Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

মাগুরায় বারোমাসি আম

মাগুরার হর্টিকালচার সেন্টারের বাগানে চাষ হচ্ছে বিশেষ জাতের বারোমাসি আম। ভিয়েতনাম থেকে এই জাতের আমের চারা এনেছে কৃষি বিভাগ। যা পরীক্ষামূলকভাবে মাগুরা হর্টিকালচার সেন্টারের বাগানে দু’বছর আগে এই চারা লাগানো হয়। এ বছর প্রতিটি গাছেই এই আমের ফলন এসেছে।
মাগুরা হর্টিকালচার সেন্টারের উদ্যানতত্ত্ব্ববিদ আমিনুল ইসলাম জানান, এই জাতের আম গাছে সারা বছরই কোনো না কোনো ডালে মুকুল থাকে। ফলে একটি ডালের আম পরিপক্ক হতে না হতেই অন্য ডালে মুকুল এসে যায়। সে কারণে সারা বছরই গাছে আম থাকে। মাগুরা হর্টিকালচার সেন্টারের বাগান ঘুরে দেখা গেছে, বাগানের প্রত্যেক গাছেই ধরে আছে আম। পাশাপাশি কয়েকটি ডালে নতুন পাতা ও কুঁড়ি এসেছে। পরিপক্ক আমগুলোর প্রতিটির ওজন ৪০০ থেকে ৫০০ গ্রাম  
। আমগুলো খেতে অনেক সুমিষ্ট। গাছের উচ্চতা সর্বোচ্চ ৪ থেকে ৫ ফিট।
আমিনুল ইসলাম মনে করেন, এই জাতের আম আমাদের দেশের আবহাওয়ায় অত্যন্ত উপযোগী। এ কারণে এটির সম্প্রসারণ করা গেলে দেশীয় চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব হবে। মাগুরা হর্টিকালচার সেন্টারের গাছ থেকে এ বছরই কলম পদ্ধতিতে এই জাতের চারা করে জেলায় ছড়িয়ে দেয়া হবে।
ইতিমধ্যে জেলার নার্সারি মালিকরা মাগুরা হর্টিকালচার সেন্টারের  বাগান থেকে এ আমের চারা সংগ্রহ করেছেন। নার্সারি মালিকরা জানান, বারো মাসই ফল ধরছে এমন চারাই আমাদের দরকার । এটির ফলন ভালো বিধায় আমরা কলম পদ্ধতিতে চারা বানিয়ে বিক্রি করছি। মাগুরা জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ চারা সংগ্রহ করতে আসছে। তাছাড়া প্রতিটি আমের ওজন ৫০০ গ্রাম হওয়ায় এটির চাহিদা রয়েছে ব্যাপক ।
মাগুরা সদরের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের কৃষক নাজিমউদ্দিন জানান, গত বছর আমি একটি নার্সারি থেকে সংগ্রহ করে আমার ফলজ বাগানে রোপণ করি। পরের বছর গাছটিতে আম ধরে। আমটি দেখতে ভালো ও স্বাদও খুব মিষ্টি। আমের আঁশ না থাকায় খেতেও ভালো। বর্তমানে আমাদের গ্রামের অনেক কৃষক ইতিমধ্যে বারোমাসী এ আমের চারা সংগ্রহ করে বাড়ির আঙ্গিনায় রোপণ করেছেন।

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found
জৈষ্ঠ্য মাসের প্রথম সপ্তাহে জেলার হিমসাগর আম গেল ইউরোপে। আর এর মধ্য দিয়েই আম রপ্তানিতে কৃষি বিভাগের প্রচেষ্টা তৃতীয়বারের মতো সাফল্যের মুখ দেখলো। সোমবার রাতে রপ্তানির প্রথম চালানেই জেলার দেবহাটা উপজেলার ছয়জন চাষী ও সদর উপজেলার তিনজন চাষীর বাগানের হিমসাগর আম পাঠানো হলো ...
ফলের রাজা আম। আর আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ। দেশের সর্ববৃহত্তর অর্থনৈতিক ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যলয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। এ জেলার প্রধান অর্থকরী ফসল আম। বর্তমানে জেলা সবখানে চলছে বাগান পরিচর্যা ও বেচা-কেনা। বর্তমানে জেলার ২৪ হাজার ৪৭০ হেক্টর আম বাগানে ৯০ ভাগ মুকুল এসেছে। ...
আমাদের দেশে উৎপাদিত মোট আমের ২০ থেকে ৩০ শতাংশ সংগ্রহোত্তর পর্যায়ে নষ্ট হয়। প্রধানত বোঁটা পচা ও অ্যানথ্রাকনোজ রোগের কারণে আম নষ্ট হয়। আম সংগ্রহকালীন ভাঙা বা কাটা বোঁটা থেকে কষ বেরিয়ে ফলত্বকে দৃষ্টিকটু দাগ পড়ে । ফলত্বকে নানা রকম রোগজীবাণুও লেগে থাকতে পারে এবং লেগে থাকা কষ ...
সারা দেশে যখন ‘ফরমালিন’ বিষযুক্ত আমসহ সব ধরনের ফল নিয়ে মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে, তখন বরগুনা জেলার অনেক সচেতন মানুষ বিষমুক্ত ফল খাওয়ার আশায় ভিড় জমাচ্ছেন মজিদ বিশ্বাসের আমের বাগানে। জেলার আমতলী উপজেলার আঠারগাছিয়া ইউনিয়নে শাখারিয়া-গোলবুনিয়া গ্রামে মজিদ বিশ্বাসের ২ একরের ...
গাছ ফল দেবে, ছায়া দেবে; আরও দেবে নির্মল বাতাস। আশ্রয় নেবে পাখপাখালি, কাঠ বেড়ালি, হরেক রকম গিরগিটি। গাছ থেকে উপকার পাবে মানুষ, পশুপাখি, কীটপতঙ্গ– সবাই। আর এতেই আমি খুশি। ঐতিহাসিক মুজিবনগর আম্রকাননে ছোট ছোট আমগাছের গোড়া পরিচর্যা করার সময় এ কথাগুলো বলেন বৃক্ষ প্রেমিক জহির ...
আম গাছ কে দেশের জাতীয় গাছ হিসেবে ঘোষনা দাওয়া হয়েছে। আর এরই প্রতিবাদে কিছুদিন আগে এক সম্মেলন হয়ে গেলো যেখানে বলা হয়েছে :-"৮৫% মমিন মুসলমানের দেশ বাংলাদেশ। ঈমান আকিদায় দুইন্নার কুন দেশেরথে পিছায় আছি?? আপনেরাই বলেন। অথচ জালিম সরকার ভারতের লগে ষড়যন্ত কইরা আমাগো ঈমানের লুঙ্গি ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২