Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

ঘুরে আসুন আমের হাটে

রাজশাহীর চারঘাট ও বাঘায় অনেক আমের বাগান থাকলেও আম বাগানের আসল মজা পেতে হলে যেতে হবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। এখানকার শিবগঞ্জ উপজেলাকে বলা হয় আমের রাজধানী। রাজশাহী শহর থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ।  সড়কপথে ঘণ্টা দেড়েক লাগবে। একসময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুরোটাই নাকি ছিল আমের বাগান। এখনো শহরের আদালতপাড়া, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এবং কলেজের পুরো অংশই আম বাগান। শহরটা ঘুরলে মনে হবে, আম বাগানের মধ্যেই যেন মানুষের বসতি। সদর উপজেলা ছাড়াও শিবগঞ্জ, ভোলাহাট ও গোমস্তাপুর, এসব উপজেলাও আম বাগানের মধ্যে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর থেকে বের হয়ে মহানন্দা সেতু পেরিয়ে শিবগঞ্জের দিকে রওনা দিলে রাস্তার দুই পাশে চোখে পড়বে হাজার হাজার আম বাগান। শহর থেকে শিবগঞ্জের দূরত্ব মাত্র ১৭ কিলোমিটার। সঙ্গে গাড়ি থাকলে আধা ঘণ্টারও কম সময়ে পৌঁছে যেতে পারবেন। রাস্তায় যেতে যেতে চোখে পড়বে আমের ভ্যান, আমের গাড়ি, মানুষের হাতে আম, মাথায় আম— চারদিকে শুধু আম আর আম। সারা দেশেই কম-বেশি আমের ফলন হয়। তবে রাজশাহী জেলা আমের রাজধানী হিসেবে খ্যাতি অর্জন করলেও জেলার আম চাষের প্রধান কেন্দ্র হলো চাঁপাইনবাবগঞ্জ। আর এখানকার মোট আমের ৬০ ভাগ উৎপাদিত হয় শিবগঞ্জে। সব মিলিয়ে জেলায় আমের গাছের সংখ্যা প্রায় ১৮ লাখ। জেলায় প্রায় দেড় লাখ টনের বেশি আম উৎপাদন হয়। একসময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুরোটাই নাকি ছিল আমের বাগান। এখনো শহরের আদালতপাড়া, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এবং কলেজের পুরো অংশই আমবাগান।  চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর থেকে বের হয়ে মহানন্দা সেতু পেরিয়ে শিবগঞ্জের দিকে রওনা দিলে রাস্তার দুই পাশে চোখে পড়বে হাজার হাজার আম বাগান। শহর থেকে শিবগঞ্জের দূরত্ব মাত্র ১৭ কিলোমিটার। সঙ্গে গাড়ি থাকলে আধা ঘণ্টারও কম সময়ে পৌঁছে যেতে পারবেন।  দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে সড়ক, রেল কিংবা আকাশপথে চলে যান রাজশাহী। সেখান থেকে সারা দিনই চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাস ও ট্রেন চলে। চাইলে ঢাকা থেকে সরাসরিও চাঁপাইনবাবগঞ্জ আসতে পারেন।  চাঁপাইনবাবগঞ্জে থাকার খুব ভালো হোটেল নেই। তাই পরিবার নিয়ে এলে রাজশাহীতে থাকাই ভালো। রাজশাহীতে থাকার জন্য যেমন সরকারি পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে, তেমনি রয়েছে ভালো মানের অনেক হোটেলও।  চাঁপাইনবাবগঞ্জে চারটি প্রধান বাজারসহ বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় অর্ধশত বাজার রয়েছে। দেশের আমের সবচেয়ে বড় বাজার বসে শিবগঞ্জের কানসাটে। কানসাটের প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তার দুইধার জুড়ে বসে আমের বাজার।  গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুরে বসে আমের বড় আরেকটি বাজার। এখানকার পাইকারি বাজারগুলোয় ৪০ কেজিতে এক মণের স্থলে ৪৫ থেকে ৫০ কেজিতে এক মণ হিসেবে আম বিক্রি হয়। কানসাটে প্রতিদিন প্রায় ৬ কোটি টাকার আম কেনাবেচা হয়। জেলায় প্রায় ২৩ হাজার হেক্টর আম বাগান আর চারটি প্রধান আমের বাজারে প্রতি বছর হাজার কোটি টাকার বেশি আম কেনাবেচা হয়। এখানে গড়ে ওঠা প্রায় ১২৫টি আড়ত থেকে দেশের পাইকারি ক্রেতারা আম কিনে নিয়ে যান।  গোপালভোগ, ল্যাংড়া, ক্ষীরশাপাত, ফজলি আর হিমসাগর। আমের হাট রাজশাহীর পুঠিয়ার বানেশ্বর আম কেনাবেচায় জমজমাট। রাজশাহীর প্রবেশদ্বার পুঠিয়ায় প্রবেশ করার পর পরই রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়কের ওপর গড়ে ওঠা প্রায় অর্ধকিলোমিটার রাস্তাজুড়ে আম কেনাবেচা দেখেই বোঝা যায় এটিই বানেশ্বর আমের হাট।  পুঠিয়ার বানেশ্বর আমের হাটে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে কেনাবেচা। পুঠিয়া ছাড়াও কাটাখালী, দুর্গাপুর, বাগমারা, বাঘা ও চারঘাট উপজেলার বিক্রেতারাও আম বিক্রি করতে আসেন হাটে। এ কারণে আম বেচাকেনায় এরই মধ্যে উত্তরবঙ্গের সর্ববৃহৎ হাট হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। বেপারি সূত্রে জানা যায়, এই হাটে প্রতিদিন ৫ কোটি টাকার আম কেনাবেচা হয়।  এই হাটে প্রতিদিন প্রায় ৩ থেকে ৪ কোটি টাকার আম কেনাবেচা হচ্ছে। বানেশ্বর হাটকে কেন্দ্র করে এ অঞ্চলের ৫০ হাজার মানুষের মৌসুমি কর্মসংস্থান হয়েছে। ভোর রাত থেকেই স্থানীয় আমচাষী ও পাইকাররা ভ্যান, ভটভটি, নসিমন, করিমনসহ বিভিন্ন বাহনে আম নিয়ে আসেন বানেশ্বর হাটে। পাইকার ও চালানি বেপারিরা আম কিনে ট্রাকে করে নিয়ে যান দেশের বিভিন্ন স্থানে।  আমকে ঘিরে বানেশ্বর হয়ে উঠেছে রাজশাহীর প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র। বানেশ্বর এখন আমচাষী, পাইকার, ফড়িয়া ও চালানি বেপারিদের পদভারে মুখরিত।  এখানকার চাষীরা সরাসরি বাগান থেকে আম সংগ্রহ করে হাটে নিয়ে আসেন। তাই বানেশ্বর হাটের আম বিষমুক্ত। রাজশাহী জেলার চারটি উপজেলা পুঠিয়া, দুর্গাপুর, চারঘাট ও বাঘার কমবেশি প্রায় সব বাগানের আম এ হাটে আসে। এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আমের হাট। এ হাটে প্রায় আমের শতাধিক আড়ত রয়েছে। এ হাটে হাজারও লোক বিভিন্ন কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে।

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found
বাজারে গত মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই আম আম রব। ক্রেতা যে আমেই হাত দিক না কেন দোকানি বলবে হিমসাগর নয়তো রাজশাহীর আম। ক্রেতা সতর্ক না বলে রঙে রূপে একই হওয়ায় দিব্যি গুটি আম চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে হিমসাগরের নামে। অনেকসময় খুচরা বিক্রেতা নিজেই জানে না তিনি কোন আম বিক্রি করছেন। ...
চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে সারাদেশের ন্যায় মত চাঁপাইনবাবগঞ্জেও টানা ৭দিন ধরে প্রবল বর্ষনের কারণে আম ব্যবসায়ী ও আম চাষীদের মাথায় হাত পড়েছে। টানা বর্ষনের কারনে আম ব্যবসায়ীরা গাছ থেকে আম পাড়তে পারছেন না। অন্যদিকে গাছে পাকা আম নিয়েও বিপাকে পড়েছে আম চাষী ও ব্যবসায়ীরা। ফলে দুর্যোগপূর্ণ ...
আমাদের দেশে উৎপাদিত মোট আমের ২০ থেকে ৩০ শতাংশ সংগ্রহোত্তর পর্যায়ে নষ্ট হয়। প্রধানত বোঁটা পচা ও অ্যানথ্রাকনোজ রোগের কারণে আম নষ্ট হয়। আম সংগ্রহকালীন ভাঙা বা কাটা বোঁটা থেকে কষ বেরিয়ে ফলত্বকে দৃষ্টিকটু দাগ পড়ে । ফলত্বকে নানা রকম রোগজীবাণুও লেগে থাকতে পারে এবং লেগে থাকা কষ ...
রাজধানীর মালিবাগের আবদুস সালাম। বয়স ৭২ বছর। তার চার তলার বাড়িতে রয়েছে একটি দুর্লভ ‘ছাদবাগান’। শখের বসে এ বাগান করেছেন। বছরের সব ঋতুতেই পাওয়া যায় নানা ধরনের ফল। এখনো পাকা আম ঝুলে আছে ওই ছাদবাগানে। শুধু আম নয়, ৫ কাঠা ওই বাগানজুড়ে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ফুল, ফলসহ অন্তত ১০০ ...
এখন বৈশাখ মাস গাছে গাছে ভরা আছে মধু ফল আমে। কিন্তু মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একটি আম গাছে সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটিয়ে ডালছাড়া গাছের মধ্যখানে ধরেছে কয়েকশত আম। আর ব্যতিক্রমী ভাবে ধরা এ আম দেখেতে শিশুসহ অসংখ্য লোকের ভির হচ্ছে সেখানে। এ ঘটনাটি ঘটেছে শ্রীমঙ্গল সদর ইউনিয়নের ...
ইসলামপুরের গাইবান্ধা ইউনিয়নের আগুনেরচরে একটি আম গাছের গোড়া থেকে গজিয়ে উঠেছে হাতসদৃশ মসজাতীয় উদ্ভিদ বা ছত্রাক। ওই ছত্রাককে অলৌকিক হাতের উত্থান এবং ওই হাত ভেজানো পানি খেলে যেকোন রোগ ভাল হয় বলে অপপ্রচার করছে স্থানীয় ভ- চক্র। আর ওই ভ-ামির ফাঁদে পা দিয়ে প্রতিদিন প্রতারিত হচ্ছেন ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২