Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

রাউজানে গাছে গাছে আমের মুকুল, ব্যাপক ফলনের আশাবাদ

রাউজানের বিভিন্ন এলাকায় দেশী ও উন্নত জাতের আম গাছের বাগানে প্রচুর পরিমান আমের মুকুল এসেছে। এতে চলতি মৌসুমে ব্যাপক ফলনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন কৃষকরা। জানা যায়, উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার মধ্যে এলাকার লোকজনের বসতভিটার আঙ্গিনায় সড়কের পাশে রোপণ করা আম গাছে, ও সরকারি বেসকারি প্রতিষ্ঠানের আঙ্গিনায় রোপন করা আম গাছে এবং উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গড়ে তোলা উন্নত জাতের আম গাছের বাগানের আম গাছের বাগানে প্রচুর পরিমান আমের মুকুল এসেছে। সম্প্রতি উপজেলার বিভিন্নস্থানে হালকা ধরণের বৃষ্টি হওয়ায় আম গাছের মুকুল গুলো বৃষ্টিতে ভিজায় আমের ফলনের জন্য উপকৃত হয়েছে বলে এলাকার কৃষকরা জানান। সড়কের পাশে ও সরকারি বেসকারি প্রতিষ্ঠানে আঙ্গিনায়ম বেসকারিভাবে গড়ে তোলা আম গাছের বাগানের আম গাছে মুকুল আসায় এলাকার মধ্যে অপরূপ সৌর্ন্দয্য বৃদ্ধি পেয়েছে। রাউজান উপজেলা কৃষি অফিসার বেলায়েত হোসেন জানান রাউজানে বেসরকারি ভাবে উন্নত জাতের আম গাছের বাগান বৃদ্ধি পেয়েছে। তাছাড়া সড়কের পাশে সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের আঙ্গিনায় রেলপথ মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপির একান্ত প্রচেষ্টায় উন্নত জাতের আম গাছ রোপন করা হয়েছে। রাউজানের সর্বত্র দেশী আম গাছ ছাড়া উন্নত জাতের রোপন করা আম গাছে প্রচুর পরিমান আমের মুকুল এসেছে। এ বৎসর বড় ধরণের কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে রাউজান থেকে বিপুল পরিমান আমের ফলন হবে বলে আশা করছেন উপজেলা কৃষি অফিসার বেলায়েত হোসেন।

Comment (0) Hits: 963
 

সাপাহারের আম বিভিন্ন দেশে রপ্তানীর সম্ভাবনা

দেশের ঠাঁঠাঁ বরেন্দ্র হিসেবে খ্যাত নওগাঁর সাপাহারের উৎপাদিত আম বিভিন্ন দেশে রপ্তানী করার জোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে, এ আম যদি বিভিন্ন দেশে রপ্তানী করা হয় তাহলে দেশ অনেকাংশে দারিদ্র মুক্ত হবে।  যার জন্য বাংলাদেশ কৃষিমন্ত্রনালয় ও রপ্তানী বিভাগের ডেপুটি ডাইরেক্টর মোঃ আনোয়ার হোসাইন সম্প্রতি সাপাহারে এক সফরে এসে উপজেলার বিভিন্ন আম বাগান পরিদর্শন করেছেন।     বিগত কয়েক বছর ধরে সাপাহারে ব্যাপক হারে ফজলী, লক্ষনা, খিরশাপাতি, লেংড়া, গোপালভোগ ও হাইব্রিড, আম্রপলি (রুপালী) আমের চাষ হয়ে আসছে।   অতীতে চাপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে আমের রাজধানী হিসেবে বিবেচনা করা হত।  বর্তমানে নওগাঁ জেলার সাপাহার, পোরশা উপজেলায় যে পরিমানে বিভিন্ন জাতের আম উৎপাদন হয়ে থাকে তা চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার চেয়ে কোন অংশে কম নহে।  কয়েক বছর ধরে চাপাই নবাবগঞ্জের মানুষকে আমের মৌসুমে সাপাহার হতে আম কিনে নিয়ে যেতে দেখা গেছে।  তারা সাপাহারের আম চাপাইনবাবগঞ্জে নিয়ে গিয়ে চাপাইনবাবগঞ্জের আম বলে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করেছে বলেও জানা গেছে।   সাপাহারের মাটি হাই-ব্রিড আম্রপলি আম চাষের উপযোগী হওয়ায় এখানকার মানুষ বর্তমানে ধানের আবাদ ছেড়ে দিয়ে আম চাষে ঝুঁকে পড়েছে।     উপজেলার আমচাষী দেলোয়ার হোসেন, মমিনুল হক, শাহজাহান আলী, মনছুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম সহ একাধীক আমচাষীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক বছর ধরে ধানের বাজারে ধস নামায় ধান চাষ করে কৃষকদের লোকশান গুনতে হত।  তাই ধান চাষ বাদ দিয়ে তারা তাদের আবাদী জমিতে হাইব্রিড সহ বিভিন্ন জাতের আম চাষ করে প্রতি বিঘা জমিতে ধানের তুলনায় কয়েক গুন টাকা লাভ হওয়ায় সকলেই এখন আম চাষে মনোনিবেশন করেছেন।  বর্তমানে দিন দিন পুরো উপজেলায় আমের বাগান বৃদ্ধি পাওয়ায় ধান চাষের জমি খুঁজে পাওয়া মুশকিল হয়ে পড়েছে।     উপজেলা কৃষি অফিসের জরিপ মতে বর্তমানে পোরশা ও সাপাহার  উপজেলায় প্রায় ১৫হাজার হেক্টোর জমিতে হাইব্রিড সহ বিভিন্ন জাতের আম গাছ রোপন করা হয়েছে।  যে হারে আম বাগানের সংখ্য বেড়ে চলেছে অল্প সময়ের মধ্যে তা লক্ষাধিক হাজার বিঘায় পরিনত হবে।   এছাড়া এবারে আবহাওয়া আম চাষের অনুকুলে থাকলে প্রতি হেঃ বাগানে ১০টন হিসেবে এবারে কম পক্ষে দেড় লক্ষ টন বা ৪০লক্ষ হাজার মন আম উৎপন্ন হবে।  উপজেলায় দিন দিন আমের বাগান বৃদ্ধি পেলেও আম চাষীদের উন্নয়নে এখানে কোন জুস,জেলী বা আম সংরক্ষনাগার না থাকায় প্রতি বছর আম চাষীরা অনেক ঝুঁকি নিয়ে আম চাষ করে থাকেন।  তাই অনেক আম চাষীদের দাবি এই উপজেলায় একটি আম সংরক্ষনাগার ।     সাপাহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাহাদ পারভেজ বসুনীয়া দেশের রপ্তানী অফিসে যোগাযোগ করে ডেপুটি ডাইরেক্টর আনোয়ার হোসেনকে সাপাহারে আম বাগান পরিদর্শনে আনেন।   সম্প্রতি তিনি সাপাহার উপজেলা কৃষি অফিসে এসে নির্বাহী অফিসার, ফাহাদ পারভেজ বসুনীয়া, কৃষি অফিসার এএফএম গোলাম ফারুক হোসেনকে সাথে নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন আম বাগান পরিদর্শন করেন এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বাগানের প্রতিটি আম ব্যাগিং পরিমিত কিটনাশকের ব্যাবহার সহ বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করার পরামর্শ দেন এবং তিনি সাপাহারের আম বিভিন্ন দেশে রপ্তানী করার আশ্বাস প্রদান করেন।   অনেকেই তার পরামর্শে তাদের আমবাগান পরিচর্যার কাজ শুরু করেছেন বলে বাগান মালিকগন জানিয়েছেন

Comment (0) Hits: 479
 

হরিণাকুন্ডু উপজেলা হতে প্রথমবারের মত আম রপ্তানী

ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ডু উপজেলা হতে এবারই প্রথম আন্তর্জাতিক বাজারে আম রপ্তানী হলো। রপ্তানী উপযোগী আম উৎপাদনের লক্ষ নিয়ে এখানে প্রথমে উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে আম বাগান মালিকদের তালিকা তৈরী করে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে অাগ্রহীদের রপ্তানীযোগ্য আম উৎপাদনের জন্য চুক্তিবদ্ধ করা হয়, সে মোতাবেক পরিচর্যা করে বিশেষ করে ব্যাগিং এর কথা না বললেই নয়) সুন্দর স্বাস্থ্যসম্মত আম উৎপাদিত করা হয়। স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শে পূর্বেই ব্যাগ প্রাপ্তির ব্যবস্থা, পরানোর কৌশল ও রপ্তানীকারকদের সাথে চাষী ভাইদের যোগাযোগ করিয়ে দেয়া হয়েছিল। এছাড়া তারা নিজেরা আলোচনা করে ৮৫ টাকা কেজি বাগানে আমের দর ঠিক করে নেন।

রপ্তানী কারক চাষী মো: শহিদুল ইসলাম বিপ্লব জানান প্রতি কেজি আমে তার মুনাফা হয়েছে ৩৫ টাকা। তিনি হিসেব করে বলেন (০৬/০৬/১৭) হরিণাকুন্ডুতে বাগানে হিমসাগর আম ৪০ টাকা কেজি, আর ব্যাগিং করা আম ৮৫ টাকা কেজি। ব্যাগের দাম ও পড়ানোসহ প্রতি কেজির বেশি খরচ ১০ টাকা ( ৮৫-৪০-১০=৩৫ টাকা)।

কৃষিবিদরা জানান  এর মাধ্যমে সুন্দর স্বাস্থ্যসম্মত উৎপাদিত আম রপ্তানী করে ব্যবসায়ীরও  লাভ হবে, দেশ পাবে বৈদেশিক মু্দ্রা। এর পাশাপাশি আমের আবাদ বাড়বে, নিরাপদ আম খাবার সুযোগ বাড়বে। কৃষক ও দেশের অর্থনৈতিক পরিবর্তনসহ  পুষ্টি গ্রহনের অভ্যাসের পরিবর্তন আসবে।

এদিকে নিরাপদ ও রপ্তানীযোগ্য আম উৎপাদন ও রপ্তানীর সুযোগ করে দেবার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

Comment (0) Hits: 460

মেহেরপুরের ফরমালিন মুক্ত আম যাবে বিদেশে

এক মাত্র মেমিক্যাল ফরমালিন মুক্ত সস্বুাদু আম পাওয়া যাবে মেহেরপুরে দেশের চাহিদা পূরণ করে সুস্বুাদু আম যাবে বিদেশে। স্বাদে জুড়ি নেই হিমসাগর আমের। রাজশাহীর আমকেও হার মানানিয়েছে মেহেরপুরের হিমসাগর। তাই জেলার ৮০শতাংশ বাগানেই চাষ হয়েছে এ আম।
দেশের গনি ছাড়িয়ে সুনাম, চাহিদা ছড়িয়ে পড়েছে ইউরোপিয়ন ইউনিয়নে ।তাই আমচাষিরাও বালাইমুক্ত নিরাপদ আম নিশ্চিত করতে বাগানে বাগানে ব্যবহার করছেন ব্যাগিং পদ্ধতি। কৃষি বিভাগ ও মেহেরপুর জেলা প্রশাসনও আমচাষিদের সহযোগিতা করছে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে জেলা প্রশাসক পরিমল সিংহ ।

গত বছর আম রপ্তানিতে সফলতার পর এবার ব্যপক প্রস্তুতি নিচ্ছে মেহেরপুরের আম চাষিরা। বাগানে বাগানে চলছে আমে ব্যাগ পরানোর উৎসব। এসব আম যাবে ইউরোপিয়ন ইউনিয়নে। গেল বছরে জেলা থেকে শুধু হিমসাগর আম বিদেশে গেলেও এবার ল্যাংড়া ও আ¤্রপালি আম নেবে বায়াররা। তবে চলতি মৌসূমে উৎপাদন খরচ বেশি। ফলে কাঙ্খিত দাম পাবেন কিনা তা নিয়ে শংকায় আছেন চুক্তিবদ্ধ চাষিরা।

মেহেরপুর শহরের আম ব্যবসায়ী সাইদুর রহমান জানান, গত বছরে ১৫ হাজার আম দিয়েছিলেন বায়ারদের। ভাল লাভ পাওয়ায় এবার দেড় লক্ষ আমে ব্যাগ পরানোর সীদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। কিন্তু চলতি বছরে আম উৎপাদনে খরচ বেড়েছে কয়েকগুন। প্রতিটি আম ব্যাগ পরাতে খরচ হচ্ছে ৫ থেকে ৬ টাকা। আম সংগ্রহ পর্যন্ত রপ্তানিযোগ্য এক কেজি আম উৎপাদন করতে খরচ দাঁড়াবে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। আবার বায়ররা বাছাইকৃত আম ছাড়া নেবেননা। ফলে ছোট ও দাগ আম নিয়ে বিপাকে পড়বেন চাষিরা। গত মৌসূমে কেজি প্রতি আমের দাম পাওয়া গেছে ৯৫ টাকা। এ বছরে একই দাম থাকলে লোকসানের মুখে পড়বেন তারা। ফলে আম রপ্তানিতে আগ্র হারাবেন কৃষকেরা।

গত বছরে আম রপ্তানির জন্য বায়ারদের সাথে কন্ট্রাকট ফার্মিংয়ে চুক্তিবদ্ধ হয় জেলার ২৫ জন আম চাষি। তবে আম দেয় মাত্র ১০ থেকে ১২ জন। আম রপ্তানিতে সফল হওয়ায় চলতি মৌসূমে বায়ারদের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে শতাধীক আম চাষি। বাজার দর ভাল পাওয়ায় বিদেশে আম পাঠানোর আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের মাঝে। জেলার হিমসাগর, ল্যাংড়া, বোম্বাই, আ¤্রপালি আমের চাহিদা রয়েছে দেশজুড়ে। স্বাধে ও গন্ধে অতুলনীয়। গত মৌসূমে শুধু হিমসাগর আম বিদেশে রপ্তানি হলেও এবার ল্যাংড়া ও আ¤্রপালি আম নেওয়ার সীদ্ধান্ত নিয়েছে বায়াররা।
মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি গ্রামের চুক্তিবদ্ধ চাষি সাখাওয়াত জানান, এ বছরে গাছে গাছে আম এসেছিল প্রচুর। ভাল ফলনের স্বপ্ন দেখছিলেন কৃষকেরা। কিন্তু বেশ দফায় দফায় কালবৈশাখীর ঝড়ে কেড়ে নিয়েছে কৃষকের স্বপ্ন। এবারও তিনিও বিদেশে আম পাঠানোর জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন। কিন্তু বায়ারদের কাছ থেকে কাঙ্খিত দাম পাবেন কিনা তা নিয়ে শংকায় আছেন। আবার ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে গাছের বেশিরভাগই আম। কিন্তু আম বাছাইয়ের সময় বেশি পরিমান বাদ পড়লে ক্ষতির মুখে পড়তে হবে তাদের। এতে লোকসানের পাল্লা ভারি হবে চাষিদের।

তবে আশার বাণি শুনালেন বায়ার মফিজুর রহমান জানান, দাম নিয়ে শংকার কোন কারণ নেয় চাষিদের। কৃষকদের খরচের কথা মাথায় রেখে বানিজ্য মন্ত্রনালয়ের প্রতিনিধি, জেলা প্রশাসক, কৃষি বিভাগ ও চাষিরা একসাথে বসে মূল্য নির্ধারন করবেন। চাষিরা যাতে কোন প্রকার ক্ষতিগ্রস্থ্য না হয় সে দিক খেয়াল রেখেই আমের মূল্য নির্ধারন করা হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক এস.এম মোস্তাফিজুর রহমান জানান, রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদনের জন্য কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের সব ধরনের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। চীন ও জাপান থেকে ব্যাগ আমদানি করে কৃষি বিভাগের মাধ্যমে চাষিদের মাঝে সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে রপ্তানিকৃত এ ব্যাগ কতটা নিরাপদ এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গত বছরে ব্যাগ পরানো এসব আম ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে রপ্তানি করা হয়েছে। সেখান থেকে রাজশাহী ও সাতক্ষিরা আমের উপর খারাপ রিপোর্ট আসলেও মেহেরপুরের আম ছিল শতভাগ নিরাপদ। ফলে এ বছরে বায়ারদের লক্ষ্য মেহেরপুরের আমের উপর।
গেল মৌসূমে মেহেরপুর থেকে ১৫ মেট্রিকটন আম বিদেশে রপ্তানি করা হলেও এবার কৃষিবিভাগ লক্ষমাত্রা নির্ধারন করেছে ২০০ মেট্রিকটন।

জেলা প্রশাসক পরিমল সিংহ জানান, আম ব্যবসায়ী কৃষি কর্মকর্তা ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তার বক্তব্যের নির্দেশনার উপর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আম বাজারজাতকরণের সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

Comment (0) Hits: 477
চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ্যাত ‘খিরসাপাত’ জাতের আম জিআই’ (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে নিবন্ধিত হতে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে গেজেট জারি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নিবন্ধন পেলে সুস্বাদু জাতের এই আম ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম’ নামে বাংলাদেশসহ বিশ্ব বাজারে পরিচিতি লাভ করবে।  এই আমের ...
আম ও আমজাত পণ্য রপ্তানী বিয়য়ে সেমিনার হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় রপ্তানীর প্রশিক্ষন কর্মসুচীর আওতায় শনিবার সকালে দিনব্যাপী সেমিনারের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোঃ জাহিদুল ইসলাম। আলোচনার মাধ্যমে আম রপ্তানী ও বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের ...
রাজশাহী ও রংপুরের পর এবার মেহেরপুরেও তৈরি হচ্ছে বিদ্যুৎ বিহীন প্রাকৃতিক হিমাগার। এখানে অল্প খরচে সংরক্ষণ করা যাবে পিঁয়াজ ও আলু। এই হিমাগার সফলভাবে বাস্তবায়ন হলে ভবিষ্যতে আম ও লিচুর সংরক্ষণাগার তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তা। কৃষি বিভাগ বলছে, এই সংরক্ষণাগার ...
বাড়ছে আমের চাষ। মানসম্পন্ন আম ফলাতে তাই দরকার আধুনিক উত্পাদন কৌশল। আম চাষিদের জানা দরকার কীভাবে জমি নির্বাচন, রোপণ দূরত্ব, গর্ত তৈরি ও সার প্রয়োগ, রোপণ প্রণালী, রোপণের সময়, জাত নির্বাচন, চারা নির্বাচন, চারা রোপণ ও চারার পরিচর্যা করতে হয়। মাটি ও আবহাওয়ার কারণে দেশের ...
বলার অপেক্ষা রাখেনা দর্শক নন্দিত ও জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি। প্রতি পর্বে চমক নিয়ে দর্শকের সামনে আসে অনুষ্ঠানটি। স্টুডিওর বাইরে এসে দেশের ঐতিহ্যমণ্ডিত স্থানে ‘ইত্যাদি’র উপস্থাপনা সর্বদাই প্রশংসিত। তারই ধারাবাহিকতায় আগামী ২৯ এপ্রিল প্রচারিতব্য পর্বটি ধারণ করা ...
অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড কাউন্টির ছোট্ট শহর বাউয়েন। ছোট এ শহরের বড় গর্ব একটা আম। আমটি নিয়ে বাউয়েন শহরের মানুষেরও গর্বের শেষ নেই। লোকে তাদের শহরকে চেনে আমের রাজধানী হিসেবে। ৩৩ ফুট লম্বা, সাত টন ওজনের বিশাল এই আমের পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার লোকের অভাব হয় না। তবে দিনকয়েক আগে ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২