Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase
এবারও রপ্তানি হচ্ছে না রাজশাহী অঞ্চলের বিষমুক্ত ব্যাগিং আম

রাজশাহীর নামে সাতক্ষীরা থেকে অপরিপক্ক নন-ব্যাগিং আম রপ্তানি

 ‘রাজশাহীর সুস্বাদু আমে’র নামে সাতক্ষীরা থেকে অপরিপক্ক নন-ব্যাগিং আম ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত কয়েকটি দেশে রপ্তানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। সুইডেন থেকে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে, সাতক্ষীরার ওই অপরিপক্ক আম সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকের কাছে পৌঁছার পরই পচে নষ্ট হয়েছে। অথচ টানা চতুর্থ বার ব্যাগিং পদ্ধতিতে আম উত্পাদন করেছে দেশের প্রধান উত্পাদন অঞ্চল রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের চাষীরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র (সাবেক আম গবেষণা কেন্দ্র) উদ্ভাবিত এ আম সম্পূর্ণ নিরাপদ, বালাইমুক্ত ও শতভাগ রপ্তানিযোগ্য। কিন্তু রপ্তানিকারক, কোয়ারেনটাইন ও উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইং সংশ্লিষ্টদের উদাসীনতায় এবারও রপ্তানি হচ্ছে না রাজশাহী অঞ্চলের আম।

 

এ বিষয়ে রাজশাহী এগ্রোফুড প্রডিউসার সোসাইটির আহবায়ক আনোয়ারুল হক ইত্তেফাককে বলেন, রাজশাহী অঞ্চলের আম রপ্তানি না হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত চাষীদের পক্ষে গতবছরের জুলাইয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ককে লিখিত অভিযোগ দেন। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের গঠিত তিন সদস্যের কমিটি সরেজমিনে তদন্ত শেষে বিদেশে আম রপ্তানির সমস্যা চিহ্নিত ও সমাধানে ৯ দফা সুপারিশ করেন। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সুপারিশগুলো ছিল অত্যন্ত বাস্তব ও যুক্তিসঙ্গত। সুপারিশসমূহ বাস্তবায়িত হলে চলতি মৌসুমে বিদেশে আম রপ্তানি কয়েকগুণ পর্যন্ত বাড়ানো এবং বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব ছিল। কিন্তু সুপারিশ বাস্তবায়নের উদ্যোগই নেননি সংশ্লিষ্টরা। অথচ বিদেশে আম রপ্তানির জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত বছরের পহেলা নভেম্বর নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহফুজুল হকের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ হচ্ছে— ১.ব্যাগিং পদ্ধতির সুবিধা বিবেচনায় রপ্তানির পাশাপাশি দেশীয় চাহিদা মেটাতে প্রযোজ্য সকল ক্ষেত্রে ব্যাগিং পদ্ধতি ব্যবহারে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ; ২.বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের সর্বত্র ব্যাগিং পদ্ধতি প্রচলন নিশ্চিতকরণ; ৩. বৈদেশিক বাজারে রপ্তানির ক্ষেত্রে ব্যাগিং পদ্ধতিতে উত্পাদিত আম অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে গ্রহণ এবং যথাসময়ে হারভেস্ট, বাছাই, প্যাকিং, পরিবহণ ও জাহাজীকরণ পর্যন্ত তদারকি নিশ্চিতকরণ; ৪. রপ্তানির জন্য নির্বাচিত আম চাষিদের সাথে আইনি বাধ্যবাধকতার অংশ হিসেবে লিখিত চুক্তিকরণ, চুক্তিপত্রে আমের চাষ পদ্ধতি, আমের জাত, সংগ্রহের পরিমাণ, সময়, মূল্য ইত্যাদি সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকা প্রয়োজন এবং উক্ত চুক্তির শর্ত ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়পক্ষতে অনুসরণে বাধ্য করার বিষয়টি নিশ্চিতকরণ; ৫. রপ্তানির ক্ষেত্রে বাছাইকৃত আম স্থানীয়ভাবে প্যাকিং করার ব্যবস্থাকরণ; ৬. কীটনাশক ব্যবহার নিরুত্সাহিত করতে স্থানীয় চাহিদা মেটাতে প্রযোজ্য সকল ক্ষেত্রে ব্যাগিং পদ্ধতির ব্যবহার উত্সাহিতকরণ। কিন্তু সংশ্লিষ্টরা এসব সুপারিশের কোনোটাই বাস্তবায়ন করেননি। ফলে বিদেশে আম রপ্তানি করা যাচ্ছে না। আনোয়ারুল হক বলেন, গত ৫ জুন আমরা গাছ থেকে আম সংগ্রহ (নামানো) শুরু করেছি। বরেন্দ্র বহুমূখি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) চেয়ারম্যান আকরাম হোসেন চৌধুরী এবং রাজশাহীর জেলা প্রশাসক এসএম আব্দুল কাদের আম সংগ্রহের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

 

তিনি বলেন, গতবছর ব্যাগিং আম রপ্তানিতে অবহেলার অভিযোগ তদন্তের পর উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইংয়ের কর্মকর্তারা বলেছিলেন, রপ্তানির ক্ষেত্রে ব্যাগিং আমকে এবার অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, ২৮ জন রপ্তানিকারকের মাধ্যমে রাজশাহী অঞ্চলের ৩১২ জন কৃষকের সাথে চুক্তির কথাও বলেন তিনি। কিন্তু কোনো আম চাষির সাথেই চুক্তি করেননি তারা।

 

উল্লেখ্য: গতবছর তারা বলেছিলেন, ব্যাগিং পদ্ধতি বলে কোনো কথা নেই। চুক্তিবদ্ধ চাষিদের কাছ থেকে রপ্তানিযোগ্য মানসম্মত আম নেওয়া হবে। এ যুক্তিতে তারা রাজশাহী অঞ্চল বাদ দিয়ে সাতক্ষীরা থেকে নন ব্যাগিং ৩১ টন আম রপ্তানি করেছিল।

 

তিনি আরও বলেন, চাষিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা চুক্তি না করায় ব্যাগিং আম রপ্তানিতে জটিলতার বিষয়ে তিনি গত ৮ মে প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ককে আবারও স্মারকলিপি দেন। এতে তিনি চলতি মৌসুমে রাজশাহী অঞ্চলে উত্পাদিত দুই হাজার মেট্রিক টন ব্যাগিং আম বিদেশে রপ্তানিতে চাষিদের শঙ্কার কথা উল্লেখ করেন। এবং ২০১৬ সালের মত বাগানে প্যাকিং করে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে সরাসরি কোয়ারেনটাইনের মাধ্যমে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের দাবি জানান।

 

অন্যদিকে সাতক্ষীরা থেকেও সম্প্রতি আম রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। সাতক্ষীরার রপ্তানিকারক ও আলিফ ম্যাংগো প্রজেক্টের প্রোপাইটার মো. লিয়াকত হোসেন মোবাইলে ইত্তেফাককে বলেন, সংশ্লিষ্টদের নজিরবিহীন গাফিলতি ও উদাসীনতায় বিদেশে আম রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। তিনি আরও বলেন, গত মে মাসের মাঝামাঝি থেকে শেষ পর্যন্ত বিদেশে রপ্তানি করা আম আমদানিকারকের কাছে পৌঁছার পরপরই পচে গেছে। তাই আমদানিকারকরা বাংলাদেশ থেকে আম নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। ফলে আম রপ্তানির পুরো প্রক্রিয়াই বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। ব্যাগিং পদ্ধতিতে আম উত্পাদন সত্ত্বেও রপ্তানি করতে না পারায় বিপুল আর্থিক ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছেন বলেও জানান তিনি।

 

বাংলাদেশে ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতিতে আম উত্পাদনের প্রধান গবেষক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শরফ উদ্দিন ইত্তেফাককে বলেন, সাধারণত আম গাছে মুকুল আসার আগে থেকে ফল নামানোর পূর্বপর্যন্ত বিভিন্ন রোগ ও পোকা দমনের জন্য বিভিন্ন ধরণের বালাইনাশক স্প্রে করা হয়। এসব বালাইনাশকের যে খরচ, তার চেয়ে ব্যাগিং পদ্ধতি অনেক সাশ্রয়ী। এ পদ্ধতি ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিরাপদ, বিষমুক্ত ও স্বাস্থ্য সম্মত আম উত্পাদন করা সম্ভব। এতে বাগান মালিক-চাষি ও ভোক্তা সবাই লাভবান হন।

 

সংশ্লিষ্ট চাষীরা জানান, ২০১৫ সালে রাজশাহী অঞ্চলে প্রথম ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতিতে আম উত্পাদন শুরু হয়। ২০১৬ সালে ব্যাগিং পদ্ধতির আম বাগানেই প্যাকিং ও স্থানীয় কৃষি অফিসের ছাড়পত্র নিয়ে ঢাকা বিমানবন্দর কোয়ারেনটাইনের মাধ্যমে সরাসরি রপ্তানি করা হয়। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটা ছিল সহজ ও ঝামেলামুক্ত। কিন্তু ২০১৭ সালে সংশ্লিষ্ট কোয়ারেনটাইন কর্মকর্তারা কন্ট্রাক্ট ফার্মি পদ্ধতি অনুসরণ না করায় আম রপ্তানিতে জটিলতা দেখা দেয়। এতে রাজশাহী অঞ্চলের আম চাষিরা  ক্ষতিগ্রস্ত হন।

 

ব্যাগিং আম উত্পাদনের উদ্ভাবক ও গবেষক ড. শরফ উদ্দীন বলেন, আম ব্যাগিং করলে বালাই বা কীটনাশকের (কার্বাইড, ইফিফোনসহ হরমোন ও ফরমালিনের মত বিষাক্ত রাসায়নিক) ব্যবহার ও খরচ শতকরা ৭০ ভাগ কমে যায়। ব্যাগিং করা আম সংগ্রহের পর ৯ থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত স্বাভাবিক উপায়ে ঘরে রেখে খাওয়া যায়।
 

পুঠিয়ায় ফরমালিনমুক্ত আম বাজারজাত নিশ্চিত করণে মতবিনিময় সভা

পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি : রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা বানেশ্বরে ফরমালিনমুক্ত, কার্বাইডমুক্ত ও পরিপক্ব আম বাজারজাত নিশ্চিত করণে আমচাষী ও আম ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়েছে।
সোমবার বিকালে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বানেশ্বর ইউনিয়ন ভূমি অফিস প্রাঙ্গণে উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক এসএম আব্দুল কাদের। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন এডিএম সুব্রত পাল, পুঠিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম জুম্মা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এর সভাপতিত্বে উক্ত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাহীদ হাসান সিদ্দিকি, কৃষি অফিসার মুনজুর রহমান, চারঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সাইদ চাঁদ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সালাউদ্দিন আল ওয়াদুদ, থানার অফিসার ইনচার্জ শাকিল উদ্দিন আহমদ, আ’লীগের নেতা ও আম চাষী শরীফ কাজী, এ্যাড আঃ সামাদ, বানেশ্বর ইউপি চেয়ারম্যান গাজী সুলতান, বানেশ্বর ইউপি সদস্য আঃ আজিজ, আঃ মালেকসহ পুঠিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আম চাষী ও আম ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

Comment (0) Hits: 434
 

অপরিপক্ক আম বাজারজাত করলে কঠোর ব্যবস্থা

পুঠিয়া প্রতিনিধি : রাজশাহীর জেলা প্রশাসক এসএম আবদুল কাদের রাজশাহীর আম চাষী ও আম ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, আমে ফরমালিন, কার্বাইড ও অপরিপক্ক আম বাজারজাত করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টায় পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর ইউনিয়ন ভূমি অফিস কার্যালয় মাঠে ফরমালিনমুক্ত, কার্বাইডমুক্ত ও পরিপক্ক আম বাজারজাত নিশ্চিতকরনের লক্ষে স্থানীয় আমচাষী ও আমব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ হুশিয়ারি দেন।
তিনি বলেন, যে সকল আড়ৎদাররা আম চাষীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করবে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। যারা আমে ফরমালিন ব্যবহার করে ইতিপূর্বে আম বাজারজাত করেছেন তাদের সতর্ক করে বলেন, সারাদেশ সহ দেশের বাইরে রাজশাহীর আমের ব্যপক চাহিদা রয়েছে ইতিপূর্বে আমে ফরমালিন ব্যবহার করায় এবং অপরিপক্ক আম বাজারজাত করায় ক্রমেই আমের চাহিদা কমে আসছে। ধস নেমে আসছে রাজশাহীর কয়েকটি উপজেলার প্রধান অর্থকরি ফসল আমের বাজারে।
জেলা প্রশাসক আবদুল কাদের আরো বলেন, বানেশ্বর আমহাট রাজশাহী জেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় হাট। এখানে জেলার পুঠিয়া, দূর্গাপুর, চারঘাট, বাঘা সহ কয়েকটি উপজেলার আম চাষীরা আম বেচা কেনা করেন। আমচাষীদের যেন কোন ভাবে হয়রানির স্বীকার হতে না হয় এমনকি ওজনে কম বা বেশী নিলে, ব্যবসায়ীদের কাছে কেও চাঁদা চাইলে আম পরিবহনে সড়কে কোন সংস্থার দ¦ারা কেউ হয়রানি হলে সরাসরি তাদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়ায় আশ্বাষ দেন তিনি।
তিনি ব্যবসায়ীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেয়াও আশ্বাষ দেন এবং আমের সঙ্গে যাতে কোন প্রকার মাদক পরিবহন করা না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখার আহবান জানান।
পুঠিয়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মাহমুদের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম, চারঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সাইদ চাঁদ, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকিল উদ্দিন আহম্মেদ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জানান, বানেশ্বর আম হাটে আর মাত্র ১৫ দিন পরেই আমের বিশাল হাট বসবে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বানেশ্বর আম হাট কে কেন্দ্র করে সবধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। আইনশৃংখলা স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ পুলিশ, র‌্যাব, আনসার সহ কয়েকটি বাহিনী নিয়োজিত থাকবে এবং প্রতিদিন মাঠে থাকবে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। থাকবে হেল্প ডেস্ক ও অভিযোগ বাক্স শুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমানের ভিত্তিতে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জেল জরিমানার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
উপজেলা প্রকল্পবাস্তবায়ন কর্মকর্তা সালাউদ্দিন আল ওয়াদুদের সঞ্চালনে মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুনজুর রহমান, বানেশ্বর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গাজি সুলতান, সাবেক চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ সহ কয়েকটি উপজেলার আমচাষী ও আম ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন

Comment (0) Hits: 484

‘ফরমালিন যুক্ত আম বাজারজাত করলে কঠোর ব্যবস্থা’

রাজশাহীর জেলা প্রশাসক এস এম আবদুল কাদের রাজশাহীর আম চাষী ও আম ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, আমে ফরমালিন, কার্বাইড ও অপরিপক্ক আম বাজারজাত করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সোমবার পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর ইউনিয়ন ভূমি অফিস কার্যালয় মাঠে ফরমালিনমুক্ত, কার্বাইডমুক্ত ও পরিপক্ক আম বাজারজাত নিশ্চিতকরনের লক্ষে স্থানীয় আমচাষী ও আমব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ হুশিয়ারি দেন।

তিনি বলেন, যে সকল আড়ৎদাররা আম চাষীদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করবে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। যারা আমে ফরমালিন ব্যবহার করে ইতিপূর্বে আম বাজারজাত করেছেন তাদের সতর্ক করে বলেন, সারাদেশ সহ দেশের বাইরে রাজশাহীর আমের ব্যপক চাহিদা রয়েছে ইতিপূর্বে আমে ফরমালিন ব্যবহার করায় এবং অপরিপক্ক আম বাজারজাত করায় ক্রমেই আমের চাহিদা কমে আসছে। ধসনেমে আসছে রাজশাহীর কয়েকটি উপজেলার প্রধান অর্থকরি ফসল আমের বাজারে।

জেলা প্রশাসক আবদুল কাদের আরো বলেন, বানেশ্বর আমহাট রাজশাহী জেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় হাট। এখানে জেলার পুঠিয়া, দূর্গাপুর, চারঘাট, বাঘা সহ কয়েকটি উপজেলার আম চাষীরা আম বেচা কেনা করেন। আমচাষীদের যেন কোন ভাবে হয়রানির স্বীকার হতে না হয় এমনকি ওজনে কম বা বেশী নিলে, ব্যবসায়ীদের কাছে কেও চাঁদা চাইলে আম পরিবহনে সড়কে কোন সংস্থার দ্বারা কেউ হয়রানি হলে সরাসরি তাদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়ায় আশ্বাষ দেন তিনি।

তিনি ব্যবসায়ীদের সর্বচ্চ নিরাপত্তা দেয়াও আশ্বাষ দেন এবং আমের সঙ্গে যাতে কোন প্রকার মাদক পরিবহন করা না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখার আহবান জানান।

পুঠিয়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মাহমুদের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম, চারঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সাইদ চাঁদ, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকিল উদ্দিন আহম্মেদ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জানান, বানেশ্বর আম হাটে আর মাত্র ১৫ দিন পরেই আমের বিশাল হাট বসবে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বানেশ্বর আম হাট কে কেন্দ্র করে সবধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। আইনশৃংখলা স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ পুলিশ, র‌্যাব, আনসার সহ কয়েকটি বাহিনী নিয়োজিত থাকবে এবং প্রতিদিন মাঠে থাকবে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। থাকবে হেল্প ডেস্ক ও অভিযোগ বাক্স শুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমানের ভিত্তিতে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জেল জরিমানার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

উপজেলা প্রকল্পবাস্তবায়ন কর্মকর্তা সালাউদ্দিন আল ওয়াদুদের সঞ্চালনে মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুনজুর রহমান, বানেশ্বর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গাজি সুলতান, সাবেক চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ সহ কয়েকটি উপজেলার আমচাষী ও আম ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

Comment (0) Hits: 443
জৈষ্ঠ্য মাসের প্রথম সপ্তাহে জেলার হিমসাগর আম গেল ইউরোপে। আর এর মধ্য দিয়েই আম রপ্তানিতে কৃষি বিভাগের প্রচেষ্টা তৃতীয়বারের মতো সাফল্যের মুখ দেখলো। সোমবার রাতে রপ্তানির প্রথম চালানেই জেলার দেবহাটা উপজেলার ছয়জন চাষী ও সদর উপজেলার তিনজন চাষীর বাগানের হিমসাগর আম পাঠানো হলো ...
আম ও আমজাত পণ্য রপ্তানী বিয়য়ে সেমিনার হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় রপ্তানীর প্রশিক্ষন কর্মসুচীর আওতায় শনিবার সকালে দিনব্যাপী সেমিনারের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোঃ জাহিদুল ইসলাম। আলোচনার মাধ্যমে আম রপ্তানী ও বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের ...
আমের মৌসুম বাড়ছে আরও এক মাস  কোনো রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার না করে আম পাকা প্রায় এক মাস বিলম্বিত করার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন এক উদ্ভিদবিজ্ঞানী আম পাকা শুরু হলে আর ধরে রাখা যায় না। তখন বাজারে আমের সরবরাহ বেড়ে যায়। যেকোনো দামেই বেচে দিতে হয়। তাতে কোনো কোনো বছর চাষির উৎপাদন ...
আমে ফরমালিন আর কার্বাইডের ব্যবহার নিয়ে দেশে যখন ব্যাপক হইচই হচ্ছে, এর নেতিবাচক প্রচারের অনেক ভোক্তা সুস্বাদু এই মৌসুমি ফল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। ব্যবসায়ীরাও মাঠে নেমেছেন কম। আমের বাজারে চলছে ব্যাপক মন্দা। এই সময়ে শাহ কৃষি জাদুঘর এবার ফরমালিন-কার্বাইড তো দূরের কথা, কোনো ...
এখন বৈশাখ মাস গাছে গাছে ভরা আছে মধু ফল আমে। কিন্তু মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একটি আম গাছে সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটিয়ে ডালছাড়া গাছের মধ্যখানে ধরেছে কয়েকশত আম। আর ব্যতিক্রমী ভাবে ধরা এ আম দেখেতে শিশুসহ অসংখ্য লোকের ভির হচ্ছে সেখানে। এ ঘটনাটি ঘটেছে শ্রীমঙ্গল সদর ইউনিয়নের ...
রীষ্মের এই দিনে অনেকেরই পছন্দ আম।এই আমের আছে আবার বিভিন্ন ধরণের নাম।কত রকমের যে আম আছে এই যেমনঃ ল্যাংড়া,ফজলি,গুটি আম,হিমসাগর,গোপালভোগ,মোহনভোগ,ক্ষীরশাপাত, কাঁচামিঠা কালীভোগ আরও কত কি! কিন্তু এবারে বাজারে এসেছে এক নতুন নামের আর তার নাম 'বঙ্গবন্ধু'। নতুন নামের এই ফলটি দেখা ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২