Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

আম ছাড়াই আমের জুস বিক্রি করছে প্রাণ গ্রুপ!

প্রাণ কোম্পানি ‘ফ্রুটিক্স’ নামে যে আমের জুস বাজারে বিক্রি করছে তার মধ্যে ঘনচিনি ও স্যাকারিন সহ ক্ষতিকর দ্রবাদি রয়েছে শতকরা ৯৫ শতাংশের বেশি। এই জুসে শতকরা ৫ শতাংশও আমের উপাদান নেই। ‘ফ্রুটিক্স’-এ আমের উপাদান কী পরিমাণ রয়েছে তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এমনই প্রতিবেদন এসেছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে। পরীক্ষার পর বুয়েটের দেয়া প্রতিবেদনে দেখা যায় ‘ফ্রুটিক্স’-এ আমের উপাদান রয়েছে মাত্র ৪ দশমিক ৮ শতাংশ। প্রতিটি ফুড ড্রিংকসে অন্তত ১০ শতাংশ ফলের রস থাকার নিয়ম থাকলেও সেটি ভঙ্গ করেই তৈরি করা হচ্ছে জুস।
প্রায় একই চিত্র আকিজের আফি, হাশেম ফুডের সেজান ও এএসটি লিমিটেডের ম্যাংগো কিং জুসেও। এসব কোম্পানির  আমের জুসেও আম নেই। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) রাসায়নিক পরীক্ষায় জুস তৈরির এমন ভয়াবহ এ চিত্র ফুটে উঠেছে।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বাজার থেকে সংগ্রহকৃত উল্লেখিত চারটি ম্যাংগো জুসের নমুনা বুয়েটে পাঠানোর পর গত ১৭ অক্টোবর বুয়েট রাসায়নিক পরীক্ষা হয়। পর বুয়েট যে রিপোর্ট দিয়েছে তাতে দেখা যায়, প্রতিটি ফুড ড্রিংকসে ১০ শতাংশ ফলের রস থাকার নিয়ম থাকলেও এসব জুসে তা নেই।
এ সম্পর্কে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য মাহবুব কবীর বলেন, বুয়েটে রাসায়নিক পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রাণ, আকিজ, হাশেম ফুড ও এএসটি লিমিটেডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বিএসটিআইকে গত ১৮ অক্টোবর চিঠি দেয়া হয়েছে।
বুয়েটের পরীক্ষায় প্রাণ কোম্পানির ফ্রুটিক্স জুসে পাল্পের পরিমাণ পাওয়া গেছে শতকরা ৪ দশমিক ৮। আকিজ গ্রুপের আফিতে এর পরিমাণ শতকরা ৬ দশমিক ২। হাশেম ফুডের সেজানে ৫ দশমিক ৪ এবং এএসটি লিমিটেড নামক কোম্পানির ম্যাংগো কিং-এ পাল্পের পরিমাণ শতকরা ৪ দশমিক ৪। বিএসটিআই এর নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি জুসে কমপক্ষে শতকরা ১০ ভাগ পাল্প বা সংশ্লিষ্ট ফলের রস থাকা বাধ্যতামূলক। প্রসঙ্গত, বাজারে যে সব ফলের জুস পাওয়া যায় তার বেশিরভাগই ভেজাল। কাপড় তৈরির রঙ, ঘনচিনি ও স্যাকারিন দেয়া হয় জুসে। আর আম বা ফলের রসের বদলে দেয়া হয় মিষ্টি কুমড়া। ভেজালমিশ্রিত এই জুস শিশু ও গর্ভবতী মায়েদেরে জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। আম ছাড়াই আমের জুস কিভাবে বিএসটিআই-এর অনুমোদন নিয়ে বাজারে বিক্রি করা হলো এমন প্রশ্নের জবাবে বিএসটিআই-এর এক কর্মকর্তা জানান, কোমল পানীয় বা জুসে এমনভাবে ভেজাল মেশানো থাকে যে, রাসায়নিক পরীক্ষা ছাড়া বোঝার উপায় থাকে না। তিনি বলেন, যেকোনো খাদ্য ও পানীয় বাজারে বিক্রি করার আগে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন লাগে। জুস উৎপাদনের শুরুতে ভালো মানের নমুনা দিয়ে পরীক্ষা করিয়ে সার্টিফিকেট নেওয়া হয়। অতি মুনাফা করতে গিয়ে পরে ব্যবসায়ীরা নিম্ন মানের জুস তৈরি করেন। ছয় মাস পরপর নমুনা পরীক্ষার নিয়ম আছে। কিন্তু নানা ব্যস্ততা এবং লোকবলের অভাব থাকায় বিএসটিআই তা করতে পারে না। তারপরও বিএসটিআই নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। খাদ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কোমল পানীয় ও জুসের নামে আমরা যা পান করছি তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। জুসে ব্যবহার করা হচ্ছে নিষিদ্ধ সোডিয়াম সাইক্লামেট, কাপড়ের রং, সাইট্রিক এসিড ও প্রিজারভেটিভ (সোডিয়াম বেনজোয়িক ও পটাশিয়াম)। অম্লতা বাড়াতে ফসফরিক এসিড এবং ঠান্ডা রাখতে ইথিলিন গ্লাইকল মেশানো হচ্ছে।
জুসের নামে এসব পানীয় দীর্ঘদিন পানের ফলে ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ, গ্যাস্ট্রিক, আলসার, দাঁতের ক্ষয়, কিডনির সমস্যাসহ নানা রোগ হতে পারে। শিশু ও কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের পানীয় মানবদেহের জন্য ভয়াবহ হয়ে দেখা দিচ্ছে। ১০ বছর আগেও দেশে কিডনি রোগীর সংখ্যা ছিল ৮০ লাখ। এখন এ সংখ্যা দুই কোটির বেশি এবং তাদের অর্ধেকই শিশু। এ ছাড়া দেশে বছরে অন্তত ৮৪ হাজার মানুষ নতুন করে ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। কৃত্রিম সুগন্ধি মেশানো এসব পানীয় গর্ভবতী ও বৃদ্ধদের জন্যও ক্ষতিকর।

সুত্র: http://www.sheershanews24.com/Exclusive/details/10990/

Comment (0) Hits: 1223
 

গোবিন্দগঞ্জে ৩ শতাধিক আম গাছের চারা কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের ছোট নারায়নপুর গ্রামে বুধবার রাতে পূর্ব শত্র“তার জের ধরে একটি নার্সারীর বিভিন্ন জাতের প্রায় তিন শতাধিক আম গাছের চারা কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা।

অভিযোগে জানা গেছে, একদল দুর্বৃত্তরা ওই গ্রামের মমতাজ হোসেন সরকারের মালিকানাধীন শেফা নার্সারীর হাড়িভাঙ্গা, ক্ষিরসাপাতি, আম্রপালীসহ বিভিন্ন জাতের প্রায় তিন শতাধিক আমগাছের চারা কেটে ও ভেঙ্গে ফেলেছে। মমতাজ হোসেন বলেন, এলাকার কতিপয় দুর্বৃত্ত নার্সারী ব্যবসায় তার সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে নানা ধরণের হুমকী দিয়ে আসছিল। তারাই এ ধরণের ন্যাক্কার জনক ঘটনা ঘটাতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন। এতে তার প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধিত হয়। এ নিয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Comment (0) Hits: 864
 

ঘাটাইলে প্রতিপক্ষের দুটি গাছ ও আম লুট

ঘাটাইল উপজেলার কালিকাপুর গ্রামে প্রতিপক্ষ একটি নিরীহ পরিবারের দুটি মূল্যবান গাছ কেটে নিয়ে গেছে। এছাড়া এ সময় তারা ৪টি গাছের আমও নিয়ে গেছে।
ঘাটাইল উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের বাসিন্দা ইদ্রিস আলী মিয়ার সঙ্গে প্রতিবেশী লোকমান ডাক্তারের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে শুক্রবার সকালে লোকমান ডাক্তার, তার ছেলে আবদুল কাদেরসহ ৪-৫ দুর্বৃত্ত ইদ্রিস আলী মিয়ার বাড়ির দুটি গাছ কেটে নিয়ে যায়। এ সময় দুর্বৃত্তরা ইদ্রিস আলী মিয়ার ভাই ঠান্ডু মিয়ার বাধা উপেক্ষা করে ৪টি গাছের আমও নিয়ে যায়।
ইদ্রিস আলী মিয়া জানান, একখ- জমি নিয়ে প্রতিবেশী লোকমান ডাক্তারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তার বিরোধ চলে আসছিল। সম্প্রতি গ্রাম্য সালিশে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। তারপরও তার অনুপস্থিতির সুযোগে প্রতিপক্ষ বাড়ির মূল্যবান দুটি গাছ কেটে নিয়ে গেছে।

Comment (0) Hits: 826

ঠাকুরগাঁওয়ে শত্রুতা করে আম ও কাঁঠালগাছ কর্তন

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর হাজীপাড়া এলাকার রেজাউল করিমের আম ও কাঁঠালগাছ রাতের অন্ধকারে কেটে ফেলেছে ওই এলাকার কিছু দুর্বৃত্ত। গত সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, সদর উপজেলার জগন্নাথপুর হাজীপাড়া এলাকায় সোমবার সকালে রেজাউল করিমের বাগানে ওই এলাকার ফরিদ, নাজমুল হক, নাঈম, মুন্না, সাগর, বাদশা, শালমন, শাহীসহ কয়েকজন জোরপূর্বক আম পাড়তে শুরু করে। এ সময় রেজাউলের ছোট ভাই আবদুল মান্নান তাদের বাধা দেয়। এতে উভয় পরে মধ্যে বাগি¦তণ্ডা শুরু হয়। পরে ওই রাতেই কয়েকজন রেজাউল করিমের বাগানের একটি আমগাছ ও ১০টি কাঁঠালগাছ কেটে ফেলে।
রেজাউল করিম জানান, রাতের আঁধারে তার বাগানের একটি আম ও ১০টি কাঁঠালগাছ কেটে ফেলো হয়েছে। যার মূল্য প্রায় ৩০ হাজার টাকা। এ ঘটনায় তিনি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
জগন্নাথপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান লিটন জানান, ইউনিয়ন পরিষদে বসে উভয় পকে নিয়ে বিষয়টির সমাধান করে দেয়া হবে।

Comment (0) Hits: 864
চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ্যাত ‘খিরসাপাত’ জাতের আম জিআই’ (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে নিবন্ধিত হতে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে গেজেট জারি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নিবন্ধন পেলে সুস্বাদু জাতের এই আম ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম’ নামে বাংলাদেশসহ বিশ্ব বাজারে পরিচিতি লাভ করবে।  এই আমের ...
আম ছাড়া মধুমাস যেন চিনি ছাড়া মিষ্টি। বছর ঘুরে এই আমের জন্য অপেক্ষায় থাকে সবাই। রসালো এ ফলের জন্য অবশ্য অপেক্ষার পালা এবার শেষ হয়েছে। রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে বুধবার থেকে শুরু হয়েছে আম পাড়া। এর আগে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার কারণে আমের রাজধানীতে এতদিন আম পাড়া বন্ধ ছিল। তাইতো ...
আমাদের দেশে উৎপাদিত মোট আমের ২০ থেকে ৩০ শতাংশ সংগ্রহোত্তর পর্যায়ে নষ্ট হয়। প্রধানত বোঁটা পচা ও অ্যানথ্রাকনোজ রোগের কারণে আম নষ্ট হয়। আম সংগ্রহকালীন ভাঙা বা কাটা বোঁটা থেকে কষ বেরিয়ে ফলত্বকে দৃষ্টিকটু দাগ পড়ে । ফলত্বকে নানা রকম রোগজীবাণুও লেগে থাকতে পারে এবং লেগে থাকা কষ ...
বাংলাদেশে উৎপাদিত ফল ও সবজির রপ্তানির সম্ভাবনা অনেক। তবে সম্ভাবনার তুলতায় সফলতা যে খুব যে বেশি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। রপ্তানি সংশ্লিষ্ঠ ব্যাক্তিবর্গ অনিয়মতান্ত্রিকভাবে বিভিন্নভাবে তাদের প্রচেষ্ঠা অব্যহত রেখেছেন। কিন্তু এদের সুনির্দিষ্ট কোন কর্ম পরিকল্পনা নেই বললেই চলে। ...
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার আম সাম্রাজ্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা রফতানি পণ্যের তালিকায় উঠে আসার এক মাসের মধ্যেই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের আম ব্যবসায়ীরা খুবই আগ্রহী হয়ে উঠেছে এখানকার আম তাদের দেশে নিয়ে যাবার ব্যাপারে। যদিও ইতোপূর্বে এ বছর চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে দুই হাজার টন আম ...
রীষ্মের এই দিনে অনেকেরই পছন্দ আম।এই আমের আছে আবার বিভিন্ন ধরণের নাম।কত রকমের যে আম আছে এই যেমনঃ ল্যাংড়া,ফজলি,গুটি আম,হিমসাগর,গোপালভোগ,মোহনভোগ,ক্ষীরশাপাত, কাঁচামিঠা কালীভোগ আরও কত কি! কিন্তু এবারে বাজারে এসেছে এক নতুন নামের আর তার নাম 'বঙ্গবন্ধু'। নতুন নামের এই ফলটি দেখা ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২