Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

নিষেধাজ্ঞা শেষ, এখন সময় আম খাওয়ার

আম ছাড়া মধুমাস যেন চিনি ছাড়া মিষ্টি। বছর ঘুরে এই আমের জন্য অপেক্ষায় থাকে সবাই। রসালো এ ফলের জন্য অবশ্য অপেক্ষার পালা এবার শেষ হয়েছে। রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে বুধবার থেকে শুরু হয়েছে আম পাড়া। এর আগে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার কারণে আমের রাজধানীতে এতদিন আম পাড়া বন্ধ ছিল। তাইতো নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পরে প্রথম ধাপে গোপালভোগ ও গুটি জাতের আম পাড়তে শুরু করেছেন বাগান মালিকরা। আম চাষিরা জানান, গাছেই আম পাকতে শুরু করেছে। নিষেধাজ্ঞার কারণে তারা এতদিন আম পাড়তে পারেননি। বিশেষ করে গোপালভোগ ও গুটি আমের অবস্থা খারাপ। তারা জানান, অন্তত পাঁচ দিন আগেই এ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হতো প্রশাসনকে। আম দ্রুত বাজারজাত করতে অনেক বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে তাদের। আমের দাম পাওয়া নিয়েও শঙ্কা দেখা দিয়েছে। রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আম চাষি নূরুজ্জামান জানান, এক সপ্তাহ আগে গাছ থেকে আম পাড়তে নিষেধ করেছিল স্থানীয় প্রশাসন। এ কারণে তারা আম পাড়তে পারেনি। নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় বুধবারই ট্রাকে করে আমের চালান পাঠানো হয়েছে ঢাকাতে। একই উপজেলার মিলিকবাঘা এলাকার আম চাষি জসিম জানান, এবার প্রচ- গরমের পরপরই বৃষ্টি হওয়ায় কিছুটা আগেভাগে পেকেছে গোপালভোগ আর গুটি জাতের আম। কিন্তু প্রশাসনের বাধা-নিষেধ থাকায় কোনো কিছু করার উপায় ছিল না তাদের। চাঁপাইনবাবগঞ্জ আম গবেষণা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় ২৫ হাজার হেক্টর বাগান থেকে আম সংগ্রহ করা হচ্ছে। পাশের জেলা রাজশাহীতেও ১৬ হাজার ৫১৯ হেক্টর জমিতে আমের বাগান আছে। সাধারণ মানুষের কাছে বিষবিহীন আম তুলে দেয়ার জন্যই প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গোপালভোগ ও গুটি আম পাড়া শুরু হলেও ক্ষীরসাপাত ও লক্ষণভোগ আম পহেলা জুন, ল্যাংড়া ও বোম্বাই ১০ জুন, ফজলি ২৫ জুন, আম্রপালি পহেলা জুলাই এবং আশ্বিনা ১৫ জুলাই থেকে পাড়তে ও বাজারজাত করতে পারবেন চাষিরা। পরবর্তীতে নাবি জাতের ফজলিসহ অন্যান্য আম বাজারে আসবে। ঢাকা থেকে রাজশাহীতে আম কিনতে আসা ব্যবসায়ী আবু বক্কার জানান, দেশের অন্য জায়গায় রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমের কদর বেশি। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার কারণে ইতোমধ্যেই ঢাকার আমের বাজার দখল করে নিয়েছে সাতক্ষীরাসহ কয়েক জায়গার আম। চাষিদের কাছ থেকে গোপালভোগ কেজিপ্রতি ৬৫ থেকে ৭০ টাকা এবং গুটি আম ৪০ থেকে ৪৫ টাকা দরে কেনার জন্য বলা হয়েছে। রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী আশরাফ উদ্দীন বলেন, 'কেমিক্যালমুক্ত আমের বাজারজাত নিশ্চিতে আমরা খুবই সচেতন। চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম পাড়ার ক্ষেত্রে সময় বেঁধে দেয়া হলেও রাজশাহীতে তা করা হয়নি। তবে অপরিপক্ব আম গাছ থেকে নামিয়ে কার্বাইড দিয়ে পাকিয়ে বাজারে ওঠা ঠেকাতে জেলার প্রতিটি উপজেলায় সংশ্লিষ্ট ইউএনও এবং এসিল্যান্ডের সমন্বয়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছিল। তারা সেই বিষয়গুলো দেখেছেন।' চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম বলেন, 'আমের রাজধানী কিন্তু একটাই আর সেটা হচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ। বুধবার থেকে আম পাড়া ও বাজারজাতকরণ শুরু হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের নিরাপদ আম সারাদেশে যাবে, কেউ যাতে অপরিপক্ব আম বাজারজাত করতে না পারে সেই লক্ষ্যে আমরা আম পাড়ার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলাম। আগামীতে অন্যজাতের আমের ক্ষেত্রেও এই বিষয়গুলো আমাদের নজরে থাকবে। আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুরো আম মৌসুমে নজরদারি করবো। কোনো অপরিপক্ব আম বাজারে কেউ যাতে না উঠাতে পারে সেদিকে আমরা লক্ষ্য রাখবো।'

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found
এক আমের দাম ৩৩ হাজার টাকা! কে কিনেছে এই আম এবং ঘটনাটা কী?- ভাবা যায়! একটি আমের দাম ৩৩ হাজার টাকা। তাও আবার আমের রাজধানী-খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে। ঘটনাটা কী! শিবগঞ্জ উপজেলার দুলর্ভপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাজিবুল ইসলাম রাজু জানান, শনিবার সকালে দুলর্ভপুর ইউনিয়নের ...
ফলের রাজা আম। আর আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ। দেশের সর্ববৃহত্তর অর্থনৈতিক ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যলয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। এ জেলার প্রধান অর্থকরী ফসল আম। বর্তমানে জেলা সবখানে চলছে বাগান পরিচর্যা ও বেচা-কেনা। বর্তমানে জেলার ২৪ হাজার ৪৭০ হেক্টর আম বাগানে ৯০ ভাগ মুকুল এসেছে। ...
চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমবাগানগুলোতে আমের ‘মাছিপোকা’ দমনে কীটনাশক ব্যবহার না করে সেক্স ফেরোমেন ফাঁদ ব্যবহার শুরু হয়েছে। পরিবেশবান্ধব এই ফাঁদকে কোথাও কোথাও ‘জাদুর ফাঁদ’ও বলা হয়ে থাকে। দু-তিন দিকে কাটা-ফাঁকা স্থান দিয়ে মাছিপোকা ঢুকতে পারে, এমন একটি প্লাস্টিকের কনটেইনার বা বোতলের ...
বাংলাদেশে উৎপাদিত ফল ও সবজির রপ্তানির সম্ভাবনা অনেক। তবে সম্ভাবনার তুলতায় সফলতা যে খুব যে বেশি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। রপ্তানি সংশ্লিষ্ঠ ব্যাক্তিবর্গ অনিয়মতান্ত্রিকভাবে বিভিন্নভাবে তাদের প্রচেষ্ঠা অব্যহত রেখেছেন। কিন্তু এদের সুনির্দিষ্ট কোন কর্ম পরিকল্পনা নেই বললেই চলে। ...
ফলের রাজা আম এ কথাটি যথাযথই বাস্তব। ফলের মধ্যে এক আমেরই আছে বাহারি জাত ও বিভিন্ন স্বাদ। মুখরোচক ফলের মধ্যে অামের তুলনা নেই। মৌসুমি ফল হলেও, এর স্থায়িত্ব বছরের প্রায় তিন থেকে চারমাস। এছাড়া ফ্রিজিং করে রাখাও যায়। স্বাদ নষ্ট হয় না। আমের ফলন ভালো হয় রাজশাহী অঞ্চলে। ...
আম গাছ কে দেশের জাতীয় গাছ হিসেবে ঘোষনা দাওয়া হয়েছে। আর এরই প্রতিবাদে কিছুদিন আগে এক সম্মেলন হয়ে গেলো যেখানে বলা হয়েছে :-"৮৫% মমিন মুসলমানের দেশ বাংলাদেশ। ঈমান আকিদায় দুইন্নার কুন দেশেরথে পিছায় আছি?? আপনেরাই বলেন। অথচ জালিম সরকার ভারতের লগে ষড়যন্ত কইরা আমাগো ঈমানের লুঙ্গি ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২