Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

দেশের আমে ফরমালিন নেই, ছিলও না : ডিসিসিআই

দেশে উৎপাদিত আমে কোনো ফরমালিন নেই। অতীতেও ছিল না। ফরমালিন সম্পর্কে না জেনে ভুল তথ্যকে ভিত্তি করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এতদিন আম ধ্বংস করেছে। যার খেসারত দিতে হয়েছে ব্যবসায়ী ও নিরীহ চাষিদের বলে দাবি করেছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। গতকাল বুধবার প্রতিষ্ঠানটির মিলনায়তনে ‘নিরাপদ আম বিপণনে নীতিনির্ধারণী পরিাবেশ’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠানে এ দাবি করা হয়। অনুষ্ঠানে ইউএসএআইডি ও এগ্রিকালচার ভ্যালু চেইনের (এভিসি) যৌথ উদ্যোগে একটি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক

এম এ রহমান গবেষণাপত্রটি উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুন্সি শফিউল হক বলেন, জনগণ ফরমালিন আছে বলে দাবি করেছিল তাই আম ধ্বংস করা হয়েছিল। সরকারতো জনগণেরই। তাই জনগণের দাবি রাখতে হয়েছে। সচিবের এমন দায়িত্বহীন মন্তব্যে গণমাধ্যম কর্মীদের তোপের মুখে পড়লে কথা পাল্টে তিনি বলেন, আম পাকাতে ফরমালিন দেওয়া হয় না। তবে অনেকদিন রাখার জন্য ফরমালিন দেওয়া হলেও তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর না।

গবেষণায় দাবি করা হয়, বাংলাদেশে উৎপাদিত আমে কোনো প্রকার ফরমালিন মেশানো হয় না। আমের ভেতর প্রাকৃতিকভাবে ১.২২-৩.০৮ পিপিএম ফরমালিন থাকে। দেশের আইন প্রয়োগকারীরা সেটা না জেনে ফরমালিন আছে মনে করে হাজার হাজার টন আম নষ্ট করেছে। ফলে দেশের মানুষ এক প্রকার ভীতির মধ্যে ছিল। কৃষক থেকে ব্যবসায়ীরা আমের সাথে জড়িত সবাই লোকসান করেছে। রপ্তানিকারকরা বিদেশে আম রপ্তানি করতে পারেনি। অথচ বিষয়টি গুজব ছিল বলে প্রমাণিত হয়েছে। আর ফরমালিনের এই গুজব ছড়ানোর ব্যাপারে গণমাধ্যম কর্মীরাও ভূমিকা রেখেছিল। তারাও যাচাই না করেই গুজবে কান দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করেছে। প্রশাসনের নেওয়া ব্যবস্থা নাকি গবেষণার তথ্য কোনটি সঠিক জানতে চাইলে অতিরিক্ত সচিব গবেষণার তথ্য সঠিক বলে মত দেন। গবেষণার তথ্য সঠিক হলে হাজার কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট করার দায় কে নেবে এবং ব্যবসায়ী ও কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি প্রসঙ্গটি এড়িয়ে যান। বিপরীতে তিনি বলেন, নির্দিষ্ট সময়ে আম খেলে কেমিক্যালযুক্ত আম খাওয়ার সম্ভাবনা কমবে। তাই মে মাসের আগে আম না খাওয়ার জন্য তিনি পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে তিনি আমাদের অর্থনীতির সাথে একান্ত আলাপে বলেন, আমে ফরমালিন এখনো দেওয়া হয়। তবে তা মাত্রায় খুব সামান্য। এটা স্বাস্থ্যের কোনো ক্ষতি করে না। সংলাপের সময় কেন তিনি একথা বলেননি জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেখানে আম পাকানোর কথা বলা হয়েছিল। আম পাকাতে তো ফরমালিন দেওয়া হয় না।

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found
মালদার আমের কদর দেশজোড়া। কিন্তু বিশ্ববাজারে? সেদিকে নজর রেখেই এবার দিল্লির আম উত্সবে যাচ্ছে মালদা আর মুর্শিদাবাদের বাছাই করা আম। শনিবারই দিল্লি পাড়ি দিচ্ছে চব্বিশ মেট্রিক টন আম।  হিমসাগর, গোলাপখাস থেকে ফজলি। মালদার আমের সুখ্যাতি গোটা দেশে। যেমন স্বাদ, তেমনি গন্ধ। ...
চাঁপাইনবাবগঞ্জের রানীহাটিতে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বোমা হামলায় দু ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন-রানীহাটি ইউনিয়নের বহরম গ্রামের সোহরাব আলীর ছেলে মো. কামাল হোসেন (৩৫) ও একই এলাকার শীষ মোহাম্মদের ছেলে মো. আবু। সোমবার বেলা ১১টার দিকে ...
চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমবাগানগুলোতে আমের ‘মাছিপোকা’ দমনে কীটনাশক ব্যবহার না করে সেক্স ফেরোমেন ফাঁদ ব্যবহার শুরু হয়েছে। পরিবেশবান্ধব এই ফাঁদকে কোথাও কোথাও ‘জাদুর ফাঁদ’ও বলা হয়ে থাকে। দু-তিন দিকে কাটা-ফাঁকা স্থান দিয়ে মাছিপোকা ঢুকতে পারে, এমন একটি প্লাস্টিকের কনটেইনার বা বোতলের ...
রাজধানীর মালিবাগের আবদুস সালাম। বয়স ৭২ বছর। তার চার তলার বাড়িতে রয়েছে একটি দুর্লভ ‘ছাদবাগান’। শখের বসে এ বাগান করেছেন। বছরের সব ঋতুতেই পাওয়া যায় নানা ধরনের ফল। এখনো পাকা আম ঝুলে আছে ওই ছাদবাগানে। শুধু আম নয়, ৫ কাঠা ওই বাগানজুড়ে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ফুল, ফলসহ অন্তত ১০০ ...
এখন বৈশাখ মাস গাছে গাছে ভরা আছে মধু ফল আমে। কিন্তু মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একটি আম গাছে সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটিয়ে ডালছাড়া গাছের মধ্যখানে ধরেছে কয়েকশত আম। আর ব্যতিক্রমী ভাবে ধরা এ আম দেখেতে শিশুসহ অসংখ্য লোকের ভির হচ্ছে সেখানে। এ ঘটনাটি ঘটেছে শ্রীমঙ্গল সদর ইউনিয়নের ...
ইসলামপুরের গাইবান্ধা ইউনিয়নের আগুনেরচরে একটি আম গাছের গোড়া থেকে গজিয়ে উঠেছে হাতসদৃশ মসজাতীয় উদ্ভিদ বা ছত্রাক। ওই ছত্রাককে অলৌকিক হাতের উত্থান এবং ওই হাত ভেজানো পানি খেলে যেকোন রোগ ভাল হয় বলে অপপ্রচার করছে স্থানীয় ভ- চক্র। আর ওই ভ-ামির ফাঁদে পা দিয়ে প্রতিদিন প্রতারিত হচ্ছেন ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২