Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

ফুরোচ্ছে রাজশাহীর আম

চলতি মৌসুমে ফুরিয়ে আসছে রাজশাহীর সুস্বাদু নানান জাতের আম। শেষ হতে চলেছে পাকা আম ঘিরে মাস চারেকের বিশাল কর্মযজ্ঞও।

আমের মৌসুমে রাজশাহীর গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙা হয়ে ওঠে। প্রান্তিক আম চাষি থেকে বেকার যুবক কারোরই ফুরসৎ থাকে না। গতবার আম শেষ হয়ে গিয়েছিলো বর্ষার আগেই। কিন্তু এবার ফলন ভালো হওয়ায় বাজারে এখনও শোভা পাচ্ছে আম। তবে দাম বেশি হওয়ায় দোকানে ক্রেতা কম।

রাজশাহীর আমের বাজার থেকে এরই মধ্যে গোপালভোগ, মোহনভোগ, কালিভোগ, লক্ষণভোগ, ল্যাংড়া, হিমসাগর বিদায় নিয়েছে। এখন বাজারে অল্প সংখ্যক ফজলি আর আশ্বিনা আম মিলছে।

শিরোইল এলাকার আলম ফল ভাণ্ডারের বিক্রেতা শফিকুল বাংলানিউজকে জানান, সরবরাহ কমে গেছে। মৌসুম প্রায় শেষের দিকে। যা ফজলি আছে আগামী সপ্তাহে হয়তো আর পাওয়া যাবে না। তবে আশ্বিনা আম আরও দু’সপ্তাহ থাকবে। এর মধ্যে স্বাদে মিষ্টি ফজলি। তবে দামও বেশি। আর আশ্বিনা টক। দামও কম।

তিনি বলেন, বুধবার মহারাজা ফজলি আট হাজার টাকা মণ বিক্রি হয়েছে। আর আশ্বিনা বিক্রি হয়েছে তিন হাজার ২শ’ টাকা মণ দরে। তবে দু’দিনের মধ্যে এ দাম আরও বাড়বে।

আমান ফল ভাণ্ডারের মালিক আমানুল হক বলেন, চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই আড়তগুলোতে আমের আমদানি কমে এসেছে। আম ঘিরে কমে যাচ্ছে সেই নির্ঘুম ব্যস্ততা। নেই তেমন বিক্রি-বাট্টা। সেই সঙ্গে বেড়ে গেছে দামও। তাই স্থানীয় ক্রেতারা আমের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।

যারা শিরোইল বাস টার্মিনাল হয়ে ঢাকা যাচ্ছেন তারাই স্বজনদের জন্য শখ করে শেষ মুহূর্তের আম নিয়ে যাচ্ছেন। আবার অনেকের ছেলে-মেয়ে ঢাকা থাকায় তাদের জন্য আম পাঠাচ্ছেন। কুরিয়ার সার্ভিস ও অন্য পরিবহনের মাধ্যমে রাজশাহী থেকে দেশের দূর-দূরান্তে আম পাঠানোও কমে গেছে।

শালবাগান এলাকায় থাকা সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা খালেকুজ্জামান জানান, আগের মতো এখন আর ব্যস্ততা নেই। গ্রাহকদের আম পাঠানো একেবারেই কমে গেছে। ভরা মৌসুমের তুলনায় এখন পাঁচভাগ আমও বুকিং হচ্ছে না।

বেঁধে দেওয়া সময়ানুযায়ী এবছর ২৫ মে থেকে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম ভাঙা শুরু হয়। এই নিয়মে ক্ষিরসাপাত ও লক্ষণভোগ আম ভাঙা হয় ১ জুন, ল্যাংড়া ও বোম্বাই ১০ জুন, ফজলি ২৫ জুন। এছাড়া আম্রপালি ১ জুলাই এবং আশ্বিনা ১৫ জুলাই ভাঙা হয়।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কার্যালয়ের কৃষি কর্মকর্তা মুনতাজুর রহমান বাংলানিউজকে জানান, রাজশাহীতে ১৬ হাজার ৫৮৩ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। গতবারের উৎপাদনের সমপরিমাণ ধরে এবার আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয়েছিলো ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৭৯ মেট্রিক টন।

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found
বাজারে গত মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই আম আম রব। ক্রেতা যে আমেই হাত দিক না কেন দোকানি বলবে হিমসাগর নয়তো রাজশাহীর আম। ক্রেতা সতর্ক না বলে রঙে রূপে একই হওয়ায় দিব্যি গুটি আম চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে হিমসাগরের নামে। অনেকসময় খুচরা বিক্রেতা নিজেই জানে না তিনি কোন আম বিক্রি করছেন। ...
আম ছাড়া মধুমাস যেন চিনি ছাড়া মিষ্টি। বছর ঘুরে এই আমের জন্য অপেক্ষায় থাকে সবাই। রসালো এ ফলের জন্য অবশ্য অপেক্ষার পালা এবার শেষ হয়েছে। রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে বুধবার থেকে শুরু হয়েছে আম পাড়া। এর আগে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার কারণে আমের রাজধানীতে এতদিন আম পাড়া বন্ধ ছিল। তাইতো ...
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার ভোলাহাট আম ফাউন্ডেশনে উন্নত ও আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করে আম বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে আমচাষীদের নিয়ে পরীক্ষামূলক প্রদর্শনী ও সভা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) সকাল থেকে শুরু হয়ে দিনব্যাপী চলা বিভিন্ন প্রদর্শনীতে এলাকার আমচাষী ও ব্যবসায়ীরা অংশ ...
বাড়ছে আমের চাষ। মানসম্পন্ন আম ফলাতে তাই দরকার আধুনিক উত্পাদন কৌশল। আম চাষিদের জানা দরকার কীভাবে জমি নির্বাচন, রোপণ দূরত্ব, গর্ত তৈরি ও সার প্রয়োগ, রোপণ প্রণালী, রোপণের সময়, জাত নির্বাচন, চারা নির্বাচন, চারা রোপণ ও চারার পরিচর্যা করতে হয়। মাটি ও আবহাওয়ার কারণে দেশের ...
গাছ ফল দেবে, ছায়া দেবে; আরও দেবে নির্মল বাতাস। আশ্রয় নেবে পাখপাখালি, কাঠ বেড়ালি, হরেক রকম গিরগিটি। গাছ থেকে উপকার পাবে মানুষ, পশুপাখি, কীটপতঙ্গ– সবাই। আর এতেই আমি খুশি। ঐতিহাসিক মুজিবনগর আম্রকাননে ছোট ছোট আমগাছের গোড়া পরিচর্যা করার সময় এ কথাগুলো বলেন বৃক্ষ প্রেমিক জহির ...
রীষ্মের এই দিনে অনেকেরই পছন্দ আম।এই আমের আছে আবার বিভিন্ন ধরণের নাম।কত রকমের যে আম আছে এই যেমনঃ ল্যাংড়া,ফজলি,গুটি আম,হিমসাগর,গোপালভোগ,মোহনভোগ,ক্ষীরশাপাত, কাঁচামিঠা কালীভোগ আরও কত কি! কিন্তু এবারে বাজারে এসেছে এক নতুন নামের আর তার নাম 'বঙ্গবন্ধু'। নতুন নামের এই ফলটি দেখা ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২