Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

রাজধানীর ৯৪ শতাংশ আমে ফরমালিন

নাগরিক সংগঠন পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) পরীক্ষা করে দেখেছে, ঢাকার বাজারের ৯৪ শতাংশ আমে ফরমালিন রয়েছে। আর শতভাগ লিচু ও জামে ব্যবহূত হচ্ছে এই রাসায়নিক।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার থেকে সপ্তাহব্যাপী ফল কিনে ফরমালিন পরীক্ষা করেছে পবা। ওই পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে তৈরি প্রতিবেদন গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সাংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ করা হয়। সাংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মৌসুমি ফলে ফরমালিনের ব্যবহার পরিস্থিতি জানার জন্য ১ থেকে ১০ জুন পর্যন্ত আম, লিচু ও জামে ফরমালিনের উপস্থিতি পরীক্ষা করা হয়। রাজধানীর ২৬টি এলাকা থেকে আমের ৯৬টি, লিচুর ছয়টি ও জামের তিনটি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ফল কেনার পর পবা কার্যালয়ে এবং কিছু দোকানে তাৎক্ষণিকভাবে ফরমালিন মাপার যন্ত্র দিয়ে তা পরীক্ষা করা হয়।

পরীক্ষায় দেখা যায় হিমসাগর, ল্যাংড়া, আম্রপলি, চোষা, গোপালভোগ, লক্ষণভোগ, রানীভোগ আমের ৯৬টি নুমনার মধ্যে ৯০টিতে ফরমালিন পাওয়া যায়। তবে সব আমে ফরমালিনের পরিমাণ সমান নয়। আমের ছয়টি নমুনায় ফরমালিন পাওয়া যায়নি। লিচু ও জামের সব নমুনায় ফরমালিন পাওয়া গেছে। এ ক্ষেত্রেও ফরমালিনের পরিমাণে তারতম্য আছে।

পবা বলছে, মালটা, আপেল, আঙুর, কমলায়ও ফরমালিন দেওয়া হয়। সবজিতেও ফরমালিন দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে টমেটোতে সবচেয়ে বেশি।

পবা বলছে, বাজারে মৌসুমি ফলের সরবরাহ বেশ। তবে এগুলো রাসায়নিক তথা ফরমালিনমুক্ত কি না, তা ক্রেতারা নিশ্চিত হতে পারছেন না। ফল পাকাতে ও সংরক্ষণ করতে ব্যবসায়ীরা ফলে ব্যবহার করছেন বিষাক্ত রাসায়নিক। এই রাসায়নিকযুক্ত ফল ও সবজি খাওয়ার কারণে নানা রোগব্যাধি বাড়ছে আশঙ্কাজনকভাবে।

প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন পবার সম্পাদক মো. আবদুস সোবহান। এ সময় বক্তব্য দেন পবার সাধারণ সম্পাদক কামাল পাশা চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

পবা বলছে, ফরমালিনের দাম বাড়ার কারণে বৈধ পথে এর আমদানি কমছে। তবে অবৈধ পথে প্রচুর পরিমাণে ফরমালিন দেশে আসছে। আমদানি করা পণ্যে ফরমালিনের উপস্থিতি তদারক করা হচ্ছে না।

করণীয়: পবা বলছে, খাদ্যদ্রব্যে ফরমালিন মেশানোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও ফরমালিনযুক্ত খাদ্য বিক্রয়কারীকে ভ্রাম্যমাণ আদালত দণ্ড দেন। তবে এটাই যথেষ্ট নয়। এদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪-এর ২৫-গ ধারা প্রয়োগ করা যেতে পারে। এই ধারায় খাদ্যে ভেজাল দেওয়ার জন্য কিংবা মেয়াদোত্তীর্ণ বা ভেজাল খাবার বিক্রয়ের জন্য মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। বাজারের ওপর নজরদারি দৃঢ় করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর সুপারিশও করেছে পবা।

Comment (0) Hits: 598
 

আমে ফরমালিন রোধে কঠোর নীতিমালা দাবি

আমে ফরমালিনসহ ক্ষতিকারক অন্যান্য কেমিক্যাল ব্যবহার রোধে কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন ও প্রয়োগ এবং এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। গতকাল রবিবার ডিসিসিআই এবং ইউএসএআইডি অ্যাগ্রিকালচার ভ্যালু চেইন প্রজেক্ট (ডিএআই) যৌথভাবে আয়োজিত ‘রাসায়নিকমুক্ত আমের উৎপাদন ও বাজার সম্প্রসারণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ দাবি জানানো হয়। ডিসিসিআই অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় ডিসিসিআই সভাপতি আবুল কাসেম খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ডিসিসিআই সভাপতি আবুল কাসেম খান বলেন, আমে ফরমালিনসহ ক্ষতিকারক অন্যান্য কেমিক্যাল ব্যবহার রোধে কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন ও প্রয়োগ এবং এ বিষয়ে জনগণের সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি আম উৎপাদন ও সংরক্ষণ প্রক্রিয়া আধুনিকায়নের লক্ষ্যে সরকারের পাশাপাশি দেশের কৃষি বিশেষজ্ঞ, গবেষক এবং ব্যবসায়ী সমাজকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভায় ডিসিসিআইয়ের সাবেক সহসভাপতি মো. শোয়েব চৌধুরী বলেন, আম উৎপাদন ও পাকানোর ক্ষেত্রে ক্ষতিকারক কেমিক্যাল ব্যবহারের ক্ষেত্রে আম চাষি, ব্যবসায়ী ও ভোক্তা শ্রেণি সবাই এখন অনেক সচেতন। তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আম পাকানোর জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে চেম্বার রয়েছে, যেটি আমাদের দেশে এখনো গড়ে ওঠেনি। ’ তিনি আম পাকানোর প্রক্রিয়া উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশের বেসরকারি খাতকে সহযোগিতা প্রদানের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।    

আলোচনা সভায় কনসিগলিয়ারি প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক শিবাজী রায় আম চাষি এবং এ খাতের স্টেকহোল্ডারদের ওপর পরিচালিত গবেষণার সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, সারা দেশের ১২ জন আম চাষি এবং এ খাতের ১৫০ জন স্টেকহোল্ডারের ওপর এ গবেষণা পরিচালনা করা হয়। তিনি বলেন, আম পাকানোর ক্ষেত্রে ৭৫০ পিপিএম বা এর কম মাত্রায় ইথিফম ব্যবহার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক হবে না।

তিনি আরো বলেন, ক্ষতিকারক কেমিক্যাল ব্যবহারের কারণে ২০১৬ সালে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ৫১০ মণ আম নষ্ট করেছে। তিনি বলেন, রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদনের ক্ষেত্রে চাষিদের সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ প্রদান এবং নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তিনি আম প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য এ খাতের উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের আহ্বান জানান।  

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আনোয়ার হোসেন খান জানান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আম চাষি, ব্যবসায়ী এবং রপ্তানিকারকদের জন্য একটি অ্যাকশন প্ল্যান প্রস্তুত করেছে। তিনি বলেন, আম পাকানোর ক্ষেত্রে ৭৫০ পিপিএম মাত্রায় ইথিফম ব্যবহার করলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক হয় না।

ডিসিসিআই আহ্বায়ক মমিন উদ দৌলার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মুক্ত আলোচনায় ফ্রেশ ফ্রুটস ইম্পোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাধন চন্দ্র দাস, গ্রামীণফোন লিমিটেডের বিজনেস রিলেশন বিভাগের প্রধান আজিজুল আবেদীন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এ এইচ এম আহসান এবং বাংলাদেশ জুট গুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইমরানুল হক পাটোয়ারী অংশগ্রহণ করেন। আলোচকরা আম রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন নতুন বাজার সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ডিসিসিআই সহসভাপতি হোসেন এ সিকদার, সমন্বয়কারী পরিচালক ইমরান আহমেদ, মহাসচিব এ এইচ এম রেজাউল কবিরসহ এ খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

Comment (0) Hits: 556
 

বাজারে ফরমালিন আমের ছড়াছড়ি, খেলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে

সবে মাত্র গাছে আম ধরেছে। অথচ এরই মধ্যে বাজারে আসতে শুরু করেছে পাকা আম। রাজধানীর প্রতিটি ফলের দোকানেই দেখা যাচ্ছে এই আম। প্রতি কেজি আমের দাম ২০০ থেকে ২৫০ টাকা। এই আম খেলে ক্যানসার, কিডনি ও লিভার সমস্যায় মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।

সময়ের আগে বাজারে আসা এসব আম ফরমালিন দিয়ে পাকানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারি অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বকুল নিউজনেক্সটবিডি ডটকমকে বলেন, ‘আম পাকতে কমপক্ষে আরও ১ মাস লাগবে। কিন্তু এখনই বাজারে পাকা আম পাওয়া যাচ্ছে। এসব আম ফরমালিন দেয়া। যা খেলে মানব দেহে অভাবনীয় ক্ষতি হবে।’

এসব আমে ফরমালিন দেয়ার কথা অস্বীকার করছেন বিক্রেতারা। মিরপুর ১০ নম্বরের এক আম বিক্রেতা নিউজনেক্সটবিডি ডটকমকে বলেন, ‘এসব আমে ফরমালিন নেই। একদম ফ্রেশ আম এগুলো।’

এতো আগে কিভাবে আম বাজারে এলো এমন প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারেনি কোনো বিক্রেতাই। আর বাজারে নতুন আম পাওয়া যাচ্ছে বলে ক্রেতারা ফরমালিন এর কথা জেনেই এসব আম কিনছেন। এক ক্রেতা নিউজনেক্সটবিডি ডটকমকে বলেন, ‘জানি এখনকার আমে ফরমালিন থাকতে পারে। কিন্তু কি করবো বলুন, বাজারে এসেছে তাই কিনছি।’

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারি অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বকুল বলেন, ‘যখন আপনি আম অথবা এ ধরনের গ্রীষ্মকালীন ফলের বোঁটা শুষ্ক দেখবেন, নিশ্চিত হবেন এতে রাসায়নিক মেশানো হয়েছে। মারাত্মক ক্ষতিকর ক্যালসিয়াম কার্বাইডের পাশাপাশি ইথাফোন গ্রীষ্মকালীন ফলে ব্যবহার করা হয়ে থাকে ফল রাতারাতি পাকানো ও আকর্ষণীয় রঙের জন্য এবং ফরমালিন ব্যবহার করা হয় ফল সংরক্ষণের জন্য। আমে মিশ্রিত কার্বাইডের মতো রাসায়নিক মানব স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এবং এতে মৃত্যু ঝুঁকি রয়েছে। এই রাসায়নিক শরীরে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে।

মাত্র ১০০ গ্রাম ক্যালসিয়াম কার্বাইড প্রায় ১০০ কেজি আম পাকাতে পারে। এই রাসায়নিক ক্যানসার, কিডনি ও লিভার সমস্যায় মানুষের মৃত্যু ঘটাতে পারে।’

এ বিষয়ে নাগরিক সংগঠন পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন পবার নির্বাহী সদস্য প্রকৌশলী তোফায়েল আহমেদ নিউজনেক্সটবিডি ডটকমকে বলেন, ‘খাদ্যদ্রব্যে ফরমালিন মেশানোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও ফরমালিনযুক্ত খাদ্য বিক্রয়কারীকে ভ্রাম্যমাণ আদালত দণ্ড দেন। তবে এটাই যথেষ্ট নয়। এদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪-এর ২৫-গ ধারা প্রয়োগ করা যেতে পারে। এই ধারায় খাদ্যে ভেজাল দেওয়ার জন্য কিংবা মেয়াদোত্তীর্ণ বা ভেজাল খাবার বিক্রয়ের জন্য মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। বাজারের ওপর নজরদারি দৃঢ় করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর দরকার।’

Comment (0) Hits: 1531

দেশের আমে ফরমালিন নেই, ছিলও না : ডিসিসিআই

দেশে উৎপাদিত আমে কোনো ফরমালিন নেই। অতীতেও ছিল না। ফরমালিন সম্পর্কে না জেনে ভুল তথ্যকে ভিত্তি করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এতদিন আম ধ্বংস করেছে। যার খেসারত দিতে হয়েছে ব্যবসায়ী ও নিরীহ চাষিদের বলে দাবি করেছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। গতকাল বুধবার প্রতিষ্ঠানটির মিলনায়তনে ‘নিরাপদ আম বিপণনে নীতিনির্ধারণী পরিাবেশ’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠানে এ দাবি করা হয়। অনুষ্ঠানে ইউএসএআইডি ও এগ্রিকালচার ভ্যালু চেইনের (এভিসি) যৌথ উদ্যোগে একটি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক

এম এ রহমান গবেষণাপত্রটি উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুন্সি শফিউল হক বলেন, জনগণ ফরমালিন আছে বলে দাবি করেছিল তাই আম ধ্বংস করা হয়েছিল। সরকারতো জনগণেরই। তাই জনগণের দাবি রাখতে হয়েছে। সচিবের এমন দায়িত্বহীন মন্তব্যে গণমাধ্যম কর্মীদের তোপের মুখে পড়লে কথা পাল্টে তিনি বলেন, আম পাকাতে ফরমালিন দেওয়া হয় না। তবে অনেকদিন রাখার জন্য ফরমালিন দেওয়া হলেও তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর না।

গবেষণায় দাবি করা হয়, বাংলাদেশে উৎপাদিত আমে কোনো প্রকার ফরমালিন মেশানো হয় না। আমের ভেতর প্রাকৃতিকভাবে ১.২২-৩.০৮ পিপিএম ফরমালিন থাকে। দেশের আইন প্রয়োগকারীরা সেটা না জেনে ফরমালিন আছে মনে করে হাজার হাজার টন আম নষ্ট করেছে। ফলে দেশের মানুষ এক প্রকার ভীতির মধ্যে ছিল। কৃষক থেকে ব্যবসায়ীরা আমের সাথে জড়িত সবাই লোকসান করেছে। রপ্তানিকারকরা বিদেশে আম রপ্তানি করতে পারেনি। অথচ বিষয়টি গুজব ছিল বলে প্রমাণিত হয়েছে। আর ফরমালিনের এই গুজব ছড়ানোর ব্যাপারে গণমাধ্যম কর্মীরাও ভূমিকা রেখেছিল। তারাও যাচাই না করেই গুজবে কান দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করেছে। প্রশাসনের নেওয়া ব্যবস্থা নাকি গবেষণার তথ্য কোনটি সঠিক জানতে চাইলে অতিরিক্ত সচিব গবেষণার তথ্য সঠিক বলে মত দেন। গবেষণার তথ্য সঠিক হলে হাজার কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট করার দায় কে নেবে এবং ব্যবসায়ী ও কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি প্রসঙ্গটি এড়িয়ে যান। বিপরীতে তিনি বলেন, নির্দিষ্ট সময়ে আম খেলে কেমিক্যালযুক্ত আম খাওয়ার সম্ভাবনা কমবে। তাই মে মাসের আগে আম না খাওয়ার জন্য তিনি পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে তিনি আমাদের অর্থনীতির সাথে একান্ত আলাপে বলেন, আমে ফরমালিন এখনো দেওয়া হয়। তবে তা মাত্রায় খুব সামান্য। এটা স্বাস্থ্যের কোনো ক্ষতি করে না। সংলাপের সময় কেন তিনি একথা বলেননি জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেখানে আম পাকানোর কথা বলা হয়েছিল। আম পাকাতে তো ফরমালিন দেওয়া হয় না।

Comment (0) Hits: 548
জৈষ্ঠ্য মাসের প্রথম সপ্তাহে জেলার হিমসাগর আম গেল ইউরোপে। আর এর মধ্য দিয়েই আম রপ্তানিতে কৃষি বিভাগের প্রচেষ্টা তৃতীয়বারের মতো সাফল্যের মুখ দেখলো। সোমবার রাতে রপ্তানির প্রথম চালানেই জেলার দেবহাটা উপজেলার ছয়জন চাষী ও সদর উপজেলার তিনজন চাষীর বাগানের হিমসাগর আম পাঠানো হলো ...
চাঁপাইনবাবগঞ্জের রানীহাটিতে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বোমা হামলায় দু ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন-রানীহাটি ইউনিয়নের বহরম গ্রামের সোহরাব আলীর ছেলে মো. কামাল হোসেন (৩৫) ও একই এলাকার শীষ মোহাম্মদের ছেলে মো. আবু। সোমবার বেলা ১১টার দিকে ...
আমাদের দেশে উৎপাদিত মোট আমের ২০ থেকে ৩০ শতাংশ সংগ্রহোত্তর পর্যায়ে নষ্ট হয়। প্রধানত বোঁটা পচা ও অ্যানথ্রাকনোজ রোগের কারণে আম নষ্ট হয়। আম সংগ্রহকালীন ভাঙা বা কাটা বোঁটা থেকে কষ বেরিয়ে ফলত্বকে দৃষ্টিকটু দাগ পড়ে । ফলত্বকে নানা রকম রোগজীবাণুও লেগে থাকতে পারে এবং লেগে থাকা কষ ...
রাজধানীর মালিবাগের আবদুস সালাম। বয়স ৭২ বছর। তার চার তলার বাড়িতে রয়েছে একটি দুর্লভ ‘ছাদবাগান’। শখের বসে এ বাগান করেছেন। বছরের সব ঋতুতেই পাওয়া যায় নানা ধরনের ফল। এখনো পাকা আম ঝুলে আছে ওই ছাদবাগানে। শুধু আম নয়, ৫ কাঠা ওই বাগানজুড়ে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ফুল, ফলসহ অন্তত ১০০ ...
গাছ ফল দেবে, ছায়া দেবে; আরও দেবে নির্মল বাতাস। আশ্রয় নেবে পাখপাখালি, কাঠ বেড়ালি, হরেক রকম গিরগিটি। গাছ থেকে উপকার পাবে মানুষ, পশুপাখি, কীটপতঙ্গ– সবাই। আর এতেই আমি খুশি। ঐতিহাসিক মুজিবনগর আম্রকাননে ছোট ছোট আমগাছের গোড়া পরিচর্যা করার সময় এ কথাগুলো বলেন বৃক্ষ প্রেমিক জহির ...
অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড কাউন্টির ছোট্ট শহর বাউয়েন। ছোট এ শহরের বড় গর্ব একটা আম। আমটি নিয়ে বাউয়েন শহরের মানুষেরও গর্বের শেষ নেই। লোকে তাদের শহরকে চেনে আমের রাজধানী হিসেবে। ৩৩ ফুট লম্বা, সাত টন ওজনের বিশাল এই আমের পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার লোকের অভাব হয় না। তবে দিনকয়েক আগে ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২