশ্বিনা, হিমসাগর, রাংগুয়াই, বারি-৪, ফজলি, মধুভোগ, চোষা, ল্যাংড়া প্রভৃতি।

এগুলোর মধ্যে ছাতাপড়া ও হাড়িভাঙা আম এবং অগ্নিসর কলা নিয়ে সবার মাঝে বেশি আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। ছাতাপাড়া আগের গায়ে হালকা কালো কালো দাগ রয়েছে। দেখতে গোলাকৃতির। আকারে বেশি বড় নয়। ৫-৬টায় কেজি হতে পারে। হাড়িভাঙা আমের নিচের দিকটা সুচালো।

অগ্নিসর কলা দেখতে হালকা হলুদ ও সিঁদুর রংঙের। তবে কাঁচা থাকতে সবুজ রঙ থাকে। একফানায় অন্তত বড় আকৃতির  ১৬টি কলা থাকে।

আমের গায়ে লাগানো বর্ণনা থেকে জানা যায়, এ প্রজাতির ছাতাপড়া। বৈজ্ঞানিক নাম-mangifira indica। এ জাতের আমের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, ক্যারোটিন, ভিটামিন-সি ও ক্যালোরি সমৃদ্ধ। অলটারনেট বেয়ারিং হ্যাবিট। নিয়মিত ফলদানকারী, উচ্চ ফলনশীল এবং আগাম জাত।

আরেক জাতের আমার নাম রয়েছে হাড়িভাঙা আম। এ জাতের আমের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, ক্যারোটিন, ভিটামিন-সি ও ক্যালোরি সমৃদ্ধ। উচ্চ ফলনশীল এবং আগাম জাত। ফলধারণের বৈশিষ্ট্য- অনিয়মিত।

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের যুগ্ম পরিচালক কৃষিবিদ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ছাতাপড়া আম দিনাজপুর এলাকায় পাওয়া যায়। এ ছাড়া হাড়িভাঙা পাওয়া যায় রংপুর এলাকায়।

কলার গায়ে লাগানো বর্ণনা থেকে জানা যায়, এ কলার নাম অগ্নিসর। বৈজ্ঞানিক নাম- Musa sp। এ জাতের আমের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, ক্যালোরি, শর্করা, ক্যালসিয়াম, লৌহ ও ভিটামিন-সি বিদ্যমান।  পাকা কলা কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণে ব্যবহার করা হয়। কলাধারণের- বৈশিষ্ট্য নিয়মিত।

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের যুগ্ম পরিচালক কৃষিবিদ  ড. মাহাবুব আলম বলেন, এ জাতের কলা পাওয়া যায় বান্দরবন এলাকায়। এটা পাহাড়ে বসবাসকারীরাই বেশি খায়। কাঁচা থাকতে গায়ের রঙ সবুজ থাকে। পাকলে লাল রঙ হয়।

Comment (2) Hits: 898
 

অর্ডার দিলেই পৌঁছে যাবে ‘হাড়িভাঙা’ আম

অর্ডার দিলেই আপনার ঠিকানায় ‘হাড়িভাঙা’ আম পৌঁছে যাবে। এজন্য আপনাকেই সব ব্যবস্থা করতে হবে। অগ্রিম টাকা এবং পরিবহন খরচও প্রদান করতে হবে। এক্ষেত্রে লেনদেন হতে পারে ব্যাংক অথবা বিকাশের মাধ্যমে। তবে এখানে অনলাইনের কোনো ছোঁয়া নেই। সরাসরি ফোনে নিশ্চিত করতে হবে। তবেই আপনার ঠিকানায় পৌঁছে যাবে রসালো এ আম। তাও আবার সম্পূর্ণ কেমিক্যালমুক্ত ও গ্যারান্টিযুক্ত।

বুধবার জাগো নিউজের ফোন সাক্ষাৎকারে যুক্ত হয়ে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার দয়ার দান খ্যাত ‘হাড়িভাঙা’ আমের জনক সালাম সরকার এসব তথ্য দেন।

তিনি জানান, ২৪ জুন থেকে পরিপক্ক আমটি গাছ থেকে নামানো হবে। এরপর শুরু হবে বাজার জাত। চলবে আগস্টের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত। কেউ যদি এই আম নিতে চান তাহলে ফোনে আমাকে নিশ্চিত করতে হবে। কমপক্ষে ১০ মণ আম নিলেই পাঠানো সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

সালাম সরকার বলেন, গত একমাস ধরে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বাজারে বেশি দামে ‘হাড়িভাঙা’ আম ছেড়েছে। তবে এগুলো অপরিপক্ক এবং কার্বাইড দিয়ে পাকানো। এই আমগুলোর বেশির ভাগই ফরমালিন মিশ্রিত। এই আম পাকার মূল মৌসুম হলো জুনের ২০ তারিখের পর।

তিনি বলেন, এবার ১২ একর জমিতে আমের আবাদ (চাষ) হয়েছে। আশা করছি দেড় হাজার মণ আম পাবো গাছ থেকে। আমার আম শতভাগ কেমিক্যাল মুক্ত।

আমটির জনক জানালেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ যদি আমের রাজধানী হয়ে থাকে। তাহলে ‘হাড়িভাঙা’ আমের রাজধানীও রংপুরের মিঠাপুকুর। এখন যে হারে আম চাষ শুরু হয়েছে এ এলাকায়, আশা করছি আগামী ৫ বছরের মধ্যে আমরা শুধু ‘হাড়িভাঙ্গা’ আম দিয়েই চাঁপাইনবাবগঞ্জকে ছাড়িয়ে যাবো। সেই সঙ্গে বিদেশেও এর অবস্থান মজবুত করবো।

প্রথম দিকে প্রতিমণ আম দেড় হাজার টাকায় বিক্রি হলেও শেষমেষ এর দাম পৌঁছায় ১০ হাজার থেকে ১২ হাজারে।

সালাম সরকার জানালেন, ‘হাড়িভাঙা’ আম নিয়ে অনেক প্রচার হয়ে গণমাধ্যমগুলোতে। এজন্য সাংবাদিকদের ধন্যবাদ। কারণ তাদের কারণেই আজ হাড়িভাঙা দেশব্যাপী খ্যাতি পেয়েছে। এজন্য বেশ কিছু পুরস্কারও পেয়েছি আমি।

তিনি বলেন, কেউ যদি এই আম নেয়ার জন্য রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় আসতে চায় তাহলে, মিঠাপুকুর শহরে থেকে ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে জায়গীর হাটে আসতে হবে। সেখান থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে আখিরার হাট আসলেই পেয়ে যাবেন আমাকে।

Comment (0) Hits: 547

হাড়িভাঙা আম

রংপুরের আবহাওয়া এবং মাটি আম চাষের জন্য খুবই উপযোগী। তবে সরকার বা কৃষি বিভাগ এবং বেসরকারি পর্যায়ে রংপুরে আম চাষের জন্য কৃষকদের উদ্বুদ্ধকরণের বিষয়ে আধুনিক প্রযুক্তির কোনো প্রচার-প্রচারণা, কর্মশালার আয়োজন হয় না। যে সব কৃষক নিজের থেকে আম চাষ করছেন সরকারি পর্যায়ে তাদের মনিটরিং তো দূরের কথা ন্যূনতম দিকনির্দেশনা বা খোঁজ-খবর নেওয়ারও তথ্য পাওয়া যায় না। অথচ এখানে উত্পাদিত আমের মধ্যে বিপুল জনপ্রিয় রসালো ও সুস্বাদু আমের নাম ‘হাড়িভাঙা’। এছাড়াও আম্রপালি, সূর্যপুরি, লেংড়া, ফজলি, কুয়া পাহাড়ি, ক্ষিরসাপাত, গোপালভোগ, মিশ্রিভোগসহ বিভিন্ন প্রজাতির আম উত্পাদন হচ্ছে। এই হাড়িভাঙা আমের মাধ্যমেই রংপুরে আম চাষের রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে।

 

যমুনেশ্বরী নদীর তীর ঘেঁষা রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার বালুয়া মাসুমপুর বাজারের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে জমিদার তাজ বাহাদুর সিংয়ের রাজদরবারে একটি আম বাগানবাড়ি ছিল। সেখান থেকে তেকানি গ্রামের নফল উদ্দীন পাইকার নামে এক ব্যবসায়ী আম কিনে এনে স্থানীয় পদাগঞ্জ বাজারে বিক্রি করতেন। তার মধ্যে একটি আম ছিল খুবই সুস্বাদু ও মিষ্টি। ছয় শতক আগে জমিদারের অনুমতি সাপেক্ষে পাইকার নফল উদ্দীন ওই আমবাগান থেকে ওই আমগাছটির একটি কলম নিয়ে এসে মিঠাপুকুর উপজেলার খোড়াগাছ ইউনিয়েনের তেকানি গ্রামের নিজ বাড়িতে লাগান। ওই এলাকা বরেন্দ্রপ্রবণ অঞ্চল হওয়ার কারণে পানি দিতে হতো সব সময়। পাইকার নফল উদ্দীনও জীবিকার জন্য সবসময় বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকতেন। সে কারণে ওই আমগাছটির নিচে তিনি মাটির হাঁড়ি দিয়ে ফিল্টার বানিয়ে তাতে সারাদিন পানি দিতেন। এরই মধ্যে একদিন রাতে কে বা কারা ওই মাটির হাঁড়িটি ভেঙে ফেলে। এরপর ওই গাছে বিপুল আম ধরে। সেগুলো ছিল খুবই সুস্বাদু। সেগুলো বিক্রি করার জন্য বাজারে নিয়ে গেলে লোকজন ওই আম সম্পর্কে জানতে চায়। তখন নফল উদ্দীন বলেন—যে গাছের নিচের হাঁড়িটা মানুষ ভেঙেছিল সেই গাছের আম এগুলো। তখন থেকেই ওই আম ‘হাঁড়িভাঙা আম’ নামে পরিচিতি পায়। এটি কাঁচা অবস্থায় ছালসহ খেলেও মিষ্টি লাগে। এখনো ঐ আমগাছটি আছে তেকানি গ্রামে।

 

যুগোপযোগী পরিকল্পনার মাধ্যমে বেসরকারি পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হলে এই জেলায় প্রায় ৫০ হাজার হেক্টর জমিতে আমের বাগান গড়ে তোলা যায়, যেখান থেকে প্রত্যেক বছর পাঁচ হাজার কোটি টাকা আয় করা সম্ভব। শুধুমাত্র রংপুর জেলায় আম চাষের মাধ্যমে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি আমচাষি, শ্রমিক, ব্যবসায়ীদের পরিবারে আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। আমাদের মতে, আলুর মতো আম চাষেও রেকর্ড সৃষ্টির অপেক্ষায় আছে রংপুরের কৃষক সমাজ। শুধু প্রয়োজন কার্যকর উদ্যোগ। আমের রাজধানী রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জের মতো কৃষি বিভাগের আলাদা অফিস স্থাপন ও গবেষণাগার স্থাপন করা প্রয়োজন। আম, লিচু, কুল, কলা চাষিদের বিকশিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। এনসিডিপি প্রজেক্টের মতো আরো বড় ধরনের প্রজেক্টের মাধ্যমে আর্থিক সহযোগিতার দ্বার উন্মোচন করা প্রয়োজন। এই গুরু দায়িত্বটি জিকেএফকে নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। এটা এই অঞ্চলের কৃষক সমাজের সময়ের দাবি। রংপুর অঞ্চলের গরিব মানুষের পুষ্টির চাহিদা তথা জনগণের পুষ্টির চাহিদা মেটানোর জন্য এবং আমচাষিদের অর্থনৈতিকভাবে লাভবান এবং সারা বছর বাজারে সহজলভ্য করার জন্য আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন একটি হিমাগার প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। আম থেকে উপজাত পুষ্টিকর ও সুস্বাদু খাদ্য তৈরি করে বাজারজাত করার জন্য এই এলাকায় একটি আম প্রসেসিং কারখানা গড়ে তোলা উচিত। এতে কর্মসংস্থান বাড়বে এবং এলাকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটবে।
Comment (0) Hits: 570
চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ্যাত ‘খিরসাপাত’ জাতের আম জিআই’ (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে নিবন্ধিত হতে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে গেজেট জারি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নিবন্ধন পেলে সুস্বাদু জাতের এই আম ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম’ নামে বাংলাদেশসহ বিশ্ব বাজারে পরিচিতি লাভ করবে।  এই আমের ...
চাঁপাই নবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার এক সময়ের সন্ত্রাসের জনপদ নয়ালাভাঙাতে মাইক্রোবাস হতে ছোড়া বোমার আঘাতে দুই জন আহত হয়েছে। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলার নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের হরিনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- রানিহাটি ইউনিয়নের বহরম গ্রামের সোহরাব আলীর ছেলে মো. ...
বাজারে আম সহ মাছ, ফল, সবজিসহ বিভিন্ন খাদ্য সংরক্ষণে যখন হরহামেশাই ব্যবহার হচ্ছে মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান ফরমালিন, ঠিক তখনই এর বিকল্প আবিষ্কার করেছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ড. মোবারক আহম্মদ খান। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রধান এই বৈজ্ঞানিক ...
সারা দেশে যখন ‘ফরমালিন’ বিষযুক্ত আমসহ সব ধরনের ফল নিয়ে মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে, তখন বরগুনা জেলার অনেক সচেতন মানুষ বিষমুক্ত ফল খাওয়ার আশায় ভিড় জমাচ্ছেন মজিদ বিশ্বাসের আমের বাগানে। জেলার আমতলী উপজেলার আঠারগাছিয়া ইউনিয়নে শাখারিয়া-গোলবুনিয়া গ্রামে মজিদ বিশ্বাসের ২ একরের ...
গাছ ফল দেবে, ছায়া দেবে; আরও দেবে নির্মল বাতাস। আশ্রয় নেবে পাখপাখালি, কাঠ বেড়ালি, হরেক রকম গিরগিটি। গাছ থেকে উপকার পাবে মানুষ, পশুপাখি, কীটপতঙ্গ– সবাই। আর এতেই আমি খুশি। ঐতিহাসিক মুজিবনগর আম্রকাননে ছোট ছোট আমগাছের গোড়া পরিচর্যা করার সময় এ কথাগুলো বলেন বৃক্ষ প্রেমিক জহির ...
আম গাছ কে দেশের জাতীয় গাছ হিসেবে ঘোষনা দাওয়া হয়েছে। আর এরই প্রতিবাদে কিছুদিন আগে এক সম্মেলন হয়ে গেলো যেখানে বলা হয়েছে :-"৮৫% মমিন মুসলমানের দেশ বাংলাদেশ। ঈমান আকিদায় দুইন্নার কুন দেশেরথে পিছায় আছি?? আপনেরাই বলেন। অথচ জালিম সরকার ভারতের লগে ষড়যন্ত কইরা আমাগো ঈমানের লুঙ্গি ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২