Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

দেশে আম উৎপাদন ও রফতানি সম্ভাবনা প্রচুর

স্বাদ, বর্ণ ও গন্ধের জন্য আম সকলের প্রিয় ফল। আমকে ফলের রাজা বলা হয়। আমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি ও ভিটামিন সি রয়েছে। আম আমাদের জাতীয় বৃক্ষ। এ গাছের সাথে আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও আবেগ জড়িত রয়েছে। ১৯৭১ সালে মেহেরপুরে আমের বাগানে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করে। আবার ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয় এই আম বাগানেই। দেশের পার্বত্য অঞ্চলে উন্নত জাতের আম্রপালি  জাতের আম চাষ করে  ব্যাপক সাড়া জাগাতে সম হয়েছেন স্থানীয় আম চাষিরা। আম্রপালি প্রধানত ভারতীয় জাতের আম। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট জাতটিকে বারি আম-৩ নামে  সারা দেশে চাষের জন্য ১৯৯৬ সালে অবমুক্ত করে। বাংলাদেশের আমের জগতে আম্রপালি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবর্তন। আম্রপালির বৈশিষ্ট্য হলো- গাছের আকৃতি মাঝারি, প্রতি বছর ফল ধরে, আম খুব মিষ্টি, ফল লম্বাটে ডিম্বাকৃতি,  আঁশহীন মধ্যম রসালো, শাাঁস ফলের শতকরা ৭০ ভাগ।  ফলের শাঁসের রং গাঢ় কমলা রংগের, প্রতিগাছে ১৫০ থেকে ১৭০ টি ফল ধরে। মৌসুমের শেষের দিকে পাকে, ফলে কৃষক বেশি দামে এ জাতের আম বিক্রি করে বেশি লাভবান হতে পারেন। অধিক লাভ ও বেশি ফলনের জন্য আম্রপালি আমের চাষ পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ী অঞ্চলে  ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বান্দারবান, লামা, খাগড়াছড়ি, রামগড়,  কাপ্তাই,  চন্দ্র-ঘোনায় বেসরকারি উদ্যোগে আম্রপালি আমের চাষ হচ্ছে। সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে রোপণের তিন বছরের মধ্যে গাছে ফল আসা শুরু করে। প্রথম পর্যায়ে গাছ ছোট  থাকায় গাছ প্রতি  পাঁচ থেকে ছয় কেজি আম পাওয়া গেলেও  বৃদ্ধির পর প্রতি গাছে  ৫০ থেকে ৬০ কেজি পর্যন্ত আম উৎপন্ন হয়। আম্রপালি আম উৎপাদনের জন্য পার্বত্য  অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া বেশ উপযোগী। পাবর্ত চট্টগ্রাম অঞ্চলে আমের মৌসুমে  ১৫ থেকে ২০ হাজার মেট্রিক টন আম্রপালি জাতের আম উৎপন্ন হয়। পার্বত্য অঞ্চলে ব্যাপক ভিত্তিতে আম্রপালি জাতের আমের চাষ করলে একদিকে দেশের  আমের চাহিদা পূরণ হবে অন্যদিকে  বিদেশে রফতানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব হবে।  বর্তমানে চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চলে  ছোট বড় মিলে  প্রায় ৭০০ আমের বাগান রয়েছে। উৎপাদিত আমের মধ্যে  আম্রপালি, মল্লিকা, রাংগুয়াই, থাই কাঁচামিঠা, থাই নামডাকমাই, ফনিয়া উল্লেখযোগ্য। বিশ্বের  ১০টি শীর্ষ আম উৎপাদনকারী দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। উৎপাদনের দিক দিয়ে শীর্ষে হলেও রাসায়নিকের যথেচ্ছ ব্যবহার ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প কারখানার অভাবসহ বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশ থেকে প্রত্যাশিত পরিমাণ আম রফতানি করা সম্ভব হচ্ছে না। সমম্প্রতি চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার অব কমান্স কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘রফতানি যোগ্য আম উৎপাদন বৃদ্ধির আধুনিক কলাকৌশল এবং সংগ্রহত্তোর ব্যবস্থাপনা এবং আম ও আমজাত পণ্যের রফতানি সম্ভাবনা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় আম গবেষক ও কৃষিবিদদের উপস্থাপিত প্রবন্ধে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশ ম্যাংগো প্রডিউসার মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশন ওই কর্মশালার আয়োজন করে। প্রতি বছর ১০ লাখ ৪৭ হাজার ৮৫০ মেট্রিক টন আম উৎপাদন করে বিশ্ব আম উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম স্থানে।  এক কোটি ৬৩ লাখ ৩৭ হাজার টন আম উৎপাদন করে বিশ্বের শীর্ষে রয়েছে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত। তালিকায় চীনের অবস্থান দ্বিতীয় এবং ৪র্থ অবস্থানে আছে পাকিস্তান। ভারত, চীন ও পাকিস্থান থেকে বিপুল পরিমাণ আম ও আমজাত পণ্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে  রফতানি করা হয়। সে তুলনায় বাংলাদেশ থেকে রফতানির পরিমাণ খুবই কম। মালয়েশিয়া, জাপান, সিঙ্গাপুর, হংকংসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রাসায়নিক মুক্ত আম ও আমজাত পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রতিবেশী দেশ ভারত, চীন ও পাকিস্তান থেকে প্রচুর আম রফতানি হয়। কিন্তু শর্ত পূরণ করতে না পারার কারণে বাংলাদেশ থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ আম রফতানি করা যাচ্ছে না। আশার কথা, রফতানি উপযোগী আম চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে কাজ করে যাচ্ছেন  দেশের গবেষকগণ। সারা দেশে যে আমের চাহিদা তার বেশির ভাগ উৎপাদিত হয় রাজশাহী ও চাপাইনবাবগঞ্জ জেলায়। চাপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ২৩ হাজার ৮৩০ হেক্টর জমিতে আমগাছ রয়েছে ১৮ লাখ ২৪ হাজার। আর রাজশাহী জেলায় ৯ হাজার হেক্টর জমিতে রয়েছে ১০ লাখ আম গাছ। কিন্তু আম সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত করার কোনো সুযোগ না থাকায় চাষিরা আমের ন্যায্য দাম প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ অঞ্চলে আম ভিত্তিক শিল্প কারখানা স্থাপন এবং আম সংরক্ষণ ও বিদেশে রফতানি করে কোটি কোটি টাকা আয় করা সম্ভব। এ অঞ্চলে চাষকৃত উল্লেখযোগ্য উন্নত মানের আমের জাতগুলি হলো- গোপালভোগ, ল্যাংড়া, হিমসাগড়, ক্ষীরসাপাত, লক্ষণভোগ, ফজলি, সুরমা ফজলি, রাণী পছন্দ, জামাই পছন্দ, বেগম পছন্দ, দুধস্বর, বোম্বাই, লতাবোম্বাই, কহিতুর, কোয়াপাহাড়ী, মিশ্রিভোগ, আম্রপালি, মহানন্দা, সুবর্ণরেখা  ইত্যাদি। রাসায়নিকের ব্যবহার এবং রফতানিযোগ্য আমের জাতের অভাব ছাড়াও আম রফতানির ক্ষেত্রে আরো  অনেক বাধা রয়েছে বাংলাদেশে। যেমন-আমের সীমিত প্রাপ্তিকাল, গরমপানি শোধন ব্যবস্থার অভাব, অপর্যাপ্ত সংগ্রহত্তোর ব্যবস্থাপনা- বিশেষ করে অনুন্নত প্যাকেজিং ও পরিবহন ব্যবস্থা, আম উৎপাদকারী ,

ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের  পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব, অতিরিক্ত পরিবহন ভাড়া, প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের অভাব, বিদেশী আমদানিকারকদের সাথে সুসম্পর্কের অভাব, ফাইটো স্যানেটারি সার্টিফিকেট নিতে ঝামেলা ইত্যাদি। বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে মাত্র  তিন হাজার ১৫০ মেট্রিক টন আম পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রফতানি হচ্ছে, যা উৎপাদনের তুলনায় অত্যন্ত  কম। বাংলাদেশ থেকে ল্যাংড়া, ফজলি, হিমসাগর এবং আশ্বিনা জাতের আম রফতানি হয়ে থাকে। বারি আম-২ ও বারি আম-৭ বিদেশে রফতানির যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে আম আমদানিকারক দেশগুলো হলো যুক্তরাজ্য, জার্মানী, ইটারী, সৌদিআরব, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ওমান।  উল্লিখিত দেশগুলির প্রবাসী বাংলাদেশীরাই প্রধানত এসব আমের ক্রেতা। আশার কথা বর্তমানে বেশ কিছু সংখ্যক কৃষি পণ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে কাঁচামাল হিসেব আম সংগ্রহ করা হচ্ছে। এসব শিল্প করাখানর মধ্যে রয়েছে প্রাণ, একমি, ড্যানিশ, বিডি ফুড, সেজান, আকিজ গ্রুপ  উল্লেখযোগ্য। এসব শিল্প কারখানায় আমের শাঁস ও কাঁচা আম সংরক্ষণ করা হয়, যা থেকে পরবর্তীতে বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন করে বাজারজাত করা হয়। আম থেকে উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে রয়েছে ম্যাগুজুস, আচার, চাটনী, আমসত্ত্ব, জ্যাম, জেলি, ক্যান্ডি ইত্যাদি। আমের জুস ও ফ্রুট ড্রিংকস স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রফতানি হচ্ছে বিশ্বের বহু দেশে। প্রতি বছর আমের জুস রফতানি হচ্ছে প্রায় এক লাখ মেট্রিক টন এবং এর মাধ্যমে বছরে আয় হচ্ছে  বছরে ১০ কোটি ডলারের ওপর। শুধু প্রক্রিয়াকরণের অভাবেই দেশে উৎপাদিত মোট আমের ২৭ শতাংশ নষ্ট হয়ে যায়, পাকিস্তানে এর পরিমাণ শতকরা ৪০ শতাংশ। কৃষি বিভাগ হতে জানা যায়, দেশে উৎপাদিত আমের শতকরা ০.৫০ ভাগ প্রক্রিয়াজাত করা হয়। যেখানে ভারতে এ হার শতকরা ২ ভাগ, যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলে ৭০ শতাংশ, মালয়েশিয়ায় ৮৩ শতাংশ, থাইল্যান্ড ও ফিলিপাইনে এই হার  ৭৩ শতাংশ। ২০১০ সালে ভারত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ৬৫ হাজার মেট্রিক টন আম রফতানি করে। পাকিস্তানের রফতানির পরিমাণ আরো বেশি। অন্য ফসলের চেয়ে আমের চাষও অধিক লাভজনক। নওগাঁর এক জন কৃষক জানান, এক বিঘা জমিতে ধান চাষ করে খরচ বাদে বছরে ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা লাভ পাওয়া যায় আর ওই পরিামণ জমিতে আম চাষ করে বছরে খরচ বাদে ২০ হাজার টাকা লাভ করা সম্ভব। চাপাইনবাবগঞ্জের আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা কীটনাশকমুক্ত আম উৎপাদনের পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা করছেন। অদূর ভবিষ্যতে সহজ পদ্ধতিতে কীটনাশক মুক্ত আম উৎপাদন করা যাবে।  এতে কীটনাশকের ব্যবহার  যেমন কমবে , তেমনি স্বাস্থ্য সম্মত আম খেতে পারবে  ভোক্তা সাধারণ। পরিবর্তিত আবহাওয়া উপযোগী আমের নতুন জাত উদ্ভাবন এবং সম্ভাবনাময় বিশেষ করে পাহাড়ী ও উপকূলীয় অঞ্চলে আমের চাষ সম্প্রাসারণের  উদ্যোগ নিতে হবে। এ ছাড়া তাপ ও খরা সহিষ্ণু জাতগুলো কীভাবে কাজে লাগানো যেতে পারে, সে বিষয়ে  উচ্চতর গবেষণা করা প্রয়োজন বলে মনে করেন দেশের   উদ্যানতত্ত্ববিদগণ। দেশে আমের উৎপাদন ও রফতানি বাড়াতে হলে-১) সরকারি পর্যায়ে উচ্চ ফলনশীল ও রফতানি উপযোগী বিভিন্ন প্রকার আমের জাত উদ্ভাবন করে  আম চাষিদের মধ্যে বিতরণের ব্যবস্থা করতে হবে। ২) চাপাই নবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নওগাঁ, দিনাজপুর ও পার্বত্য চট্টগ্রামকে বিশেষ আম উৎপাদন অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করে সেখানে আম উৎপাদনের আধুনিক কলাকৌশল প্রয়োগ করে রাসায়নিক  বিষমুক্ত  রফতানিযোগ্য উন্নত মানের আম  উৎপাদনের প্যাকেজ কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। ৩) বিশেষ আম উৎপাদন অঞ্চলে আম সংরণ ও প্রক্রিয়াকরণ শিল্প কারখানা গড়ে তুলতে হবে। ৪) আম উৎপাদনকারী ,ব্যবসায়ী ও রফতানিকারদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। ৫) আম উৎপাদনকারী চাষিদের সহজ শর্তে স্বল্প সুদে কৃষিঋণ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ৬) আম উৎপাদনকারী প্রতিবেশী দেশগুলির উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ ও রফতানির অভিজ্ঞতার আলোকে আমাদেরকেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। ৭) কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো দেশে আরো জার্ম প্লাজম সেন্টার  ও মাতৃ বাগান সৃষ্টি করে আমের উৎপাদন বৃদ্ধির ব্যবস্থা নিতে হবে। ৮) বেসরকারি পর্যায়ে আরো অধিক নার্সারী স্থাপন করে  গ্রাম পর্যায়ে বসতভিটাতে উন্নত জাতের আম গাছ রোপণ ও পরিচর্যার মাধ্যমে আমের উৎপাদন বাড়তে হবে। ৯) রাস্তার দু’ধারে, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গনে উন্নত জাতের আমের চারা রোপণ ও পরিচর্যার ব্যবস্থা করতে হবে। ১০) গরম পানিতে আম শোধনের জন্য আধুনিক হট ওয়াটার প্লান্ট স্থাপন করতে হবে। ১১) আম সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিবহন ও প্যাকিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। ১২) বিদেশে আম রফতানির ব্যাপারে সরকারি তৎপরতা ও সহায়তা আরো বাড়াতে হবে।

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found
চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ্যাত ‘খিরসাপাত’ জাতের আম জিআই’ (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে নিবন্ধিত হতে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে গেজেট জারি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নিবন্ধন পেলে সুস্বাদু জাতের এই আম ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম’ নামে বাংলাদেশসহ বিশ্ব বাজারে পরিচিতি লাভ করবে।  এই আমের ...
মধূ মাসে বাজারে উঠেছে পাকা আম। জেলা শহর থেকে ৬০ কি.মি দুরের প্রত্যন্ত ভোলাহাট উপজেলার স্থানীয় বাজারে ফরমালিন মুক্ত গাছপাকা আম এখন চড়া দামে বিক্রয় হচ্ছে। মালদহ সীমান্তবর্তী বিশাল আমবাগান ঘেরা এই উপজেলায় বেশ কিছু জায়গা ঘুরে বাজারগুলোতে শুধু গাছপাকা আম পেড়ে বিক্রয় করতে দেখা ...
রাজশাহী ও রংপুরের পর এবার মেহেরপুরেও তৈরি হচ্ছে বিদ্যুৎ বিহীন প্রাকৃতিক হিমাগার। এখানে অল্প খরচে সংরক্ষণ করা যাবে পিঁয়াজ ও আলু। এই হিমাগার সফলভাবে বাস্তবায়ন হলে ভবিষ্যতে আম ও লিচুর সংরক্ষণাগার তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তা। কৃষি বিভাগ বলছে, এই সংরক্ষণাগার ...
বাংলাদেশে উৎপাদিত ফল ও সবজির রপ্তানির সম্ভাবনা অনেক। তবে সম্ভাবনার তুলতায় সফলতা যে খুব যে বেশি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। রপ্তানি সংশ্লিষ্ঠ ব্যাক্তিবর্গ অনিয়মতান্ত্রিকভাবে বিভিন্নভাবে তাদের প্রচেষ্ঠা অব্যহত রেখেছেন। কিন্তু এদের সুনির্দিষ্ট কোন কর্ম পরিকল্পনা নেই বললেই চলে। ...
বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে আছে বিভিন্ন বয়সী অনেক পুরনো গাছ। এর কোন কোনটি ২০০-৩০০ বছরেরও বেশি বয়সী। আবার কোনটির বয়স তার চেয়েও বেশি। তেমনই ঠাকুরগাঁওয়ের একটি আমগাছের কথা সেদিন জানতে পারলাম ফেসবুকে একজনের পোষ্ট থেকে। একটি আমগাছ যার বয়স নাকি ২০০ বছরেরও ...
আম গাছ কে দেশের জাতীয় গাছ হিসেবে ঘোষনা দাওয়া হয়েছে। আর এরই প্রতিবাদে কিছুদিন আগে এক সম্মেলন হয়ে গেলো যেখানে বলা হয়েছে :-"৮৫% মমিন মুসলমানের দেশ বাংলাদেশ। ঈমান আকিদায় দুইন্নার কুন দেশেরথে পিছায় আছি?? আপনেরাই বলেন। অথচ জালিম সরকার ভারতের লগে ষড়যন্ত কইরা আমাগো ঈমানের লুঙ্গি ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২