Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

রাসায়নিক মুক্ত আম চেনার ৮টি উপায়

আজকাল সব কিছুতেই ভেজাল আর ফল/ সবজি মানেই হচ্ছে রাসায়নিক। তাহলে এখন উপায়? কি করে চিনবেন রাসায়নিক মুক্ত আম? কেনার সময় ক্রেতা যদি একটু সচেতন থাকেন, তাহলেই কিন্তু চিনে নেয়া সম্ভব রাসায়নিক মুক্ত আম। আসুন জেনে নেই।6px;">১)প্রথমেই লক্ষ্য করুন যে আমের গায়ে মাছি বসছে কিনা। কেননা ফরমালিন যুক্ত আমে মাছি বসবে না।

 

২)আম গাছে থাকা অবস্থায়, বা গাছ পাকা আম হলে লক্ষ্য করে দেখবেন যে আমের শরীরে এক রকম সাদাটে ভাব থাকে। কিন্তু ফরমালিন বা অন্য রাসায়নিকে চুবানো আম হবে ঝকঝকে সুন্দর।

 

৩)কারবাইড বা অন্য কিছু দিয়ে পাকানো আমের শরীর হয় মোলায়েম ও দাগহীন। কেননা আম গুলো কাঁচা অবস্থাতেই পেড়ে ফেলে ওষুধ দিয়ে পাকানো হয়। গাছ পাকা আমের ত্বকে দাগ পড়বেই।

 

৪)গাছপাকা আমের ত্বকের রঙে ভিন্নতা থাকবে। গোঁড়ার দিকে গাঢ় রঙ হবে, সেটাই স্বাভাবিক। কারবাইড দেয়া আমের আগাগোড়া হলদেটে হয়ে যায়, কখনো কখনো বেশি দেয়া হলে সাদাটেও হয়ে যায়।

 

৫) হিমসাগর ছাড়াও আরও নানান জাতের আম আছে যারা পাকলেও সবুজ থাকে, কিন্তু অত্যন্ত মিষ্টি হয়। গাছপাকা হলে এইসব আমের ত্বকে বিচ্ছিরি দাগ পড়ে। ওষুধ দিয়ে পাকানো হলে আমের শরীর হয় মসৃণ ও সুন্দর।

 

৬) আম নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুঁকে কিনুন। গাছ পাকা আম হলে অবশ্যই বোটার কাছে ঘ্রাণ থাকবে। ওষুধ দেয়া আম হলে কোনও গন্ধ থাকবে না, কিংবা বিচ্ছিরি বাজে গন্ধ থাকবে।

 

৭) আম মুখে দেয়ার পর যদি দেখেন যে কোনও সৌরভ নেই, কিংবা আমে টক/ মিষ্টি কোনও স্বাদই নেই, বুঝবেন যে আমে ওষুধ দেয়া।

 

৮) আম কেনা হলে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এমন কোথাও রাখুন যেখানে বাতাস চলাচল করে না। গাছ পাকা আম হলে গন্ধে মৌ মৌ করে চারপাশ। ওষুধ দেয়া আমে এই মিষ্টি গন্ধ হবেই না।

 

আম সম্পর্কে নতুন করে কি কিছু বলার আছে? না নেই। এখন তো আমেরই মৌসুম চলছে। যিনি কি-না মোটেই আম ভালোবাসেন না, এ মৌসুমে তিনিও একবার হলেও চেখে দেখেন। ভারতীয় উপমহাদেশে আম কয়েক হাজার বছর ধরে চাষাবাদ চলছে।তবে পৃথিবীতে প্রায় ৩৫ প্রজাতির আম আছে। এ দেশেও আমের বিভিন্ন জাতের দেখা পাওয়া যায়।

 

 

কিন্তু কেবল দেখা পেলে কী হবে? আজকাল সব কিছুতেই ভেজাল আর ফল-সবজি মানেই হচ্ছে কেমিক্যালযুক্ত। তাহলে এখন উপায়? কী করে চিনবেন রাসায়নিকমুক্ত আম? কেনার সময় ক্রেতা যদি একটু সচেতন থাকেন, তাহলেই কিন্তু চিনে নেওয়া সম্ভব রাসায়নিক মুক্ত আম। আসুন জেনে নিই।

প্রথমেই লক্ষ করুন যে আমের গায়ে মাছি বসছে কি-না। ফরমালিনযুক্ত আমে মাছি বসে না।
আম গাছে থাকা অবস্থায়, বা গাছ পাকা আম হলে লক্ষ করে দেখবেন যে আমের শরীরে এক রকম সাদাটে ভাব থাকে। কিন্তু ফরমালিন বা অন্য রাসায়নিকে চুবানো আম হবে ঝকঝকে সুন্দর।কারবাইড বা অন্য কিছু দিয়ে পাকানো আমের শরীর হয় মোলায়েম ও দাগহীন। কেননা আমগুলো কাঁচা অবস্থাতেই পেড়ে ফেলে ওষুধ দিয়ে পাকানো হয়। গাছ পাকা আমের ত্বকে দাগ পড়বেই।গাছপাকা আমের ত্বকের রঙে ভিন্নতা থাকবে। গোঁড়ার দিকে গাঢ় রঙ হবে, সেটাই স্বাভাবিক। কারবাইড দেওয়া আমের আগাগোড়া হলদেটে হয়ে যায়, কখনও কখনও বেশি দেওয়া হলে সাদাটেও হয়ে যায়।হিমসাগর ছাড়াও আরও নানান জাতের আম আছে যা পাকলেও সবুজ থাকে, কিন্তু অত্যন্ত মিষ্টি হয়। গাছপাকা হলে এইসব আমের ত্বকে বিচ্ছিরি দাগ পড়ে। ওষুধ দিয়ে পাকানো হলে আমের শরীর হয় মসৃণ ও সুন্দর।আম নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুঁকে কিনুন। গাছ পাকা আম হলে অবশ্যই বোটার কাছে ঘ্রাণ থাকবে। ওষুধ দেওয়া আম হলে কোনো গন্ধ থাকবে না, কিংবা বিচ্ছিরি বাজে গন্ধ থাকবে।আম মুখে দেওয়ার পর যদি দেখেন কোনো সৌরভ নেই, কিংবা আমে টক-মিষ্টি কোনো স্বাদই নেই, বুঝবেন যে সে আমে ওষুধ দেওয়া।বাংলাদেশে বিভিন্ন জাতের ফল আছে। তবে আমের মতো এত সুস্বাদু ফল আর নেই। আমের যেমন ঘ্রাণ, তেমনি মজাদারও বটে। তাই তো বলা হয়, ফলের রাজা আম।
আম দিয়ে বানানো হয় চাটনি, আচার, আমসত্ত্ব, জুস। আমাদের দেশে ল্যাংড়া, গোপালভোগ, ক্ষীরশাপাত, কাঁচা মিষ্টি, হিমসাগর, আম্রপালি, খিরসাগর, ফজলি, কিষাণভোগ, মোহনভোগ, মিছরিভোগ, গুঁটি, লখনা, আশ্বিনাসহ আমাদের দেশে কয়েক শপ্রজাতির আম রয়েছে।
বাংলাদেশের সব অঞ্চলে আমের চাষ হলেও উন্নত জাতের আম হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নওগাঁ ও দিনাজপুর এলাকায়। চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাট বাজারকে আমবাজারের রাজধানী বলা হয়। এ ছাড়া শিবগঞ্জ, ভোলাহাট, আলীনগর, রহনপুর এলাকায় আমের বড় বাজার বসে। এখান থেকে আম ব্যবসায়ীরা আম কিনে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি করেন।
Comment (0) Hits: 540
 

কোন আম কখন খাবেন

বর্তমান শতাব্দীর শুরু থেকে বেশ কয়েক বছর পেশাগত কাজে খুলনা শহরে হরহামেশাই যেতে হয়েছে। খুলনা শহরের ডাকবাংলো মোড় এলাকাজুড়ে ছড়ানো-ছিটানো ফলের দোকান। দোকানগুলোতে ল্যাংড়া আম বিক্রি হচ্ছে দেদার।
মে মাসের শেষ দিকেই খুলনার বাজারে ল্যাংড়া আম! আমি রাজশাহীর মানুষ। আম সম্পর্কে, বিশেষ করে উৎকৃষ্ট জাতের আম নিয়ে আমাদের আগ্রহ ও সচেতনতা জন্মগত। ল্যাংড়া আম জুন মাসের ১৫ তারিখের আগে বাজারে আসবে—এ কথা কল্পনায়ও আসে না।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেল, খুলনার বাজারে আগাম ল্যাংড়া আম আসছে সাতক্ষীরা থেকে। সাতক্ষীরা সদর, দেবহাটা, কালীগঞ্জ ও কলারোয়া উপজেলা এলাকায় আমের চাষ হয়ে থাকে। সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটা থানা এ ব্যাপারে বেশি এগিয়ে। প্রথম প্রথম ধারণা জন্মায়, সাতক্ষীরার ল্যাংড়া হয়তোবা বাংলাদেশের অন্যান্য এলাকা, বিশেষ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর কিংবা দিনাজপুর অঞ্চলে উৎপাদিত ল্যাংড়া আমের চেয়ে অনেকটাই আশু বা আগাম পরিপক্বতা লাভ করে। এ ধারণা নিয়ে বেশ কয়েক বছর অতিবাহিত হলো।
আমবিষয়ক একটি পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থের প্রকাশনার কাজের জন্য ২০১০ সালে সাতক্ষীরায় যেতে হলো। সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটা উপজেলায় একাধিক আমবাগান স্বচক্ষে দেখলাম। আমচাষি, বাগানমালিক, আম ব্যবসায়ী ও আম-সংশ্লিষ্ট অনেক মানুষের সঙ্গে কথা হলো। আমবিষয়ক অনেক তথ্যের আদান-প্রদান ঘটল। একটি বিষয়ে পরিষ্কার হওয়া গেল—এখানকার বাগানের ল্যাংড়া আম আগাম পরিপক্ব হয় না। রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর অঞ্চলের ল্যাংড়ার সঙ্গে তা পোক্ত হয়।
পাশাপাশি আরও কয়েকটি বিষয়ে নিশ্চিত হলাম। সাতক্ষীরা অঞ্চলে গোবিন্দভোগ ও বোম্বাই—এ দুই জাতের আমের ফলন বেশি হয়। এর মধ্যে গোবিন্দভোগ আশু জাতের। বোম্বাই মধ্য মৌসুমি। সাতক্ষীরা অঞ্চলে ক্ষীরশাপাত আমের উৎপাদন কম নয়। ইদানীং রানিপছন্দ আম উৎপাদিত হচ্ছে সাতক্ষীরা অঞ্চলে। কিন্তু আমাদের জন্য এখন অস্বস্তির কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে এই সাতক্ষীরার আম। বাংলাদেশের মানুষ যে জাতের আমগুলোর সঙ্গে অধিক পরিচিত, সেগুলোর মধ্যে গোপালভোগ, ক্ষীরশাপাত ও হিমসাগর, ল্যাংড়া, রানিপছন্দ, ফজলি, আশ্বিনা, লক্ষ্মণভোগ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। ইদানীং যোগ হয়েছে আম্রপালি, হাঁড়িভাঙা, মল্লিকা। সাতক্ষীরা থেকে ব্যাপকভাবে ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাজারে আসছে গোপালভোগ, ক্ষীরশাপাত, রানিপছন্দ, ল্যাংড়া ও গোবিন্দভোগ আম। সাতক্ষীরার উল্লিখিত জাতের আমগুলো পরিপক্ব হওয়ার ২০-২৫ দিন আগেই গাছ থেকে সংগ্রহ করে জোরজবরদস্তি পাকানো হচ্ছে।
গোবিন্দভোগ আম পরিপক্ব হয় মে মাসের ২০ তারিখ পার করে। অথচ ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাজারে গোবিন্দভোগের প্রথম চালান আসে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে। ধারণা করতে অসুবিধা হয় না, কার্বাইড ব্যবহার করে সে আম পাকানো হয়েছে। রাজধানীর মানুষ আগাম সে আম কিনছেন একটু বেশি দাম দিয়েই। কিন্তু খাবার টেবিলে আমের আসল স্বাদ পাচ্ছেন না। খুবই স্বাভাবিক। আম পোক্ত হওয়ার ১৫-২০ দিন আগেই গাছ থেকে নামালে আসল স্বাদ আসবে না। টক ভাব থেকেই যাবে। রসাল হবে না। সুগন্ধি থেকেও ভোক্তা হবেন বঞ্চিত।
এরপর গোপালভোগ। অতি উৎকৃষ্ট এই জাতের আম পোক্ত হতে শুরু করে মে মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে। আমরা ধরে নিতে পারি, মে মাসের ২৫ তারিখের পর থেকে গোপালভোগ আম বাজারে এলে দোষের কিছু নেই। তবে যিনি গোপালভোগ আমের আসল সমঝদার, তিনি জুন মাসের ১ তারিখের আগে কখনোই এই উৎকৃষ্ট স্বাদের আমটি খেতে চাইবেন না। অথচ সাতক্ষীরা থেকে অপরিপক্ব গোপালভোগ আম জোর করে পাকিয়ে মে মাসের ১০-১২ তারিখেই ঢাকার বাজারে তোলা হয়।
ক্ষীরশাপাত বা হিমসাগর আম বাংলাদেশের অতি উৎকৃষ্ট জাতের আমগুলোর মধ্যে একটি। ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রামের মানুষ হিমসাগর আমের বড় ভোক্তা। হিমসাগরের প্রতি এদের দুর্বলতা যেন জন্মগত। হিমসাগর বা ক্ষীরশাপাত আম পোক্ত হতে শুরু করে জুন মাসের ১০-১২ তারিখের পর থেকে। ক্ষীরশাপাত কিংবা হিমসাগর আমের বনেদি ভোক্তারা জুন মাসের ১৫ তারিখের আগে কখনোই এই আম ক্রয় করতে উৎসাহী হবেন না। না হওয়াই উচিত। অথচ আশ্চর্যের বিষয়, মে মাসের ১৫ তারিখের মধ্যেই ঢাকার বাজারে ক্ষীরশাপাত আমের ছড়াছড়ি। বিক্রি হচ্ছে হিমসাগর বলে। ঢাকার নাগরিকদের দুর্বলতার জায়গায় প্রতারণা করে অপরিপক্ব আম খাওয়ানো হচ্ছে।
জুন মাসের ১৫ তারিখের আগে ল্যাংড়া আম বাজারে এলে সেই আম কখনোই কেনা উচিত হবে না। অতি উৎকৃষ্ট এবং দামি এই জাতের আম অপরিপক্ব অবস্থায় বেশি পয়সা খরচ করে কেনার কোনো যুক্তি নেই। ধারণা করছি, মে মাসের ২৫ তারিখের মধ্যেই শুরু হবে সাতক্ষীরা থেকে ল্যাংড়ার চালান আসা। এই আম খেতে মোটেই সুস্বাদু হবে না।
বাংলাদেশের আম ভোক্তাদের বিশেষ করে ঢাকা, কুমিল্লা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট জেলার অগণিত আম ভোক্তার অবগতির জন্য প্রাকৃতিক নিয়মে আম পরিপক্ব হওয়ার সময়পঞ্জি (ক্যালেন্ডার) দেওয়া হলো। ভোক্তা সচেতনভাবে সঠিক সময়ে তাঁর পছন্দের আমটি ক্রয় করতে পারলে বিষমুক্ত আমের প্রভাব থেকে নিজেকে ও পরিবারের অন্য সদস্যদের মুক্ত রাখতে সক্ষম হবেন।

মাহবুব সিদ্দিকী, লেখক ও গবেষক। প্রকাশিত গ্রন্থ আম।

Comment (0) Hits: 617
 

আমের জাত নিয়ে কিছু কথা

আম যে আমাদের ফলের রাজা এ নিয়ে বোধ করি কারও মতভেদ নেই। পাকা আমের কথা মনে হলেই কেমন জিভে পানি এসে যায়। কত রকমের আম যে আমাদের রয়েছে ভাবলে অবাক হতে হয়। দেশজুড়ে আমের জাত বৈচিত্র্য সত্যি সত্যি আমাদের বিস্মিত করে। আকার আকৃতি স্বাদে বর্ণে গন্ধে একেকটি আমের রয়েছে একেক রকম বিশিষ্টতা। পাকা আমের মৌসুমে সে এক আশ্চর্য মৌ মৌ করা গন্ধ চারপাশে। যত্রতত্র চোখে পড়ে নানা রকম পাকা আম। দুধ ভাতের সঙ্গে আমের রস মিশিয়ে দিয়ে সে যে এক ভুড়িভোজন তার কোন তুলনা হয় না। রসনা তৃপ্ত করে হাত ডুবিয়ে দুধে ভাতে রসে সে এক ভিন্ন রকম স্বাদ। আম যত মজাদার হয় এর স্বাদও তত বেড়ে যায়। আমের স্বাদের যে ভিন্নতা সেটি মূলত এর জাতের ওপর নির্ভরশীল। টক আর অতি মিষ্টি এবং এর মাঝখানে যত রকম স্বাদ রয়েছে সবই আমাদের আমের জাতগুলোতে রয়েছে। আমাদের পূর্ব পুরুষরা হাজার হাজার বছর ধরে নানা রকম আমের জাত বাছাই করে নিয়েছে। বংশপরম্পরায় এসব জাত বাড়ির আশপাশে বা ক্ষেতে খামারের আইলে রোপণ করে দিয়ে এদের সংরক্ষণ করে আসছে। এদেশের গ্রামেগঞ্জে কত ভিন্ন রকম আমের দেখা মেলে। নানা রকম নাম দিয়ে এদের একটা জাতের গাছকে অন্য জাতের গাছের থেকে আলাদা করে চেনানোর চেষ্টা সেই ছোটবেলায়ই লক্ষ করেছি। মনে আছে একটি গাছের আম অনেক ছোট ছিল বলে গাছটার নাম দেয়া হয়েছিল ‘টরি’ আমের গাছ। আমের গাঁয়ে সিঁথির সিদুরের মতো রঙ ছিল যেসব গাছের এদের নাম দেয়া হয়েছিল ‘সিঁদুরে’ আমের গাছ। একটি লম্বা আম গাছে আমও ধরত লম্বা লম্বা বলে এই গাছটিকে বলা হতো ‘লম্বা’ আমের গাছ। হতে পারে অন্য কোন বাড়িতে এক জাতের আমকে অন্য জাত থেকে আলাদা করতে হয়তো অন্য কোন নাম দেয়া হতো। এসব কোন কেতাবি নাম নয়। মুখে মুখে বলা নাম। এদের অধিকাংশ জাত হিসেবে খুব প্রসিদ্ধও নয় যে এসব নাম মুখে মুখে ছড়িয়ে যাবে। ভাবতে অবাক লাগে আমাদের পূর্ব পুরুষরা ১০-১২ হাজার দেশি জাতের ধানের প্রতিটিরই ভিন্ন ভিন্ন নাম দিলেও জনপ্রিয় ফল আমের ক্ষেত্রে প্রায়শই দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য স্থানীয় জাতের আমের সে রকম নামকরণ করা হয়নি। দিনে দিনে গ্রামেগঞ্জে আমের এই জাত বৈচিত্র্য এখন অবশ্য অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে। জ্বালানি সংগ্রহের কারণে এবং পতিত জমি আবাদের আওতায় নিয়ে আসায় অনেক গাছের মতো আম গাছের সংখ্যাও বহুলাংশে কমে এসেছে। তবে আমের অঙ্গজ বংশবিস্তার করার কৌশল রপ্ত করায় দেশের উত্তরাঞ্চলসহ অনেক স্থানেই মানুষ বাছাই করা জাতের আম চাষ শুরু করেছে অনেক দিন ধরেই। ফলে এখন স্থানীয় ভিন্ন রকম আমের তুলনায় বাছাই করা জাতের আম মৌসুমে বেশ পরিদৃষ্ট হচ্ছে। আমাদের দেশের জনপ্রিয় জাতের আমগুলোর কিন্তু সুন্দর সুন্দর নাম রয়েছে। এক নামে সারাদেশের মানুষ এদের চিনতে পারে। এসব জাতের একটা আলাদা কদর আর চাহিদা রয়েছে আমাদের কাছে। মৌসুমে এসব আম পেতে আমাদের ইচ্ছে করে। স্বাদে গন্ধে এসব জাতের কোন তুলনা হয় না। সে রকম জনপ্রিয় জাতগুলোর মধ্যে রয়েছেÑ ল্যাংড়া, গোপালভোগ, লক্ষণভোগ, মোহনভোগ, ক্ষীরপুলি, শাহী-পছন্দ, রাজভোগ, মির্জাপুরী, কিষাণভোগ, ফজলি, চসা, আশ্বিনা, খিরসা পাতি, হিমসাগর, অমৃতভোগ, রানী পছন্দ, কৃষ্ণভোগ, দিল পছন্দ, বোম্বাই (মালদা), সূর্যপুরী, মিসরীভোগ, শ্রীধন, গোলাপ খাস, বৃন্দাবনী, দিল খোশ, হাড়ি ভাংগা, কোহিতুর ইত্যাদি। বাংলাদেশে জন্মায় তেমন কিছু উৎকৃষ্ট জাতের মধ্যে রয়েছে লক্ষণভোগ, মোহনভোগ, ক্ষীরপুলি, শাহী-পছন্দ, রাজভোগ, মির্জাপুরী, অমৃতভোগ, রানী পছন্দ, কৃষ্ণভোগ, দিল পছন্দ, বৃন্দাবনী, দিল খোশ, হাড়ি ভাংগা, কোহিতুর ইত্যাদি। এদেশে আবাদ করা হচ্ছে তেমন অন্য জাতগুলো হল আশ্বিনা, বারমাসী ও কাঁচা মিঠা। আমের জাতের কিছু মনোহরা নামও আছে। কোহিনুর, চৈতালী, জাফরান, দিল খোস, দুধ কুমার, দুধসর, বাবুই ঝাঁকি, মধুচাকী, মিঠুয়া, শ্রাবণী, স্বর্ণরেখা, সুবর্ণরেখা, ক্ষীরপুলি ইত্যাদি। এদের কোন কোনটা দিন দিন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বাংলাদেশের প্রধান আম হল ফজলি। সব জাতের আম যখন শেষ হয়ে যায় তখন বাজারে আসে আঁশহীন, অতি সুস্বাদু এই জাতের বৃহদাকৃতির আম। বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় জাত হল ল্যাংড়া। সুগন্ধী, অতি সুমিষ্ট, আঁশহীন এই জাতটি আবার আগাম। মিষ্ট শাঁসযুক্ত সুস্বাদু আঁশহীন আর একটি প্রিয় জাতের আম হল গোপালভোগ। হিমসাগরও এদেশের আর একটি উৎকৃষ্ট জাত। এদের ফল রসাল, মিষ্টি ও আঁশবিহীন। কিষাণভোগ জাতটির শাঁস সুমিষ্ট ও সুগন্ধীযুক্ত। আশ্বিনা আম জাতটি দেখতে অনেকটা ফজলির মতো। গুণেমানে এটি ফজলির চেয়ে নি¤œমানের। এই আমের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল এটা বাংলাদেশের সবচেয়ে নাবি জাত। অন্য আম যখন থাকে না তখন স্বাভাবিকভাবেই এর কদর কিছুটা বাড়ে। ‘বারমাসী’ নামে আমের যে জাতটি রয়েছে এটিতে বছরে দুই-তিন বার আম ফলে। মোটামুটি সুস্বাদু এর আম। কাঁচা মিঠা জাতের আম কাঁচা অবস্থায়ই মিষ্টি বলে এ রকম নাম পেয়েছে। তবে পাকলেও মন্দ নয় এসব আম। আমের জাতের মধ্যে বেশ ছোট জাতের আম যেমন রয়েছে তেমনি বিশালাকৃতির কেজি ছুঁই ছুঁই বা কেজি ছাড়িয়ে যাওয়া আমও রয়েছে। অধিকাংশ স্থানীয় গুটি আমগুলো আসলে ছোট জাতের আম। এরা খুব একটা মাংসল নয়। এদের বীজটা ফলের বড় অংশ দখল করে নেয় বলে এসব জাতের আম খুব একটা লোভনীয় নয়। তবে এসব আম সহজেই মুখের ভেতর পুরে দেয়া সম্ভব হয়। তবে উন্নত জাতের জনপ্রিয় আমের অনেকগুলোর ফলও কিন্তু তুলনামূলকভাবে ছোটই বলা চলে। এসব জাতের আমের মধ্যে রয়েছে- ল্যাংড়া, খিরসা পাতি, বৃন্দাবনী, দুধিয়া, মিঠুয়া ইত্যাদি। মাঝারি আকৃতির জনপ্রিয় আমের জাতই আমাদের বেশি। গোপালভোগ, কিষাণভোগ, হিম সাগর, কোহিতুর, মোহনভোগ, মিসরীভোগ, বোম্বাই এসব হল মাঝারি ধরনের আম জাত। বড় আকৃতির আমের মধ্যে ফজলি অন্যতম। এর আরেক নাম মালদা। এটি বাংলাদেশে একটি অতি জনপ্রিয় জাতের একটি। মাঝারি থেকে বড় আকারের আমের মধ্যে রয়েছে হাড়ি ভাংগা, মোহনভোগ, মিসরীভোগ এসব আম। হাড়ি ভাংগা আমগুলো ফজলি আমের মতো লম্বাটে নয়। বরং এরা বেশ খানিকটা গোলাকৃতি ধরনের। বড় বেশি মাংস এদের বীজের চার পাশে। খুবই আশু জাতীয় আম হল দুধিয়া। এটি মে মাসেই পেকে যায়। মৌসুমের শুরুতেই বাজারে যেসব আম আসে সেসব জাত হল গোপালভোগ, মহানন্দা, খিরসা পাতি, কোহিতুর, বৃন্দাবনী, মিঠুয়া। এসব আম মৌসুমের শুরুতেই জুন মাসে পাকে বলে এদের আশু জাত বলা হয়। মাঝারি মৌসুমের জাতগুলো হল কিষাণভোগ, ল্যাংড়া, হিমসাগর, বোম্বাই, মোহনভোগ, মিসরীভোগ। এরা মধ্য জুন থেকে জুলাই মাসের মধ্যে পাকে। আমের মৌসুমের শেষ দিকে বাজারে আসে ফজলি, আম্রপালি, আশ্বিনা, ল্যাংড়া, শ্রীধন এসব জাতের আম। মধ্য জুলাই থেকে আগস্ট সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এরা পাকে। ফজলি, চসা, ল্যাংড়া কিংবা হিমসাগর আমাদের দেশের মতো ভারতেও বেশ জনপ্রিয় ও বাণিজ্যিক আম জাত। ভারতের কেবল পশ্চিমবঙ্গে এদের পাওয়া যায় তা কিন্তু নয় বরং পশ্চিম বাংলাসহ আরও ১১টি রাজ্যে এদের কোন কোনটা অত্যন্ত জনপ্রিয় জাত। ফজলি আম বিহার, হরিয়ানা, মধ্য প্রদেশ ও পশ্চিম বাংলায় আবাদ করা জাত। চসা জাতটি বিহার, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, পাঞ্জাব, রাজস্থান এবং উত্তর প্রদেশের একটি বাণিজ্যিক জাত। হিমসাগর জাতটির আবাদ করা হয় বিহার ও পশ্চিম বঙ্গে। আম্রপালী জাতটি দিন দিন আমাদের দেশে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এটি ভারতের একটি জনপ্রিয় জাত। ভারতের বিহার এবং উত্তর প্রদেশে এই জাতটির আবাদ করা হয়। এটি আসলে আম প্রজনন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে উদ্ভাবিত একটি জাত। ‘দেশারী’ আর ‘নিলাম’ নামক দুটি ভারতীয় জাতের মধ্যে পরাগ সংযোগ ঘটিয়ে তৈরি করা হয়েছে আম্রপালী জাতটি। ছোট খাটো আম্রপালী গাছে লম্বা বোঁটায় ঝুলে থাকে অনেকগুলো আম। প্রতি বছরই এ জাতের গাছে ফুল ফোটে বলে সব মৌসুমেই আম পাওয়া যায়। গাছের আকার আকৃতি ছোট বলে নির্ধারিত স্থানে অনেক বেশি সংখ্যক গাছ লাগানো যায়। পাকা আমের আকৃতি মাঝারি, মাংস গাঢ় কমলাবর্ণ, বেশ মিষ্টি আর আঁশবিহীন। আমাদের দেশেও কিন্তু শুরু হয়েছে নতুন জাত সৃষ্টির কর্মকাণ্ড। যদিও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের আম গবেষণা কেন্দ্রে এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলের জার্মপ্লাজম কেন্দ্রে দেশ বিদেশ থেকে সংগৃহীত জাত থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে বাছাই করা উত্তম আমের জেনোটাইপকে নতুন জাত হিসেবে অবমুক্ত করার রেওয়াজ এখনও চলছে, তবু এখন আম গবেষণা কেন্দ্রে ক্রস ব্রিডিং পদ্ধতিতে আম উন্নয়নের কাজও চলছে। আমের ক্রস ব্রিডিংয়ের উদ্দেশ্য হল নিয়মিত প্রতি বছর এবং ছোট খাটো প্রকৃতির গাছেই যেন আম ধরে সে রকম জাত উদ্ভাবন। খর্বাকৃতি আম গাছ, মাংসের পরিমাণ অধিক, মাংস আঁশবিহীন, বড় ফল এবং মাংস লাল, আমের সংরক্ষণ মান ভালো এমনি কত রকম লক্ষ নিয়ে চলে আমের জাত উদ্ভাবনের কাজ। অনেক আমের মঞ্জুরি ব্যবহার করে ক্রস ব্রিডিং করতে হয়। তবে প্রতি মঞ্জুরির অল্প কয়েকটি ফুলে ক্রসিং সম্পন্ন করলে কৃতকার্য হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। আম গবেষণা কেন্দ্র বারি আম ৪ নামক একটি জাত দুইটি জাতের মধ্যে ক্রসের মাধ্যমে উদ্ভাবন করেছে। আরও জাত তৈরির কর্মকাণ্ড সেখানে চলছে। আমের চারা লাগানোর তিন চার বছর পর কলমের চারা থেকে পাওয়া গাছে প্রথম ফল ধরে। অথচ কোন একটি জাত সত্যি সত্যি উত্তম জাত কিনা ফল ধরার আগেই এটি আম চাষির জানতে ইচ্ছে করে। আম প্রজননের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের জন্যতো এটি জানা একটি আবশ্যিক বিষয়। বিজ্ঞানীরা অবশ্য নানা রকম গবেষণা থেকে গাছে আম ধরার আগেই কিছু বিজ্ঞানসম্মত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আম জাতের উৎকৃষ্টতা যাচাই করার কিছু কৌশল উদ্ভাবন করেছেন। এসব কৌশল হল যে আম জাতের পাতার গন্ধ উত্তম এর ফলের গন্ধও সুমিষ্ট হয়। যে জাতের আম গাছে ফল ধারণ অবস্থায়ই বা আম সংগ্রহের শেষেই প্রতি বছর নতুন করে পাতা গজায় সে জাত প্রতি বছরই ফল দিতে সক্ষম। পাতার প্রতি একক ক্ষেত্রে নিম্ন সংখ্যক পত্ররন্ধ্র গাছটির খর্বাকৃতির হওয়ার লক্ষণ প্রকাশ করে। আম গাছের শীর্ষ কুঁড়িতে অধিক ফেনোলিকের উপস্থিতি আম গাছের কম তেজ এবং গাছটির খর্বাকৃতির হওয়ার আর একটি লক্ষণ। ভারতে এক হাজারের মতো আমের জাত রয়েছে। আমাদেরও দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভালো মন্দ অনেক জাত রয়েছে। দেশের নানা অঞ্চল থেকে এসব জাত সংগ্রহ করার পাশাপাশি ভারতের আম জাত প্রবর্তন করে শুধু বাছাই করেই এখনও অনেক আম জাত উদ্ভাবনের সুযোগ রয়েছে। মানুষের ভিন্নতর চাহিদার বিষয়টিকে মাথায় রেখে আমাদের নতুন নতুন জাত উদ্ভাবনের কাজও চলবে। চলবে বিদ্যমান বৈচিত্র্যপূর্ণ জাতগুলোর সংরক্ষণের মাধ্যমে আমের জাত উন্নয়নের কাজও। সে কাজ আসলে এখন চলছেও আম গবেষণা কেন্দ্রে। আমাদের বিজ্ঞানীরা আমাদের রুচি আর চাহিদার খবরটিও রাখেন। সেই নিরিখেই চালিয়ে যাচ্ছেন তারা গবেষণা কর্মকাণ্ড। সূত্র : কৃষিকথা।
লেখক : প্রফেসর, কৌলিতত্ত¡ ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগ এবং প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭

Comment (0) Hits: 948

আম গাছ নাকি বিধর্মী গাছ

আম গাছ কে দেশের জাতীয় গাছ হিসেবে ঘোষনা দাওয়া হয়েছে। আর এরই প্রতিবাদে কিছুদিন আগে এক সম্মেলন হয়ে গেলো যেখানে বলা হয়েছে :-"৮৫% মমিন মুসলমানের দেশ বাংলাদেশ। ঈমান আকিদায় দুইন্নার কুন দেশেরথে পিছায় আছি??

আপনেরাই বলেন। অথচ জালিম সরকার ভারতের লগে ষড়যন্ত কইরা আমাগো ঈমানের লুঙ্গি ঢিলা কইরা দিতেছে। জাতিয় গাছ ঘোষনা করছে। তাও করছে আম গাছ নামের কোন এক বিধর্মী ইহুদী নাসারা গাছরে।এইটা উচিত হইছে? আপনেরাই কন!

এরম বিধর্মী একটা গাছরে জাতিয় বৃক্ক করন মানে সোজা মুনাফেকি করা। এইটার একটা জেহাদী ব্যাবস্থা নিতেই হবে। জালিম সরকার আম গাছ এর মত মুনাফিক মুশরিক ইহুদী-নাসারা গাছরে জাতিয় গাছ ঘোষনা দিয়া চরম নাফরমানি কাম করছে। এইটার একটা বিহীত করনই লাগব।

তাই আসেন মমিন মুসলমান ভাইয়েরা, খেজুর গাছরে নিয়া একটা জেহাদ করি। এই জালিম সরকারের মুনাফেকির দাত ভাঙ্গা জবাব দিতেই হবে।"

Comment (0) Hits: 642
মালদার আমের কদর দেশজোড়া। কিন্তু বিশ্ববাজারে? সেদিকে নজর রেখেই এবার দিল্লির আম উত্সবে যাচ্ছে মালদা আর মুর্শিদাবাদের বাছাই করা আম। শনিবারই দিল্লি পাড়ি দিচ্ছে চব্বিশ মেট্রিক টন আম।  হিমসাগর, গোলাপখাস থেকে ফজলি। মালদার আমের সুখ্যাতি গোটা দেশে। যেমন স্বাদ, তেমনি গন্ধ। ...
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থেকে চলতি মৌসুমে আম বিদেশে রপ্তানির লক্ষ্যে উপজেলার মাহমুদপুর ফলচাষী সমবায় সমিতি লিমিটেডের বাগানিরা আম বাগানের নিবিড় পরিচর্যা শুরু করেছে । উপজেলা কৃষি অধিপ্তরের সহায়তায় বিষ মুক্ত ও রপ্তানীযোগ্য আম উৎপাদনের জন্য তারা সেক্স ফেরোমন ফাঁদ ও ফ্রুট ব্যাগিং ...
দেশেই তৈরি হচ্ছে ফ্রুটব্যাগ বাড়ছে চাহিদাদেশেই তৈরি হচ্ছে ফ্রুটব্যাগ বাড়ছে চাহিদা বিষমুক্ত ও ভালো মানের আম উৎপাদনে ফ্রুটব্যাগ পদ্ধতি বেশ কার্যকর। এত দিন আমদানিনির্ভর হলেও দুই বছর ধরে এটি দেশেই তৈরি হচ্ছে। আর এ ব্যাগ তৈরি হচ্ছে আম উৎপাদনের জন্য প্রসিদ্ধ জেলা ...
আমে ফরমালিন আর কার্বাইডের ব্যবহার নিয়ে দেশে যখন ব্যাপক হইচই হচ্ছে, এর নেতিবাচক প্রচারের অনেক ভোক্তা সুস্বাদু এই মৌসুমি ফল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। ব্যবসায়ীরাও মাঠে নেমেছেন কম। আমের বাজারে চলছে ব্যাপক মন্দা। এই সময়ে শাহ কৃষি জাদুঘর এবার ফরমালিন-কার্বাইড তো দূরের কথা, কোনো ...
গাছ ফল দেবে, ছায়া দেবে; আরও দেবে নির্মল বাতাস। আশ্রয় নেবে পাখপাখালি, কাঠ বেড়ালি, হরেক রকম গিরগিটি। গাছ থেকে উপকার পাবে মানুষ, পশুপাখি, কীটপতঙ্গ– সবাই। আর এতেই আমি খুশি। ঐতিহাসিক মুজিবনগর আম্রকাননে ছোট ছোট আমগাছের গোড়া পরিচর্যা করার সময় এ কথাগুলো বলেন বৃক্ষ প্রেমিক জহির ...
দেশের বাজারে নতুন হ্যান্ডসেট নিয়ে আসলো ম্যাংগো। এটি দেশীয় প্রতিষ্ঠান। ম্যাংগো ১১ টি মডেলের হ্যান্ডসেট নিয়ে এসেছে। এগুলোর মধ্যে ৫টি স্মার্টফোন এবং ৬ টি ফিচার ফোন। এর একটি মডেলের নাম ফজলি। এটি ফিচার ফোন। আজ রাজধানীর একটি হোটেলে ম্যাংগো অনুষ্ঠানিকভাবে ফোনগুলো অবমুক্ত করে। ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২