Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase
নওগাঁয় হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে আম-লিচুর মুকুলের ক্ষতি

হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে আমের মুকুলের ব্যাপক ক্ষতি

নওগাঁয় হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে আম-লিচুর মুকুলের ক্ষতি

নওগাঁ: ফাল্গুনের মাঝামাঝিতে হঠাৎ শিলাবৃষ্টি হয়েছে নওগাঁ জেলার বিভিন্ন এলাকায়। শিলাবৃষ্টিতে আম ও লিচুর মুকুলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। 

সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে প্রায় আধাঘণ্টা ধরে চলা এ শিলাবৃষ্টিতে জেলার সাপাহার, পোরশা ও পত্নীতলা উপজেলার বেশ কিছু এলাকায় ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।

শিলার আঘাতে অনেক স্থানে মুকুল থেঁতলে নষ্ট হয়েছে, ঝরেও গেছে অনেক স্থানে। এ সময় আমের মুকুলে হালকা পানি পেলে ফলন ভালো হয়। কিন্তু সোমবার বিকেলে বৃষ্টির সঙ্গে প্রায় ১শ’ গ্রাম ওজনের শিলাও পড়েছে। ফলে নষ্ট হয়েছে অনেক মুকুল। 

পত্নীলতা উপজেলার দিবর ইউনিয়নের রূপগ্রামের আম চাষি সোহেল রানা, বাংলানিউজকে জানান, এ মৌসুমে তার প্রায় ২০ বিঘার আমবাগানের অধিকাংশ গাছেই মুকুল এসেছে। শিলাবৃষ্টিতে যার ৮০ শতাংশই নষ্ট হয়েছে। 

পার্শ্ববর্তী উপজেলা পোরশার লিচু চাষি সারোয়ার জানান, এবার তিন বিঘা জমিতে তিনি চায়না জাতের লিচু চাষ করেছেন। কিন্তু শুরুতেই শিলাবৃষ্টির কারনে তার অনেক ক্ষতি হয়েছে। এ সময় লিচুর মুকুলের মধ্যে মধু থাকে। শিলাবৃষ্টির কারণে মুকুল নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি মধুও নষ্ট হয়েছে। লিচুর ফলন নিয়ে বেশ চিন্তায় পড়েছেন তিনি। 

নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মনোজিত কুমার বাংলানিউজকে জানান, এখনই ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব নয়। তবে যেসব মুকুলে শিলা পড়েছে সেসব মুকুলে আর ফল আসবে না। 

তিনি আরও বলেন, এ বছর জেলায় ১২ হাজার ৬৭০ হেক্টর জমিতে আম এবং ২২১ হেক্টর জমিতে লিচু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যেহেতু এখনও শতভাগ গাছে মুকুল আসেনি তাই ক্ষতি খুব বেশি হওয়ার কথা নয়।

Comment (0) Hits: 563
 

হিমাগারের অভাবে নষ্ট হচ্ছে লাখ টাকার আম

রাজশাহীর তানোরে সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হচ্ছে লাখ টাকার আম। আম উৎপাদনে রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পরই বরেন্দ্র অঞ্চলের প্রাণকেন্দ্র তানোরের স্থান। এ অঞ্চল থেকে প্রতি বছর এলাকার চাহিদা পূরণের পরে বিপুল পরিমান আম দেশের সর্বত্র বাজারজাত করা হয়ে থাকে।  অথচ আজ পর্যন্ত আধুনিক পদ্ধতির মাধ্যমে আম সংরক্ষণের কোন ব্যবস্থা নেই এ অঞ্চলে। ফলে প্রতিবছর লাখ লাখ টাকার আম নষ্ট হয়ে ক্ষতিগ্রন্ত হচ্ছেন কৃষকরা।  তানোর উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানা বড় ছোট মিলে এ অঞ্চলে দুই হাজারেরও বেশি আম বাগান রয়েছে। বর্তমানে এসব বাগান আরো সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। আম উৎপাদন করার জন্য প্রতিবছর প্রশিক্ষণ, আম গাছের পরিচর্যা, সার প্রয়োগ, বয়স্ক আম গাছের পরিবর্তে ফলনশীল জাতের নতুন নতুন চারা রোপণ করা হচ্ছে। রোগবালাই ও পোকামাকড় দমন করার জন্য এ অঞ্চলের আম চাষিরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন।  তানোর পৌর এলাকার বেলপুকুরিয়া গ্রামের আম বাগান মালিক মোজাম্মেল হক জানান, আমের ফলন বেশি হলেও প্রয়োজনীয় পৃষ্টপোষকতার অভাবে চাষিরা আমের দাম ভালো পাচ্ছে না। বাগান মালিকরা বিভিন্ন খপ্পরে পড়ে তাদের উৎপাদিত আম অল্প দামে বিক্রি করছেন। অনেক বাগান মালিক আম সংরক্ষণ করতে না পারায়  প্রতি বছর আম পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।  তিনি অভিযোগ করে বলেন, আম বাগানের উপর বা বাগান করার জন্য সরকার কোন ঋণ প্রদান করে না। তবে সরকার ঋণ প্রদান করলে আম চাষি ও বাগান মালিকেরা লাভবান হতে পারতো বলে জানান তিনি।  জানতে চাইলে কৃষি অফিসার শফিকুল ইসলাম বলেন, আমের ফলন বাড়ানোর জন্য গত কয়েক বছর ধরে কৃষি বিভাগ গাছে মুকুল আসার পর হতে চাষিদের নিয়মিত পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে। এছাড়া আমের ফলন বৃদ্ধির জন্য পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে উন্নত জাতের সুবর্ণ, মল্লিকা, হাইব্রিড-১০, আমকলি, বার মাসি, রতœা, খিরষা, গোপালভোগ, ফজলি, ল্যাংডা আমরোপালী ইত্যাদি আমের চারা আমদানি করে রোপণ করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে দেশি জাতের খিরষা, গোপালভোগ, ফজলি, ল্যাংডা অন্যান্য জাতের উন্নতির জন্য সরকারিভাবে আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।

Comment (0) Hits: 486
 

নবাবগঞ্জের আম চাষীদের প্রশিক্ষণ ও সংবাদ সম্মেলন

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় উৎপাদিত বিভিন্ন প্রজাতির বিষমুক্ত ফল ইউপোপের দেশগুলোতে রপ্তানি করার লক্ষ্যে বুধবার (১২এপ্রিল) আম চাষীদের নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলার ৮নং মাহমুদপুর ইউনিয়নের হলাইজানা ফাজিল মাদ্রাসা হলরুমে ফল উপজেলা চাষী সমিতির সভাপতি মো. জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত আমচাষীদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বজলুর রশীদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. হামিম রেজা, উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শরফ উদ্দিন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা. পারুল বেগম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু রেজা মো. আসাদুজ্জামান, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হাসানুজ্জামান ও মল্লিকা সেহানবীশ প্রমুখ। কর্মশালায় শতাধিক আমচাষী অংশ নেন।
প্রশিক্ষণ শেষে চাষীদের উৎপাদিত আম উন্নত মানের ইউপোপের বিভিন্ন দেশে রপ্তানির মাধ্যমে বাজার সৃষ্টির লক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন করে ফল চাষী সমিতি। এতে লিখিত বক্তব্য রাখেন আম চাষী ও ফল চাষী সমিতির সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম।
এতে বলা হয়, চাপাইনবাবগঞ্জ উদ্যানতত্ত¡ গবেষণাকেন্দ্র সহায়তায় এবং মাহমুদপুর ফলচাষী সমিতি ও উপজেলা প্রশাসন সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উপজেলায় নিরাপদ আম উৎপাদনে কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় এ বছরেই ইউরোপের বিভিন্ন দেশে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত আম রপ্তানি করা সম্ভব হবে। কর্মসূচির আওতায় চাষীদের আমের উন্নত জাত সম্পর্কে ধারণা দেয়া, প্রাকৃতিকভাবে আম চাষের প্রশিক্ষণ, কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা দেয়া, কীটনাশকের পরিমিত ব্যবহারে প্রচারণা এবং আমের মুকুল থেকে শুরু করে আম সংগ্রহ পর্যন্ত বিশেষ পদ্ধতি অনুসরণ। এছাড়া ফ্রুট ব্যাগিং করা হবে প্রায় ৫ লাখ আমের। এ বছরে রপ্তানী হবে তিন জাতের আম- হিমসাগর ল্যাংড়া আ¤্রপালি। মাহমুদপুরের আম রপ্তানীর বিষয়ে বেশ আনন্দিত কৃষকরা। এটা হবে এই এলাকার কৃষি উন্নয়নে এক নতুন দিগন্ত। আম চাষের উন্নয়নে নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বজলুর রশীদ সহযোগিতায় গড়ে ওঠেছে মাহমুদপুর ফলচাষী সমবায় সমিতি লিমিটেড। এটি দেশের তৃতীয় আমচাষী সমিতি। মাহমুদপুরে চাষ হচ্ছে হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, আ¤্রপালি, বারি-৪, রুপালীসহ প্রায় ১৫ প্রজাতির আম।
উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে, এ বছর উপজেলার মাহমুদপুর ফলচাষী সমবায় সমিতির ১০০জন চাষীসহ প্রায় এক হাজার আম চাষীর ৮০২ হেক্টর জমিতে ২৩ হাজার ৫৫৬ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফল চাষী সমিতির সদস্য ও মাহমুদপুর ইউনিয়নের সফল ফলচাষী মো. মোকলেছার রহমান বলেন, তাদের উৎপাদিত আম, লিচু, স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি হলে বিদেশী মুদ্রা অর্জনে সক্ষম হবেনা।

Comment (0) Hits: 467

আম ভাঙার বিভ্রান্তি নিরসন জরুরি

এবারই প্রথম গাছ থেকে আম ভাঙার তারিখ নির্ধারণ করে দেয় প্রশাসন। কিন্তু বিষয়টি সুপরিকল্পিত নয় বলে অভিযোগ রয়েছে চাষী ও বাগান মালিকদের। আবার কারো কারো মতে, বাগানমালিকদের ঢালাও অভিযোগও গ্রহণযোগ্য নয়। কিন্তু তারিখ নিয়েও রয়েছে নানা রকম বিভ্রান্তি যা কাটিয়ে তোলা দরকার বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শখ আর স্বাদ গ্রহণের সীমানা পেরিয়ে আম যখন বিশাল বাণিজ্য ও অর্থের যোগানদার তখন এই ফলটি নিয়ে হেলাফেলা করা নয়। ভোক্তার কাছে শুদ্ধ ফল পৌঁছে দেওয়ার তাগিদেই এবার প্রথম এসেছে গাছ থেকে আম ভাঙ্গার তারিখ। কিন্তু কোন জেলার জন্য কোন তারিখ, কোন আমের পরিপক্ক হওয়ার দিনটাই বা কবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

আমের জেলা রাজশাহীর বাঘার কাছে হিসাবটি এক রকম। চাপাইনবাবগঞ্জের অন্যরকম।এই হিসাবটি শুধু এবারের জন্য নয়, আগামী উৎপাদন মৌসুমের শুরুতেই ব্যাপক প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হলে তা চাষী, বাগানমালিক, ব্যবসায়ী ও ভোক্তা সবার জন্যেই রাখবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। রাজশাহীর একজন আম চাষী অভিযোগ করে বলেন, আমরা এবার বাজারেই যেতে পারি নাই। আমগুলো সব নষ্ট হয়ে গেছে। আম ভাঙার তারিখ ১৫ দিন পিছিয়ে দেওয়ায় এখন আমাদের ১০ টাকা কেজি আম বিক্রি করতে হচ্ছে।

কিন্তু কিছুটা আলাদা কথা বলেন চাপাইনবাবগঞ্জের চাষী ও ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, সরকার আমাদের একটা নিয়ম করে দিয়ে গেছে, ৫ তারিখের আগে আম ভাঙা যাবে না। চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শরফউদ্দিন বলেন, জুনের ১ তারিখ থেকে আম সংগ্রহের তারিখ নির্ধারণ ছিলো। রাজশাহীতে জুনের ৫ তারিখ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর কবির বলেন, কিছু আম জুনের প্রথমে এবং বাকিগুলো ১৫ তারিখের আগে পাড়া যাবে না। চুয়াডাঙ্গার হিসাব আবার আলাদা।

একজন চাষী বলেন, উপজেলা অফিসারের সঙ্গে একটা কনফারেন্স হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়, আম পরিপক্ক হবে তারপর আম ভাঙবে।

এই অবস্থায় চাষীরা কোন দিকে যাবে? কয়েকজন কৃষকের অভিযোগ, সরকারের এমন সিদ্ধান্তে চাষী-ব্যবসায়ী সব ধ্বংস। অন্যরা আবার বলেন, সরকারের সিদ্ধান্তকে আমরা সাধুবাদ জানাই। কিন্তু সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই কৃষকদের থাকতে হবে।

দ্বিধা দূর করতে রাজশাহীর আম গবেষক মাহবুব সিদ্দিকি একটি আম ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করেছেন।তিনি বলেন, গোপালভোগটা মে মাসের ২৫ তারিখের আগে কেনা যাবে না, খাওয়াও যাবে না। এরপর আসবে হিমসাগর ও ল্যাংড়া।

Comment (0) Hits: 482
চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ্যাত ‘খিরসাপাত’ জাতের আম জিআই’ (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে নিবন্ধিত হতে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে গেজেট জারি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নিবন্ধন পেলে সুস্বাদু জাতের এই আম ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম’ নামে বাংলাদেশসহ বিশ্ব বাজারে পরিচিতি লাভ করবে।  এই আমের ...
ফলের রাজা আম। আর আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ। দেশের সর্ববৃহত্তর অর্থনৈতিক ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যলয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। এ জেলার প্রধান অর্থকরী ফসল আম। বর্তমানে জেলা সবখানে চলছে বাগান পরিচর্যা ও বেচা-কেনা। বর্তমানে জেলার ২৪ হাজার ৪৭০ হেক্টর আম বাগানে ৯০ ভাগ মুকুল এসেছে। ...
আমের মৌসুম বাড়ছে আরও এক মাস  কোনো রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার না করে আম পাকা প্রায় এক মাস বিলম্বিত করার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন এক উদ্ভিদবিজ্ঞানী আম পাকা শুরু হলে আর ধরে রাখা যায় না। তখন বাজারে আমের সরবরাহ বেড়ে যায়। যেকোনো দামেই বেচে দিতে হয়। তাতে কোনো কোনো বছর চাষির উৎপাদন ...
বাংলাদেশে উৎপাদিত ফল ও সবজির রপ্তানির সম্ভাবনা অনেক। তবে সম্ভাবনার তুলতায় সফলতা যে খুব যে বেশি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। রপ্তানি সংশ্লিষ্ঠ ব্যাক্তিবর্গ অনিয়মতান্ত্রিকভাবে বিভিন্নভাবে তাদের প্রচেষ্ঠা অব্যহত রেখেছেন। কিন্তু এদের সুনির্দিষ্ট কোন কর্ম পরিকল্পনা নেই বললেই চলে। ...
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার আম সাম্রাজ্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা রফতানি পণ্যের তালিকায় উঠে আসার এক মাসের মধ্যেই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের আম ব্যবসায়ীরা খুবই আগ্রহী হয়ে উঠেছে এখানকার আম তাদের দেশে নিয়ে যাবার ব্যাপারে। যদিও ইতোপূর্বে এ বছর চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে দুই হাজার টন আম ...
ইসলামপুরের গাইবান্ধা ইউনিয়নের আগুনেরচরে একটি আম গাছের গোড়া থেকে গজিয়ে উঠেছে হাতসদৃশ মসজাতীয় উদ্ভিদ বা ছত্রাক। ওই ছত্রাককে অলৌকিক হাতের উত্থান এবং ওই হাত ভেজানো পানি খেলে যেকোন রোগ ভাল হয় বলে অপপ্রচার করছে স্থানীয় ভ- চক্র। আর ওই ভ-ামির ফাঁদে পা দিয়ে প্রতিদিন প্রতারিত হচ্ছেন ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২