Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

বাগানেই আমে কার্বাইড

রাজশাহীতে নিষিদ্ধ ক্যালসিয়াম কার্বাইড দিয়ে পাকানো আম বাজারে পাওয়া যাচ্ছে৷ ব্যবসায়ীরা কাঁচা আমে কার্বাইড দিয়ে ঝুড়িতে ভরে পাঠিয়ে দিচ্ছেন রাজশাহীর বাইরেও। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমে কার্বাইড ব্যবহারকারী এবং ফলটির ভোক্তা—উভয়েই ক্যানসার আক্রান্ত হওয়ার ঝঁুকিতে পরতে পারেন।
নগরের তালাইমারীর বাসিন্দা আক্তারুজ্জামান বলেন, গত শুক্রবার তিনি ৬০ টাকায় এক কেজি গোপালভোগ আম কেনেন৷ বাড়িতে গিয়ে কেটে মুখে দিয়ে দেখেন, আমের স্বাদ টক ও তেতো।
সরেজিমনে দেখার জন্য এই প্রতিবেদক এবং প্রথম আলোর রাজশাহীর আলোকচিত্রী একজন ব্যবসায়ীর পিছু নেন। গত বৃহস্পতিবার রাতেই তাঁর সঙ্গে কথা হয়। প্লাস্টিকের ঝুড়িতে কাগজ বিছিয়ে আম ভরা হচ্ছে৷ এক ঝুড়িতে ২০ কেজি আম ধরেতিনি সবকিছু দেখানোর জন্য রাজি হন। পরদিন শুক্রবার সকালে তাঁর কাছে গেলে তিনি বলেন, কার্বাইড বাংলাদেশে পাওয়া যায় না। ভারত থেকে আসে। বাঘা উপজেলার মীরগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে তাঁর কার্বাইড আসছে। কার্বাইড এলে তিনি বাগানে যাবেন। এরপর বেলা ১১টা থেকে চার ঘণ্টা
অপেক্ষা করতে হলো। বেলা তিনটার দিকে একটি রিকশায় কার্বাইডের একটি থলে এল। সেই থলে নিয়ে দোকানের এক কর্মচারী পিকআপে করে রওনা দিলেন। ব্যবসায়ী এই প্রতিবেদক ও আলোকচিত্রীকে সঙ্গে নিয়ে প্রথমে পুঠিয়ার বানেশ্বরে যেতে চেয়েছিলেন। হঠাৎ তিনি বললেন, সেখানে নয়, পবা উপজেলার বিল ধরমপুর গ্রামের এক বাগানে যাবেন। সেই বাগানের মালিকের নাম রাজীব। তিনি বাগান বিক্রি করে দিয়েছেন। তার পরও আম পাড়ার সময় দেখতে এসেছেন। বাগানে কিছু গোপালভোগ ও গুটি আমের গাছ রয়েছে। শুরু হলো আম পাড়া। সেগুলো বাগানের মাঝখানে একটি জায়গায় স্তূপ করা হচ্ছে। সেখানে প্লাস্টিকের ঝুড়িতে আম ভরার সময় কর্মচারীটি ট্রাকে গিয়ে থলে থেকে কিছু কার্বাইড নিয়ে এলেন। ২০ কেজি আমের মধ্যে কার্বাইডের তিনটি পুরিয়া রাখলেই ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পেকে যায়এবার আমের স্তূপের পাশে বসে খবরের কাগজ ছিঁড়ে কার্বাইডের ছোট ছোট পুরিয়া বানানো হলো। ২০ কেজি আমের একটি ঝুড়িতে তিনটি করে পুরিয়া দেওয়া হচ্ছে। তাঁরা বলেন, এই তিনটি পুরিয়ার গরমে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সব কাঁচা আম পেকে যাবে।
রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবার রাজশাহীতে ১৪ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। ফলনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে দুই লাখ ১২ হাজার ৭৬৭ মেট্রিক টন।


ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের কীটতত্ত্ব বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সৈয়দ নূরুল আলম বলেন, ‘আমাদের দেশে ক্যালসিয়াম কার্বাইড নিষিদ্ধ৷ দেশে এর কোনো কর্তৃপক্ষ নেই। ভারত ও পাকিস্তানেও তাই।’ তিনি বলেন, ‘কার্বাইড অ্যাসিটিলিন গ্যাস তৈরি করে। এই অ্যাসিটিলিন শিখা দিয়ে ঝালাইয়ের কাজ করা হয়। এটা প্রচণ্ড তাপ উৎপন্ন করে। কার্বাইড মেশানো শেষে পিকআপে করে আম চলে যায় দেশের নানা প্রান্তেযারা আম পাকাতে কার্বাইড ব্যবহার করছে এবং যারা ভোক্তা—উভয়েই মারাত্মক ক্ষতির শিকার হবে। দীর্ঘ মেয়াদে তাদের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝঁুকি থাকবে। আর ভোক্তাদের দুই ধরনের ক্ষতি হয়ে থাকে। একদিকে তাঁরা স্বাস্থ্যঝঁুকিতে পড়েন, অন্যদিকে বেশি দামে আম কিনেও আমের পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হন৷ কারণ, পুষ্ট হওয়ার আগেই কৃত্রিম উপায়ে পাকানোর ফলে আমের পুষ্টিমান থাকে না। এ জন্য এই আমের স্বাদ তেতো৷’ এই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ, যে আম যখন পাকার মৌসুম সে আম তখনই কিনতে হবে। অসময়ে খেতে গেলেই কৃত্রিমভাবে পাকানো আম খেতে হবে।

Comment (0) Hits: 516
 

প্রশাসনের চোখের সামনে আমে কার্বাইড!

সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলায় জ্যৈষ্ঠের রসাল ফল আম পাকাতে কার্বাইড ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রশাসনের চোখের সামনেই এই রাসায়নিক ব্যবহার হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

এলাকার অনেকেই বলেছেন, তালা উপজেলায় আম উৎপাদনে বাগানমালিকরা ব্যাপক সফলতা অর্জন করতে চলেছেন। এবার আমের ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু শতাধিক ব্যবসায়ী আম পাকানোর জন্য প্রশাসনকে ‘ম্যানেজ’ করেছেন।

এলাকার কয়েকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেন, স্থানীয় এক যুবলীগ নেতাকে ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মোট ৫ লাখ টাকা দিয়ে ‘ম্যানেজ’ করে ব্যবসায়ীরা কার্বাইড প্রকাশ্যেই ব্যবহার করছেন।

উপজেলার সুজন শাহ, কলিয়া, ইসলামকাটি, খলিষখালী ও অন্যান্য এলাকা ঘুরে জানা যায়, মৌসুমের আগেই আম বাজারজাত করার জন্য ব্যবসায়ীরা তৎপর। আম পাকাতে তারা ব্যবহার করছেন কার্বাইড। কালিয়া গ্রামে ব্যবসায়ীরা কার্বাইড স্প্রে করে আম ঝুড়ি বেঁধে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠাচ্ছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমরা ব্যবসায়ীরা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে “ম্যানেজ” করার জন্য স্থানীয় একজন ব্যক্তির মাধ্যমে টাকা দিয়েছি। তাহলে আপনারা কেন এসেছেন?’

স্থানীয় ওই ব্যক্তিটির বাড়ি গিয়ে জানা যায়, কার্বাইড দেওয়া কয়েক টন আম চট্টগ্রামে পাঠানোর জন্য ট্রাকে তোলা হচ্ছে। কলিয়া ও খলিষখালী এলাকায় বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর বাড়ি গিয়ে জানা যায়, পাকানোর জন্য কার্বাইড দিয়ে রাখা হয়েছে আম।

তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘স্যানিটারি ইন্সপেক্টরকে সঙ্গে নিয়ে এ অসাধু ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

তালা উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘদিন এ উপজেলায় চাকরি করার কারণে দায়িত্ব পালনে যেন অসহায় হয়ে পড়েছি।’

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন জেড আতিক রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ একান্ত প্রয়োজন।’

এলাকার সচেতন লোকজন বলেছেন, আমের মৌসুম এসে গেছে। এখনো পর্যন্ত কোনো ভ্রাম্যমাণ আদালত তো দূরের কথা, অসাধু ব্যবসায়ীদের অপকর্ম বন্ধের জন্য কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

Comment (0) Hits: 567
 

আমে কার্বাইড, ব্যবসায়ীকে লাখ টাকা দণ্ড

নাটোরে প্রশাসনের নজরদারির পরও বাগাতিপাড়াসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে ক্ষতিকারক কার্বাইড দিয়ে আম পাকানো থামছে না। একদিকে চলছে প্রশাসনের মাইকিংসহ নানা প্রচারণা আর অন্যদিকে অধিক মুনাফার লোভে কাঁচা আমই কার্বাইড দিয়ে পাকিয়ে বাজারজাত করছে এক শ্রেণীর ব্যবসায়ী। আর অপরিপক্ক আম কার্বাইড দিয়ে পাকানোর দায়ে আরো এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
এলাকাবাসী জানায়, মঙ্গলবার সকালে আমে রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার বন্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পক্ষ থেকে পথসভা ও মাইকিং করা হয়। এছাড়া আম পাকানো বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারিও রয়েছে বলে জানা গেছে। সকালে উপজেলার বৃহত্তম আমের বাজার তমালতলায় আড়ৎ মালিকদের উপস্থিতিতে এক পথ সভার মাধ্যেমে কখন কোন আম পাড়তে হবে তা অবহিত করা হয়। এই আইন অমান্যকারী উৎপাদনকারী ও ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের কথাও জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার খোন্দকার ফরহাদ আহমদ। তিনি জানান, সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে গোপালভোগ ২০ মে, রানী পছন্দ, নাক ফজলী, ক্ষিরসাপাত, লকনা ১ জুন, তোতাপুরী ও ল্যাংড়া ১৫ জুন, আ¤্রপালি, ফজলী, মল্লিকা ২১ জুন, আশ্বিনা ২১ জুলাই থেকে সংগ্রহ করতে হবে। এ সময় উপজেলা কৃষি অফিসার বাবুলু কুমার সূত্রধর, ক্যাব’র আহবায়ক এম. আব্দুল মজিদ এছাড়াও ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেত্রীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া উপজেলায় বিভিন্ন বাজার ও এলাকাতে মাইকিং ও পথসভার মাধ্যমে সকলকে সচেতন করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলার বাগাতিপাড়া ডিগ্রী কলেজ সংলগ্ন বিহাড়কোলের রফিকুল ইসলামের লিজ দেয়া আমবাগানে বাঘা উপজেলার বাউসা গ্রামের মৃত নঈম উদ্দিনের ছেলে আম ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দিনকে লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  খোন্দকার ফরহাদ আহমদ অ-পরিপক্ক আম পেড়ে নিষিদ্ধ কেমিক্যাল মেশানোর অপরাধে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদ- প্রদান করেন। এর আগে গত ১২ মে আব্দুল মতিন ও মিঠু নামে দুই আমব্যবসায়ীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমান আদালত।

Comment (0) Hits: 528

কার্বাইড দিয়ে ফল পাকানো জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর

ফল আমাদের খাদ্য ও পুষ্টির একটি অন্যতম উৎস। কিন্তু দেশের একশ্রেণীর মধ্যসত্ত্বভোগী, মুনাফালোভী ব্যবসায়ী কৃত্রিমভাবে ফল পাকিয়ে ফলের খাদ্যমান বিনষ্ট করছে। হরহামেশা ক্যালসিয়াম কার্বাইডসহ বিভিন্ন প্রকারের বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে আম, কলা, কাঁঠাল, আনারসসহ অন্যান্য আকর্ষণীয় ফল পাকানো হচ্ছে। এতে ক্রেতাসাধারণ ও ভোক্তা প্রতারিত হয়ে আর্থিক এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে।
 

কার্বাইড কী:
ক্যালসিয়াম কার্বাইড এক ধরণের রাসায়নিক পদার্থ। এটি এক ধরণের যৌগ যা বাতাসে বা জলীয় সংস্পর্শে এলেই উৎপন্ন করে এসিটিলিন গ্যাস। যা ফলে প্রয়োগ করলে এসিটিলিন ইথানল নামক বিষাক্ত পদার্থে রূপান্তরিত হয়।
 
কিভাবে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়:
কেমিক্যাল মিশ্রিত ফল খেলে মানুষ দীর্ঘমেয়াদি নানা রকম রোগে বিশেষ করে  বদহজম, পেটেরপীড়া, পাতলা পায়খানা, জন্ডিস, গ্যাস্ট্রিক, শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমা, লিভার ও কিডনি নষ্ট হওয়াসহ ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের সৃষ্টি হয়। এছাড়া মহিলারা এর প্রভাবে বিকলাঙ্গ শিশুর জন্ম দিতে পারে। শিশুরা বিষাক্ত পদার্থের বিষক্রিয়ার ফলে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
 
ফলের স্বাদ কেমন হয়:
কার্বাইড বিক্রিয়ায় ফলকে কাঁচা থেকে পাকা অবস্থায় নিয়ে আসে। ফলটি কাঁচা, কিংবা আধাপাকা অবস্থায় থাকুক না কেন কিছু কিছু ফলের বাইরে এবং ভেতরে কেমিক্যালের প্রভাব এতটাই ঘটে যে, ভেতরে বাইরে ফলটির রঙে ও স্বাদে স্বাভাবিকভাবে পাকা ফলের মতো হয়ে যায়। কোনো কোনো ফলের বেলায় কেবল তার বাহ্যিক বর্ণ আকর্ষণীয় হয়ে পড়ে। স্বাভাবিক পাকা ফলের মতো দৃষ্টি নন্দন টকটকে লাল, হলুদ, গোলাপি বর্ণ দেখে মানুষ আগ্রহ করে এসব কৃত্রিমভাবে পাকানো ফল পছন্দ করে কিনে নিয়ে যায়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো তিনি হয়তো জানেন না যে, তিনি টাকা দিয়ে বিষ কিনলেন।  এতে একদিকে যেমন ফলের পুষ্টি গুণাগুণ নষ্ট হয় অপরদিকে ফল খেতে বিস্বাদ, পানসা, শক্ত ও তেতো স্বাদযুক্ত মনে হয়।
 
কৃত্রিমভাবে পাকানো ফল চেনার উপায়:
টমেটো, আম, পেঁপে ইত্যাদি ফলকে কৃত্রিমভাবে পাকানো হলে ফলত্বক সুষম রঙ (uniform) ধারণ করে। কলার ক্ষেত্রে ফলত্বক হলুদ বর্ণের থাকলেও কান্ডের অংশ গাঢ় সবুজ রঙের থাকে।
 
আমাদের প্রত্যাশা/মতামত:
ভোক্তা অধিকার রক্ষায় ভোক্তা আইন আরও কঠিনভাবে প্রয়োগের নিমিত্তে বিভিন্ন সংবাদপত্র, রেডিও, টিভিতে ব্যাপক প্রচার করে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর অংশগ্রহণের মাধ্যমে ফল, শাকসবজি ও খাদ্যদ্রব্যে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ প্রয়োগ রোধের ব্যবস্থা নিতে হবে। সার্বিকভাবে ভোক্তা, ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সচেতনতার মাধ্যমেই আমরা ভেজালমুক্ত ফলমূল খেতে পারবো এবং পুষ্টির চাহিদা পূরণ হবে।
Comment (0) Hits: 704
মালদার আমের কদর দেশজোড়া। কিন্তু বিশ্ববাজারে? সেদিকে নজর রেখেই এবার দিল্লির আম উত্সবে যাচ্ছে মালদা আর মুর্শিদাবাদের বাছাই করা আম। শনিবারই দিল্লি পাড়ি দিচ্ছে চব্বিশ মেট্রিক টন আম।  হিমসাগর, গোলাপখাস থেকে ফজলি। মালদার আমের সুখ্যাতি গোটা দেশে। যেমন স্বাদ, তেমনি গন্ধ। ...
রপ্তানি যোগ্য আম উৎপাদন করেও রপ্তানি করতে না পেরে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা। কৃষি অধিদপ্তরের কোয়ারেন্টাইন উইংয়ের সাথে স্থানীয় কৃষি বিভাগের সমন্বয়হীনতার কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে মে করেন বাগান মালিক ও চাষিরা। অন্যদিকে জেলার ...
দেশেই তৈরি হচ্ছে ফ্রুটব্যাগ বাড়ছে চাহিদাদেশেই তৈরি হচ্ছে ফ্রুটব্যাগ বাড়ছে চাহিদা বিষমুক্ত ও ভালো মানের আম উৎপাদনে ফ্রুটব্যাগ পদ্ধতি বেশ কার্যকর। এত দিন আমদানিনির্ভর হলেও দুই বছর ধরে এটি দেশেই তৈরি হচ্ছে। আর এ ব্যাগ তৈরি হচ্ছে আম উৎপাদনের জন্য প্রসিদ্ধ জেলা ...
আমে ফরমালিন আর কার্বাইডের ব্যবহার নিয়ে দেশে যখন ব্যাপক হইচই হচ্ছে, এর নেতিবাচক প্রচারের অনেক ভোক্তা সুস্বাদু এই মৌসুমি ফল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। ব্যবসায়ীরাও মাঠে নেমেছেন কম। আমের বাজারে চলছে ব্যাপক মন্দা। এই সময়ে শাহ কৃষি জাদুঘর এবার ফরমালিন-কার্বাইড তো দূরের কথা, কোনো ...
এখন বৈশাখ মাস গাছে গাছে ভরা আছে মধু ফল আমে। কিন্তু মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একটি আম গাছে সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটিয়ে ডালছাড়া গাছের মধ্যখানে ধরেছে কয়েকশত আম। আর ব্যতিক্রমী ভাবে ধরা এ আম দেখেতে শিশুসহ অসংখ্য লোকের ভির হচ্ছে সেখানে। এ ঘটনাটি ঘটেছে শ্রীমঙ্গল সদর ইউনিয়নের ...
ইসলামপুরের গাইবান্ধা ইউনিয়নের আগুনেরচরে একটি আম গাছের গোড়া থেকে গজিয়ে উঠেছে হাতসদৃশ মসজাতীয় উদ্ভিদ বা ছত্রাক। ওই ছত্রাককে অলৌকিক হাতের উত্থান এবং ওই হাত ভেজানো পানি খেলে যেকোন রোগ ভাল হয় বলে অপপ্রচার করছে স্থানীয় ভ- চক্র। আর ওই ভ-ামির ফাঁদে পা দিয়ে প্রতিদিন প্রতারিত হচ্ছেন ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২