Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

রাসায়নিক মুক্ত আম চেনার উপায় জেনে নিন

বাজারে চলে এসেছে কাঁচা আম। কিছু দিন পর পাওয়া যাবে রসাল পাকা আম। আর আমের প্রতি সকলের টান স্বাভাবিকভাবেই আছে। কারণ স্বাদের পাশাপাশি আমাদের শরীরের জন্য আমের উপকারিতাও রয়েছে। কিন্তু যুগটা যেহেতু ভেজালের, তাই বাজারের সব আমই যে গাছপাকা, তা কিন্তু নয়। বরং রাসায়নিক পদার্থ দিয়েও পাকানো হচ্ছে আম। ফলে আম যেখানে শরীরের জন্য উপকারী হওয়ার কথা সেখানে ফরমালিন, কার্বাইড মিশ্রিত হওয়ায় তা হয়ে উঠছে শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

আজ আসুন আমরা জেনে নেই রাসায়নিক মুক্ত আম চেনার কিছু সহজ উপায়। শুধু আমের মজা নিলেই হবে না। নিজের ও নিজের পরিবারের স্বাস্থ্যের কথাও চিন্তা করতে হবে।

সুতরাং আম কেনার সময় আপনাকে সচেতন থাকতে হবে যে, তা রাসায়নিক মুক্ত কিনা। কিন্তু কীভাবে বুঝবেন? জেনে নিন কয়েকটি উপায়।

. আমের ওপরে মাছি বসছে কিনা দেখুন। রাসায়নিক থাকলে মাছি বসবে না।

. গাছপাকা আম হলে দেখবেন, আমের গায়ে সাদাটে ভাব থাকে। কিন্তু ফরমালিন বা অন্য রাসায়নিকে চুবানো আম হয় ঝকঝকে সুন্দর ও পরিস্কার।

. গাছপাকা আমের ত্বকে দাগ থাকে। রাসায়নিকে পাকানো আমের গা হয় দাগহীন। কারণ, কাঁচা অবস্থাতেই পেড়ে ওষুধ দিয়ে পাকানো হয়।

. আম মুখে দেয়ার পর যদি দেখেন যে কোনও সৌরভ নেই, কিংবা আমে টক/মিষ্টি কোনও স্বাদই নেই, বুঝবেন যে আমে ওষুধ দেয়া।

. আম কেনা হলে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এমন কোথাও রাখুন যেখানে বাতাস চলাচল করে না। গাছ পাকা আম হলে গন্ধে মৌ মৌ করবে চারপাশ। ওষুধ দেয়া আমে এই মিষ্টি গন্ধ হবেই না।

. গাছপাকা আমের গায়ের রঙও আলাদা। গোঁড়ার দিকে একটু গাঢ় রঙ। রাসায়নিক দেওয়া আমের আগাগোড়া হলদে রঙ হয়ে যায়।

. হিমসাগরসহ আরো বেশ কিছু জাতের আম পাকলেও সবুজ থাকে। গাছপাকা হলে এসব আমের ত্বকে বিচ্ছিরি দাগ পড়ে। রাসায়নিক দিয়ে পাকানো হলে আমের ত্বক হয় মসৃণ ও সুন্দর।

. আম কেনার আগে নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুঁকুন। গাছপাকা আম হলে অবশ্যই বোঁটার কাছে চেনা গন্ধ পাবেন। ওষুধ দেওয়া আমে গন্ধ খুব বেশি থাকে না কিংবা বাজে বা ঝাঁঝালো গন্ধ থাকে।

Comment (0) Hits: 925
 

পাকা আম সংরক্ষণের উপায়

পাকা আমের মধুর রসে মন হারাতে চায় সবার। আবার স্বাদের ভুবনে ভিন্নতাও খোঁজে। এদিকে রসে ভরপুর আমের পুষ্টিগুণ শরীরকে রাখে নানা রোগব্যধি থেকে মুক্ত। রসে ভরা টুসটুসে আমের স্বাদ যতই নিন না কেন, তার প্রতি আগ্রহ কমে না কিছুতেই।    বাড়ির ছোট্ট সোনামনিও আম বা আমের জুস খেতে খুবই পছন্দ করে। তাই অনেক বার চেষ্টা করেছেন ফ্রিজে আম সংরক্ষণের, সেখানে হয়েছেন ব্যর্থ। আস্ত আম রেখে কিছুদিন যেতে না যেতেই খাবারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সব আম।     এছাড়া পচনশীল হওয়ায় ফ্রিজের বাইরে আম সংরক্ষণের কথা তো ভাবায় যায় না। বাজারে বতলজাত যে আমের জুস পাওয়া যায় তার অধিকাংশই কেমিক্যালযুক্ত ফ্লেভার মাত্র, যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। তাহলে সারা বছর পাকা আমের আসল স্বাদ নেয়ার উপায় কি? আছে, সামান্য কৌশলেই সারাবছর পেতে পারেন পাকা আমের স্বাদ। আসুন শিখে নেয়া যাক।   * প্রথমে যে পাকা আমগুলো সংরক্ষণ করবেন তা বাছাই করুন। * এবার ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন। * বড় একটি পরিষ্কার গামলায় রেখে খোসা ছাড়ানো আম আটি ছাড়িয়ে জুস করে নিতে হবে। * আমের জুস থেকে আটি আলাদা করে পছন্দের বক্স ভরে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন।     * ছোট ছোট পাত্রে এমন পরিমাণ আমের জুস রাখতে হবে যা বের করে একবারে খাওয়া যায়। তাহলে আপনার জন্যই সুবিধা হবে। * এবার সারা বছর থাকুন নিশ্চিন্তে। স্বাদের কোনোরকম পরিবর্তন ছাড়াই সারা বছর পাকা আম খান।   যখনই আম খেতে মন চাইবে তখনই বের করে নিন এক বক্স আম। এবার তা ব্লেন্ডার ব্লেন্ড করে জুস বা মিল্ক শেক তৈরি করে খেতে পারেন।

Comment (0) Hits: 600
 

আম সংরক্ষণের পদ্ধতি

সঠিক উপায়ে আম সংরক্ষণ না করলে ভালো আম কেনা সত্ত্বেও নিমিষেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে আপনার প্রিয় আমগুলো। তাই আসুন, আম সংরক্ষণের সঠিক উপায়গুলো জেনে নেইঃ     ১. আম কেনার পর যত দ্রুত সম্ভব ব্যাগ থেকে বের করে ফেলতে হবে। হোম ডেলিভারী সার্ভিস বা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে আম আসলে আম হাতে পাবার পরপরই যত দ্রুত সম্ভব বক্স/প্যাকেট থেকে বের করে ফেলতে হবে ।   ২. সরাসরি মেঝেতে না রেখে পরিষ্কার খড়, চটের বস্তা বা পেপার বিছিয়ে তার উপরে আম রাখতে হবে ।   ৩. আম রাখার সময় কোনোভাবেই যেন আমের কোনো অংশে আঘাত না লাগে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। আমের কোন অংশে আঘাত লাগলে সেই অংশ কালো হয়ে পচন ধরে ফলে আঘাতপ্রাপ্ত অংশ খাবার উপযোগী থাকে না ।   ৪. ছায়া যুক্ত স্থানে যেখানে রোদ পরে না এমন স্থানে আম রাখতে হবে ।  ৫.ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আম সংরক্ষণ করতে হবে।  ৬. ভাল আম পাকার পরে হলুদ রঙ হবে, কখনো সাদা রঙ হবে না ।  ৭. আম পেকেছে কিনা তা জানতে হাতে নিয়ে টিপে দেখা ঠিক না নাকে শুকে পরীক্ষা করতে হয় ।  ৮. ভাল মিষ্টি আম কাচা অবস্থায় খুব বেশি টক থাকে । তাই আম পাকার সঠিক সময়ের আগে খেলে অবশই টক লাগবে ।  ৯. আমের বোঁটার কাছে আমের যে আঠা জমে থাকে তা না ধুয়ে খেলে মুখ চুলকাতে পারে, এমনকি চুলকানোর স্থানে ঘা এর মতো হতে পারে। তবে এটা জটিল কিছু না বরং অল্প কিছুদিনের মধ্যেই সেরে যায়।     ১০। কাঁচা আম রেফ্রিজারেটরে না রাখাই উত্তম। এতে করে আম পাকে না এবং কাঁচা অবস্থাতেই চুপসে যায়। তবে একান্ত কাঁচা আম খেতে চাইলে রাখা যেতে পারে।     ১১। তুলনামূলক পাকা ও নরম আমগুলো বাছাই করে আগে খাওয়া উচিৎ।     ১২। আম বহনের ক্ষেত্রে পলিথিন ব্যবহার করা মোটেই ঠিক নয়।     ১৩। আমের পরিমাণ বেশী হলে বাঁশের ঝুড়িতে আম বহন না করে শক্ত কাগজের কার্টুন, কাঠের বাক্স বা প্ল্যাস্টিকের ক্যারেট-এ বহন করা উচিৎ।     ১৪। দীর্ঘদিন ধরে পাকা আম সংরক্ষণ করতে চাইলে আম কেটে এর খোসা ও আঁটি ছাড়িয়ে বাকি খাদ্যাংশ টুকু ব্লেন্ডার মেশিনে ব্লেন্ড করে একটি বাটিতে রেখে রেফ্রিজাটরে সংরক্ষণ করা যেতে পারে। এভাবে সংগৃহীত আম দীর্ঘদিন ধরে রাখা যায়।

Comment (0) Hits: 1193

কার্বাইড কী?

ক্যালসিয়াম কার্বাইড এক ধরণের রাসায়নিক পদার্থ। এটি এক ধরনের যৌগ যা বাতাসে বা জলীয় সংস্পর্শে এলেই উৎপন্ন করে এসিটিলিন গ্যাস। যা ফলে প্রয়োগ করলে এসিটিলিন ইথানল নামক বিষাক্ত পদার্থে রুপান্তরিত হয়।

 

 

আপনি জান গ্রামে গন্জে যেখানে যত রিমোট এরিয়া আছে, কাউকে জিজ্ঞাসা করেন - ভাই কার্বাইড কি ? দেখবেন বলে দিয়েছে । মানে এমন অনেক অশিক্ষিত লোক পাবেন যারা আম , কলা পাকানোর কেমিক্যাল কার্বাইড চেনে । ফার্ষ্ট ওয়ার্ল্ডে এমন শিক্ষিত লোকও মনে হয় পাওয়া যাবেনা । কার্বাইডের পুরা নাম হল ক্যালসিয়াম কার্বাইড । এটা মূলত ব্যবহার হয় কারখানায় গ্যাস ঝালাইয়ের কাজে ।

এই যৌগের মধ্যে ক্যালসিয়াম সক্রিয় মৌলগুলোর মধ্যে অন্যতম । এর পারমানবিক সংখ্যা ২০। মানে ক্যালসিয়ামের একটি সক্রিয় যৌগ হলো ক্যালসিয়াম ও কার্বন নিয়ে গঠিত ক্যালসিয়াম কার্বাইড। এই রাসায়নিক পদার্থটিতে দুটি ক্ষতিকারক পদার্থ আর্সেনিক এবং ফসফরাস থাকে । মানে নলকূপ চেপে আপনার আর্সেনিক খাওয়ার কোনই দরকার নাই । খাবারের ভেজালের কারনে আপনি তা বিনা চেষ্টায় পাচ্ছেন ।

ইহা শুধু আমাদের স্বাস্থহানি নয় সুযোগ পাইলে জীবনও বিপন্ন করতে পারে। এবং আমি শুনছি এর ক্ষতি জেনেটিক কোডের মধ্যে মেসেজ ক্যারি করে যা বংশ পরম্পরায় চলে । মানে আপনার কার্বাইড খাওয়ার জন্যে আপনার সন্তান কার্বাইড যদিও না খায় ( অ্যাকসিডেন্টলী - কারন এই দেশে থাকবে কার্বাইড খাবেনা -- তাতো আর সম্ভব না ) এর এফেক্ট পাবে ।

কার্বাইড ব্যবহারের প্রথমেই এতে একটু পানির ছিটা দিতে হয়। আর ক্যালসিয়াম কার্বাইড জলীয় সংস্পর্শে এলেই অ্যাসিটিলিন গ্যাস নির্গত করে, যা পাকানোর সময় ফলের সাথে মিশে ক্ষতিকর ইথাইলিনে রূপান্তরিত হয়। অ্যাসিটিলিন ইথাইলিনে রূপান্তরিত হলে ফল খুব শিগগিরই পাকতে শুরু করে ।

মাত্র ১০-১২ ঘন্টায় কস্টি কাচা কলা পেঁকে লাল হয়ে যাবে । সন্ধ্যায় বা বিকালে কলা পেড়ে কার্বাইড মারলে সকালে বাজারে পাকা কলা নিয়ে হাজির হওয়া যায় ।

কলার কাঁদির নিচে কেরোসিনের ষ্টোভ জ্বালিয়ে হিট দিয়ে কলা পাকানো হচ্ছে। কেমিক্যাল মেশানো পানি ফলের গায়ে ছিটিয়ে দেয়া হচ্ছে । হিট দিয়ে পাকানো কলার ভেতরের অংশ শক্ত হয়ে পড়ছে। এসব কলা একেবারেই স্বাদহীন । আবার আমে কার্বাইড দেয়ার ফলে আমের কষ ও ঘামের সঙ্গে এ পদার্থ মিশে তৈরি হচ্ছে এসিটাইলিন গ্যাস । এ গ্যাস তাপ সৃষ্টি করছে । এ তাপের ফলে ১২ ঘণ্টার মধ্যে পেকে যাচ্ছে আম । আম,কলার দামের সাথে যোগ হচ্ছে এই কেরোসিন আর কার্বাইডেরও দাম ।

আম কলা পেপে কি না পাকানো হচ্ছে কার্বাইড দিয়ে ? আনারস বর করার জন্যে হরমোন ইনজেকশন হাকানো হচ্ছে আর তো কার্বাইড । এই অশিক্ষিত লোকেরা এই বিদ্যা পেল কোথায় আর এত কার্বাইড পায় কোথায় ? কারা দেয় ? খাবারে কার্বাইড মিশালে লাভ কার ?

সাধারণত খাদ্যবিজ্ঞানে ফলমূল পাকানোর জন্য কার্বাইড ব্যবহারের অনুমোদন আছে, তবে সেটারও মাত্রা আছে । অর্থাৎ ওই পরিমাণ কার্বাইড ব্যবহার করলে সাধারণত স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকবে না । তাছাড়া কার্বাইড ছাড়া ফলমূল পাকালে তা তাড়াতাড়ি পঁচে যায় বলে পৃথিবীতে পরিমিত কার্বাইড ব্যবহারের আইন আছে।

Comment (0) Hits: 753
মালদার আমের কদর দেশজোড়া। কিন্তু বিশ্ববাজারে? সেদিকে নজর রেখেই এবার দিল্লির আম উত্সবে যাচ্ছে মালদা আর মুর্শিদাবাদের বাছাই করা আম। শনিবারই দিল্লি পাড়ি দিচ্ছে চব্বিশ মেট্রিক টন আম।  হিমসাগর, গোলাপখাস থেকে ফজলি। মালদার আমের সুখ্যাতি গোটা দেশে। যেমন স্বাদ, তেমনি গন্ধ। ...
আম ছাড়া মধুমাস যেন চিনি ছাড়া মিষ্টি। বছর ঘুরে এই আমের জন্য অপেক্ষায় থাকে সবাই। রসালো এ ফলের জন্য অবশ্য অপেক্ষার পালা এবার শেষ হয়েছে। রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে বুধবার থেকে শুরু হয়েছে আম পাড়া। এর আগে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার কারণে আমের রাজধানীতে এতদিন আম পাড়া বন্ধ ছিল। তাইতো ...
দেশেই তৈরি হচ্ছে ফ্রুটব্যাগ বাড়ছে চাহিদাদেশেই তৈরি হচ্ছে ফ্রুটব্যাগ বাড়ছে চাহিদা বিষমুক্ত ও ভালো মানের আম উৎপাদনে ফ্রুটব্যাগ পদ্ধতি বেশ কার্যকর। এত দিন আমদানিনির্ভর হলেও দুই বছর ধরে এটি দেশেই তৈরি হচ্ছে। আর এ ব্যাগ তৈরি হচ্ছে আম উৎপাদনের জন্য প্রসিদ্ধ জেলা ...
রাজধানীর মালিবাগের আবদুস সালাম। বয়স ৭২ বছর। তার চার তলার বাড়িতে রয়েছে একটি দুর্লভ ‘ছাদবাগান’। শখের বসে এ বাগান করেছেন। বছরের সব ঋতুতেই পাওয়া যায় নানা ধরনের ফল। এখনো পাকা আম ঝুলে আছে ওই ছাদবাগানে। শুধু আম নয়, ৫ কাঠা ওই বাগানজুড়ে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ফুল, ফলসহ অন্তত ১০০ ...
প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন দেশের পর্যটকেরা ভারতে আসা যাওয়া করেছেন। তাদের বিবেচনায় আম দক্ষিন এশিয়ার রাজকীয় ফল। জগৎ বিখ্যাত পর্যটক ফাহিয়েন, হিউয়েন সাং, ইবনে হাষ্কল, ইবনে বতুতা, ফ্লাঁয়োসা বর্নিয়ের এরা সকলেই তাদের নিজ নিজ কর্মকান্ড ও লেখনির মাধ্যমে আমের এরুপ উচ্চ গুনাগুনের ...
অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড কাউন্টির ছোট্ট শহর বাউয়েন। ছোট এ শহরের বড় গর্ব একটা আম। আমটি নিয়ে বাউয়েন শহরের মানুষেরও গর্বের শেষ নেই। লোকে তাদের শহরকে চেনে আমের রাজধানী হিসেবে। ৩৩ ফুট লম্বা, সাত টন ওজনের বিশাল এই আমের পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার লোকের অভাব হয় না। তবে দিনকয়েক আগে ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২