Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

আম গাছে যথেচ্ছ ব্যবহার হচ্ছে ক্ষতিকর হরমোন

আমের রাজধানীখ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীতে এবার নজর পড়েছে অধিক মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের। মালিকদের কাছ থেকে মৌসুমভিত্তিক আমবাগান কিনে তাতে ব্যবহার করছেন মাত্রাতিরিক্ত হরমোন। এ ধরনের হরমোন ভারত থেকে আসছে চোরাই পথে। সঠিক মাত্রায় এসব রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার না করায় গাছ দিন দিন ফল ধারণের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলছে বলে মনে করছেন গবেষকরা। তারা বলছেন- এতে ধীরে ধীরে আমগাছ মারাও যেতে পারে। এ অবস্থা চলতে থাকলে কয়েক বছরের মধ্যেই রাজশাহী অঞ্চলের আমবাগান উজাড় হয়ে যেতে পারে বলে আশংকাও প্রকাশ করেছেন তারা। সূত্র মতে, এক শ্রেণীর অতিরিক্ত মুনাফালোভী আম ব্যবসায়ী বাগান মালিকদের চোখে ফাঁকি দিয়ে কালটার নামক এক ধরনের ভারতীয় হরমোন আম গাছে ব্যবহার করছে। কীটনাশকের সঙ্গে অথবা রাসায়নিক সারের সঙ্গে মিশিয়ে আমগাছে কালটার ব্যবহার করা হচ্ছে। এর ফলে কয়েক মাস পর ধীরে ধীরে আমগাছের পাতা শুকিয়ে যায়। একপর্যায়ে গাছটি শুকিয়ে মারা যায়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকায় ইতিমধ্যে অনেক গাছ মারা গেছে বলে জানা গেছে।

 

মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা জানান, অবৈধ পথে আসা এই কালটার ভারতে বিভিন্ন এক বা দু ফসলি জমিতে অধিক ফলনের জন্য ব্যবহার করা হয়। বিশেষ করে বেগুন, টমেটো, মরিচ, সরিষা, মিষ্টি কুমড়া প্রভৃতি এক ফসলের ক্ষেতে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু আম গাছের মতো বহু বছর ধরে ফল দেয় এমন গাছের জন্য এটি ভয়ানক ক্ষতিকর। সূত্র জানায়, গত ৪ থেকে ৫ বছর আগে সীমান্তবর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকার একশ্রেণীর চোরাকারবারি কালটার বাংলাদেশে এনে আম ব্যবসায়ীদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়। এরপর ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত লাভের আশায় ব্যাপক হারে এটি ব্যবহার করেন। এক লিটার ভারতীয় কালটার এর দাম ১০ হাজার টাকা।চাঁপাইনবাবগঞ্জ শিবগঞ্জের রানীহাটি এলাকার দোস্ত মোহাম্মদ বিশ্বাস ওয়াকফ স্টেটের মোতায়ালি রেজাউল আনাম রেজা বলেন, হরমোন জাতীয় কালটার নামক মেডিসিনটি দেয়ার কারণে তাদের বাগানের প্রায় ৫০টি আমগাছ মারা গেছে। আগামী দুএক বছরের মধ্যে অধিকাংশ গাছ মরে বাগান ধ্বংস হয়ে যেতে পারে বলে তার আশংকা। বিশেষজ্ঞরা জানান, প্রাকৃতিক নিয়মে এক বছর আমের বাম্পার ফলন হলে পরের বছর ফলন হয় কম। সে হিসাবে এ বছর আমের জন্য অফ ইয়ার।গত বছর ছিল আমের অন ইয়ার। তাই বলে ফলন বাড়ানোর জন্য আমের বাগানে ক্ষতিকর হরমোন ব্যবহার করা ঠিক নয়। এতে শুধু গাছের নয়, বরং ওইসব গাছের ফল খেলে মানুষেরও ক্ষতি হতে পারে। রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ আলীম উদ্দীন দিলেন ভয়ংকর তথ্য। তিনি জানান, আম বাগান মালিকরা নিজেরা আমের চাষ করেন না, তারা ব্যবসায়ীদের কাছে বাগান বিক্রি করে দেন। আর ব্যবসায়ীরা নিজেরা লাভবান হতে সঠিকমাত্রা ও সময় না জেনে ইচ্ছেমতো হরমোন ও ভিটামিন ব্যবহার করছে। নিয়ম হল, একবার যে বাগানে হরমোন স্প্র্রে করা হবে, সেই বাগানে পরবর্তী তিন বছর আর কোনো হরমোন স্প্রে করা যাবে না। যদি তা করা হয়, তাহলে দীর্ঘ মেয়াদে বাগান ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found
জৈষ্ঠ্য মাসের প্রথম সপ্তাহে জেলার হিমসাগর আম গেল ইউরোপে। আর এর মধ্য দিয়েই আম রপ্তানিতে কৃষি বিভাগের প্রচেষ্টা তৃতীয়বারের মতো সাফল্যের মুখ দেখলো। সোমবার রাতে রপ্তানির প্রথম চালানেই জেলার দেবহাটা উপজেলার ছয়জন চাষী ও সদর উপজেলার তিনজন চাষীর বাগানের হিমসাগর আম পাঠানো হলো ...
ফলের রাজা আম। আর আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ। দেশের সর্ববৃহত্তর অর্থনৈতিক ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যলয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। এ জেলার প্রধান অর্থকরী ফসল আম। বর্তমানে জেলা সবখানে চলছে বাগান পরিচর্যা ও বেচা-কেনা। বর্তমানে জেলার ২৪ হাজার ৪৭০ হেক্টর আম বাগানে ৯০ ভাগ মুকুল এসেছে। ...
চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমবাগানগুলোতে আমের ‘মাছিপোকা’ দমনে কীটনাশক ব্যবহার না করে সেক্স ফেরোমেন ফাঁদ ব্যবহার শুরু হয়েছে। পরিবেশবান্ধব এই ফাঁদকে কোথাও কোথাও ‘জাদুর ফাঁদ’ও বলা হয়ে থাকে। দু-তিন দিকে কাটা-ফাঁকা স্থান দিয়ে মাছিপোকা ঢুকতে পারে, এমন একটি প্লাস্টিকের কনটেইনার বা বোতলের ...
আম রফতানির মাধ্যমে চাষিদের মুনাফা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। এজন্য দেশে বাণিজ্যিকভাবে আমের উৎপাদন, কেমিক্যালমুক্ত পরিচর্যা এবং রফতানি বাড়াতে সরকার বিশেষ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। সে লক্ষ্যে গাছে মুকুল আসা থেকে শুরু করে ফল পরিপক্বতা অর্জন, আহরণ, গুদামজাত, পরিবহন এবং ...
ফলের রাজা আম এ কথাটি যথাযথই বাস্তব। ফলের মধ্যে এক আমেরই আছে বাহারি জাত ও বিভিন্ন স্বাদ। মুখরোচক ফলের মধ্যে অামের তুলনা নেই। মৌসুমি ফল হলেও, এর স্থায়িত্ব বছরের প্রায় তিন থেকে চারমাস। এছাড়া ফ্রিজিং করে রাখাও যায়। স্বাদ নষ্ট হয় না। আমের ফলন ভালো হয় রাজশাহী অঞ্চলে। ...
দেশের বাজারে নতুন হ্যান্ডসেট নিয়ে আসলো ম্যাংগো। এটি দেশীয় প্রতিষ্ঠান। ম্যাংগো ১১ টি মডেলের হ্যান্ডসেট নিয়ে এসেছে। এগুলোর মধ্যে ৫টি স্মার্টফোন এবং ৬ টি ফিচার ফোন। এর একটি মডেলের নাম ফজলি। এটি ফিচার ফোন। আজ রাজধানীর একটি হোটেলে ম্যাংগো অনুষ্ঠানিকভাবে ফোনগুলো অবমুক্ত করে। ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২