Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

ছাদে চাষ করা যাবে আমরাজ আম্রপালি

বটবৃক্ষের মতো আমগাছের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে না। বামন আকৃতির আমগাছ এসে গেছে আমাদের মাঝে। যা এখন শোভা পাচ্ছে ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে। এ গাছটি ছাদে, টবে বা অর্ধড্রামেও চাষ করা যায়। জানাই হলো না আমগাছের জাতটির নাম কী? হ্যাঁ, এ জাতটি হচ্ছে আম্রপালি।

গাছ বামন আকৃতির ও ঝোপালো। ছোট হওয়া সত্ত্বেও অন্যান্য জাতের আমগাছের সমান বয়স ধরে বাঁচে। দেশের সব এলাকায় ও সব মাটিতে উপযোগী। এ জাতটি জমিতে মিশ্রভাবে আবাদ করা যায়। প্রথম বছরেই ফল দেয়।

সব ধরনের মাটি দিয়েই আম্রপালি চাষ করা যায়। তবে অম্লীয়, উর্বর দো-আঁশ মাটি সবচেয়ে ভালো। এটি চাষের জন্য ২০-৩০দিন আগে গর্তে/টবে/অর্ধড্রামে ৩০-৪০কেজি পচা গোবর, ৫০গ্রাম ইউরিয়া, টিএসপি ও এমপি ১০০গ্রাম করে এবং জিপসাম, বোরাক্স ও জিগ্ধক সালফেট ১০গ্রাম করে দিয়ে মাটির সঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। এরপর প্রতি বছরে প্রতি গাছের জন্য ৪০কেজি গোবর সার, ইউরিয়া ৫০গ্রাম, টিএসপি ও এমপি ১০০গ্রাম এবং জিপসাম, বোরাক্স ও জিগ্ধক সালফেট ১০গ্রাম করে বৃদ্ধি হারে প্রয়োগ করতে হবে। সার প্রয়োগের পর সেচ দেয়া ভালো। গাছের গোড়া সবসময় আগাছামুক্ত রাখতে হবে। গাছ লাগানোর সঙ্গে সঙ্গে খুঁটি বেঁধে দিতে হবে। কলমের গোড়ার নিচের অংশে কুশি বের হলে তা ভেঙে ফেলতে হবে। প্রয়োজনে জৈব-অজৈব বালাইনাশক ব্যবহার করতে হবে। গাছের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মরা ও অপ্রয়োজনীয় অংশ কেটে ফেলতে হবে। আমগাছে আমের রস শোষক পোকা, ফল ছিদ্রকারী পোকা, কাণ্ডের মাজরা পোকা, ফলের মাছি পোকা ও গল পোকার উপদ্রব দেখা যায়। গাছের কচিপাতার ক্ষেত্রে পাতাকাটা ও পাতাখেকো পোকার উপদ্রব দেখা যায়। এসব পোকা দমনের জন্য সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের যে কোনো কীটনাশক (২ মিলি প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে) স্প্রে করতে হবে। রোগের মধ্যে পাউডারি মিলডিউ, পাতায় মরিচাপড়া, অ্যানথ্রাকনোজ, পাতা পোড়া ও ম্যালফরমেশন দেখা যায়। এ ক্ষেত্রে কপার ফাংগিসাইড/ছত্রকানাশক (২ মিলি গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে) স্প্রে করতে হবে।

Comment (0) Hits: 511
 

ছাদে যে সব গাছ লাগাবেন

গাছের অপর নাম জীবন কারণ গাছ আমাদের বেঁছে থাকতে খুব বেশি সাহায়তা করে। অক্সিজেন দিয়ে যেমন সাহায়তা করে তেমনি ফল দিয়েও। তাই আমাদের মধ্যে অনেকেই গাছ প্রেমিক রয়েছে। কিন্তু দূর্ভাগ্য হলো অনেকের বাড়ির আঙ্গিনায় জায়গা না থাকার কারণে অন্তত বাড়ির ছাদে কিছু ফল গাছ লাগাতে চান যারা তাদের জন্য এই টিপস।

 

ছাদে বাগান করার সময় লক্ষ রাখতে হবে যেন গাছটি বড় আকারের না হয়। অর্থাৎ ছোট আকারের গাছ লাগাতে হবে এবং ছোট আকারের গাছে যেন বেশি ফল ধরে সে জন্য হাইব্রিড জাতের ফলদ গাছ লাগানো যেতে পারে। আম্রপালি ও মল্লিকা জাতের আম, পেয়ারা, আপেল কুল, জলপাই, করমচা, শরিফা, আতা, আমড়া, লেবু, ডালিম, পেঁপে, এমনকি কলা গাছও লাগানো যাবে। ছাদ বাগানের প্রথম শর্ত হচ্ছে, গাছ বাছাই। জেনে, বুঝে, বিশ্বস্ত নার্সারি থেকে গাছ সংগ্রহ করতে হবে। বেঁটে প্রজাতির অতিদ্রুত বর্ধনশীল ও ফল প্রদানকারী গাছই ছাদ বাগানের জন্য উত্তম। বীজের চারা নয়, কলমের চারা লাগালে অতিদ্রুত ফল পাওয়া যায়। আজকাল বিভিন্ন ফলের গুটি কলম, চোখ কলম ও জোড় কলম পাওয়া যাচ্ছে। ছাদ বাগানের জন্য এসব কলমের চারা সংগ্রহ করতে পারলে ভালো হয়। টবে আমের মধ্যে আম্রপালি, আলফানসো, বেঁটে প্রজাতির বারোমেসে, লতা, ফিলিপাইনের সুপার সুইট, রাঙ্গু আই চাষ করা যেতে পারে। লেবুর মধ্যে কাগজিলেবু, কমলা, মালটা, নারকেলি লেবু, কামকোয়াট, ইরানিলেবু, বাতাবিলেবু (অ্যাসেম্বল) টবে খুবই ভালো হয়। এ ছাড়া কলমের জলপাই, থাইল্যান্ডের মিষ্টি জলপাই, কলমের শরিফা, কলমের কদবেল, ডালিম, স্ট্রবেরি, বাউকুল, আপেলকুল, নারিকেলকুল, লিচু, থাইল্যান্ডের লাল জামরুল, গ্রিন ড্রপ জামরুল, আপেল জামরুল, আঙ্গুর পেয়ারা, থাই পেয়ারা, ফলসা, খুদে জাম, আঁশফল, জোড় কলমের কামরাঙা, এমনকি ক্যারালা ড্রফ প্রজাতির নারিকেলের চাষ করা যেতে পারে। সঠিক মানের চারা হলে এক বছরের মধ্যেই ফল আসে। আজকাল বিদেশ থেকে উন্নত মানের কিছু চারা কলম দেশে আসছে। ছাদ বাগানের সাধ পূরণ করার জন্য এসব সংগ্রহ করে লাগাতে পারেন। বাহারি পাতার জামরুল, পেয়ারা, সফেদা গাছও বিভিন্ন নার্সারিতে এখন কিনতে পাওয়া যাচ্ছে। ছাদে এসব গাছ লাগানো হলে ছাদ বাগানের সৌন্দার্য বৃদ্ধি পায়।

Comment (0) Hits: 846
 

রাঙ্গুনিয়ায় ছাদে সাকিবের বাগানে থোকায় থোকায় পাকা আম

রাঙ্গুনিয়ায় সাকিবের ছাদে গড়ে তোলা আম বাগানে সুস্বাদু আমের ঘ্রানে চারদিক মৌ মৌ করছে। আম বাগানে উঁকি দিচ্ছে এলাকার লোকজন। পাকা আমে জানান দিচ্ছে মধুমাস সমাগত। উপজেলার রাঙ্গুনিয়া থানার পার্শ¦স্থ সৈয়দ বাড়ী এলাকায় কলেজ পড়–য়া মো. সাকিব ঘরের ছাদে টবে লাগিয়েছে সারি সারি আম গাছ। আমের মুকুল আসার পাশাপাশি কয়েকটি গাছে থোকায় থোকায় ধরেছে আম। পাকা আমের মৌ মৌ সুঘ্রানে ছুটে যাচ্ছে এলাকার মানুষ। সবার মাঝে কৌতুহল জাগছে মৌসুম ছাড়া আম গাছে আম ধরার বিষয়টি। সাকিবের আম বাগান দেখে এলাকার অধিকাংশ যুবক ছাদের টবে আম বাগান করার প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করছে। দীর্ঘদিন আগে থেকে সাকিব আম গাছের পরিচর্যা করে আসছিল। কয়েকটি গাছে আম পাকতেও শুরু করেছে। সে আম গাছের পাশাপাশি লেবু আনারসহ বিভিন্ন ফলজ গাছের চারা লাগিয়েছে ফলও ধরেছে আশানরুপ।

অপরদিকে মৌসুম বিহীন আম বাগানে আম আসার বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, নির্ধারিত সময়ের আগে উন্নত মানের চারা ও সঠিক পরিচর্যা হওয়ায় ছাদে আম ধরার বিষয়টি অস্বাভাবিক কিছু না। ছাদে কেউ বানিজ্যিকভাবে আম বাগান করার উদ্যোগ নিলে সাকিবের মতো আম বাগান করে সফলতা আসবে।

বিশেষ করে ল্যাংড়া, গোপালভোগ, ক্ষিরসাপাতি, আশ্বিনা জাতের বেশি। সেই সঙ্গে গবেষণাকৃত বারি-৩, বারি-৪ জাতের বাগান তৈরির ক্ষেত্রেও আগ্রহী হয়ে উঠছেন অনেকে।

ছাদে আম বাগান করার বিষয়ে জানতে চাইলে কলেজ ছাত্র সাকিব জানায়, ঘরের ছাদে অল্প জায়গায় উন্নত মানের আমের চারা লাগানো হয়। কৃষি কর্মকর্র্তার পরামর্শে আম বাগানের পরিচর্যা করি। আমের ফলনও ভাল হয়েছে। দুয়েকটি গাছে আম পাকতে শুরু করেছে। ঘরের ছাদে অল্প পরিসরে টবে আম বাগান করলে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান করা যাবে ও পরিবারের পুষ্টির যোগান দেওয়া যাবে। আগামী বছরে ব্যাপক ভাবে আম বাগান করার পরিকল্পনা গ্রহন করেছি। আমার দেখাদেখিতে অনেকেই ছাদের টবে আম বাগান করার উদ্যোগ নিচ্ছে।

এ বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মজুমদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ফরমালিনমুক্ত আম খাওয়ার জন্য ও পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে ঘরের ছাদে যে কেউ আম বাগান অনায়সে করতে পারে।

Comment (0) Hits: 518

টবে আম গাছ : বাড়বে সবুজ, মিটবে পরিবারের চাহিদা

শখের বাগান করার জন্য এ খণ্ড জমি অনেকর ভাগ্যেই ধরা দেয় না। আর আমাদের এই শহরে জীবনে বড় বড় অট্টালিকার কারণে দিনে দিনে কমছে চাষযোগ্য জমির পরিমাণ। তাই বলে কি বাগান করা শখটি পূরণ হবে না আপনার? না আপনি চাইলে আপনার বাড়ি আঙ্গিনা কিংবা ছাদেই গড়ে তুলতে পারেন শখের বাগান। এমনকি সেই বাগানে আপনি একটি বা দু'টি আমের গাছও লাগাতে পারেন। নিজ হাতে লাগানো সেই আম গাছ থেকেই অনেকাংশেই মিটবে আপনার পরিবারের আমের চাহিদা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রে ২০০৬ সালে টবে লাগানো আম গাছে গত কয়েক বছর থেকে নিয়মিত ফুল ও ফল আসছে। টবে জন্মানো গাছের ফলন বাগানে জন্মানো গাছের ফলনের চেয়ে কিছুটা কম হলেও এটাকে সন্তোসনক মনে করে টবে আমের গাছ লাগানোর বিষয়ে আশাবাদী হয়েছেন গবেষকরা। তারা বলছেন, এতে করে ইটকাঠের বাড়িতে একখণ্ড সবুজের সৃষ্টি হবে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকতা ড. শরফ উদ্দিন জানান, কেউ চাইলে খুব সহজে তার বাড়ির ছাদে বা অন্য কোনো একটি স্থানে টবে বারি আম-৩ আমের জাতটি লাগাতে পারেন। লাগানোর পরের বছর থেকেই আম ধরা শুরু করবে গাছটিতে।
আর টবে লাগানো আম গাছ থেকে অন্তত ১০-১২ বছর পর্যন্ত ফল পাওয়া সম্ভব বলেও জানান তিনি।
তিনি আরো জানান, যদি কেউ ৩/৪টি আমের জাত পছন্দ করেন কিন্তু তার মাত্র একটি টব রাখার মতো জায়গা আছে তাহলে দ্বিতীয় বছরে প্রত্যেকটি ডালে কাঙ্ক্ষিত জাতের সায়ন দ্বারা টপ ওর্য়াকিং করতে হবে। এই পদ্ধতিতে একটি গাছে অনেকগুলো জাতের সমাবেশ ঘটানো যায়।
টবে আম গাছের চারা লাগানোর ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিষয় খেয়াল রাখারা কথা জানিয়েছেন এই ফল গবেষক। তিনি জানান, টবে অনায়াসেই পেয়ারা, লেবু, কামরাঙ্গা, জামরুল, ডালিম, বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি চাষাবাদ করা যায়। তবে সাধারণ আম গাছের বাগান খুব কম জনই করেন, অনেকের ধারনা থাকে যে টবে আম গাছ হবে কি করে। কিন্তু বর্তমানে আমের মধ্যে বারি আম-৩ বা আম্রপালি জাতটি লাগাচ্ছেন। গষেণায় দেখা গেছে, কনক্রিটের তৈরী টবে আম ১০-১২ বছর এবং অন্যান্য ফল ১৫-২০ বছর পর্যন্ত সফলভাবে জন্মানো সম্ভব।  বাড়ির ছাদে যারা ফল বাগান বা সবজি বাগান করে থাকেন তাদের একটি বিষয়ের উপর এ সময়ে বিশেষ নজর দিতে হবে তা হলো নিয়মিত পানির ব্যবস্থা করা। তবে বাড়ির ছাদে স্থাপনের জন্য টবের ওজনের বিষয়টি বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

টব তৈরী ও চাষ পদ্ধতি :
বিশেষ ধরণের এই টবটি তৈরীর জন্য খুয়া (ইটের টুকরা), সিমেন্ট, বালি ও চিকন রডের প্রয়োজন হয়। টবের আকার ৩২/৩২/৩০ ইঞ্চি (দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা) এবং টবের ভেতরের আকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে ২৫ ইঞ্চি। টবের উপরের প্রান্তে ৪ ইঞ্চি পাড় বা কিনারা করলে দেখতে সুন্দর হয়। টবটি ভালোভাবে স্থানান্তরের জন্য চার প্রান্তে ৪টি হুক রাখতে হবে। টবটির নিচের প্রান্তে ৩টি পানি নিষ্কাসনের জন্য ছিদ্র রাখতে হবে। টবটি ভরাট করার সময় নিচের অংশে ছোট ইটের টুকরা ব্যবহার করতে হবে। এরপর ৫০ ভাগ দোঁআশ মাটি এবং ৫০ ভাগ পচানো গোবর সার অথবা জৈব সার ব্যবহার করতে হবে।
এরপর পছন্দনীয় আমের জাতের কলম সংগ্রহ করে লাগাতে হবে। তবে গুটি আমের গাছ লাগিয়ে সেটিকে পছন্দের সায়ন (ডগা) দিয়ে কলম করা যায়। টবে জন্মানোর জন্য নিচের দিকে বা মাটির কাছাকাছি গ্রাফটিং করা চারাগুলি নির্বাচন করতে হবে। মাটির উপর থেকে ৫-৮ ইঞ্চি দুরুত্বে কলম করলে সবচেয়ে ভালো হবে। প্রাথমিক অবস্থায় সব টবগুলো পাশাপাশি রাখলেই চলবে। এক-দুই বছর পর নির্দিষ্ট জায়গায় স্থানান্তর করতে হবে। প্রতি বছর গাছের চাহিদা অনুযায়ী সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ করতে হবে। যেমন গোবর সার বা জৈব সার বা কেঁচো সার, ডিএপি, এমপি, জিপসাম, দস্তা সার এবং বোরিক পাউডার।
সবগুলো সার একবারে প্রয়োগ না করে দুই থেকে তিন বারে প্রয়োগ করা ভালো। সার প্রয়োগের পর পানির ব্যবস্থা করতে হবে। যখন বৃষ্টিপাত কম হয় এবং মাটি শুষ্ক অবস্থায় থাকে তখন প্রয়োজন অনুযায়ী পানি সরবরাহ করতে হবে। গাছ লাগানোর প্রথম দুই বছর গাছে শক্ত খুঁটির ব্যবস্থা করতে হবে।

Comment (0) Hits: 523
মেহেরপুরে এবার আমের বাম্পার ফলন হয়েছে। গত কয়েকদিনের কালবৈশাখী ঝড়ে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হলেও চলতি বছরও আম চাষিরা লাভের আশা করছেন। এদিকে গেল বছর স্বল্প পরিসরে সুস্বাদু হিমসাগর আম ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে রপ্তানি হলেও এ বছর ব্যাপক হারে রপ্তানি করার প্রস্তুতি নিয়েছে বাগান মালিকও আম ...
মধূ মাসে বাজারে উঠেছে পাকা আম। জেলা শহর থেকে ৬০ কি.মি দুরের প্রত্যন্ত ভোলাহাট উপজেলার স্থানীয় বাজারে ফরমালিন মুক্ত গাছপাকা আম এখন চড়া দামে বিক্রয় হচ্ছে। মালদহ সীমান্তবর্তী বিশাল আমবাগান ঘেরা এই উপজেলায় বেশ কিছু জায়গা ঘুরে বাজারগুলোতে শুধু গাছপাকা আম পেড়ে বিক্রয় করতে দেখা ...
গাছ থেকে আম অনায়াসে চলে আসবে নিচে। পড়বে না, আঘাত পাবে না, কষ ছড়াবে না, ডালও ভাঙবে না। গাছ থেকে এভাবে আম নামানোর আধুনিক ঠুসি (ম্যাঙ্গো হারভেস্টর) উদ্ভাবন করেছেন একজন চাষি। এই চাষির নাম হযরত আলী। বাড়ি নওগাঁর মান্দা উপজেলার কালিগ্রামে। তিনি গ্রামের শাহ কৃষি তথ্য পাঠাগার ও ...
সারা দেশে যখন ‘ফরমালিন’ বিষযুক্ত আমসহ সব ধরনের ফল নিয়ে মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে, তখন বরগুনা জেলার অনেক সচেতন মানুষ বিষমুক্ত ফল খাওয়ার আশায় ভিড় জমাচ্ছেন মজিদ বিশ্বাসের আমের বাগানে। জেলার আমতলী উপজেলার আঠারগাছিয়া ইউনিয়নে শাখারিয়া-গোলবুনিয়া গ্রামে মজিদ বিশ্বাসের ২ একরের ...
বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে আছে বিভিন্ন বয়সী অনেক পুরনো গাছ। এর কোন কোনটি ২০০-৩০০ বছরেরও বেশি বয়সী। আবার কোনটির বয়স তার চেয়েও বেশি। তেমনই ঠাকুরগাঁওয়ের একটি আমগাছের কথা সেদিন জানতে পারলাম ফেসবুকে একজনের পোষ্ট থেকে। একটি আমগাছ যার বয়স নাকি ২০০ বছরেরও ...
অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড কাউন্টির ছোট্ট শহর বাউয়েন। ছোট এ শহরের বড় গর্ব একটা আম। আমটি নিয়ে বাউয়েন শহরের মানুষেরও গর্বের শেষ নেই। লোকে তাদের শহরকে চেনে আমের রাজধানী হিসেবে। ৩৩ ফুট লম্বা, সাত টন ওজনের বিশাল এই আমের পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার লোকের অভাব হয় না। তবে দিনকয়েক আগে ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২